ইনসাইড টক

‘বিএনপি রাজনৈতিক অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়’


Thumbnail ‘বিএনপি রাজনৈতিক অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, ছাত্রদল সশস্ত্র অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঁশ, লাঠি, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, ক্যাম্পাসকে শান্ত রাখার জন্য অছাত্র-সন্ত্রাসীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের ক্ষেত্রে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে নিভৃত করতে বিভিন্নভাবে প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এখানে ছাত্রলীগের সাথে কোনো বিষয় নেই। সরাসরি ছাত্রলীগের সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয় আছে এমনটি নয়।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ছাত্রলীগের ভূমিকাসহ বিভিন্ন বিষয় আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তুলে ধরেন। পাঠকদের জন্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান তুহিন।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার জন্য যে ন্যায়সঙ্গত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছে, ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সেই ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে তাঁরা নৈতিক সমর্থন দিয়েছে। এখানে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল, আওয়ামী লীগ-বিএনপি এরকম কোনো বিষয় না। আমি মনে করি, এগুলোর মূল লক্ষ্য হলো বিএনপি যে রাজনৈতিক অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়, বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে, অপরাজনীতি করে দেশে মানুষের মধ্যে ভীতি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ছড়িয়ে অতীতের ন্যায় সন্ত্রাসী কায়দায় নতুনভাবে তাঁরা আবারও সেই অপরাজনীতি, সন্ত্রাসের রাজনীতি, হত্যার রাজনীতি, লাশের রাজনীতির পুনরাবৃত্তি ঘটানোর এক ধরনের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা এবং ছাত্র রাজনীতির সাথে যারা জড়িত তাঁরা অবশ্যই এই অপরাজনীতির বিপক্ষে দাঁড়াবে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশকে ধরে রাখবে। শিক্ষাঙ্গন অতীতে বিএনপি-জামায়াতের আমলে অস্ত্রধারী, বোমাবাজদের অভয়ারণ্য ছিলো। সন্ত্রাসীদের কোনো ঠিকানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বা ক্যাম্পাসে হতে পারে না। শিক্ষাঙ্গনের সাথে যারা জড়িত যেমন- শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সাথে যারা জড়িত সবাই মিলে, এমনকিও অভিভাবকদেরও উচিৎ এই বিষয়গুলোকে রাজনৈতিক বানানোর প্রচেষ্টা না করে শিক্ষার পরিবেশকে শান্ত রাখা। করোনার সময় আমাদের সন্তানরা গত দুই বছরে অনেক ধরণের প্রতিকূলতা মোকাবেলা করেছে। এখন তাদের সুষ্ঠ, স্বাভাবিকভাবে লেখাপড়া করার পরিবেশ রক্ষায় আমাদের দায়িত্বশীল আচরণ করা প্রয়োজন।

ছাত্রলীগের অনেক চিহ্নিত নেতাকর্মী হামলা করেছেন এমন প্রসঙ্গে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ছাত্রলীগ বা যারাই হামলা করুক না কেন, হামলা কিংবা পাল্টা হামলা-কোনটাই আমরা ভালোভাবে নেই না, ভালোভাবে নেয়ার প্রয়োজন নেই এবং প্রয়োজন বোধ করি না। আমরা সবসময় ইতিবাচক রাজনীতি করি। নৈতিক আন্দোলন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি আমাদের সাধুবাদ আছে। কিন্তু সন্ত্রাসী আন্দোলন, সন্ত্রাসী তাণ্ডব, বিশৃঙ্খলা, বোমাবাজি, মানুষ পুড়িয়ে মারা, সন্ত্রাস করে জঙ্গিবাদকে পুনরুজ্জীবিত করা, ধর্মকে ব্যবহার করে অপরাজনীতি- সবকিছুর প্রতি আমাদের তীব্র প্রতিবাদ এবং তীব্র নিন্দা। আমরা শান্তি, অগ্রগতি, উন্নতিতে বিশ্বাস করি। আওয়ামী লীগ একটি শান্তিপ্রিয় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, বাংলার মানুষের অগ্রগতির জন্য জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের জন্য আমরা কাজ করি। আমাদের লক্ষ্যই হলো এদেশের ছাত্রসমাজের, এদেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণ এবং অগ্রগতি। এই অগ্রগতির পথে বাঁধা সৃষ্টি করে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, অপরাজনীতি করে আন্দোলন-সংগ্রামের নামে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, প্রতিহিংসার রাজনীতি, হত্যা-লাশের রাজনীতি যারা করে তাদের প্রতি আমাদের আহ্বান এই সকল পথ ছেড়ে শান্তির পথে, গণতন্ত্রের পথে এবং নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের পথে আমরা তাদেরকে স্বাগত জানাবো।

ছাত্রলীগ   ছাত্রদল   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়   সংঘর্ষ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘অপরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টরা নাট-বল্টু খোলার সাথে জড়িত’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘অপরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টরা নাট-বল্টু খোলার সাথে জড়িত’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, পদ্মা সেতু নিয়ে মানুষের উৎসাহ আর উদ্দীপনা ব্যাপক। এটি শুধু এখন নয়, উদ্বোধনের আগেও ছিল। পদ্মা সেতু নিয়ে মানুষের যে আবেগ ও উৎসাহ, সেটা অস্বীকার করার কোনো অবকাশ নেই। পদ্মা সেতু নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ, অতি উৎসাহ এটি থাকবেই। কারণ সারাদেশের মানুষের আবেগ জড়িত আছে এই সেতুর সাথে। তবে কারো কারো উৎসাহের সাথে কোনো দুরভিসন্ধি আছে কিনা সেটা একটা প্রশ্নের বিষয় এবং সে বিষয়ে অবশ্যই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনুসন্ধান করে দেখবেন। বিষয়টি নিয়ে আরও ভালোভাবে খোঁজ খবর এবং আরও নজরদারি করার দরকার বলে আমি মনে করি। 

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরের দিন সেতু উপরে উঠে ছবি তোলা, টিকটক ভিডিও বানানো এবং পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে নেওয়া প্রসঙ্গে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন। পাঠকদের জন্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সক্ষমতার প্রতীক। আমাদের স্বপ্ন পূরণের বাস্তব নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে এই পদ্মা সেতু। ফলে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হতেই পারেই। এটা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। সে সকল বিষয়ের দিকে বিশেষ নজরদারির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি। সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে, গোয়েন্দা সংস্থা আছে, তারাও বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন এবং আরও বেশি তৎপর থাকবেন বলে আমি প্রত্যাশা করি। কারণ পদ্মা সেতু আমাদের একটি বড় স্থাপনা, যেটা আমাদের জাতীয় অগ্রগতি এবং উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত। সেটার যেন কোনো ক্ষতি সাধিত না হয় এবং এটা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের সবার।

তিনি আরও বলেন, যে ব্যক্তি পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট খুলেছে পুলিশ ইতোমধ্যে তাকে গ্রেফতার করেছে। দেশের অপরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টরা এর সাথে জড়িত আছে। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে বেশ তৎপর আছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। আমাদের দেশে অপরাজনীতি আছে। আবার বিরোধীতার জন্য বিরোধীতাকারীদের সংখ্যাও আছে। যারা মূলত এ ধরনের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকে। এ ধরনের রাজনীতির করার নেতাও আছে, যারা স্বপ্নের পদ্মা সেতুর বাস্তবায়নকে সাধুবাদ জানাতে পারেন না। সুতরাং তাদের দিকে নজরদারি বাড়ানো উচিত বলে আমি মনে করি। 

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, পদ্মা সেতুতে অনির্দিষ্টকালের জন্য মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করার বিষয়টি আসলে অনির্দিষ্টকালের জন্য নয়। এটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এবং সাময়িক সময়ের জন্য। সেতুতে পারাপারের সঙ্গে জড়িত সকল নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হলেই শিগগিরই এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে বলে আমি মনে করি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'বন্যার্তদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে'


Thumbnail 'বন্যার্তদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে'

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, বন্যাকবলিতদের পুনর্বাসনসহ যে সংকটগুলো আছে, সেগুলো নিরসনের জন্য সরকার এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কাজ করছে। এই কাজ অব্যাহত থাকবে। 

বন্যা পরিস্থিতি, বন্যার্তদের পুনর্বাসন নদীভাঙনসহ বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি এসব কথা বলেন। পাঠকদের জন্য এ কে এম এনামুল হক শামীম এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান।

বন্যা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, বন্যার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়েছিলেন। আমিও এলাকাগুলোতে গিয়েছিলাম। এখন আওয়ামী লীগ এমপি, জনপ্রতিনিধি এবং সকল সহযোগী সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। বন্যার্তদের পাশে সরকার এবং আওয়ামী লীগ রয়েছে। সর্বোচ্চ কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বন্যার পানি নেমে গেছে। দিন দিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন কবলিত এলাকা যেগুলো আছে, প্রত্যেক জায়গায় আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। সেইভাবেই আমরা এলার্ট রয়েছি, প্রস্তুত রয়েছি। জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলদের নির্দেশনা দেওয়া আছে যেনো নদীভাঙন কবলিত এলাকাগুলোতে তারা সর্বোচ্চ নজরদারী দেন। 

এনামুল হক শামীম বলেন, প্রতি বছরই এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর অনেক ক্ষেত্রে অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের দেশে বন্যা কয়েক দফা হয়, বর্ষা হয়, নদীভাঙন হয়, ঘূর্ণিঝড় হয়, সাইক্লোন হয় এটা আমরা প্রতি বছরই জানি এবং সেই ভাবেই আমরা আগাম প্রস্তুতি রাখি। মূলত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত সব সময় এলার্ট থাকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো এলার্ট থাকি। 

বন্যা পরিস্থিতি   বন্যা   বন্যার্ত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘পদ্মা সেতুর উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘পদ্মা সেতুর উদ্ধোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি টানিং পয়েন্ট’

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেছেন, আজকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট। স্বাধীনতা অর্জন করার পর আমার মধ্যে যে ধরনের অনুভূতি ছিল, আজকেও সেই একই অনুভূতি কাজ করছে। পদ্মা সেতুর মতো এতো বড় মেগা প্রজেক্ট যেটি নানা রকম ষড়যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে গিয়ে আজকে চূড়ান্ত দৃশ্যমান হয়েছে। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে নিজের অর্থ ব্যয়ে যখন পদ্মা সেতু হলো তখন বার বার সেই একাত্তরের কথাই মনে পড়ছে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পর্কে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক আবদুল মান্নান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, বাঙালি জাতি পারে না এমন কোনো জিনিস বা কাজ নেই। প্রয়োজন শুধু যোগ্য নেতৃত্ব। নেতৃত্ব ঠিক থাকলে যেকোনো অসম্ভবকে বাঙালি জাতি সম্ভব করতে পারে। আর সেটা ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর যোগ্য নেতৃত্বে প্রমাণিত হয়েছে। আজ ২০২২ সালে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে।

তিনি আরও বলেন, মানুষ বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েন, আর যিনি মানুষকে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করতে পারেন বা মানুষকে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের করে নিয়ে আসেন আসল কৃতিত্ব তখন তারই হয়। পদ্মা সেতু বেলায় সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। পদ্মা সেতু নিয়ে এতো ষড়যন্ত্র, এতো বিরোধীতা, কিন্তু তিনি কখনো হতাশ হননি। 

অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, একবার বঙ্গবন্ধুকে এক বিবিসি সাংবাদিক বলেছিল, আপনার দেশ যে স্বাধীন হলো, আপনার দেশে তো কিছু নাই, আপনি কি দিয়ে দেশকে দাঁড় করাবেন। তখন বঙ্গবন্ধু উত্তরে বলেছিলেন, আমার দেশের মাটি আছে, মানুষ আছে। বঙ্গবন্ধু তাকে এও বলেছিলেন, মাটি ও মানুষ এই দুটি জিনিস কখনো আমাকে বিচলিত করে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজকে সে কথাই পুনরাবৃত্তি করেছেন তার বক্তব্যে। শেখ হাসিনা যাদের উপর আস্থা রেখেছিল তারা উনার বরখেলাপ করেননি। সাধারণ শ্রমিক থেকে শুরু করে পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাই শেখ হাসিনার ওপর যেমন আস্থা রেখেছিলেন, তেমনি শেখ হাসিনাও তাদের ওপর আস্থা রেখেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু হবে না বলে যারা সমালোচনা করেছিলেন, বিরোধীতা করেছিলেন, আজকে তাদের লজ্জিত হওয়া উচিত, ক্ষমা চাওয়া উচিত। কারণ তারা নিজেদের ক্ষমতার ব্যাপারে অবগত নন। তারা দেশের মানুষের সক্ষমতাকে অস্বীকার করেছিলেন। যা তাদের ভুল ছিল। একাত্তরে আমরা বড় কোনো অস্ত্র শস্ত্র ছাড়াই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়ােই করে জয়ী হয়েছি। কারণ আমাদের বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা ছিলেন। আজ বঙ্গবন্ধু নেই কিন্তু তার সুযোগ্য কন্যা আছে, তার রক্ত আছে।

পদ্মা সেতু   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'পদ্মা পাড়ের মানুষকে পদ্মা সেতু নতুনভাবে বাঁচতে স্বপ্ন দেখাবে'

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail 'পদ্মা পাড়ের মানুষকে পদ্মা সেতু নতুনভাবে বাঁচতে স্বপ্ন দেখাবে'

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, পদ্মা সেতুর আশেপাশের যে অঞ্চলগুলো আছে, আমরা যেগুলোকে পদ্মা সেতুর বিশেষ সুবিধাভোগী বলে থাকি, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওই ২১টি জেলার মধ্যে ১৩টি জেলা একেবারে দরিদ্র্য জেলা। বাংলাদেশের দরিদ্র্য জেলাগুলোর যে তালিকা সেখানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৩টি জেলা আছে। সেখানকার মানুষ যারা চরাঞ্চলের অর্থাৎ যারা সুন্দরবনের আশেপাশে বাস করছেন, যারা প্রতিবছর আইলা বা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যারা মেনেই নিয়েছে যে, তাদের জীবনটা এ রকমই হবে। খোলা আকাশের নিচে কোনো রকম একটা ঘর থাকবে, মাছ ধরবে সেটা বিক্রি করে তারা জীবন চালাবে। কারণ সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে এভাবে সৃষ্টি করেছেন, এভাবেই তাদের থাকতে হবে, এটা তারা মেনেই নিয়েছে। কিন্তু পদ্মা সেতুর হওয়াতে এখন তাদের মানসিক জগতের একটা পরিবর্তন হবে। 

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সাধারণ মানুষের জীবনে পদ্মা সেতু কি ভূমিকা রাখবে তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বিভিন্ন রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে, ওই এলাকার মানুষের মধ্যে এখন একটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে তাদের যে জীবনযাত্রা সেটাই তাদের জীবনযাত্রা না। আগে তারা শাক সবজি উৎপাদন করতো,  হয়তো মাছ ধরতো বা ফুল চাষ করতো, কিংবা ছোট খাটো কৃষিকাজ করতো। এগুলো তাদেরকে বেশিরভাগ সময় চরাঞ্চলেই বিক্রি করতে হতো। আবার যারা মহাজন আছেন তারাও এসব কিনে খুব বেশি লাভবান হতো  না। কারণ পদ্মা পাড়ে তাদের তিন/চার দিন ধরে অপেক্ষা করতে হতো, ৮/১০ মাইল গাড়ির লাইন দাঁড়িয়ে থাকতো, এতে করে বেশির ভাগ সময় প্রায় অর্ধেক কাঁচামালই তাদের পচে যেতো বা নষ্ট হয়ে যেত। কিন্তু পদ্মা সেতু হয়ে গেলে, একটি গ্রামের অতি ক্ষুদ্র কৃষকেরাও একসঙ্গে তাদের উৎপাদিত, পুইঁশাক, করলা বা তাদের ধরা ছোট মাছগুলো ছোট ট্রাকে করে সেটা ২/৩ টনের হতে পারে, এভাবে তারা কিন্তু এখন ঢাকা এনে বিক্রি করে আবার দিনের মধ্যে বাড়ি ফিরে যেতে পারবে। এই যে নতুন একটা জাগরণ, নতুনভাবে বাঁচতে তাদের স্বপ্ন দেখা বা আশা করা এটাই হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সবচেয়ে বড় অর্জন এবং এটাই হবে সেতুর সবচেয়ে বড় ইতিবাচক প্রভাব। এর ফলে ওই এলাকার পুরো চিত্র বদলে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিবার ঈদের সময় দেখি যে, লঞ্চ ডুবে যায়, আগুনে ফেরি পুড়ে যায়, মুর্মূষু রোগী ফেরির মধ্যেই মারা গেছে, এরকম শত শত ঘটনা আছে। কিংবা প্রসূতি মা সময় মতো হাসপাতালে যেতে না পারার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এই রকম হাজারো নীরব কান্না আছে ওই অঞ্চলে। যাদের সাথে এই সমস্ত ঘটনা ঘটেছে তারাই জানে এর কষ্টটা। আমরা হয়তো সেটা সেরকমভাবে উপলদ্ধি করতে পারবো না। যে কারণে আমাদের চেয়ে তারা আরও ভালো বুঝতে পারবে এই সেতু গুরুত্ব কতটুকু।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘আমাদের মানসিকতা একটু আপডেট করতে হবে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘আমাদের মানসিকতা একটু আপডেট করতে হবে’

দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। তার নামটিই ঢালিউডের শোবিজ অঙ্গনের দুরন্ত এক মেধাবীর নাম। শোবিজে তার শুরুটা হয়েছিল আরজে হিসেবে। এরপর নিজেকে মেলে ধরেন উপস্থাপনায়। তারপর মডেলিং, স্টেজ শো উপস্থাপনা যখন যেখানে কাজ করেছেন সেখানেই সাফল্য কুড়িয়েছেন দুহাত ভরে। সিনেমায় নাম লেখিয়েও নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি।

বছর দেড়েক আগে নুসরাত ফারিয়া ছোট পর্দার অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘যদি...কিন্তু... তবুও’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেন। এরপর আর তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি। সেই ওয়েব ফিল্মের পর তারা আবারও নতুন করে জুটি বাঁধলেন।

এবার জুটি বেঁধে ৭৫ মিনিটের টেলিভিশন ফিচার ফিল্মে অভিনয় করেছেন তারা। ‘আইকন ম্যান’ নামের এই ফিচার ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় নির্মাতা সঞ্জয় সমাদ্দার। সমসাময়িক কাজ প্রসঙ্গে সম্প্রতি বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে কথা বলেন লাস্যময়ী এই নায়িকা।

প্রথমবার টিভি ফিচার ফিল্মে কাজ করা প্রসঙ্গে নুসরাত ফারিয়া বলেন, এখানে আমার চরিত্রটির নাম নোভা। এটা ধোঁয়াশার মতো একটি চরিত্র। যা আমি কখনো করিনি। এখন কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে এটুকু বলতে পারি, দর্শক এখানে ভিন্ন এক নুসরাত ফারিয়াকে দেখতে পাবে। এর আগে সবাই আমাকে গ্ল্যামারস সব চরিত্রে দেখেছেন। তবে এটি একদমই আলাদা।



জানা গেছে, বর্তমান সমাজে প্রতিযোগিতা, অসংগতি আর প্রতিশোধের গল্প ‘আইকন ম্যান’। গল্পে কিছুটা থ্রিল আছে। চিত্রনাট্য লিখেছেন ইশতিয়াক অয়ন। আগামী ঈদে দীপ্ত টিভিতে প্রচারের পর একই চ্যানেলের ইউটিউবে মুক্তি দেওয়া হবে এটি।

দীর্ঘদিন ধরেই বড় পর্দায় নেই নুসরাত ফারিয়া। গেল রোজার ঈদেও মুক্তি পায়নি তার নতুন কোনো সিনেমা। আসন্ন ঈদে তার একটি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সম্প্রতি সিদ্ধান্ত বদল হয়েছে। তাই এবারের ঈদেও বড় পর্দা থাকবে ফারিয়াবিহীন। প্রসঙ্গে নায়িকা বলেন, আমরা আমাদের কাজ করেই আসছি। শুটিং, ডাবিং এবং প্রমোশন পর্যন্ত থাকার চেষ্টা করি। এখন সিনেমা মুক্তির বিষয়ে আমাদের হাত থাকে না। আমার অনেকগুলো সিনেমা আটকে আছে।

যোগ করে নুসরাত ফারিয়া বলেন, কোরবানির ঈদে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ সিনেমা আসার কথা চলছে। এছাড়া ‘পাতাল ঘর’ নামে আরও একটি সিনেমা মুক্তির কথা ছিল। তবে ঈদে সিনেমা মুক্তি না পেলে আমার খুব কষ্ট লাগে। আমি চাই, যেটাই আসুক না কেন সেটা যেন পরিপূর্ণভাবে প্রেক্ষাগৃহে আসে।

তবে ফারিয়া এবার আর তার ভক্তদের একেবারে নিরাশ করতে চান না। তাই তো সদ্য ফিচার ফিল্মে কাজ করেছেন তিনি। ‘আইকন ম্যান’ দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আসন্ন ঈদের জন্য ভিন্নধর্মী একটি কাজ করেছি। এমন কাজ এর আগে কখনো করা হয়নি। এই প্রথমবার টিভি ফিচার ফিল্ম করেছি। ঈদে সবাইকে এটা দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

নুসরাত ফারিয়া অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় আছে বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমা। এই সিনেমার খ্যাতিমান পরিচালক শ্যাম বেনেগালের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এটা আমার কাছে স্বপ্নের প্রজেক্ট। এটার অংশ হতে পারাটাও একটা স্বপ্নের মতো। এখানে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (ছোট বেলা থেকে ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত) চরিত্রে অভিনয় করছি। এটা আমার ওপর অনেক বড় একটি দায়ভার। পরিচালক শ্যাম বেনেগাল ও পুরো টিমের সহযোগিতায় এই দায়ভারটা আমি যথাযথ সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছি। আশা করি, সবাই কাজটি পছন্দ করবে।



চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফারিয়া শুটিং শেষ করেছেন কলকাতার নতুন সিনেমার। যার নাম ‘রকস্টার’। যেখানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নায়িকা জুটি বেঁধেছেন কলকাতার নায়ক যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে। সিনেমায় যশের প্রেমিকার চরিত্রে হাজির হবেন ফারিয়া।

সিনেমাটি নিয়ে তিনি বলেন, এই সিনেমার শুটিং শেষ। এখনও একটি গান বাকী আছে। সেটা শেষ করার পরিকল্পনা চলছে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা চলছে। মনে হচ্ছে পূজায় সিনেমাটি মুক্তি পাবে। সিনেমাটি মুক্তির জন্য অধীর অপেক্ষায় আছেন বলেও জানান হাস্যোজ্জ্বল এই নায়িকা।

নায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে দর্শক শুধু অভিনয়ে খুঁজে পান তা নয়। এই নায়িকা গানও গেয়ে থাকেন। এর আগে প্রকাশ পাওয়া দুইটি মিউজিক ভিডিওতে গান গেয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ২০১৮ সালে ফারিয়ার প্রথম গান ‘পটাকা’ প্রকাশ পায়। দুই বছর পর প্রকাশ পায় তার দ্বিতীয় গান ‘আমি চাই থাকতে’। সর্বশেষ তার প্রকাশ পায় ‘হাবিবি’ শিরোনামের গানটি। এটি অন্তর্জালে প্রকাশের পর প্রশংসা কুড়ান তিনি।

দুই বাংলার জনপ্রিয় মুখ নুসরাত ফারিয়ার অভিনয়ের পাশাপাশি আকর্ষণীয় ফিগার ও সৌন্দর্য সচেতনতায় জুড়ি নেই। নিয়মিত জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করেন তিনি।

এদিকে, ফারিয়া ক্যারিয়ারের সুসময় পার করছেন। ঢালিউড-টলিউড মিলিয়ে একাধিক সিনেমা মুক্তির প্রহর গুনছে। বর্তমানে তার হাতে রয়েছে ‘ভয়’, ‘পর্দার আড়ালে’, ‘বিবাহ অভিযান-২’ ও ‘ঢাকা ৪২০’ সিনেমাগুলো।

সম্প্রতি আপনি একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেছেন। সেই অনুষ্ঠানে শাকিব খান ও রিয়াজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। এই বিষয়ে কি বলবেন জানতে চাইলে নুসরাত ফারিয়া বলেন,  সত্যি কথা বলতে আমাদের মানসিকতা একটু আপডেট করতে হবে। যখন আপনি দেশের বাইরে আইফা, ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কারগুলো দেখেন-সেখানে নিজেদের নিয়ে অনেক সমালোচনা করা হয়। কিন্তু দিন শেষে সেটা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান। ওই অনুষ্ঠানে করোনার পর আমরা একত্রিত হয়েছিলাম। দেশে যতগুলো ভাইরাল ইস্যু-যেগুলো দিয়ে আমরা সবাইকে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। শাকিব-রিয়াজসহ সবার ভক্তদের বললো-এটা শুধুই ফান ছিলো।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন