ইনসাইড সাইন্স

চাঁদের কক্ষপথে ভারত-রাশিয়ার লড়াই!

প্রকাশ: ১১:০১ এএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২৩


Thumbnail

বর্তমানে ভারত ও রাশিয়ার পাঠানো দুটি নভোযান কক্ষপথে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করছে। ভারতের নভোযানের নাম চন্দ্রযান-৩। আর লুনা-২৫ হল রাশিয়ার। এদের মধ্যে অবতরণ এবং তথ্যের ভিত্তিতে কে এগিয়ে তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। রাশিয়ার লুনা-২৫ ল্যান্ডারটি আগামী ২১ অগাস্ট চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করবে। অপরদিকে, এর অন্তত দুদিন পর অবতরণ করবে ভারতের চন্দ্রযান-৩।

এ তথ্য জানিয়েছে রুশ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস।

মস্কোর মহাকাশ গবেষণা সংস্থার মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশের সময়টা বেশ কঠিন ছিল। লুনা ২৫ ইতোমধ্যে সেটা পার করেছে। কয়েকদিনের মধ্যে চাঁদের আরও কাছে পৌঁছাবে ল্যান্ডারটি। এরপর নির্ধারিত জায়গায় সফট ল্যান্ডিং করবে।

এতে বলা হয়, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে আগামী ২৩ অগাস্ট বিকাল সাড়ে পাঁচটায় চন্দ্রপৃষ্ঠ স্পর্শ করবে চন্দ্রযান-৩ এর ল্যান্ডার বিক্রম। নভোযানটির বর্তমান অবস্থান নিয়ে এ তথ্য দিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।

তবে ভারতের সংবাদ মাধ্যমের দাবি, চাঁদে আগে নামলেও তথ্যের নিরিখে লুনা ২৫ এর চেয়ে এগিয়ে থাকবে চন্দ্রযান ৩। কেননা ল্যান্ডার বিক্রমের মধ্যে আছে রোভার প্রজ্ঞান। অবতরণের পর ল্যান্ডারটির পেট থেকে বেরিয়ে আসবে ৬ চাকার ওই রোবট যান। চাঁদের বুকে অনেকটা এলাকাজুড়ে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করবে রোভার প্রজ্ঞান।

অন্যদিকে লুনা ২৫ এ কোনও রোভার না থাকায় এক জায়গায় দাঁড়িয়েই গবেষণা চালাতে হবে মস্কোর এ নভোযানকে।

এর আগে চন্দ্রযান ২-এর মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের চেষ্টা করেছিল ভারত। সেবার অল্পের জন্য দক্ষিণ মেরুতে ঠিকভাবে অবতরণ করতে পারেনি ইসরোর মহাকাশযান। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, চন্দ্রযান ২-কে কোনোভাবেই ব্যর্থ বলা যায় না। কারণ ওই মিশনের ৯০ শতাংশ লক্ষ্যই পূরণ হয়েছিল। শেষ মুহূর্তে গিয়ে মহাকাশযানটি ধ্বংস হলেও চাঁদের থেকে অনেক তথ্য ওই মিশন থেকে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সেই মিশনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই এবার চন্দ্রযান-৩ মিশনে নেমেছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


চাঁদ   কক্ষপথ   ভারত   রাশিয়া   চন্দ্রযান-৩   লুনা-২৫  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

নতুন গ্রহ এলএইচএস ১১৪০ বি: পানি ও বরফ থাকার সম্ভাবনা

প্রকাশ: ০৩:২২ পিএম, ০৯ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সৌরজগতের বাইরে পৃথিবীর চেয়ে ১.৭ গুণ বড় একটি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, ‘এলএইচএস ১১৪০ বি’ নামের এই গ্রহটি মহাসাগর বা মেঘলা বায়ুমণ্ডলসহ বরফের জগৎ হতে পারে। সৌরজগতের বাইরে পানি আছে এমন অঞ্চলে এই গ্রহটি আবিষ্কৃত হয়েছে।

নতুন এই গ্রহটিকে সুপার-আর্থ বা বরফ-পানির বিশ্ব হিসাবে চিহ্নিত করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, এবং এটি নাতিশীতোষ্ণ এক্সোপ্ল্যানেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রহটি সেটাস নক্ষত্রমণ্ডলে প্রায় ৪৮ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। কানাডার ইউনিভার্সিটি ডি মন্ট্রিলের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এই নতুন গ্রহের বায়ুমণ্ডলে গ্যাসীয় হাইড্রোজেন থাকতে পারে। এই কারণে এটি নিয়ে জ্যোতিবিজ্ঞানীদের মধ্যে ভীষণ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটারে এই গ্রহের সম্পর্কে বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে।

নাসার বিজ্ঞানী রায়ান ম্যাকডোনাল্ড বলেছেন, "এই প্রথম আমরা কোনো বাসযোগ্য অঞ্চলে থাকা পাথুরে বা বরফ-সমৃদ্ধ এক্সোপ্ল্যানেটে বায়ুমণ্ডলের ইঙ্গিত পেয়েছি। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ এই গ্রহের বায়ুমণ্ডল শনাক্ত করার চেষ্টা করছে, যদিও দূরবর্তী এই গ্রহের কার্যকর সংকেত বের করা বেশ কঠিন। আমরা দৈত্যকার গ্রহের বায়ুমণ্ডল নিয়ে জানতে আগ্রহী। এই গ্রহটি বাসযোগ্য অঞ্চলের অন্যতম এক্সোপ্ল্যানেট, যেখানে ঘন বায়ুমণ্ডল আছে। আমরা নতুন গ্রহটিতে বাতাসের প্রমাণ পেয়েছি। গ্রহটি একটি লাল বামন নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে, যার আকার সূর্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। এটি সৌরজগতের সবচেয়ে কাছের এক্সোপ্ল্যানেটগুলির মধ্যে একটি যা বাসযোগ্য অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। গোল্ডিলকস জোনে পাওয়া এক্সোপ্ল্যানেটের সাধারণ তাপমাত্রায় তরল আকারে পানির উপস্থিতি থাকতে পারে।"

বিজ্ঞানী চার্লস ক্যাডিউক্স বলেছেন, "বর্তমানে পরিচিত সমস্ত নাতিশীতোষ্ণ এক্সোপ্ল্যানেটের মধ্যে নতুন এই গ্রহটি আমাদের সৌরজগতের বাইরে পানির উপস্থিতিকে পরোক্ষভাবে নিশ্চিত করছে। সম্ভাব্য বাসযোগ্য এক্সোপ্ল্যানেটের সন্ধানে এটি একটি বড় মাইলফলক। এলএইচএস ১১৪০ বি একটি সুপার-আর্থ, যেখানে পৃথিবীর মতো নাইট্রোজেন–সমৃদ্ধ বায়ুমণ্ডলও থাকতে পারে। টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, গ্রহটির ভরের ১০ থেকে ২০ ভাগ পানি দ্বারা গঠিত। নতুন এই গ্রহটির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে।"

সূত্র: ফিজিস ডট অর্গ

সৌরজগৎ   নতুন গ্রহ   আবিষ্কার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

বাংলাদেশের দেড় লাখ ভিডিও মুছে ফেলল ইউটিউব

প্রকাশ: ০৯:১৭ পিএম, ২৯ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

গত তিন মাসে বাংলাদেশ থেকে আপলোড হওয়া দেড় লাখের বেশি ভিডিও অপসারণ করেছে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব।

নিজেদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ডিসমিসল্যাবের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

গুগলের ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট অনুসারে, গত বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর- এই তিন মাসে ভিডিওগুলো সরানো হয়। এই প্রান্তিকে প্ল্যাটফর্মটি সব মিলিয়ে সারা বিশ্বের ৯০ লাখেরও বেশি ভিডিও সরিয়ে নিয়েছে। 

তালিকায় আনা মোট ৩০টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিডিও অপসারণ করা হয়েছে ভারতের। অপসারণ সংখ্যা বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আপলোড হওয়া প্রায় দেড় লাখ ভিডিও মুছে ফেলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবহারকারীদের মতামতও মুছে ফেলেছে ভিডিও বিনিময়ের সাইটটি। 

উগ্রপন্থা, নগ্নতা এবং স্প্যাম ভিডিও প্রচার এবং শিশুবান্ধব না হওয়ার কারণে এসব ভিডিও ও মতামত মুছে ফেলা হয়। এই তিন মাসে বিশ্বে প্রায় ৯০ লাখের বেশি ভিডিও মুছে ফেলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনের জন্য ভিডিও সরানো হয়েছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল ক্ষতিকর বা বিপজ্জনক কনটেন্ট; যার হার ৩৯ দশমিক ২ শতাংশ। সহিংসতা ছড়ানো বা তাৎক্ষণিক ক্ষতির ঝুঁকি থাকায় কনটেন্টগুলো অপসারণ করা হয়। 

এরপরই সবচেয়ে বেশি সরানো হয়েছে শিশুদের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক হতে পারে এমন ভিডিও। এর হার ছিল ৩২ দশমিক ৪ শতাংশ। শিশুদের হয়রানি ও তাদের কেন্দ্র করে নানা অনলাইন অপব্যবহার রোধে ভিডিওগুলো সরানো হয়। 

তৃতীয় যে শ্রেণির ভিডিও সরানো হয়েছে সবচেয়ে বেশি সেগুলো ছিল হিংসাত্মক বা গ্রাফিক কনটেন্ট। এর হার ছিল সাড়ে সাত শতাংশ। মানুষের মনে আতঙ্ক বা উদ্বেগ ছড়াতে পারে এমন সংবেদনশীল দৃশ্য যেমন দাঙ্গা, রক্তপাত ইত্যাদিকে হিংসাত্মক বা গ্রাফিক কনটেন্ট হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ইউটিউব।

উল্লেখ্য, ইউটিউব ব্যক্তিমানুষ ও মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এই দুইয়ের প্রয়োগ ঘটিয়ে নীতিমালা লঙ্ঘনের বিষয়গুলো যাচাই করে। 

তবে মুছে ফেলা এসব ভিডিওর ৯৬ শতাংশের ক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এআই। বাকি ৪ শতাংশ ভিডিও অপসারণে ইউটিউবের সাধারণ ব্যবহারকারী ও ‘প্রায়োরিটি ফ্ল্যাগার প্রোগ্রামের’ সদস্যদের অভিযোগ বা পরামর্শ বিবেচনা করা হয়েছে।

ইউটিউব   বাংলাদেশি কনটেন্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

৭ দিন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে

প্রকাশ: ০৮:২৩ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

সৌর ব্যতিচারের কারণে আগামী ৭ থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর কার্যক্রম কিছুটা বিঘ্নিত হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি (বিএসসিএল)।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুজহাত তানজিনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন সৌর ব্যতিচারের কারণে আগামী ৭ থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ব্রডকাস্ট সেবায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে। ফলে ওই দিনগুলোতে প্রতিদিন সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১০টা ৩ মিনিট পর্যন্ত স্যাটেলাইটটির কার্যক্রমে বিঘ্ন দেখা দিতে পারে।
  
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সম্প্রচার কার্যক্রম সাময়িক বিঘ্ন ঘটার সময়গুলো হচ্ছে ৭ মার্চ স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৫৩ মিনিট থেকে ১০টা ২ মিনিট পর্যন্ত ৯ মিনিট; ৮ মার্চ সকাল ৯টা ৫১ মিনিট থেকে ১০টা ৩ মিনিট পর্যন্ত মোট ১২ মিনিট; ৯ মার্চ সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১০টা ৩ মিনিট পর্যন্ত ১৩ মিনিট; ১০ মার্চ সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১০টা ৩ মিনিট পর্যন্ত মোট ১৩ মিনিট; ১১ মার্চ সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১০টা ২ মিনিট পর্যন্ত মোট ১২ মিনিট; ১২ মার্চ সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১০টা ১ মিনিট পর্যন্ত মোট ১১ মিনিট এবং ১৩ মার্চ সকাল ৯টা ৫২ মিনিট থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত মোট ৮ মিনিট।
 
প্রাকৃতিক কারণে ঘটিত এই সাময়িক বিঘ্নের জন্য বিএসসিএল আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট   বিএসসিএল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

বিরল সূর্যগ্রহণ, দিন হবে রাতের মতো অন্ধকার!

প্রকাশ: ০৪:২৬ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

আগামী ৮ এপ্রিল বিরল এক সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব। তবে সব সূর্যগ্রহণের মতো একই সাথে পৃথিবীর সব অঞ্চল থেকে দেখা যাবে না এটি। সম্প্রতি এমনই তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২৪ সালের প্রথম এ সূর্যগ্রহণ হবে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।

নাসা বলছে, এই সূর্যগ্রহণ খুবই বিশেষ। কারণ এই ঘটনা ঘটছে ৫৪ বছর পর। এর আগে ১৯৭০ সালে এই সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। এর পরে এটি ২০৭৮ সালে ঘটবে।  

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে একই রেখায় থাকে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী। তখন সূর্য পুরোপুরি ঘূর্ণায়মান চাঁদের পেছনে ঢাকা পড়ে যায়। এ কারণে দিনের বেলাতেই রাতের অন্ধকার নামবে পৃথিবীতে। বিভ্রান্তে নিশাচর প্রাণিরা এ সময় সক্রিয় হয়ে উঠবে।
 
সূর্যগ্রহণটি যে অঞ্চলব্যাপী দৃশ্যমান থাকবে সেখানে প্রায় ৪ কোটি মানুষের বাস, যারা এটি উপভোগ করতে পারবে। ব্রহ্মাণ্ডের এই প্রাকৃতিক ঘটনায় চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে চলে আসবে, সেসময় চাঁদের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ২৪০০ কিলোমিটার।
 
এই গ্রহণ রাত ০৯ টা ১২ মিনিট থেকে রাত ০১ টা ২৫ মিনিট মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে। এই সূর্যগ্রহণের মোট সময়কাল ৪ ঘণ্টা ২৫ মিনিট স্থায়ী হবে।
 
নাসা জানিয়েছে, মহাজাগতিক এ দৃশ্য দেখা যাবে আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকো, পশ্চিম ইউরোপ প্যাসিফিক, আটলান্টিক, আর্কটিক, আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে। তবে বাংলাদেশ থেকে এ পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে না।

সূর্যগ্রহণ   নাসা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

৫২ বছর পর ফের চাঁদে নামল মার্কিন মহাকাশযান

প্রকাশ: ০২:১৪ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

৫২ বছর পর চাঁদে আবার মার্কিন মহাকাশযান। তবে এবার মহাকাশযানটি বেসরকারি সংস্থার তৈরি। এর মধ্য দিয়ে এই প্রথম কোনো বেসরকারি সংস্থার তৈরি মহাকাশযান চাঁদের মাটি ছুঁল। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মালার্পেট নামে একটা চন্দ্রখাতের কাছে নেমেছে এই চন্দ্রযান।

অ্যাপোলো ১৭ চন্দ্রাভিযান করেছিল ১৯৭২ সালে। এবার অডিসিয়াস মিশন চাঁদে সফলভাবে চাঁদে নামলো। এই মহাকাশযানটি তৈরি করা এবং তার উড়ানের পিছনে ছিল হিউস্টনের সংস্থা ইনটুইটিভ মেশিন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২৩ মিনিটে(জিএমটি) তা চাঁদে নামে। এই প্রথম একটি বেসরকারি সংস্থার চন্দ্রাভিযান সফল হলো।

ইনটুইটিভ মেশিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ''আমরা চাঁদের মাটিতে নামতে পেরেছি। সিগন্যাল পাঠাতে পারছে চন্দ্রযানটি।'' মিশন ডিরেক্টর টিম ক্রেইন বলেছেন, ''এখনো সিগন্যাল একটু দুর্বল আছে। আমরা চেষ্টা করছি, যাতে আরো স্পষ্ট সিগন্যাল আসে। তবে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, আমাদের মেসিনপত্র এখন চাঁদে আছে। সেখান থেকে বার্তাও আসছে।''

ছয় পেয়ে রোবট অডিসিয়াস চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মালাপের্ট নামে চন্দ্রখাতের কাছে নেমেছে। এবার বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি দিয়ে উচ্চপ্রযুক্তির সাহায্য়ে তা কাজ করবে। এটি চলবে সৌরশক্তির সাহায্যে। চন্দ্রপৃষ্ঠ, চাঁদের পরিবেশ-সহ অনেক বিষয়ে নতুন তথ্য পাঠাবে এই ল্যান্ডার।

অডিসিয়াস ১৫ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে। স্পেস এক্সের ফ্যালকন ৯ রকেট তাকে মহাকাশে নিয়ে যায়। এখানে এই প্রথম সুপারকুল তরল অক্সিজেন, তরল মিথেন প্রোপালশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে খুবই তাড়াতাড়ি তা মহাকাশে পৌঁছে গেছে। 

মার্কিন মহাকাশযান   চাঁদ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন