ইনসাইড টক

'বন্যার্তদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে'


Thumbnail 'বন্যার্তদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে'

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, বন্যাকবলিতদের পুনর্বাসনসহ যে সংকটগুলো আছে, সেগুলো নিরসনের জন্য সরকার এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা কাজ করছে। এই কাজ অব্যাহত থাকবে। 

বন্যা পরিস্থিতি, বন্যার্তদের পুনর্বাসন নদীভাঙনসহ বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি এসব কথা বলেন। পাঠকদের জন্য এ কে এম এনামুল হক শামীম এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান।

বন্যা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, বন্যার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়েছিলেন। আমিও এলাকাগুলোতে গিয়েছিলাম। এখন আওয়ামী লীগ এমপি, জনপ্রতিনিধি এবং সকল সহযোগী সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। বন্যার্তদের পাশে সরকার এবং আওয়ামী লীগ রয়েছে। সর্বোচ্চ কাজ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বন্যার পানি নেমে গেছে। দিন দিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন কবলিত এলাকা যেগুলো আছে, প্রত্যেক জায়গায় আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। সেইভাবেই আমরা এলার্ট রয়েছি, প্রস্তুত রয়েছি। জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলদের নির্দেশনা দেওয়া আছে যেনো নদীভাঙন কবলিত এলাকাগুলোতে তারা সর্বোচ্চ নজরদারী দেন। 

এনামুল হক শামীম বলেন, প্রতি বছরই এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর অনেক ক্ষেত্রে অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের দেশে বন্যা কয়েক দফা হয়, বর্ষা হয়, নদীভাঙন হয়, ঘূর্ণিঝড় হয়, সাইক্লোন হয় এটা আমরা প্রতি বছরই জানি এবং সেই ভাবেই আমরা আগাম প্রস্তুতি রাখি। মূলত এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত সব সময় এলার্ট থাকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো এলার্ট থাকি। 

বন্যা পরিস্থিতি   বন্যা   বন্যার্ত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বাজার সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ‘বাজার সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেছেন, জ্বালানি হলো সব উৎপাদনের প্রাণকেন্দ্র। যে কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেলে সবকিছুর দাম স্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে এর প্রভাব পড়বে না। শুধু পরিবহন নয়, পরিবহনের সাথে সংশ্লিষ্ট যা কিছু আছে, প্রতিটি সেক্টরে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে।

সাম্প্রতিক দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। যার কারণে বাজারের অন্যান্য পণ্যের দামও বেড়ে যাওয়া আশঙ্কা রয়েছে। ফলে অন্যান্য পণ্যের বাজারে কি ধরনের প্রভাব পড়বে এ নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় ড. আবুল বারাকাত এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য এ বি এম আজাদ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেন, কোনো পণ্যের দাম বেড়ে গেলে আমাদের দেশে একটা বড় ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। আর সেটা হলো কোনো কিছুর দাম বেড়ে গেলে বাকি সব পণ্যের দাম আনুপাতিক হারে বেড়ে যায়। জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে অন্যান্য পণ্যের দাম যতটুকু না বাড়ার কথা তার চেয়ে বেশি বেড়ে যাবে। যারা এটা বাড়ায় তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে জিনিসের দাম বাজার নির্ধারণ করে না, এটা সিন্ডিকেট করে থাকে। একই সাথে এই সিন্ডিকেট সেটা নিয়ন্ত্রণও করে। সুতরাং এই সিন্ডিকেটকে  নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সব কিছুর দাম এমন বাড়ার বাড়বে, সেটা অস্বাভাবিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়ায়। ফলে মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ বেড়ে যাবে। সুতরাং বাজার সিন্ডিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলো কিন্তু এর দাম আবার কখন কমবে সেটা বলা মুশকিল। এটা কেউ বলতেও পারবেন না, বলাও সম্ভব নয়। এমন এক অবস্থা যেটাকে ঝুঁকি বলা যায় না, এটা হলো অনিশ্চয়তা। আর অনিশ্চয়তা ঝুঁকির চেয়ে খুবই খারাপ ব্যাপার। কারণ এটা পরিমাপ করা যায় না।

জ্বালানি তেল   বাজার   সিন্ডিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

'মূল্য বৃদ্ধির পরও জ্বালানি তেলে সরকারকে লোকসান দিতে হচ্ছে'


Thumbnail 'মূল্য বৃদ্ধির পরও জ্বালানি তেলে সরকারকে লোকসান দিতে হচ্ছে'

জ্বালানি তেলে এত বেশি পরিমাণ মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ বলেছেন, যেটা আমাদের মূল জ্বালানির সব থেকে বড় অংশ সেটা হলো ডিজেল এবং এই ডিজেলের মোট ব্যবহারের পরিমাণ ৭১ শতাংশের উপরে। ডিজেলের প্রতি লিটারের আমদানি খরচ এখন (জুলাই মাসের হিসেবে) ১২২.১৩ টাকা। সেখানে সমন্বয় করে নতুন দাম ধরা হয়েছে ১১৪ টাকা। এখনও ৮.১৩ টাকা সরকারকে লোকসান বা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। ডিজেলের দাম ৩৪ টাকা বাড়লেও খরচ কিন্তু পুরোটা সমন্বয় হলো না।

সাম্প্রতিক দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, পরিবহনের ভাড়া সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এ বি এম আজাদ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য এ বি এম আজাদ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান।

এ বি এম আজাদ বলেন, প্রান্তিক মানুষ ডিজেল ব্যবহার করে থাকে। সেখানে আমরা দেখেছি যে, ডিজেলের মূল্য ৩৪ টাকা বাড়ার কারণে দূরপাল্লার বাসের যাত্রীদের ভাড়া বৃদ্ধি পাবে ১৬.২২ শতাংশ। আগে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ছিল ১.৮০ টাকা। আর এখন ২৯ পয়সা বেড়ে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া হবে ২.০৯ টাকা। সিটি এলাকার বাসের ক্ষেত্রে ভাড়া বাড়বে ১৩.১৬ শতাংশ। সে হিসেবে আগে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ছিল ২.১৫ টাকা। সেটা এখন ২৮ পয়সা বেড়ে হবে ২.৪৩ টাকা। এখানে ভাড়া বৃদ্ধির হার সেই অর্থে বেশি নয়। তাহলে রোড সেক্টরে ১৬ শতাংশ এবং ১৩ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি পাবে। লঞ্চেও মানুষ যাতায়াত করে। এটিও আমাদের এটি পরিবহণ ব্যবস্থা। সেখানে ভাড়া বাড়বে ১৯.১৮ শতাংশ। আগে ছিল প্রতি কিলোমিটারে ২.১৯ টাকা। সেখানে ৪২ পয়সা যোগ হয়ে হবে। তাহলে হবে ২.৬২ টাকা প্রতি কিলোমিটারে লঞ্চের ভাড়া। এটা আমাদের সব ক্যালকুলেশন অনুযায়ী করা হয়েছে। জ্বালানি সেক্টরে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধিটা হবে। 

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকলেও কি ডিজেলের কম খরচ হচ্ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমাদের আগে জানতে হবে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ডিজেলের ব্যবহার কতটুকু। আমার কাছে যে তথ্য আছে সেটা হলো, বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৭.২২ শতাংশ ডিজেল ব্যবহার হয়। এই ক্ষেত্রে পরিমাণের দিক দিয়ে যদি চিন্তা করি তাহলে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টর ডিজেল বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। বিদ্যুতের বড় অংশ অর্থাৎ প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যবহৃত হয় গ্যাস। এখন ডিজেল চালিত যে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে সেগুলোর উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারণ ডিজেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে সব থেকে বেশি খরচ হয়। যার জন্য আগে থেকে বন্ধ রাখা হয়। গত বছর কিছুটা ব্যবহৃত হতো। এ বছর হয়তো আরও একটু কম ব্যবহৃত হবে। কারণ একটি বা দুই যে প্লান্ট ইকোনমিক্যালি ভায়াবল সেগুলো হয়তো করবে। এটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। এটা বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য। 

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান বলেন, বিদ্যুতের সাশ্রয় দরকার। করণ অনন্য জ্বালানিও তো এর সঙ্গে যুক্ত। যেটা আমার অংশ সেটা আমি বললাম। ডিজিলের বড় ব্যবহার হয় হলো পরিবহনে। এখানে সেই অর্থে সাশ্রয়ের কোনো পদক্ষেপ নেই। ডিমান্ড থাকলে সেটা তো আমাকে পূরণ করতে হবে। কারণ আমি তো পরিবহণ খাত নিয়ন্ত্রণ করি না।  

জ্বালানি তেল   সরকার   লোকসান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘আমি প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছি’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ‘আমি প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছি’

দর্শকপ্রিয় অভিনেতা রাশেদ মামুন অপু। ছোট পর্দার পাশাপাশি কাজ করছেন নিয়মিত বড় পর্দাতেও। দুই জায়গাতেই তিনি তার অভিনয়ের মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। পাশাপাশি ওয়েব ফিল্মে দিয়েও বেশ আলোচনায় উঠে আসেন তিনি। এবার ঈদেও মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত পরান সিনেমাটি। পাশাপাশি ওটিটি মাধ্যম চরকিতে মুক্তি পেয়েছে সিন্ডিকেট নামের ওয়েব সিরিজ। দুই জায়গাতেই নিজের সর্বচ্চটুকু দিয়ে বেশ প্রশংসা পাচ্ছেন এই অভিনেতা। সমসাময়িক কাজ নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে কথা হলো সময়ের এই আলোচিত অভিনেতার।

বাংলা ইনসাইডার: ‘সিন্ডিকেট’, ‘পরাণ’ দিয়ে বেশ সাড়া পাচ্ছেন। কেমন উপভোগ করছেন?

অপু: একজন অভিনেতার প্রাপ্তি হচ্ছে বা আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে তাঁর কাজ বিপুল সংখ্যক লোক দেখবে। সেই জায়গা থেকেই সিন্ডিকেট বেশ আলোচনায় এসেছে আর পরাণ তো ব্লকবাস্টার হিট। দর্শকদের কাছ থেকে অনেক বেশী সাড়া পাচ্ছি। সেই জায়গা থেকে আমি প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছি।



বাংলা ইনসাইডার: বেশীরভাগ কাজেই নেগেটিভ চরিত্রে দেখা যাচ্ছে এর কারণ কী?

অপু: প্রতিটি কাজে নেগেটিভ চরিত্রটি বেঁছে নিয়েছি কারণ এই জায়গাতে অভিনয়ের অনেক জায়গা থাকে। সিনেমার ক্ষেত্রে নায়ক ছাড়া অন্য কোন চরিত্রে তেমন অভিনয় করার সুযোগ থাকে না। পাশাপাশি এই চরিত্রটি করতে আমি বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

বাংলা ইনসাইডার: দীর্ঘদিন পর ফের হল মুখী হচ্ছেন দর্শক। বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখছেন?

অপু: আমি যখন অনেক ছোট ছিলাম তখন বেদের মেয়ে জোসনা দেখতে গিয়েছিলাম। আমার বাবা একজন ব্যাংক কর্মকর্তা ছিলেন। সে সময় ব্যাংকের সবাই মিলে সিনেমাটি দেখতে গিয়েছিলাম। সেই যে ভালো লাগার উচ্ছ্বাস তা এতদিন পর পরাণ সিনেমায় দেখতে পেলাম। একজন অভিনেতার এরচেয়ে আর বড় প্রাপ্তি কী হতে পারে? পরিবারের সবাইকে নিয়ে সিনেমা দেখার যে আনন্দ তা মুখে বলে প্রকাশ করার মত না।



বাংলা ইনসাইডার: ইদানীং প্রায়ই দেখা যাচ্ছে এক সাথে কয়েকটি ছবি মুক্তি পেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই তর্কে জড়াল। বিষয়টি নিয়ে আপনার মতামত কি?

অপু: ছোট্ট একটা ইন্ডাস্ট্রি আমাদের। দীর্ঘ খরার পর আবার নতুন করে সবে মাত্র ঘুরে দাঁড়তে শুরু করেছে। এখানে সবার মনোভাব এক হওয়া উচিত। অন্যদের কাজ গুলোও নিজের কাজ মনে করা উচিত কেননা অন্য একজনের কাজ ভালো চললে আমার নিজের কাজটাও ভালো চলবে। প্রত্যেকের প্রতি প্রত্যেকের মমত্ববোধ ও ভালোবাসাটা থাকা জরুরী। নয়তো এই ইন্ডাস্ট্রি বেশী দূর যেতে পারবে না।



বাংলা ইনসাইডার: অনেকেরই অভিনয়ে আইডল বলতে একজন থাকে। তা আপনার অভিনয়ের ক্ষেত্রে কে আইডল?

অপু: আমার নির্দিষ্ট কোনো আইডল নেই। আমি আমার প্রয়োজনে কাল্পনিক একজন আইডল তৈরি করে ফেলি। সেটি আরেকটি অপু। আমি যেটি দেখতে চাই, ভাবতে চাই, মনে করতে চাই বা আমি যাকে ধারণ করি তাঁর মাঝে সেটি দেখতে চাই, তাকে দিয়ে উৎসাহী হতে চাই।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী পথটাই বেছে নেয়’


Thumbnail ‌‌‌‌বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী পথটাই তারা বেছে নেয়

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিক একটা পর্যায়ে গিয়ে হরতাল ডাকে। কিন্তু এই সকল হরতালের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যটা কি? এটা হলো বিবেচনার ব্যাপার। আমরা যে বিষয়টি লক্ষ্য রাখছি এবং দেখে আসছি সেটা হলো বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী পথটাই তারা বেছে নেয়।  অগ্নিসন্ত্রাস, বোমা হামলা, জ্বালাও-পোড়াও, ব্যারিকেড সৃষ্টি, রেল পথ উপড়ে ফেলা, অগ্নিসংযোগ থেকে আরম্ভ করে মালবাহী গাড়ি, ট্রাক, যাত্রীবাহী বাসগুলোতে তারা বিস্ফোরক দ্রব্য দিয়ে অগ্নিসংযোগ করে। তারা সেই অতীতের সন্ত্রাসী পথেই গেছে। এটা তো কোনো আন্দোলন না। এটা সন্ত্রাসী পথ এবং সন্ত্রাসী কায়দায় মানুষকে ভয় দেখানো। মানুষের লাশ ফেলানো এবং সেই লাশ নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা।

ভোলায় বিএনপির হরতাল, আন্দোলন প্রসঙ্গে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন। পাঠকদের জন্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান তুহিন।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের ইতিহাস ঐতিহ্য আছে। এই দলটিতে সন্ত্রাসীদের কোনো জায়গা নেই। কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে আমাদের দল অতীতেও কখনো সম্পৃক্ত হয়নি, এখনো হবে না, আগামী দিনেও হওয়ার কোনো কারণ নেই। সেই জায়গায় আমরা পুলিশ দিয়ে অথবা সন্ত্রাসী কায়দায় তাদেরকে মোকাবিলার চিন্তা করি না। এটা আমাদের চিন্তাতেই নেই। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের জনগণ তাদের নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায়, নিজেদের মর্যাদা, নিজেদের অস্তিত্ব এবং উন্নয়ন অগ্রগতি সমৃদ্ধির চিন্তা বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এখন করে। এই সমৃদ্ধির পথে যারা বাধা সৃষ্টি করবে অথবা যারা আমাদের জান মালের উপর হামলা করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইবে তাদেরকে জনগণই মোকাবিলা করবে।

তিনি আরও বলেন, সেখানে জনগণের স্বার্থ, জনগণের সম্পদ, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুকে রক্ষা করার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলায় যারা নিয়োজিত তাদের। তাদের যে দায়িত্ব আছে, তারা সেটা পালন করবে। এটা তো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়ই করবে। যদি কেউ জনগণের ওপর হামলা করে, জনগণকে জিম্মি করে কোনো ফায়দা লুটার চেষ্টা করে, সেক্ষেত্রে আমরা আমরা যারা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চাই না তারা তো ঘরে বসে থাকবো না। আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে, জনগণকে নিয়েই আমরা রাজনৈতিকভাবেই তাদের মোকাবেলা করবো।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আমাদের নেত্রী যেটা বলেছেন তিনি খুব যথার্থ কথা বলেছেন। আমাদের মনোভাব হলো যদি শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে তাহলে তাদেরকে চায়ের দাওয়াত দেওয়া হবে, যদি কেউ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ছেড়ে হিংসার পথে, ধ্বংসের পথে, নৈরাজ্যের পথে যাওয়ার চেষ্টা করে সেখানে তো জনগণের সাথে আওয়ামী লীগেরও দায়িত্ব আছে সেই অপচেষ্টাকারীদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা এবং আমরা সেই কাজটি করবো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাদের আইনি জায়গা থেকে তো দায়িত্ব পালন করবেই, সেটা তো তারা করতেই পারে। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের সাথে পুলিশ মিলে বিএনপি-জামায়াতকে মোকাবেলা করার প্রয়োজন নেই। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই অনেক সংগঠিত, শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ। আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যদিয়েই আওয়ামী লীগের জন্ম, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক ভাষা হারিয়ে যারা সেই আওয়ামী লীগকে হুমকি-ধামকি দেয়, ভয় দেখায় তাদেরকে আমরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবো।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘তাইওয়ানে ন্যান্সির সফর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি নাটক’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ‘তাইওয়ানে ন্যান্সির সফর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি নাটক’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের কারণে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের খুব বেশি কোনো ঝামেলা হবে না কিংবা যুদ্ধের কোনো পরিস্থিতিও তৈরি হবে না। ন্যান্সি পেলোসির সফরকে কেন্দ্র করে যে আশঙ্কা করা হচ্ছে সেটা আন্তর্জাতিক মিডিয়ার তৈরি। আসলে এ ধরনের কোনো পরিস্থিতি আদৌ হবে না। তাইওয়ানে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সফর কিছুটা ব্যক্তি স্বার্থে, কিছুটা ডেমোক্রেটিক পার্টির স্বার্থে এবং কিছুটা আমেরিকার স্বার্থে জাড়িত। কারণ আমেরিকা বিশ্বকে দেখাতে চাচ্ছে, ইউক্রেনে যাই হোক না কেন, আমি এখনও ঠিক আছি। আমি হলাম একমাত্র সুপার পাওয়ার। শুধু রাশিয়া না, আমি চীনকেও থামাতে পারি।

চীনের আপত্তি থাকার পরও তাইওয়ান সফরে গেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। এ ঘটনায় চীনে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে চীন। এই সফর নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। এই নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আমেরিকার একজন স্পিকার তাইওয়ান গেছে বলেই আমেরিকা এবং চীন যুদ্ধে জড়াবে এ ধরনের কোনো সম্ভাবনাই নেই। এখানে যেটা দেখা দরকার সেটা হলো, নভেম্বরে নির্বাচন হবে, সেখানে আদৌও ডেমোক্রেটিক পার্টি জিতবে কিনা সেটা নিয়ে একটা সন্দেহ। আবার ন্যান্সি পেলোসির নিজেরই রাজনৈতিক ভবিষ্যত নড়েবড়ে অবস্থায় চলে গেছে। নভেম্বরে আরও কতগুলো নাটক তৈরি হবে নির্বাচনের আগেই। এখানে আমরা আরও একটা নাটক দেখলাম, সেটা হলো আমেরিকা এতদিন নীরব থাকার পর আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা আল-জাওয়াহিরিকে মেরেছে, তাও আবার উনি যখন বেলকনিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এগুলো সব আমেরিকার নাটকেরই অংশ। যে আফগাস্তন থেকে রীতিমত পালিয়ে চলে গেল, সেখানে আমেরিকা আবার দেখাতে চাচ্ছে যে, এখনও আমিই সুপার পাওয়ার এবং এখনও আমার খবরদারি আছে। আমেরিকার এই বিষয়গুলো চলবে।

তিনি আরও বলেন, আমেরিকা ভালো করেই জানে তাইওয়ান চীনেরই একটি অংশ। ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ায় যা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে এগুলোর কিছুই না। এসমস্ত কিছু বিশ্ব মিডিয়া তৈরি করেছে। এটা ইউক্রেন রাশিয়ার ক্ষেত্রেও করা হয়েছিল। ইউক্রেনের ব্যাপারে পশ্চিমা মিডিয়া কত কিছুই না করেছিল কিন্তু এখন তো আমেরিকা ধরা খেয়েছে। এখনও সেটাই করা হচ্ছে। এটা পশ্চিমা মিডিয়াগুলো সবসময় করে থাকে। কারণ এখন বিশ্বে মিডিয়ার অনেক বিকাশ হয়েছে। আবার স্মার্ট টেকনোলজির কারণে অনেকের ব্যক্তিগত মিডিয়াও আছে। ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর নিয়ে বিশ্ব মিডিয়া কিছুদিন মাতামাতি করবে। তারপর আবার নতুন কিছু তৈরি হবে। এক্ষেত্রে সাবধান থাকা দরকার, কোনটা সিরিয়াসলি নিব আর কোনটা সিরিয়াসলি নিব না। তাইওয়ানে বড় বিনিয়োগ চীনের। চীনের বড় বাণিজ্যও তাইওয়ানকে ঘিরে।

তাইওয়ান   ন্যান্সি   মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন