ইনসাইড টক

'মানুষের মধ্যে বুস্টার ডোজ নেওয়ার আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না'

প্রকাশ: ০৪:০৩ পিএম, ১৬ Jun, ২০২২


Thumbnail 'মানুষের মধ্যে বুস্টার ডোজ নেওয়ার আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না'

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেছেন, গত দুইটি বছর গোঠা বিশ্বে করোনা যে মহা তান্ডব চালিয়েছে তাতে মানুষ অনেকটাই ক্লান্ত হয়ে উঠেছে। এই সময় স্বাভাবিক জীবন থেকে আমরা বিছিন্ন হয়ে পড়েছিলাম। এখনো মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেননি। সেকারণে করোনা পরীক্ষা হোক বা টিকা নেওয়া হোক দুইটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাংলাদেশে নয় গোঠা বিশ্বে মানুষের মধ্যে এখন স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবনতা বেড়েছে। কিন্তু অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী ইদানিং করোনা সংক্রমণ আবার বাড়ছে। বিশেষ করে ইউরোপে আরো বাড়ছে। সুতরাং আমাদের দেশেও আবার করোনা সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। এটা অস্বাভাবিক কিছু হবে না। 

মানুষের মধ্যে বুস্টার ডোজ নেওয়ার আগ্রহ কমে, আবারও করোনা বৃদ্ধিসহ নানা বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিং। 

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী যে কথা বলেছেন আমি তার সাথে একমত, মানুষের মধ্যে বুস্টার ডোজ নেওয়ার আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। প্রথম দুই ডোজ টিকা নেওয়া পর কার শরীরে কতটা রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে এটা আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারবো না। বিশ্বে বিভিন্ন গবেষণায় আমরা প্রাথমিক যে তথ্যগুলো পেয়েছি সেখানে বলা হচ্ছে, প্রথম দুই ডোজ সর্বোচ্চ এক বছর প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে। সে কারণে প্রথম দুই ডোজ নেওয়ার পর আবার বুস্টার ডোজ নেওয়া খুবই দরকার। কারণ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে এখন চতুর্থ ডোজও দেওয়া হচ্ছে। সুতরাং প্রথম দুই ডোজ টিকায় আমরা এখনো পুরোপুরি নিরাপদ নই।


বুস্টার ডোজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘পদ্মা সেতুর উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘পদ্মা সেতুর উদ্ধোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি টানিং পয়েন্ট’

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেছেন, আজকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট। স্বাধীনতা অর্জন করার পর আমার মধ্যে যে ধরনের অনুভূতি ছিল, আজকেও সেই একই অনুভূতি কাজ করছে। পদ্মা সেতুর মতো এতো বড় মেগা প্রজেক্ট যেটি নানা রকম ষড়যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে গিয়ে আজকে চূড়ান্ত দৃশ্যমান হয়েছে। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে নিজের অর্থ ব্যয়ে যখন পদ্মা সেতু হলো তখন বার বার সেই একাত্তরের কথাই মনে পড়ছে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পর্কে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক আবদুল মান্নান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, বাঙালি জাতি পারে না এমন কোনো জিনিস বা কাজ নেই। প্রয়োজন শুধু যোগ্য নেতৃত্ব। নেতৃত্ব ঠিক থাকলে যেকোনো অসম্ভবকে বাঙালি জাতি সম্ভব করতে পারে। আর সেটা ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর যোগ্য নেতৃত্বে প্রমাণিত হয়েছে। আজ ২০২২ সালে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে।

তিনি আরও বলেন, মানুষ বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন অনেক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েন, আর যিনি মানুষকে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করতে পারেন বা মানুষকে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বের করে নিয়ে আসেন আসল কৃতিত্ব তখন তারই হয়। পদ্মা সেতু বেলায় সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। পদ্মা সেতু নিয়ে এতো ষড়যন্ত্র, এতো বিরোধীতা, কিন্তু তিনি কখনো হতাশ হননি। 

অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, একবার বঙ্গবন্ধুকে এক বিবিসি সাংবাদিক বলেছিল, আপনার দেশ যে স্বাধীন হলো, আপনার দেশে তো কিছু নাই, আপনি কি দিয়ে দেশকে দাঁড় করাবেন। তখন বঙ্গবন্ধু উত্তরে বলেছিলেন, আমার দেশের মাটি আছে, মানুষ আছে। বঙ্গবন্ধু তাকে এও বলেছিলেন, মাটি ও মানুষ এই দুটি জিনিস কখনো আমাকে বিচলিত করে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজকে সে কথাই পুনরাবৃত্তি করেছেন তার বক্তব্যে। শেখ হাসিনা যাদের উপর আস্থা রেখেছিল তারা উনার বরখেলাপ করেননি। সাধারণ শ্রমিক থেকে শুরু করে পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাই শেখ হাসিনার ওপর যেমন আস্থা রেখেছিলেন, তেমনি শেখ হাসিনাও তাদের ওপর আস্থা রেখেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু হবে না বলে যারা সমালোচনা করেছিলেন, বিরোধীতা করেছিলেন, আজকে তাদের লজ্জিত হওয়া উচিত, ক্ষমা চাওয়া উচিত। কারণ তারা নিজেদের ক্ষমতার ব্যাপারে অবগত নন। তারা দেশের মানুষের সক্ষমতাকে অস্বীকার করেছিলেন। যা তাদের ভুল ছিল। একাত্তরে আমরা বড় কোনো অস্ত্র শস্ত্র ছাড়াই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়ােই করে জয়ী হয়েছি। কারণ আমাদের বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা ছিলেন। আজ বঙ্গবন্ধু নেই কিন্তু তার সুযোগ্য কন্যা আছে, তার রক্ত আছে।

পদ্মা সেতু   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'পদ্মা পাড়ের মানুষকে পদ্মা সেতু নতুনভাবে বাঁচতে স্বপ্ন দেখাবে'

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail 'পদ্মা পাড়ের মানুষকে পদ্মা সেতু নতুনভাবে বাঁচতে স্বপ্ন দেখাবে'

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, পদ্মা সেতুর আশেপাশের যে অঞ্চলগুলো আছে, আমরা যেগুলোকে পদ্মা সেতুর বিশেষ সুবিধাভোগী বলে থাকি, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওই ২১টি জেলার মধ্যে ১৩টি জেলা একেবারে দরিদ্র্য জেলা। বাংলাদেশের দরিদ্র্য জেলাগুলোর যে তালিকা সেখানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৩টি জেলা আছে। সেখানকার মানুষ যারা চরাঞ্চলের অর্থাৎ যারা সুন্দরবনের আশেপাশে বাস করছেন, যারা প্রতিবছর আইলা বা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যারা মেনেই নিয়েছে যে, তাদের জীবনটা এ রকমই হবে। খোলা আকাশের নিচে কোনো রকম একটা ঘর থাকবে, মাছ ধরবে সেটা বিক্রি করে তারা জীবন চালাবে। কারণ সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে এভাবে সৃষ্টি করেছেন, এভাবেই তাদের থাকতে হবে, এটা তারা মেনেই নিয়েছে। কিন্তু পদ্মা সেতুর হওয়াতে এখন তাদের মানসিক জগতের একটা পরিবর্তন হবে। 

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সাধারণ মানুষের জীবনে পদ্মা সেতু কি ভূমিকা রাখবে তা নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বিভিন্ন রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে, ওই এলাকার মানুষের মধ্যে এখন একটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে তাদের যে জীবনযাত্রা সেটাই তাদের জীবনযাত্রা না। আগে তারা শাক সবজি উৎপাদন করতো,  হয়তো মাছ ধরতো বা ফুল চাষ করতো, কিংবা ছোট খাটো কৃষিকাজ করতো। এগুলো তাদেরকে বেশিরভাগ সময় চরাঞ্চলেই বিক্রি করতে হতো। আবার যারা মহাজন আছেন তারাও এসব কিনে খুব বেশি লাভবান হতো  না। কারণ পদ্মা পাড়ে তাদের তিন/চার দিন ধরে অপেক্ষা করতে হতো, ৮/১০ মাইল গাড়ির লাইন দাঁড়িয়ে থাকতো, এতে করে বেশির ভাগ সময় প্রায় অর্ধেক কাঁচামালই তাদের পচে যেতো বা নষ্ট হয়ে যেত। কিন্তু পদ্মা সেতু হয়ে গেলে, একটি গ্রামের অতি ক্ষুদ্র কৃষকেরাও একসঙ্গে তাদের উৎপাদিত, পুইঁশাক, করলা বা তাদের ধরা ছোট মাছগুলো ছোট ট্রাকে করে সেটা ২/৩ টনের হতে পারে, এভাবে তারা কিন্তু এখন ঢাকা এনে বিক্রি করে আবার দিনের মধ্যে বাড়ি ফিরে যেতে পারবে। এই যে নতুন একটা জাগরণ, নতুনভাবে বাঁচতে তাদের স্বপ্ন দেখা বা আশা করা এটাই হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সবচেয়ে বড় অর্জন এবং এটাই হবে সেতুর সবচেয়ে বড় ইতিবাচক প্রভাব। এর ফলে ওই এলাকার পুরো চিত্র বদলে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিবার ঈদের সময় দেখি যে, লঞ্চ ডুবে যায়, আগুনে ফেরি পুড়ে যায়, মুর্মূষু রোগী ফেরির মধ্যেই মারা গেছে, এরকম শত শত ঘটনা আছে। কিংবা প্রসূতি মা সময় মতো হাসপাতালে যেতে না পারার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এই রকম হাজারো নীরব কান্না আছে ওই অঞ্চলে। যাদের সাথে এই সমস্ত ঘটনা ঘটেছে তারাই জানে এর কষ্টটা। আমরা হয়তো সেটা সেরকমভাবে উপলদ্ধি করতে পারবো না। যে কারণে আমাদের চেয়ে তারা আরও ভালো বুঝতে পারবে এই সেতু গুরুত্ব কতটুকু।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘আমাদের মানসিকতা একটু আপডেট করতে হবে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘আমাদের মানসিকতা একটু আপডেট করতে হবে’

দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। তার নামটিই ঢালিউডের শোবিজ অঙ্গনের দুরন্ত এক মেধাবীর নাম। শোবিজে তার শুরুটা হয়েছিল আরজে হিসেবে। এরপর নিজেকে মেলে ধরেন উপস্থাপনায়। তারপর মডেলিং, স্টেজ শো উপস্থাপনা যখন যেখানে কাজ করেছেন সেখানেই সাফল্য কুড়িয়েছেন দুহাত ভরে। সিনেমায় নাম লেখিয়েও নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি।

বছর দেড়েক আগে নুসরাত ফারিয়া ছোট পর্দার অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘যদি...কিন্তু... তবুও’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেন। এরপর আর তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি। সেই ওয়েব ফিল্মের পর তারা আবারও নতুন করে জুটি বাঁধলেন।

এবার জুটি বেঁধে ৭৫ মিনিটের টেলিভিশন ফিচার ফিল্মে অভিনয় করেছেন তারা। ‘আইকন ম্যান’ নামের এই ফিচার ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় নির্মাতা সঞ্জয় সমাদ্দার। সমসাময়িক কাজ প্রসঙ্গে সম্প্রতি বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে কথা বলেন লাস্যময়ী এই নায়িকা।

প্রথমবার টিভি ফিচার ফিল্মে কাজ করা প্রসঙ্গে নুসরাত ফারিয়া বলেন, এখানে আমার চরিত্রটির নাম নোভা। এটা ধোঁয়াশার মতো একটি চরিত্র। যা আমি কখনো করিনি। এখন কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে এটুকু বলতে পারি, দর্শক এখানে ভিন্ন এক নুসরাত ফারিয়াকে দেখতে পাবে। এর আগে সবাই আমাকে গ্ল্যামারস সব চরিত্রে দেখেছেন। তবে এটি একদমই আলাদা।



জানা গেছে, বর্তমান সমাজে প্রতিযোগিতা, অসংগতি আর প্রতিশোধের গল্প ‘আইকন ম্যান’। গল্পে কিছুটা থ্রিল আছে। চিত্রনাট্য লিখেছেন ইশতিয়াক অয়ন। আগামী ঈদে দীপ্ত টিভিতে প্রচারের পর একই চ্যানেলের ইউটিউবে মুক্তি দেওয়া হবে এটি।

দীর্ঘদিন ধরেই বড় পর্দায় নেই নুসরাত ফারিয়া। গেল রোজার ঈদেও মুক্তি পায়নি তার নতুন কোনো সিনেমা। আসন্ন ঈদে তার একটি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সম্প্রতি সিদ্ধান্ত বদল হয়েছে। তাই এবারের ঈদেও বড় পর্দা থাকবে ফারিয়াবিহীন। প্রসঙ্গে নায়িকা বলেন, আমরা আমাদের কাজ করেই আসছি। শুটিং, ডাবিং এবং প্রমোশন পর্যন্ত থাকার চেষ্টা করি। এখন সিনেমা মুক্তির বিষয়ে আমাদের হাত থাকে না। আমার অনেকগুলো সিনেমা আটকে আছে।

যোগ করে নুসরাত ফারিয়া বলেন, কোরবানির ঈদে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ সিনেমা আসার কথা চলছে। এছাড়া ‘পাতাল ঘর’ নামে আরও একটি সিনেমা মুক্তির কথা ছিল। তবে ঈদে সিনেমা মুক্তি না পেলে আমার খুব কষ্ট লাগে। আমি চাই, যেটাই আসুক না কেন সেটা যেন পরিপূর্ণভাবে প্রেক্ষাগৃহে আসে।

তবে ফারিয়া এবার আর তার ভক্তদের একেবারে নিরাশ করতে চান না। তাই তো সদ্য ফিচার ফিল্মে কাজ করেছেন তিনি। ‘আইকন ম্যান’ দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আসন্ন ঈদের জন্য ভিন্নধর্মী একটি কাজ করেছি। এমন কাজ এর আগে কখনো করা হয়নি। এই প্রথমবার টিভি ফিচার ফিল্ম করেছি। ঈদে সবাইকে এটা দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

নুসরাত ফারিয়া অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় আছে বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমা। এই সিনেমার খ্যাতিমান পরিচালক শ্যাম বেনেগালের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এটা আমার কাছে স্বপ্নের প্রজেক্ট। এটার অংশ হতে পারাটাও একটা স্বপ্নের মতো। এখানে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (ছোট বেলা থেকে ৩৫ বছর বয়স পর্যন্ত) চরিত্রে অভিনয় করছি। এটা আমার ওপর অনেক বড় একটি দায়ভার। পরিচালক শ্যাম বেনেগাল ও পুরো টিমের সহযোগিতায় এই দায়ভারটা আমি যথাযথ সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছি। আশা করি, সবাই কাজটি পছন্দ করবে।



চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফারিয়া শুটিং শেষ করেছেন কলকাতার নতুন সিনেমার। যার নাম ‘রকস্টার’। যেখানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নায়িকা জুটি বেঁধেছেন কলকাতার নায়ক যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে। সিনেমায় যশের প্রেমিকার চরিত্রে হাজির হবেন ফারিয়া।

সিনেমাটি নিয়ে তিনি বলেন, এই সিনেমার শুটিং শেষ। এখনও একটি গান বাকী আছে। সেটা শেষ করার পরিকল্পনা চলছে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা চলছে। মনে হচ্ছে পূজায় সিনেমাটি মুক্তি পাবে। সিনেমাটি মুক্তির জন্য অধীর অপেক্ষায় আছেন বলেও জানান হাস্যোজ্জ্বল এই নায়িকা।

নায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে দর্শক শুধু অভিনয়ে খুঁজে পান তা নয়। এই নায়িকা গানও গেয়ে থাকেন। এর আগে প্রকাশ পাওয়া দুইটি মিউজিক ভিডিওতে গান গেয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ২০১৮ সালে ফারিয়ার প্রথম গান ‘পটাকা’ প্রকাশ পায়। দুই বছর পর প্রকাশ পায় তার দ্বিতীয় গান ‘আমি চাই থাকতে’। সর্বশেষ তার প্রকাশ পায় ‘হাবিবি’ শিরোনামের গানটি। এটি অন্তর্জালে প্রকাশের পর প্রশংসা কুড়ান তিনি।

দুই বাংলার জনপ্রিয় মুখ নুসরাত ফারিয়ার অভিনয়ের পাশাপাশি আকর্ষণীয় ফিগার ও সৌন্দর্য সচেতনতায় জুড়ি নেই। নিয়মিত জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করেন তিনি।

এদিকে, ফারিয়া ক্যারিয়ারের সুসময় পার করছেন। ঢালিউড-টলিউড মিলিয়ে একাধিক সিনেমা মুক্তির প্রহর গুনছে। বর্তমানে তার হাতে রয়েছে ‘ভয়’, ‘পর্দার আড়ালে’, ‘বিবাহ অভিযান-২’ ও ‘ঢাকা ৪২০’ সিনেমাগুলো।

সম্প্রতি আপনি একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেছেন। সেই অনুষ্ঠানে শাকিব খান ও রিয়াজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। এই বিষয়ে কি বলবেন জানতে চাইলে নুসরাত ফারিয়া বলেন,  সত্যি কথা বলতে আমাদের মানসিকতা একটু আপডেট করতে হবে। যখন আপনি দেশের বাইরে আইফা, ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কারগুলো দেখেন-সেখানে নিজেদের নিয়ে অনেক সমালোচনা করা হয়। কিন্তু দিন শেষে সেটা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান। ওই অনুষ্ঠানে করোনার পর আমরা একত্রিত হয়েছিলাম। দেশে যতগুলো ভাইরাল ইস্যু-যেগুলো দিয়ে আমরা সবাইকে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। শাকিব-রিয়াজসহ সবার ভক্তদের বললো-এটা শুধুই ফান ছিলো।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'ডেঙ্গু প্রতিরোধ সরকারের একার কাজ নয়, জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে'

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২২ Jun, ২০২২


Thumbnail 'ডেঙ্গু প্রতিরোধ সরকারের একার কাজ নয়, জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে'

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেছেন, এখন বর্ষাকাল চলছে। আর বর্ষাকাল এডিস মশার বংশ বিস্তারের জন্য উপযুক্ত সময়। এখন ঘন ঘন বৃষ্টি হবে। বৃষ্টির ফলে ঘরে-বাইরে যেকোনো জায়গায় পানি জমবে। পরিত্যক্ত ক্যান, টায়ার, ডাবের খোসা, চিপসের প্যাকেট এই রকম পরিত্যক্ত যেকোনো জিনিসের মধ্যে অল্প অল্প বৃষ্টির পানি বিক্ষিপ্তভাবে জমে যাবে। সেজন্য এখন  আমাদের আরও সতর্ক হতে হবে। মশা মারার কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। এক্ষেত্রে প্রশাসন নিবে ঘরের বাইরে আর সাধারণ মানুষ নিজ নিজ ঘরে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া, ডেঙ্গুর ঝুঁকি, প্রতিকারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, শুধু পানি জমে থাকা নয়, এর সঙ্গে আমাদের আশে পাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাড়ির ছাদ বাগান, বাগানের ফুলের টব, বাসার ফ্রিজ ইত্যাদি সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। মশা যেন না কামড় দেয় সেজন্যও সতর্ক থাকতে হবে। দিনের বেলায় ঘরের মধ্যেও মশারি টানতে হবে যেন মশার কামড় থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা শুধুমাত্র সরকার কিংবা সিটি করপোরেশনের একার কাজ নয়। সরকারের পাশাপাশি জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। সিটি করপোরেশনকে আরও বেশি শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে। সবাইকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। যে সমস্ত জায়গায় মশার ডিম পারার সুযোগ আছে নেই জায়গা গুলোকে ধ্বংস করতে হবে। কারণ এডিশ মশা মারলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

ডেঙ্গু   প্রতিরোধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বন্যা পরিস্থিতিতে বিশুদ্ধ পানি পানে সতর্ক থাকতে হবে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২১ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘বন্যা পরিস্থিতিতে বিশুদ্ধ পানি পানে সতর্ক থাকতে হবে’

স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ (স্বাচিপ) এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বলেছেন, সিলেট বিভাগসহ দেশের যে সমস্ত জেলায় বন্যা হয়েছে সে জেলাগুলোর মানুষদের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন, ডায়রিয়া, আমাশায় এই রোগগুলো খুব বেশি দেখা দেয়। বিভিন্ন রকম ইনজুরিও হতে পারে। আবার অনেক সময় সাপের কামড় লক্ষ করা যায় বন্যার সময়। ডায়রিয়া, আমাশায়, ইনজুরি এবং সাপের কামড় এগুলো অহরহ দেখা যায় বন্যার সময়। এর পাশাপাশি জ্বর, সর্দি, কাশিও দেখা যায়।

দেশে বন্যা পরিস্থিতিতে রোগ বালাই প্রতিরোধ করতে এবং করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের করণীয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বলেন, বন্যা পরিস্থিতিতে সরকার পানি বিশুদ্ধিকরণের জন্য যে ট্যাবলেট বাড়ি বাড়ি দিচ্ছে এই সমস্ত ট্যাবলেট দিয়ে পানি বিশুদ্ধ করে পানি পান করতে হবে। তাহলে ডায়রিয়া এবং আমাশয়ের মতো এই রোগগুলো হবে না। এই সময়ে যেখানে সেখানে পানিতে না নামা ভালো। কারণ গ্রামে যত্রতত্র লাঠি, বাঁশ ইত্যাদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, যেগুলোর দ্বারা ইনজুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার এ সময় সাপেরা ভাঙ্গা মাটিতে উঠে আসে সেজন্য রাতের বেলার ঘরের বাইরে না বেরোনো উচিত বলে আমি মনে করি। 

তিনি আরও বলেন, গত কিছুদিন ধরে দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলছে। ইতোমধ্যে সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। যারা এখনো বুস্টার ডোজ নেয়নি তাদের উচিত হবে শিগগিরই বুস্টার ডোজ নেওয়া। অন্যদিকে যারা এখনো প্রথম বা দ্বিতীয় কোনো ডোজই নেয়নি তাদেরও উচিত হবে যত দ্রুত সম্ভব করোরা প্রতিষেধক টিকা গ্রহণ করা। পাশাপাশি আমাদের মাস্ক পরার অভ্যাস করতে হবে। করোনার সংক্রমণ কমে আসাতে এখন আমরা মাস্ক ব্যবহার ভুলেই গেছি। হাত ধোয়ার অভ্যাসও বাদ দিয়েছি, এই গুলো আমাদের আবার অব্যাহত রাখতে হবে। হাট বাজারের মতো সমাগম হয় এমন জায়গাগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। গণপরিবহন ও শপিং সেন্টারগুলোতে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়াতে হবে।

অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বলেন, সরকার ৫ থেকে ১২ বছরের শিশুদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে করোনা টিকা দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে শিশুদেরও টিকা দানে উৎসাহিত করতে হবে।

বন্যা পরিস্থিতি   বিশুদ্ধ   পানি পান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন