ইনসাইড পলিটিক্স

হঠাৎ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের রুদ্ধদ্বার বৈঠক

প্রকাশ: ০২:৪২ পিএম, ০৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে সোমবার (৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে অন্যান্য দিনের মতো এদিন সংবাদ সম্মেলনটি খুব একটা দীর্ঘ হয়নি।

পরে সংবাদ সম্মেলন শেষ করে দপ্তর কক্ষে চলে যান ওবায়দুল কাদের। ওই কক্ষে আগে থেকে উপস্থিত ছিলেন সরকারের শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

এসময় সোয়া ১টার দিকে দপ্তর কক্ষে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দুই মন্ত্রীকে নিয়ে বৈঠকে বসেন। এক ঘণ্টার বৈঠক শেষে দুপুর ২টা ১২ মিনিটে দপ্তর কক্ষ ত্যাগ করেন মন্ত্রীরা। প্রথমেই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বের হন। তবে তিনি এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। পরে বেরিয়ে আসেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনিও গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চলমান আন্দোলনের পরিস্থিতি ও করণীয় সম্পর্কে জানতে মন্ত্রীদের ধানমন্ডিতে ডাকেন। সেখানে নতুন করে আন্দোলন দানা বাঁধা, আন্দোলনে বিএনপির সমর্থন দেওয়া, শিক্ষকদের আন্দোলনও একই সময় হওয়া, পরিস্থিতির পর্যালোচনা এবং ইস্যুটি কোন দিকে যেতে পারে—এসব বিষয় আলোচনায় উঠেছে। তবে এ নিয়ে বৈঠকে অংশ নেওয়া কেউ কোনো কথা বলেননি।

বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। যে বিষয়গুলো আলোচনা করেছি, আসলে সেগুলো নিয়ে এই মুহূর্তে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনার করার মতো বিষয় না।’

কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে নওফেল বলেন, ‘আদালতে যে বিষয়টি বিচারাধীন, আমরা সে বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করব না। সেটা আদালতের বিষয়। আমাদের অবস্থান হচ্ছে, যেহেতু আদালতে যে বিষয়টি বিচারাধীন সে বিষয়ে আমরা মন্তব্য করব না। অপেক্ষা করতে হবে। সরকার তো আপিল করেছে। সুতরাং, আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করব না।’

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকেদের তিনি বলেন, ‘সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাজনৈতিক, সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে, এটা রুটিন একটা বিষয়।’

কোটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আলী আরাফাত বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্দিষ্ট একটা বা দুইটা বিষয় নিয়ে নয়। সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আজকের বসার বিষয়টা আপনারা জেনেছেন—এই বসাটা নিয়মিত। একটা আমরা নিয়মিত বসি। বিভিন্ন জায়গায় বসা হয়।’

এর আগে, আজ সোমবার দুপুরের সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালত উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে নিশ্চয়ই একটা চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন। উচ্চ আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে এবং কোনো প্রকার উত্তেজনা, রাস্তাঘাট বন্ধ করে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি পরিহার করা উচিত। বিশেষত এইচএসসি পরীক্ষার্থী-অভিভাবকদের অসুবিধা হয় যে কর্মসূচিতে, সে ধরনের কর্মসূচি পরিহার করা দরকার।


ওবায়দুল কাদের   রাজনীতি   সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মাঠে বিএনপি-জামায়াত, এক দফা দাবিতে স্লোগান

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে আসলে বিএনপি-জামায়াত মাঠে নেমেছে। আজ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদেরকে দেখা গেছে। কয়েকটি স্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছিল বটে কিন্তু বেশিরভাগ স্থানেই বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা রাজপথে মারমুখী আচরণ করেছেন।

স্পষ্টতই লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোটা আন্দোলন এখন আর আর সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে নেই। এটি এখন রাজনৈতিক আন্দোলনের রূপ গ্রহণ করেছে। আর এই রাজনৈতিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। 

বিএনপি গতকালই তার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নির্দেশ দিয়েছিল যে, তাদের কর্মীরা যেন মাঠে নেমে। শুরু থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছিল। গতরাতে যাত্রাবাড়িতে হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তা বিএনপির ক্যাডারদের সংঘটিত বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও, আজ দিনভর বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি-জামায়াত। উত্তরায় বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং এই সহিংসতায় পুরো পরিকল্পনা করেছে ছাত্রশিবির। 

অন্যদিকে, ধানমণ্ডি এলাকায় বিএনপি এবং শিবিরের ক্যাডারদেরকে দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মূলত আন্দোলন করেছে মহাখালী, বাড্ডা এবং সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায়। কিন্তু বাকি ঢাকা শহরে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তার পুরো নেতৃত্ব ছিল বিএনপি এবং জামায়াতের হাতে। 

সবচেয়ে বড় কথা হলো যে, মারমুখী আচরণ এবং যেকোনো মূল্যে লাশ ফেলে দেওয়ার একটা ভয়ঙ্কর প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঢাকা শহরে ১৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে, মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ লাশের আন্দোলনের ওপর ভর করে বিএনপি-জামায়াত এখন একদফা আন্দোলন বাস্তবায়িত করতে চাইছে। 

ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে যে, বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ থেকে যে সমস্ত নেতাকর্মীরা মাঠে নেমেছিল তারা সকলেই একদফার পক্ষে স্লোগান দিয়েছে এবং আক্রমণাত্মক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন সময়ে বিএনপির পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে আওয়ামী লীগ যে অবস্থান গ্রহণ করে সেই অবস্থান লক্ষ্য করা যায়নি। আওয়ামী লীগ আগে বিএনপির হরতাল বা সমাবেশে বা বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচিতে প্রত্যেকটি মোড়ে মোড়ে অবস্থান গ্রহণ করতো এবং শক্তি প্রদর্শন করতো। এর ফলে, বিএনপিও একটু চাপের মধ্যে থাকতো। কিন্তু আজকে ঢাকা শহরে আওয়ামী লীগের অবস্থান দেখা যায়নি। 

বিক্ষিপ্তভাবে ধানমণ্ডি, উত্তরা কিছু কিছু এলাকায় আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগের কর্মীদেরকে অসহায়ভাবে আত্মরক্ষা করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও তারা আন্দোলনের নেমে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা ব্যর্থ হয়েছে। আর সার্বিকভাবে আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। কোথাও কোথাও ছিল না বললেই চলে। এতদিন শাহবাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যেসমস্ত কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পরিচিত মুখ ছিল তাদেরকে আজ কোথাও দেখা যায়নি। বরং তাদের স্থান দখল করেছে ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। 

ছাত্রদলের ক্যাডারদের পুরো ঢাকা শহরে দেখা গেছে। গুন্ডা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। অর্থাৎ পুরো আন্দোলনটি আজ কার্যত সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে এবং একারণেই আন্দোলনে সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে এবং আক্রমণাত্মক ভূমিকা মারাত্বক ভাবে বেড়ে গেছে। কোথাও কোথাও বিনা উস্কানিতে পুলিশের ওপর যেভাবে চড়াও হয়েছে তাতে বোঝা যাচ্ছে যে, এই আন্দোলনের পিছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে।

কোটা আন্দোলন   বিএনপি   জামায়াত   শিবির   সহিংস   রাজনৈতিক আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বাংলাদেশের ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

প্রকাশ: ০৬:৪৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (bsl.org.bd) হ্যাক করা হয়েছে।

ওয়েবসাইটিতে প্রবেশ করলে ছাত্রলীগ এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে স্বাভাবিক তথ্যের পরিবর্তে, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের ছবিসহ চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে একাধিক বার্তা রয়েছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটের সময়ও ওয়েবসাইটটি একই অবস্থায় ছিল।

ওয়েবসাইটের উপরে একটি লেখা দেখা যাচ্ছে যাতে লেখা ছিল ‘Hacked by The Resistance’।

এ ছাড়া ছাত্রহত্যা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে লাল বর্ণে লেখা রয়েছে: ‘এখন আর প্রতিবাদ নয়, এটা এখন যুদ্ধ’।

ওয়েবসাইটের যে কোনো জায়গায় ক্লিক করলে অপারেশন হান্টডাউন নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের সঙ্গে লিঙ্ক করা অবস্থা দেখা যায়।


বাংলাদেশ   ছাত্রলীগ   ওয়েবসাইট   হ্যাক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আনুষ্ঠানিক সমর্থন

প্রকাশ: ০৯:৪৮ এএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে চলমান কর্মসূচীর প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকালে এক বিবৃতিতে দলটি এই সমর্থনের কথা জানায়।  

এ সময় বিবৃতিতে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ছাত্রলীগের হামলায় এ পর্যন্ত ৭ জন মারা যাওয়ার ঘটনার কথা উল্লেখ করে দলটি। 

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বেশ কিছুদিন যাবত সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে দেশের ছাত্রসমাজ শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের শিক্ষক সমাজ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, ওলামায়ে কেরামসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসমূহ ছাত্রসমাজের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দেয়ায় ছাত্রসমাজের আন্দোলন একটি সিদ্ধান্তকারী পর্যায়ে পৌঁছেছে।'

সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আজ ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সারাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচির প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচির প্রতি সমর্থন এবং ছাত্রসমাজের পাশে দাঁড়াবার জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সমগ্র দেশবাসী তথা আপামর জনসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।'


কোটা   আন্দোলন   জামায়াতে ইসলামী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে বিএনপির সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা

প্রকাশ: ০৯:৩৪ এএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারাদেশেকমপ্লিট শাটডাউনঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে সর্বাত্মক সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি।

বুধবার (১৭ জুলাই)  রাত ১০ টায় দলের পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সমর্থনের কথা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদেরকমপ্লিট শাটডাউনকর্মসূচিতে বিএনপির সর্বাত্মক সমর্থন রয়েছে। এতে দেশের আপামর জনসাধারণকে অংশ নেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে, নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত এক দফা দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশেকমপ্লিট শাটডাউনকর্মসূচি ঘোষণা করে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনের প্লাটফর্মবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন


কমপ্লিট   শাটডাউন   কর্মসূচি   বিএনপি   সর্বাত্মক   সমর্থন   ঘোষণা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে বিক্ষোভের ডাক হেফাজতের

প্রকাশ: ০৮:৩৪ এএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দেশে চলমান সহিংসতা ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষর্থীদের রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। বুধবার (১৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার সামনে ডাকবাংলো চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ ঘোষণা দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস নদভী।

এদিন এশারের নামাজের পর হঠাৎ মাদ্রাসা থেকে শতাধিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ডাকবাংলো চত্বরে জমায়েত হয়ে সারা দেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, নিহত ও আহত হওয়ার প্রতিবাদে সংহতি সমাবেশ করেন। 

এসময় হেফাজতে ইসলামের একাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নেতারা অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে তাদের উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। একইসঙ্গে হামলা অব্যাহত থাকলে কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থীরাও রাজপথে নেমে আসবে বলেও হুশিয়ারী দেন তারা। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) আসরের নামাজের পর হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের পালনের কথা জানায় হেফাজত ইসলাম। 

এ সময় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস নদভী বলেন, ৫৬% হারে কোটা পদ্ধতিতে নিয়োগ, প্রশাসন যন্ত্রে মেধাহীনতার সৃষ্টি হচ্ছে। রাষ্ট্র ও জাতির স্বার্থে কোটা পদ্ধতির সংস্কার জরুরী। এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যমত সময়ের দাবি। কোটা পদ্ধতিতে নিয়োগের কারণে রাষ্ট্রযন্ত্র মেধাশূন্য।


কোটা   আন্দোলন   বিক্ষোভ   হেফাজত  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন