ইনসাইড টক

‘মার্চ-এপ্রিলে করোনা বাড়তে পারে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail ‘মার্চ-এপ্রিলে করোনা বাড়তে পারে’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, নতুন নির্দেশনায় পর্যটন কেন্দ্র, বাসের ভিতরে সিট কমানোসহ এই জাতীয় নির্দেশনা থাকবে। আমাদের লকডাউন এখনই না। লকডাউনের বিষয়টি আরও পরে। আমার মনে হয়, নতুন করে আরেকটি লকডাউনের অর্থনৈতিক ক্ষতি মেনেজ করা আমাদের সরকারের জন্য খুবই কঠিন হবে। লকডাউন না দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই হবে।

ওমিক্রনের প্রভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা, বুস্টার ডোজ সহ নানা বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন প্রফেসর ড. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। পাঠকদের জন্য ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক অলিউল ইসলাম।

রেস্টুরেন্টে টিকা কার্ড দেখিয়ে খাবার নেওয়া প্রসঙ্গে ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, টিকা কার্ড দেখিয়ে খাবার নেওয়ার বিষয়টি বিশ্বের সব দেশেই আছে। আমাদের দেশে প্রথম দিকে বলা হবে। তবে প্রথম দিকে সবাই যে মানবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না। তবে আস্তে আস্তে মানুষের অভ্যাস হয়ে যাবে। বিদেশে টিকা কার্ড ছাড়া এখন কাউকে ঢুকতে দেয় না। রেস্টুরেন্ট কর্মীদের সবার ভেক্সিনেটেড থাকা দরকার। টিকা না দেওয়া থাকলে টিকা নিয়ে নিতে হবে। তা না হলে এদের মাধ্যমে ভবিষ্যতে করোনা অন্যদের বিশেষ করে কাস্টমারদের মধ্যে সংক্রমিত হবে। 

ওমিক্রন না ডেল্টা ভেরিয়েন্টের মাধ্যমে সংক্রমিত বেশি হচ্ছে প্রশ্নের উত্তরে ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ওমিক্রনকে ওমিক্রন ছাড়াও অনেকে ডেল্টাক্রন বলে অনেকে। মানে ডেল্টা আগেরটি বহাল তবিয়তে আছে। সাথে ওমিক্রন আছে। এ দুইটি ভেরিয়েন্ট কারো কারো মিক্স হয়ে গেছে। 

দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ ও তার ব্যাপ্তি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মার্চ-এপ্রিলে করোনা বাড়তে পারে। এর যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। বিদেশের সাথে যদি আমরা তুলনা করি, আমাদের দেশে গত বছরের মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গিয়েছিল। ওইটা হিসেব করে মনে করা হচ্ছে আমাদের এই নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে এই সময়টায় সংক্রমণ বাড়তে পারে।

প্রথম ডোজ টিকা এখনও পাননি, এরকম লোকের সংখ্যা কম জানিয়ে ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রথম ডোজ টিকা পাননি, এরকম লোকের সংখ্যা বেশি না। যারা পায়নি তাদের নিয়ে নিতে হবে। আমাদের টিকা নিয়ে কোনো ঘাটতি নেই। প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ পেরিয়ে আমরা এখন বুস্টার ডোজ দিচ্ছি। ফলে মোদ্দা কথা যারা মোটেই এখন পর্যন্ত নেননি, তাদের নিতেই হবে।

তিনি বলেন, আমাদের উচিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। জনসমাগম এড়িয়ে চলা। যারা টিকা এখনও নেয়নি, তাদের টিকা নিয়ে নেওয়া। এগুলোই আমাদের বেশি বেশি করে মানতে হবে।

করোনা   ওমিক্রন   বুস্টার ডোজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'অ্যান্টিবায়োটিকের এলোমেলো ব্যবহারে ক্ষতি হবেই'

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail 'অ্যান্টিবায়োটিকের এলোমেলো ব্যবহারে ক্ষতি হবেই'

অ্যান্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের এলোমেলো ব্যবহার করলে ক্ষতি তো হবেই। কারণ অ্যান্টিবায়োটিক তো দেওয়া হয় কোন ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনে। যদি এলোমেলোভাবে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োগ হয়, তাহলে এটা পরে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিটেন্স হয়ে যাবে। যেখানে সাধারণ ওষুধে কাজ করতো, পরে দেখা যাবে সেটা আর হচ্ছে না। তখন আরও দামি অ্যান্টিবায়োটিক লাগবে। এতে জটিলতা তৈরি হবে, রোগীর অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে এগুলো তো সমস্যা হবে।

অ্যান্টিবায়োটিক যত্রতত্র ব্যবহার, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে প্রশাসনের নজরদারীসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান।

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, আমার মনে হয়, প্রশাসনেরও কিছুটা ঘাটতি এখানে আছে। তাদের হয়তো জনবলও নাই। তাদের বিভিন্ন বাজারে ভিজিটে যাওয়া উচিত। দোকানের লাইসেন্স আছে কি না। যারা অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করছে তারা ফার্মাসিস্ট কিনা, তারা লাইসেন্সধারী কিনা। সবাই মিলে তো এখানে জড়িত। প্রশাসন, ডাক্তার, বিক্রেতা এবং রোগী সবাই যার যার জায়গায় দায়িত্ব যদি সুন্দরভাবে পালন না করে, একটা সমন্বয় না থাকে, তাহলে ঝামেলা তো হবেই। দিন দিন তো ঝামেলা হচ্ছেই, সামনে আরও হবে যদি মেইনটেইন না করে।

তিনি বলেন, যারা অ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছে সবাই তো কোয়ালিফাইড ডাক্তার না। নন কোয়ালিফাইড ডাক্তারও তো অনেক আছে। কত রকমের ডাক্তার আছে, ফার্মেসীগুলোও ডাক্তারি করে, সবাই মিলে ওষুধ দেয়। সেটা ঠিক না। 

গ্রাম-গঞ্জে যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক বলেন, এটা তো শুধু গ্রাম-গঞ্জে না, সারাদেশের সবখানে কম-বেশি হয়। শহরের কি আর হয় না নাকি, দেশের আনাচে-কানাচে কতো রকম ফার্মেসী আছে, কতো রকমের ডাক্তারও আছে, সবই তো আছে। গ্রামেগঞ্জে অনেকে হয়তো নিজেরাই দোকানে যায়, নিজেরাই কমপ্লেইন করে এবং ফার্মেসী থেকে ঔষধ কিনে নেয়। ফার্মাসিস্ট যারা অনেকে ট্রেইন্ড ফার্মাসিস্ট নয়। হয়তো দোকান আছে কিন্তু ট্রেইন্ড ফার্মাসিস্ট নাই। অনেক জায়গাতেই তো নাই।

তিনি বলেন, অনেক সময় গরিব লোকেরা যেখানে-সেখানে ডাক্তারকে দেখিয়ে প্রেসক্রিপশন নেয়। হয়তো তাদের সামর্থ নেই, টাকা-পয়সা নেই বা হয়তো আছে। অনেকে মনে করে ডাক্তারের কাছে যাবে, লম্বা লাইন, ঝামেলা হবে। আবার রোগীদের আরেকটা অসুবিধা হলো রোগীরা যে ওষুধ খায়, খেয়ে একটু ভালো হলো, পরে আবার বন্ধ করে দেয়। মনে করে আমি তো ভালো হয়ে গেলাম। কিন্তু এটা তো পুরো একটা কোর্স খেতে হয়। কিন্তু সেটা তো করে না। সেটাও তো ক্ষতিকর। আবার দোকানদার যারা অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করে তারা অধিক মুনাফার জন্য, ব্যবসার স্বার্থে বিক্রি করে। কোর্স কমপ্লিট না করলে তো কেনাে কাজ করবে না। পরে আবার অসুখটা ফিরে আসবে।

অ্যান্টিবায়োটিক   প্রেসক্রিপশন   ডাক্তার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'পলিথিনের বিষয়ে আইন আমরা সঠিকভাবে প্রতিপালন করি না'

প্রকাশ: ০৪:০৩ পিএম, ১৯ মে, ২০২২


Thumbnail 'পলিথিনের বিষয়ে আইন আমরা সঠিকভাবে প্রতিপালন করি না'

পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান বলেছেন, পলিথিন তো একটা অপচনশীল বস্তু। এটা সহজে পঁচে না। আগে আমরা জানতাম পলিথিন ৪০০ বছরেরও পঁচে না। কিন্তু বিজ্ঞানীদের সর্বশেষ তথ্যমতে, পলিথিন নাকি ১ হাজার বছরেরও পঁচে না। দ্বিতীয়ত পলিথিন আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেমকে বন্ধ করে দেয়। নালা-নর্দমা সিস্টেমকে বন্ধ করে দেয়। বৃষ্টি হলেই একটা পলিথিন পড়ে জমে থাকে তখন নালা-নর্দমা দিয়ে বৃষ্টির পানি নেমে যেতে পারে না। তখন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এটা পরিবেশের জন্য খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।

পরিবেশের ওপর পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাবসহ নানা নিয়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপট নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান। পাঠকদের জন্য প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান বলেন, পলিথিন যখন পানিতে চলে যায় সেটা কিন্তু খাল, নদী হয়ে সমুদ্রে যায় এবং সমুদ্রে কিন্তু বিপুল পরিমাণের পলিথিনের স্তুপ জমে যায় এবং এই পলিথিনগুলো দীর্ঘ মেয়াদী ছোট ছোট ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কোণায় ভেঙ্গে যায়। ভেঙ্গে যাওরয়া ফলে তখন মাছ বা জলজ প্রাণী এটা খায়। এই যে এগুলো মাছ খায়, এই মাছের মাধ্যমে এবং খাদ্য চক্রের মাধ্যমে এটা আমাদের শরীরে চলে যায়। তাহেলে এটা কতটা ভয়াবহ। সম্প্রতি আামদের দেশে দেখা গেছে যে, মৎস্য গবেষকরা গবেষণা করে দেখেছে, আমাদের দেশেও কিন্তু এটা পাওয়া যাচ্ছে। তাহলে মোটা দাগে এগুলো হলো পলিথিনের সবচেয়ে ক্ষতিকারক দিক। এখন আমরা দেখি সারাদেশে পলিথিন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এটা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটা আমরা সবাই অনুধাবন করি। কিন্তু সরকার যে আইন করছে সেই আইন কিন্তু আমরা কেউ সঠিকভাবে প্রতিপালন করি না।

তিনি আরও বলেন, এখন আইন যারা করছে তারা হয়তো বলেন অর্থাৎ পরিবেশ অধিদপ্তর বলেন যে, তাদের যে তদারকি করার কথা তারা সেটা করছেন। তারা হয়তো দুইটা কারণ দেখান। একটা হচ্ছে লোকবলের অভাব, দ্বিতীয়ত তারা একটা কারণ দেখান পলিথিনের বিকল্প কোথায়। আমি মনে করে দিতে পারি যে, ২০০০ সালে শুরুতে পথিলিন যখন নিষিদ্ধ করা হয় তখন কিন্তু বিকল্প বাজারে চলে আসে। বড় বড় বাজারগুলোতে এটা ছিল। প্রত্যেকটা বাজারে বিকল্প গিয়েছিল। আস্তে আস্তে পলিথিনের ব্যবহার কমে গিয়েছিল। এই বিকল্প কি ছিল সেগুলো হলো কাগজের ব্যাগ, কাগজের ঠোঙা, কাপড়ের ব্যাগ তারপর পাটের বিভিন্নভাবে বিভিন্ন  প্রক্রিয়ায় শিখা ছিল। কিন্তু যখন আস্তে আস্তে আইনের প্রয়োগ শীথিল হতে শুরু করলো তখন আস্তে আস্তে মানুষ এই পলিথিন ব্যবসায়ী পলিথিন উৎপাদন শুরু করলো এবং আস্তে আস্তে বাজার থেকে বিকল্প হারিয়ে গেছে। 

প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কিন্তু মূল তো পলিথিনের কারখান ঢাকায়। যারা এটা উৎপাদন করে সেই জায়গায় আমাদের হাত দিতে হবে। আমাদের যারা হোল সেল করে তাদের হাত দিতে হবে, বাজারে যারা বিক্রি করে তাদেরকে হাত দিতে হবে। পাশাপাশি নাগরিকদেরও কিন্তু পলিথিন দেওয়া নিষিদ্ধ তাদেরকেও হাত দিতে হবে। আমরা যদি পর্যায়ক্রমে এভাবে শুরু করতে পারি তাহলে আমরা এটা বন্ধ করতে সক্ষম হবো। কিন্তু সে ধরনের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। আর বাংলাদেশ কিন্তু পৃথিবীতে অনেক সুনাম অর্জন করেছিল পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করার জন্য। অথচ আমরা কিস্তু এখন সেই আগের অবস্থায় ফিরে গেছি। পৃথিবীর অনেক দেশ কিন্তু পলিথিন নিষিদ্ধ করেছে।


পলিথিনের   আইন   সঠিকভাবে   প্রতিপালন   করি না  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'সারা পৃথিবীই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অনিশ্চয়তায় পড়েছে, বাংলাদেশও তার বাইরে নয়'


Thumbnail 'সারা পৃথিবীই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অনিশ্চয়তায় পড়েছে, বাংলাদেশও তার বাইরে নয়'

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেছেন, আমার হিসাব-পত্র যা বলে, ২০১৮-১৯ এ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মহা মন্দা, তারপরে আসলো কোভিড, তারপরে ইউরোপে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এসব যুদ্ধ হলো অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি নয়। অনিশ্চয়তা যে পর্যায়ে বাড়িয়েছে সেই পর্যায়ে কি করণীয় সেটা ভাবা সাধারণভাবে খুব কঠিন। সুতরাং সারা পৃথিবীই এই অনিশ্চয়তার ভেতরে পড়েছে, বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা, দেশের বিভিন্ন মেগা প্রোজেক্ট এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির নানা দিক নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত এসব কথা বলেছেন। 

অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেন, যখন থেকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনা করা হলো তখন থেকে আমি এটা নিয়ে কাজ করছি যে আমাদের আসলে অবস্থাটা কি। ২০০০ সালে যখন কিবরিয়া সাহেব অর্থমন্ত্রী ছিলেন তখন আমি সাধারণ সম্পাদক হলাম অর্থনীতি সমিতির এবং প্রথম সেমিনার ছিলো বাংলাদেশে বৈদেশিক ঋণ সাহায্য কতটুকু প্রয়োজন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন এরশাদের সময়ে অর্থমন্ত্রী ড. ওয়াহিদুল হক। সেখানে অনেকগুলো উপসংহারের একটা ছিলো যে, ফরেন এইড বিশেষ করে লোন ডেমোক্রেসি-অটোক্রেসি নির্বিশেষে স্বাধীন উন্নয়নের প্রতিবন্ধক। তারপর বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে যদি আমরা এটা নিয়ে না ভাবি তাহলে বিপর্যয় নিশ্চিত। এই ছিল শেষ কথা।

তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর আমি একটি বিকল্প বাজেট দেই। সামনের ২২ তারিখে সকাল ১০ টায় এটি দেওয়া হবে। এবারের বিকল্প বাজেটের একটি উপ-শিরোনাম আছে। উপ-শিরোনামটি হলো 'একটি জনগণতান্ত্রিক বাজেট'। এটি লেখার প্রথম প্যারাই হচ্ছে জনগণতান্ত্রিক বাজেট কেন বলা হলো। এবার প্রথমবারের মতো দুটি কাজ করেছি। একটি বাজেটের ভিত্তি নীতি কি হওয়া উচিৎ। এখানে ২৪টা গ্রুপ রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো বৈদেশিক ঋণ। বৈদেশিক ঋণ গ্রুপটাতে আমি ২০ বছর আগের বিষয় স্মরণ করে দিচ্ছি। সেখানে একটা প্যারাগ্রাফে বোল্ড করে লিখছি যে, আমার হিসাব-পত্র যা বলে, ২০১৮-১৯ এ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মহা মন্দা, তারপরে আসলো কোভিড, তারপরে ইউরোপে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এসব যুদ্ধ হলো অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি নয়। অনিশ্চয়তা যে পর্যায়ে বাড়িয়েছে সেই পর্যায়ে কি করণীয় সেটা ভাবা সাধারণভাবে খুব কঠিন। সুতরাং সারা পৃথিবীই এই অনিশ্চয়তার ভেতরে পড়েছে, বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। 

অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেন, এখন বৈদেশিক মুদ্রার যে প্রবাহ আছে সেটা সব রপ্তানী করে পাওয়া যায়। একটি হলো রপ্তানী মানুষ, আর একটি হলো রপ্তানী পণ্য। এর বাইরে ডলার আয়ের কোনো পথ নেই। এখন যদি মানুষ রপ্তানীর আয় কমে যায়, যুদ্ধ-বিগ্রহ হলে কমবে। আর যদি আগের মতোই ভলিউমে থাকে কিন্তু ভ্যালুতে না থাকে (সেটার সম্ভাবনা প্রচুর) তাহলে একটি পর্যায়ে বিপদে পড়তে হবে। আজকেও সেই বিপদ আছে। ১০১ টাকা কিন্তু ডলার। আমি ৩ মাস আগে বলেছি যে, ডলার এর দাম ১২০-১৩০-১৪০ টাকা হলেও কিছু করার নেই। হতে পারে। এটি শুধু হবে না। হওয়াতেও হবে। কারণ যখন ফরেন কারেন্সি দরকার হবে, তখন এক্সপোর্ট সস্তা করতে হবে। তা না হলে তো বাজার পাওয়া যাবে না। 

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি বলেন, আমার কাছে মনে হয়, শ্রীলঙ্কার এই অবস্থা হয়ে আমাদের লাভ হয়েছে। কারণ বিদেশে অনেক প্রোডাক্ট শ্রীলঙ্কার। এখন শ্রীলঙ্কার এই অবস্থার কারণে, আমার মনে হয় এই বাজারগুলো আমরা পেয়ে যাবো। ইতোমধ্যে ভারত, লাউস, ভিয়েতনাম, চায়না পেয়ে গেছে। আবার এদিকে অনেকে গল্প বলছে যে, গার্মেন্টসে এতো অর্ডার যে দিয়ে শেষ করতে পারছি না। আমার হিসেবে, যখন থেকে ৪-৫টা মেগা প্রোজেক্টের লোন পরিষদ শুরু করা হবে, তখন যদি এখনকার অবস্থা থাকে তাহলে বিপদে পড়তে হবে। সেটা আমার হিসেবে ২০২৭-২৮ সাল। 

তিনি বলেন, এই বিষয়ে চিন্তা করতে হবে। আর কোনো মেগা প্রোজেক্ট নেওয়া যাবে না। যেগুলো মেগা প্রোজেক্ট নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে ভুলও আছে আবার ভালোও আছে। ভুল গুলির দিকে তাকালে, যেমন কর্ণফুলি টানেলের আয়টা কি হবে? আয় নেই কিন্তু। আরও আছে। সব থেকে বড় ভুল রাশিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট। ১৪ বিলিয়ন ডলার থেকে এটা ২০ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকবে। ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যাৎ প্রকল্প এবং হিসেব করে দেখানো হয়, এটার পার ইউনিট কষ্ট কম পড়ে। এটা মিথ্যা কথা। কারণ, ১. ইউরেনিয়াম যেখান থেকে আনা হবে, সেই খনিতে ৩০ বছর কাজ করলে ৫০ভাগ মানুষের ক্যান্সার হয়। তাহলে গ্লােবাল ভ্যালুর মধ্যে তো এটা যোগ হবে। ২. এটার আয়ু হচ্ছে ৬০ বছর। ধরলাম ১০০ বছর। কিন্তু যেটা ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা হয়েছে (হাইলি রিএকটিভ) এটার ওয়েস্ট রাখতে হয় ১ হাজার বছর। সেটারও হিসার করতে হবে। এগুলো হিসাব করলে এই বিদ্যাৎ প্রকল্পের কোনো প্রয়োজন ছিলো না। ৩. যখনই একটি দেশ এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট বানায়, ওই দেশের লিডারশীপ যেই থাকুক তাদের মাথার মধ্যে একসময় খেলা শুরু করে, আমি তো নিউক্লিয়ার পাওয়ার হয়ে যেতে পারি। ইন্ডিয়ার মতো। ইন্ডিয়ার পাশে থেকে নিউক্লিয়ার পাওয়ার হওয়ার চিন্তা করলে দেশই ডুবে যাবে।

২০২৭-২৮ সালের বিপদ থেকে বের হওয়ার বিষয়ে অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেন, আমার খুব দুশ্চিন্তা ২০২৭-২৮ সাল নিয়ে। এটা থেকে বের হওয়ার মাধ্যম হলো ডিভ্যালু করা। ডিভ্যালু করে বিশ্বে যতো বাজার পাওয়া সম্ভব, আমরা যেগুলো প্রোডিউস করি, সেই বাজারগুলো ৫ বছরের জন্য যত দ্রুত পাওয়া যায়। একই সঙ্গে ডোমেস্টিক ইকোনমিক স্টেন্থ বের করা। অর্থাৎ এগ্রো বেইজ, এগ্রো প্রসেসিং এবং ভূমি সংস্কার। এটি কিন্তু খুব রেভিলিউশনারি কাজ। আর আমদানি নির্ভরতা যতো কমানো যায়। 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ   শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা   দেশের মেগা প্রোজেক্ট   বাংলাদেশের অর্থনীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘জাফরুল্লাহর জাতীয় সরকারের প্রেসক্রিপশন হলো অরাজনৈতিক ব্যক্তিদেরকে নিয়ে আসা’


Thumbnail ‘জাফরুল্লাহর জাতীয় সরকারের প্রেসক্রিপশন হলো অরাজনৈতিক ব্যক্তিদেরকে নিয়ে আসা’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ডা. জাফরুল্লাহ জাতীয় সরকারের প্রস্তাবনা কার কথায়, কার উপদেশে, কার নির্দেশে, কার প্রেসক্রিপশনে দিয়েছেন আমি ঠিক বুঝে ওঠতে পারছি না। আমি এইটুকু বলতে পারি যে, জাফরুল্লাহর জাতীয় সরকারের যে প্রেসক্রিপশন এই প্রেসক্রিপশন হলো একটি অরাজনৈতিক ব্যক্তিদেরকে টেনে নিয়ে আসা। সেইসব অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের যারা কোনদিন কোন মানুষের কল্যাণে আসে নাই, মানুষের সেবায় কোনদিন আসে নাই, জনগণের কাজে আসে নাই এবং এরা সবাই জনবিচ্ছিন্ন লোক। আমরা মনে করি জাফরুল্লাহর এই জাতীয় সরকারের যে প্রস্তাব, এটি হলো ২০০৭ সালে যে এক-এগারোর সরকার এসেছিলো, যে সরকার দেশের ক্ষতি করে গিয়েছে, এমন একটি স্বপ্ন নিয়ে সেই ভুতের সরকার কায়েমের জন্য ওপেনিং বোলার হিসেবে তিনি বল করেছেন।

জাতীয় সরকার, বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনা, বিএনপির আন্দোলনের হুঙ্কারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে আলাপচারিতায় জাহাঙ্গীর কবির নানক এসব কথা বলেছেন।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, জাফরুল্লাহ সাহেবকে আমি গতকালও প্রশ্ন করেছি যে, এরা কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ঝড়, বন্যা, কোথাও আগুন লাগলে এক মগ পানি নিয়ে এগিয়ে আসছে -এই ধরণের কোন দৃষ্টান্ত আছে? এমনকি এত বড় মহামারি করোনা সারা বিশ্বে ছোবল দিলো, বাংলাদেশ তার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলো না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই পরিস্থিতি মোকাবেলা করা হলো। শুধু করোনা মোকাবেলা নয়, সেই সময় শ্রমিকের অভাবে আমাদের ফসল প্রধান খাদ্য ধান নষ্ট হচ্ছিল ক্ষেতে, কঠোর লকডাউন। তখনও তো দেখলাম না যে কোন জমির কাছে দাঁড়িয়ে একগোছা ধান কাটতে অথবা কৃষকের কাছে।

তিনি আরও বলেন, এমনকি তাঁরা লকডাউনের সময় একব্যাগ খাবার নিয়ে কোন মানুষের কাছে দিয়েছে, এই ধরণের দৃষ্টান্ত তাঁরা দেখাতে পারবে না। কিন্তু এই লোকগুলি কি ভাবছে? এরা তথাকথিত সুশীল সমাজ, এদের জনগণের প্রতি কোন দায়-দায়িত্ব নেই। এরা সুযোগ বুঝে ষড়যন্ত্র করে এবং ষড়যন্ত্রের মধ্যদিয়ে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখে। এই স্বপ্ন কোনদিন বাস্তবায়িত হবে না বাংলাদেশে।

বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, আমি মনে করি যে, সকল চক্রান্তে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়ে এখন তাঁরা শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে অর্থনৈতিক অঙ্গনে, সমাজে একটি আতঙ্ক ছড়াতে চায়। জনগণের শক্তি দিয়ে আমরা এটাকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করবো।

বিএনপির আন্দোলন মোকাবেলায় আওয়ামী লীগ প্রস্তুত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বিএনপি যত হুঙ্কারই দেয় না কেন এসব হুঙ্কার মোকাবিলা আওয়ামী লীগ দলগতভাবে করে আসছে। কাজেই, তারা যে হুঙ্কারই দেয় না কেন বা যেকোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করুক না কেন, জনগণকে সাথে নিয়ে পূর্বেও আমরা মোকাবিলা করেছি এবং এখনো আমরা মোকাবিলা করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘মাত্রাতিরিক্ত সুগার লেভেল থাকলে সেকেন্ডারি ইনফেকশনের সুযোগ থাকে’

প্রকাশ: ০৪:১২ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail ‘মাত্রাতিরিক্ত সুগার লেভেল থাকলে সেকেন্ডারি ইনফেকশনের সুযোগ থাকে’

ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ এবং বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বুলবুল বলেছেন, ডায়াবেটিস রোগীর দাঁতের চিকিৎসার বেলায় আমরা যে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ইমপ্লান্ট এর কথা বলি, সেটা যারা ডায়াবেটিক রোগী তাদের বেলায় এটা শত ভাগ সফল হয় না। অর্থাৎ সব ক্ষেত্রে এটার ভালো ফল পাওয়া যায় না। আরেকটা বিষয় হলো দাঁত তোলার ক্ষেত্রে, আমরা যখন একটা দাঁত তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেই তখন যাদের ডায়াবেটিক থাকে তাদের বেলায় ডায়াবেটিক মাত্রা চেক করে নিতে হয়। 

ডায়াবেটিস রোগীর দাঁতের সমস্যা, দাঁতের যত্ন সহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে কথা বলেছেন অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বুলবুল। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বুলবুল এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবীর বুলবুল বলেন, মাত্রাতিরিক্ত সুগার লেভেল থাকলে তখন সেকেন্ডারি ইনফেকশনের সুযোগ থাকে। সেজন্য ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে খুব যত্নবান হতে হয়। আর অন্যান্য ফিলিং বা রুট ক্যানেলের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসের মাত্রা যাই থাকুক না কেন সেটা সমস্যা হয় না। আরেকটা বিষয় খুব বেশি কনসার্ন রাখতে হয়, যারা ডায়াবেটিক রোগী তাদের পেরিওডনটাইটিস প্রকোপ বা দাঁতের মাড়ির রোগ এবং দাঁতের সন্নিহিত টিস্যুগুলোর রোগ বেশি হয়ে থাকে। যার ফলে পেরিওডনটাইটিস ডেভেলপ হলে মাড়ি ফুলে যাওয়া, মাড়ি লাল হয়ে যাওয়া, যেকোন টাচে আঙ্গুল লাগলে বা ব্রাশ লাগলে তাতে রক্ত পড়া এই গুলো হলো উপসর্গ এবং আস্তে আস্তে পেরিওডনটাইটিস ডেভেলপ করে এবং পেরিওডনটাইটিস ডেভেলপ করলে মুখে গন্ধ হয়।

তিনি বলেন, আমরা যে প্রতিদিনের পরিচর্যার কথা বলি, নিয়মিত পরিচর্যা, দাঁতের যত্ন, এগুলো যদি সঠিকভাবে না করা হয় তাহলে অল্প বয়সে দাঁত নানা রোগে আক্রান্ত হয়। আমরা যে বলি দিনে দুইবার ব্রাশ করতে হবে। সকালের নাস্তার পরে এবং রাত্রে খাবারের পরে। অত্যন্ত যদি একবার ব্রাশ করে রাতে শোবার আগে। এটা যদি না মানা হয় অথবা নিয়মিত ব্রাশ করা, মাউথ ওয়াশ ব্যবহার না করা তাহলে দাঁতের এবং মাড়ির অন্যান্য রোগ দেখা দেয়। ব্রাশ করার একটা বৈজ্ঞানিক নিয়ম আছে, ব্রাশ করার সময় দুই তিন মিনিট ধরে ব্রাশ করা।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন