ইনসাইড টক

‘৬০ শতাংশ লিংক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধ করা হয়েছে’

প্রকাশ: ০৪:০১ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail ‘শতকরা ৬০ শতাংশ লিংক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধ করা হয়েছে’

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, অপপ্রচারটা যেখানে হচ্ছে সেটিকে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বাংলাদেশে তৈরি না, এগুলো হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে মাধ্যম সেই মাধ্যমগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি, তাদের যে পলিসি সেগুলোর উপর ভিত্তি করেই পরিচালিত হয়। সেই কারণে শুধু বাংলাদেশ না, সকল দেশের জন্যই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করে। শুধুমাত্র অপপ্রচার, মিথ্যা তথ্য দেয়া কিংবা মানহানিকর বিষয় না। এটি রাষ্ট্রবিরোধী কাজে যুক্ত থাকে, সন্ত্রাসে যুক্ত থাকে এবং সাম্প্রদায়িকতা তৈরিতে ভূমিকা পালন করে। এসব নিয়ন্ত্রণের জন্য আমাদের আইনি অবকাঠামো ছিলো না। যেটা ছিলো তা হলো আইসিটি অ্যাক্ট-২০০৬, যেটা ২০১৩ সালে সংশোধিত হয়। এর মধ্যে বহুল আলোচিত কয়েকটি ধারা যেমন- ৫৭ ধারা, ৫৪ ধারা যুক্ত করা ছিলো।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার, অপপ্রচার রোধে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান তুহিন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০১৩ সালে যখন হেফাজতের কর্মকাণ্ড গুলো হয় তখন তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবেলা করার জন্য সংশোধন করা হয়। বস্তুতপক্ষে এটা ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য টার্গেট করাও ছিলো না। ২০১৮ সালে আমি দায়িত্ব নেয়ার পরপরই আমি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করি। এই আইনে আইনি কাঠামোটা দেয়া হয়েছে। আইনি কাঠামোর যেটা সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে এটি তো বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু যে প্লাটফর্মটা আমাদের না সেই প্লাটফর্ম তো আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনা।

অপপ্রচার রোধে দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছেনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দিক থেকে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না তথ্যটি সঠিক নয়। আমাদের দিক থেকে পদক্ষেপ নিয়ে আমরা একবার ফেসবুক বন্ধও করেছিলাম। বন্ধ করে দেয়ার পর ১৫ দিনের বেশি এটা বন্ধ ছিলো। আমরা মনে করি, বন্ধ করাটা সমাধান নয়। কারণ, মাথা ব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে না। ওষুধ খেয়ে এটাকে সারাতে হবে। ২০১৮ সাল পর্যন্ত ফেসবুক-ইউটিউবের সাথে আমাদের কোন যোগাযোগই ছিলো না। আমি এসে তাদের সাথে যোগাযোগ করি, তাদের সাথে বৈঠক করি। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতেই প্রথম এদের উচ্চপর্যায়ের আমেরিকান কর্মকর্তাদের সাথে বার্সেলোনায় বৈঠক করি।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত নিয়মিত প্রায় তিন মাস পরপর আমরা একটা করে অফিসিয়াল মিটিং করি। কখনো ভার্চুয়ালি করি, কখনো ফিজিক্যালি করি। তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হচ্ছে না এটা একেবারেই ভুল তথ্য। আমরা এখন সবকয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করি। তাদেরকে প্রতিদিন শত শত লিংক পাঠাই। এই লিংকের মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রায় শতকরা ৬০ শতাংশ লিংক ওরা বন্ধ করেছে। এটা আমাদের জিরো ছিলো। আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় এসে জিরো থেকে ৬০ ভাগ পর্যন্ত আমরা আনতে পেরেছি। তারা আমাদের বাংলাদেশের জন্য এখন একজন প্রতিনিধিও দিয়েছেন একজন বাংলাদেশী নাগরিককে। তারা আমাদের সাথে প্রায় প্রতিদিনিই যোগাযোগ করি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা ইউটিউব, গুগল, টিকটকসহ সকলের সাথে কথা বলেছি। এইটুকু আমি বলতে পারি, ২০১৮ সালে যে ভয়ঙ্কর অবস্থায় ছিলাম তার চাইতে অনেক ভালো এখন। আমরা এরইমধ্যে আমাদের নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি করেছি। কোন ওয়েবসাইট যদি ক্ষতিকর কিছু করে, অনিবন্ধিত হয়, বেআইনি হয়, সেগুলোকে আমরা বন্ধ করে দিতে পারি। ইতোমধ্যে আমরা ২২ হাজার  পর্নো সাইট বন্ধ করেছি, ৬ হাজার জুয়ার সাইট বন্ধ করেছি এবং অনিবন্ধিত সাইট বন্ধ করেছি।

মোস্তাফা জব্বার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বিএনপি রাজনৈতিক অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়’


Thumbnail ‘বিএনপি রাজনৈতিক অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, ছাত্রদল সশস্ত্র অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঁশ, লাঠি, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, ক্যাম্পাসকে শান্ত রাখার জন্য অছাত্র-সন্ত্রাসীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের ক্ষেত্রে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে নিভৃত করতে বিভিন্নভাবে প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এখানে ছাত্রলীগের সাথে কোনো বিষয় নেই। সরাসরি ছাত্রলীগের সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয় আছে এমনটি নয়।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ছাত্রলীগের ভূমিকাসহ বিভিন্ন বিষয় আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তুলে ধরেন। পাঠকদের জন্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান তুহিন।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার জন্য যে ন্যায়সঙ্গত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছে, ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সেই ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে তাঁরা নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। এখানে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল, আওয়ামী লীগ-বিএনপি এরকম কোনো বিষয় না। আমি মনে করি, এগুলোর মূল লক্ষ্য হলো বিএনপি যে রাজনৈতিক অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে, অপরাজনীতি করে দেশে মানুষের মধ্যে ভীতি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ছড়িয়ে অতীতের ন্যায় সন্ত্রাসী কায়দায় নতুনভাবে তাঁরা আবারও সেই অপরাজনীতি, সন্ত্রাসের রাজনীতি, হত্যার রাজনীতি, লাশের রাজনীতির পুনরাবৃত্তি ঘটানোর এক ধরনের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা এবং ছাত্র রাজনীতির সাথে যারা জড়িত তাঁরা অবশ্যই এই অপরাজনীতির বিপক্ষে দাঁড়াবে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশকে ধরে রাখবে। শিক্ষাঙ্গন অতীতে বিএনপি-জামায়াতের আমলে অস্ত্রধারী, বোমাবাজদের অভয়ারণ্য ছিলো। সন্ত্রাসীদের কোনো ঠিকানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা ক্যাম্পাসে হতে পারে না। শিক্ষাঙ্গনের সাথে যারা জড়িত যেমন- শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাথে যারা জড়িত সবাই মিলে, এমনকিও অভিভাবকদেরও উচিৎ এই বিষয়গুলোকে রাজনৈতিক বানানোর প্রচেষ্টা না করে শিক্ষার পরিবেশকে শান্ত রাখা। করোনার সময় আমাদের সন্তানরা গত দুই বছরে অনেক ধরণের প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেছে। এখন তাদের সুষ্ঠ, স্বাভাবিকভাবে লেখাপড়া করার পরিবেশ রক্ষায় আমাদের দায়িত্বশীল আচরণ করা প্রয়োজন।

ছাত্রলীগের অনেক চিহ্নিত নেতাকর্মী হামলা করেছেন এমন প্রসঙ্গে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ছাত্রলীগ বা যারাই হামলা করুক না কেন, হামলা কিংবা পাল্টা হামলা-কোনটাই আমরা ভালোভাবে নেই না, ভালোভাবে নেয়ার প্রয়োজন নেই এবং প্রয়োজন বোধ করি না। আমরা সবসময় ইতিবাচক রাজনীতি করি। নৈতিক আন্দোলন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি আমাদের সাধুবাদ আছে। কিন্তু সন্ত্রাসী আন্দোলন, সন্ত্রাসী তাণ্ডব, বিশৃঙ্খলা, বোমাবাজি, মানুষ পুড়িয়ে মারা, সন্ত্রাস করে জঙ্গিবাদকে পুনরুজ্জীবিত করা, ধর্মকে ব্যবহার করে অপরাজনীতি- সবকিছুর প্রতি আমাদের তীব্র প্রতিবাদ এবং তীব্র নিন্দা। আমরা শান্তি, অগ্রগতি, উন্নতিতে বিশ্বাস করি। আওয়ামী লীগ একটি শান্তিপ্রিয় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, বাংলার মানুষের অগ্রগতির জন্য জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের জন্য আমরা কাজ করি। আমাদের লক্ষ্যই হলো এদেশের ছাত্রসমাজের, এদেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণ এবং অগ্রগতি। এই অগ্রগতির পথে বাঁধা সৃষ্টি করে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, অপরাজনীতি করে আন্দোলন-সংগ্রামের নামে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, প্রতিহিংসার রাজনীতি, হত্যা-লাশের রাজনীতি যারা করে তাদের প্রতি আমাদের আহ্বান এই সকল পথ ছেড়ে শান্তির পথে, গণতন্ত্রের পথে এবং নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের পথে আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাবো।

ছাত্রলীগ   ছাত্রদল   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়   সংঘর্ষ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘আমি আমার নিজের কাজ নিজে দেখেই ভুলত্রুটি বের করি’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৭ মে, ২০২২


Thumbnail ‘আমি আমার নিজের কাজ নিজেই দেখে মূল্যায়ন করি’

কাজল আরেফিন অমি, বাংলা নাটকের তরুণ নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একজন। খুব অল্প সময়ের মাঝেই তার অনন্য কাজ দিয়ে হয়েছেন আলোচিত এবং প্রশংসিত। তার নির্মিত এক্স বয়ফ্রেন্ড, এক্স গার্লফ্রেন্ড, ব্যাচেলর পয়েন্টসহ অসংখ্য নাটক সাড়া জাগিয়েছে দর্শকদের মাঝে।

কাজল আরেফিন অমি নির্মিত সিরিয়াল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকটি ইতোমধ্যে বেশ আলোচিত হয়েছে। নাটকটির প্রতিটি চরিত্র মানুষের মনে ও মুখে। সবকিছু মিলিয়ে নাটকটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠে যে যখন টিভি চ্যানেল কর্তৃপক্ষ এটি বন্ধ করে দেয় তখন দর্শক তা মানতে পারেনি। হুমায়ুন আহমেদ এর বাকের ভাইয়ের পর আবার বাংলাদেশের সাধারণ দর্শকেরা রাস্তায় নামে অমির ব্যাচেলর পয়েন্ট আবার শুরু করার জন্য। দর্শকেরা নিজ উদ্যোগে মানববন্ধন করে ব্যাচেলর পয়েন্টের জন্য। দর্শকদের অভূতপূর্ব সাড়া ব্যাচেলর পয়েন্ট নতুন করে শুরু করেন নির্মাতা।

এদিকে, এবার ঈদে অমির নির্দেশনায় নির্মিত বেশ কয়েকটি নাটক বেশ আলোচনায় উঠে এসেছে। আর এই সফলতার পিছনে রয়েছে না জানা অনেক গল্প। সেই সব অজানা কথা ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে কথা হলো অমির।

বাংলা ইনসাইডার: ঈদে যেই নাটক গুলো আপনার নির্দেশনায় প্রচারিত হয়েছে সেগুলো বেশ আলোচনায় আছে। কেমন উপভোগ করছেন বিষয় 
গুলো?

অমি: অবশ্যই এই প্রাপ্তি আনন্দের। আসলে আমরা প্রতিটা কাজ করি এবং সেই কাজ গুলো দেখে যখন মানুষ তাঁদের পজিটিভ রিভিউ জানান সেটি অনেক বেশী আনন্দের। এবার ঈদে আমি আমার কাজগুলো নিয়ে বেশ এফোর্ড দিয়েছি। সাধারণত অন্য ঈদে এমন হয়নি। ঈদের বিকেল দিন প্যানেলে ছিলাম। ষষ্ঠ দিন পর্যন্ত প্যানেলেই ছিলাম। খাওয়া-দাওয়া, ঘুম সব সেখানেই। এত কষ্টের পর যখন দর্শক আমার কাজ নিয়ে পজিটিভ কথা বলে তখন এক অদ্ভুত আনন্দ কাজ করে। আমি খুব ভাগ্যবান, কেননা দর্শক আমার কাজগুলো ভালোভাবে গ্রহণ করেছেন।



বাংলা ইনসাইডার: আলোচনার পাশাপাশি অনেকেই নানা সমালোচনাও করছে। বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখছেন?

অমি: প্রতিটি কাজ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা থাকবেই। আমি সাধারণ জনগণের জন্য কাজ করি। আমি আমার প্রতিটি কাজ যে শুধু দর্শকদের দেখাই তা কিন্তু নয়। কাজগুলো এডিট প্যানেলে সব কিছু ঠিকঠাক করে তা রিলিজের আগে বারবার দেখি। পাশাপাশি রিলিজের পর আবার আমি দেখি। তখন আমিও দর্শক হয়ে যাই। সো আমি আমার কাজ নিজেই দেখে মূল্যায়ন করি। দেখি আমার কাজের কোথায় কি সমস্যা তা বুঝার চেষ্টা করি। এমন অনেক সময় হয় যে আমার কাজ আমি নিজে দেখেই মনে করি যে না এই কাজটি ভালো হয়নি কিংবা অন্যরকম ভাবে করলে ভালো হতো। যেটি আসলে দর্শকের চোখে পড়ে না কিন্তু আমার চোখে পড়ে। সেই ভুল গুলো যাতে পরবর্তীতে না হয় যেভাবেই নতুন প্রজেক্টে কাজ করি। আসলে প্রতিটা কাজে কম-বেশী ভুল-ত্রুটি থাকবেই। সেটা থেকে আমি শিখি। আর সবার সব কাজ ভালো লাগবে তা না কিন্তু। অনেকের হয়তো আমার কাজ পাগলের মত ভালো লাগবে, আবার অনেকের হয়তো মোটেই পছন্দ হবে না। তবে আমার টার্গেট থাকে সেই পছন্দ না করা মানুষগুলোরও যেন একটা সময় আমার কাজ ভালো লাগে। আমি সমালোচনা শুনে পিছিয়ে যাওয়া লোক না। আমার ভালো করার চেষ্টা সব সময় থাকে।



বাংলা ইনসাইডার: আপনার দৃষ্টিতে ঈদে প্রচারিত আপনার কোন নাটককে আপনি এগিয়ে রাখবেন?

অমি: আমি আমার প্রতিটি কাজই বেশ কষ্ট করে করেছি। সবগুলো কাজই আপন, ভালোবাসার। তবে হ্যাঁ নিজের কাজের মধ্যে নিজের পছন্দের কিছু বিষয় থাকে। কিন্তু আমি সেভাবে আলাদা করতে চাই না। সবগুলো কাজই ভালোলাগার, ভালোবাসার। আমি আসলে চেষ্টা করে গিয়েছি। দর্শক হয়তো আলাদা করতে পারবে।

বাংলা ইনসাইডার: আগামী ঈদ নিয়ে কাজের পরিকল্পনা কী?

অমি: আগামী ঈদের কাজ ইতোমধ্যে শুরু করে দিয়েছি। চেষ্টা থাকবে রোজার ঈদের থেকে কোরবানি ঈদে দর্শকদের আরও ভালো কিছু দেয়ার। আরও বেশী কষ্ট করবো যেন দর্শকদের মন জোগাতে পারি। আমি আসলে সমালোচকদের কথা না ভেবে যারা আমার কাজের জন্য অপেক্ষা করে, তাঁরা যেন আমার কাজ থেকে তৃপ্তি পায় সেই চেষ্টাই করছি।

কাজল আরেফিন অমি   ব্যাচেলর পয়েন্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'ইলেকট্রিক গাড়ির মাধ্যমে অনেক সস্তায় পরিবহন ব্যবস্থা পাওয়া যাবে'


Thumbnail 'ইলেকট্রিক গাড়ির মাধ্যমে অনেক সস্তায় পরিবহন ব্যবস্থা পাওয়া যাবে'

ম্যাঙ্গো টেলিসার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উদ্যোক্তা, বাংলাদেশে ইলেকট্রিক গাড়ির স্বপ্নদ্রষ্টা মীর মাসুদ কবির বলেছেন, ইলেকট্রিক গাড়ির মাধ্যমে আজকে যারা নিজেদের গাড়ির কথা চিন্তাই করতে পারে না তারা হয়তবা অনেক সস্তায় পরিবহন ব্যবস্থা পাবে। বাংলাদেশে ইলেকট্রিক ভেইকেল একটি পরিবর্তন আনবে বলে আমরা মনে করছি। যদি বাংলাদেশে আমরা ঠিকমত করতে পারি তাহলে আমরা এগুলো উৎপাদনের গ্লোবাল হাব হতে পারি। উৎপাদনের ক্ষেত্রে যে কয়েকটি জিনিষ প্রয়োজন হয়। প্রথম হচ্ছে মানুষ। আমাদের মানুষ রয়েছে। দ্বিতীয় হচ্ছে অনুকূল পরিবেশ তৈরি। যেখানে সবাই ইনভেষ্ট করতে আগ্রহী হবে। সেটাও আমাদের সরকার করার জন্য চেষ্টা করছেন। তৃতীয় বুদ্ধিদিপ্ত ক্ষমতা। আমাদের জাতিতে বুদ্ধিদিপ্ত ক্ষমতা অনেক উপরে। এখন আমাদের একটাই বিষয় এই সবগুলোকে একসঙ্গে নিয়ে আসা।

বাংলাদেশে ইলেকট্রিক গাড়ির উৎপাদন এবং এই গাড়ির খুঁটিনাটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন মীর মাসুদ কবির। পাঠকদের জন্য মীর মাসুদ কবির এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান।
 
মীর মাসুদ কবির বলেন, সরকার যদি ইভি ম্যানুফ্যাকচারিং বান্ধব হয় তাহলে দুটি জিনিষ হবে। একটি হলো দেশে পরিবহন খরচ কমে আসবে। দক্ষতা বাড়বে। পরিবহনের দ্বার উম্মোচিত হবে। আরেকটি হলো, বিদেশে আমরা এই গাড়িগুলো রপ্তানী করতে পারবো। এখন এ ক্ষেত্রে সরকার ম্যানুফ্যাকচারিং বান্ধব কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে। সরকার ইতিমধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য কিছু স্টেপ নিয়েছে সেগুলো এক্ষেত্রে আসতে পারে। তারপর ইলেকট্রিক ভেইকেল এর কিছু পার্টস আছে যেমন, ব্যাটারি, মোটর, কন্ট্রোলার এগুলোর যে কমপোনেন্ট এবং র ম্যটেরিয়াল আছে সেগুলো যদি আমরা শুল্কমুক্তভাবে আনতে পারি তাহলে ওই ইন্ডাসট্রিতেও আমরা ভালো করতে পারবো। এক্ষেত্রে ট্যাক্স, ভ্যাট এগুলোর ক্ষেত্রে নমনীয় হওয়া বা সুযােগ সৃষ্টি করা।

তিনি আরও বলেন, আরেকটি হচ্ছে, যে মানুষটি ব্যবহার করবে সরকার তাদেরকে ইনসেনটিভ দিতে পারে। ইনসেনটিভ টা হচ্ছে একটি গাড়ি কিনতে গিয়ে যে ট্যাক্স, রেজিষ্ট্রেশন কষ্ট, ফিটনেস কষ্ট দিতে হয় ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে সেগুলো সব মওকুফ করে দেওয়া হয় তাহলে দেশের উপকার করা হবে। কারণ আজকে একটি পেট্রোল গাড়ি মানে বহু বছরে কার্বণ ছড়ানোর ব্যবস্থা। ইমপোর্টেড ফুয়েল খাবে। এগুলো অনেক টাকা খরচ করেও পরে ঠিক করা যাবে না। আজকে যদি সামান্য ইনসেনটিভ যারা ভোক্তা তারদেরকে সরকার দেয় তাহলে ভবিষ্যতে এটি বড় উপকারে আসবে।

মীর মাসুদ কবির বলেন, বিভিন্ন দেশের সরকার এটি করেছে। আমেরিকার সরকার প্রায় ১৭ শতাংশ ট্যাক্স বেনিফিট দেয়। চীন সরকার প্রতি গাড়িতে ৬-৯ হাজার ডলার ভর্তুকি দেয়। নরওয়ের সরকার ৩০ শতাংশ ভর্তুকি দেয়। বাংলাদেশ কৃষি যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে এটি করেছে। ফলে এটি ভোক্তাদেরকে উৎসাহিত করছে। ফলে ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রেও সরকার চিন্তা করতে পারে। আর আরেকটি বিষয়, সেটি হলো এই ক্ষেত্রে আমাদের দক্ষতা উন্নয়নের দরকার আছে। আমাদের অনেক লোক আছে কিন্তু দক্ষতা ভালো নাই। এটির জন্য যদি সরকার ৫ হাজার লোককে বিভিন্ন গাড়ি কোম্পানীতে ট্রেনিং এর জন্য পাঠায় এবং ৬ মাস বা ১ বছর তাদের ওই গাড়ির কোম্পানীতে কাজ করিয়ে নিয়ে আসি তাহলে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনশক্তির এই ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত যেন ধামাচাপা না পড়ে যায়'

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail 'ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত যেন ধামাচাপা না পড়ে যায়'

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেছেন, আমাদের আয়ের উৎস এবং ব্যয় সরকারের কতৃপক্ষের জানা আছে। তবে আমরা চাইব দুদক ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে যে তদন্ত করছে সেটা যেন ধামাচাপা না পড়ে যায়।

শতাধিক ধর্ম ব্যবসায়ীর দুর্নীতির তদন্ত চেয়ে দুদকে দেওয়া গণকমিশনের তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে গণকমিশনের বিরুদ্ধে দুদকে স্মারকলিপি দিয়েছেন ইসলামিক কালচারাল ফোরাম বাংলাদেশের নেতারা। এ বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় শাহরিয়ার কবির এসব কথা বলেন। পাঠকদের জন্য শাহরিয়ার কবির এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিং।

শাহরিয়ার কবির বলেন, আমাদের মধ্যে কোনো লুকোচুরি নেই যে আমরা ভয় পাবো, তাদের মতো হুমকি দিব, রাস্তায় চিল্লাচিল্লি করবো। তাদের আয় ব্যয়ের হিসাব ঠিক নেই দেখেই তারা রাস্তায় চিল্লাচিল্লি করছে, হুমকি দিচ্ছে। আমাদের সব হিসাব নিকাশ ক্লিয়ার আছে। আমরা সবাই নিয়মিত আয়কর জমা দেই। 

তিনি বলেন, ইসলামিক কালচারাল ফোরাম দুদকের কাছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আয়-ব্যয় ও তহবিলের উৎস এবং কমিটির নেতাদের সম্পদের উৎস ও আয় ব্যয়ের ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এখন দুদক সেটা অনুসন্ধান করে দেখবে। 

শাহরিয়ার কবির আরও বলেন, আমরা যে সমস্ত অভিযোগ দুদকের কাছে দিয়েছি, দুদক এই সব অভিযোগ নিয়ে আগে থেকেই তদন্ত করছে। আমরা তাদেরকে বলেছি যে, আমাদের শ্বেতপত্র তাদের তদন্তে ভূমিকা রাখবে। আর গণকমিশনের বিরুদ্ধে দুদকের কাছে ইসলামিক কালচারাল ফোরাম বাংলাদেশ যে অভিযোগ করেছেন আমরা সেটাকে সাধুবাদ জানাই। দুদকের কাছে যে কেউ অভিযোগ করার অধিকার রাখে। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।


ধর্ম   ব্যবসায়ীদের   বিরুদ্ধে   দুদকের   তদন্ত   ধামাচাপা   না পড়ে  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সাথে সাথে আমাদের প্রবৃদ্ধি বাড়বে'

প্রকাশ: ০৪:০২ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail 'পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সাথে সাথে আমাদের প্রবৃদ্ধি বাড়বে'

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের যে নেতিবাচক রাজনীতি এবং দেশ গঠনে, দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতির যে রাজনীতি সে রাজনীতির সাথে তাদের তো কোনো সম্পর্ক নাই। তারা কখনো দেশের মানুষ এবং দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণের কোনো ভাবনার জায়গাতেও তারা থাকে না। একারণেই তারা পদ্মা সেতু তৈরি করা সম্ভব না, পদ্মা সেতু তৈরি করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন। এমনকি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন, জোড়াতালি দিয়ে এই পদ্মা সেতু বানানো হচ্ছে। এটা ভেঙ্গে পড়বে। শুধু তাই না বিদেশিদের কাছে, বিশ্ব ব্যাংকের কাছে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ড. ইউনূসের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে যাতে বাংলাদেশকে পদ্মা সেতু বানানোর জন্য বিশ্ব ব্যাংক তাদের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নেয় তার জন্য তারা অনেক মিথ্যাচার করছে, বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার করে তাদেরকে প্রভাবিত করা চেষ্টা করেছে।

পদ্মা সেতু নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বিষয়ে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। পাঠকদের জন্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, কিন্তু আমাদের দেশের ১৭ কোটি মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন পদ্মা সেতুকে ঘিরে, পদ্মা সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে সারাদেশে মানুষের যে স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। এই স্বপ্ন পূরণের যে উন্নয়ন, অগ্রগতির যে অভিযাত্রা এটা তো একজন দেশ প্রেমিক নাগরিক হিসেবে আমরা সত্যিই অনেক আনন্দে আনন্দিত। আমরা এতো বেশি কৃতজ্ঞ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। যেটা বেগম খালেদা জিয়া চেষ্টা করলে করতে পারতো। উনি দুইবারের প্রধানমন্ত্রী হয়েও কিন্তু উনি পদ্মা সেতু বানানোর চেষ্টা না করে টালবাহানা করে উনি পাঁচ বছর পার করেছেন। উনি পদ্মা সেতু বানানোর কোনো উদ্যোগ নেননি।

তিনি আরও বলেন, সেই ব্যর্থতার গ্লানির দায় উনাকে নিতে হবে। দক্ষিণ অঞ্চলের ২১ টি জেলার মানুষের সাথে ঢাকার ও চট্টগ্রামের সাথে বাংলাদেশের যে প্রখ্যাত আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বন্দরের সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপিত হোক এই প্রত্যাশা বেগম জিয়া বুঝতে পারেননি। বিএনপি পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য স্বাগত জানায়নি, তারা ধন্যবাদ জানায়নি। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার সাথে সাথে আমাদের প্রবৃদ্ধি বাড়বে। পদ্মা সেতুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সবাই আমরা এক জায়গায় সংযুক্ত হতে পারব।


পদ্মা সেতু   চালু   আমাদের   প্রবৃদ্ধি   বাড়বে  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন