ইনসাইড ট্রেড

মুরগির দাম কমলেও সবজির বাজার চড়া

প্রকাশ: ১২:০১ পিএম, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail মুরগির দাম কমলেও সবজির বাজার চড়া

মুরগির দাম অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পর কমতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা এবং পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। আজ শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা।

সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম কমলেও ভরা মৌসুমেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। এমনকি সপ্তাহের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম বাড়ার ঘটনা ঘটেছে। সব থেকে বেশি বেড়েছে শশার দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে শশার দাম বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে। দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ফুলকপি ও শিম। 

সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা শশার কেজি বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে শশার কেজি ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে শশার দাম বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে।

শশার পাশাপাশি গেলো এক সপ্তাহে বেড়েছে ফুলকপির দাম। গত সপ্তাহে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস বিক্রি হওয়া ফুলকপির দাম বেড়ে ৪০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে বেড়েছে শিমের দাম। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম অপরিবর্তিত রয়েছে পাকা টমেটো, গাজর, মুলা, শালগমের। গত সপ্তাহের মতো পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শালগমের (ওল কপি) কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

এছাড়া বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। লালশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, মুলাশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাক বিক্রি হচ্ছে। আর পালংশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এগুলোর দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছ। শিং ও টাকি মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা।

এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। ছোট ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। নলামাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজার   মুরগি   সবজি   মাছ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

১১০ টাকায় সয়াবিন তেল বি‌ক্রির ঘোষণা স্থগিত টিসিবি’র

প্রকাশ: ১০:১৪ পিএম, ১৫ মে, ২০২২


Thumbnail ১১০ টাকায় সয়াবিন তেল বি‌ক্রির ঘোষণা স্থগিত টিসিবি’র

সোমবার (১৬ মে) থেকে ১১০ টাকা লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করার ঘোষণা দি‌লেও তা স্থ‌গিত ক‌রে‌ছে সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। 

‌রোববার (১৫ মে) রাত ৯টা ৩৩ মি‌নি‌টে‌ ন্যায্যমূল্যে তেল বিক্রির এ কার্যক্রম স্থ‌গিত ক‌রা হয়েছে বলে এক বি‌শেষ বিজ্ঞ‌প্তি দিয়েছে সংস্থাটি। 

বি‌শেষ বিজ্ঞ‌প্তিতে টিসিবি জানায়, বিক্রয় কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীর কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে সরকার নীতিগতভাবে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য (ভোজ্য তেল, মসুর ডাল, চিনি) বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ঢাকা (উত্তর ও দক্ষিণ) ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে ফ্যামিলি কার্ড প্রণয়ন ও বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর শুধুমাত্র ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমেই টিসিবির পণ্য সামগ্রীর বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তাই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য চলতি মাসের ১৬ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত স্বল্প পরিসরে সাধারণ ট্রাকসেল কার্যক্রম স্থগিত করা হল। আগামী জুন মাসে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এক কোটি নিম্ন আয়ের পরিবারের নিকট টিসিবি কর্তৃক ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য (ভোজ্য তেল, মশুর ডাল, চিনি) বিক্রয় করা হবে।

এর আগে গত ১১ মে টিসিবির পক্ষ থেকে জানিয়েছিল, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখতে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী ও ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি। এজন্য সারা দেশে সব মহানগরী জেলা ও উপজেলায় ২৫০-৩০০টি খোলা ট্রাকের মাধ্যমে আগামী ১৬ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বিক্রি কার্যক্রম চলবে।

ট্রাক থেকে একজন ক্রেতা ৫৫ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, ৬৫ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ দুই কেজি মসুর ডাল, ১১০ টাকা দরে ২ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন। এছাড়া গত মাসের অবশিষ্ট ছোলা ৫০ টাকা কেজি দরে ভোক্তার চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল টিসিবি।

প্রসঙ্গত, রোজার ঈদের আগে হঠাৎ করে বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট দেখা দেয়। ঈদের আগের রাতেও অনেক ক্রেতা বাজারে গিয়ে তেল না পেয়ে ফিরে আসেন। এ নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে গত ৫ মে দাম বাড়ানো হয় সয়াবিন ও পাম অয়েলের। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা, বোতলজাত সয়াবিন ১৯৮ টাকা ও পাম সুপার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করেন মিল মালিকরা।

উল্লেখ্য, গত চার বছরে যেসব ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে তার মধ্যে অন্যতম পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল। ২০১৯ সালে দেশের বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ছিল ১০৪ টাকা। ২০২০ সালে সেটি বেড়ে হয় ১১৩ টাকা, ২০২১ সালে ১৩০ টাকা এবং ২০২২ সালের শুরুতে এসে হয় ১৬৮ থেকে ১৭০ টাকা। এখন হলো ১৯৮ টাকা।

পাম ওয়েলের লিটার (খোলা) ২০১৯ সালে ছিল ৫৮ টাকা, ২০২০ সালে ৭৮ টাকা, ২০২১ সালে ১০৭ টাকা এবং ২০২২ সালের শুরুতে হয় ১৫০ টাকা। এখন ১৭২ টাকা।


১১০ টাকায়   সয়াবিন   তেল বি‌ক্রির   ঘোষণা   স্থগিত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

সোমবার থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা বিক্রি করবে টিসিবি

প্রকাশ: ০১:০৩ পিএম, ১১ মে, ২০২২


Thumbnail সোমবার থেকে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা বিক্রি করবে টিসিবি

দেশে সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও আগামী সোমবার (১৬ মে) থেকে খোলা বাজারে ১১০ টাকা লিটারেই তেল বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। 

প্রতিষ্ঠান মুখপাত্র হুমায়ুন বলেন, তারিখ নির্ধারিত হলেও কী পরিমাণ পণ্য বরাদ্দ ও সেগুলোর দাম এখনো নির্ধারিত হয়নি। দুই একদিনের মধ্যে বৈঠক করে সেটা নির্ধারণ করা হবে।

ওই বৈঠকে টিসিবির সয়াবিন তেলের দাম কত হবে সে বিষয়টি জোরালোভাবে প্রাধান্য পাবে। কারণ টিসিবি বিক্রয় কার্যক্রম শুরুর পর থেকে দফায় দফায় সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। সেজন্য বাজারদরের সঙ্গে সয়াবিনের দাম সমন্বয় হবে কি না, নাকি আগের দামে প্রতি লিটার ১১০ টাকায় বিক্রি হবে, এই সিদ্ধান্ত দেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এ বছর ১১তম বার সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করছে টিসিবি। চলতি অর্থবছরের প্রতি মাসেই পণ্য বিক্রি করেছে সংস্থাটি। তবে ঈদের আগে ২৪ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত পণ্য বিক্রি কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।

শেষ দফায় গত এপ্রিলে টিসিবির ট্রাক থেকে একজন ভোক্তা ৫৫ টাকা কেজি দরে সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, ১১০ টাকা দরে সর্বোচ্চ ২ লিটার সয়াবিন তেল ও ৩০ টাকা কেজি দরে ২ থেকে ৫ কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারছিলেন। আর মসুর ডাল ৬৫ টাকা কেজি।



সোমবার   বিক্রি   টিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

সারাদেশে প্রায় ২ লাখ লিটার তেল জব্দ

প্রকাশ: ০৮:১৮ এএম, ১১ মে, ২০২২


Thumbnail সারাদেশে প্রায় ২ লাখ লিটার তেল জব্দ

সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিপুল পরিমাণ ভোজ্যতেলের মজুতের সন্ধান পেয়েছেজাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও পুলিশের অভিযানে এসব গুদাম থেকে বেরিয়ে আসছে ব্যবসায়ীদের মজুত করা হাজার হাজার লিটার তেল।

গত দুই দিনে সাত জেলায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া কুষ্টিয়ায় এক ব্যবসায়ীর গুদামে মজুত করা ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল পাওয়া গেছে। অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে গতকাল আট জেলার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মজুত করা তেল উদ্ধারে সবচেয়ে বড় অভিযানটি চালানো হয় রাজশাহীর বানেশ্বরে। গতকাল বিকেলে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারের চারটি গুদাম ও একটি ট্রাক থেকে ৯২ হাজার ৬১৬ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২৪ হাজার ৬৮৪ লিটার সয়াবিন ও ৬৭ হাজার ৯৩২ লিটার পাম তেল রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বানেশ্বরে বাজারের সরকার অ্যান্ড সন্স, ইন্তাজ স্টোর, মেসার্স পাল অ্যান্ড ব্রাদার্স ও রিয়া স্টোর থেকে তেল জব্দ করা হয়। সরকার অ্যান্ড সন্সের মালিক বিকাশ কৃষ্ণ সরকার দাবি করেন, তাঁরা কখনো তেল মজুতের ব্যবসা করেন না। তাঁর সয়াবিন সরকারিভাবে দাম বাড়ানোর পরে কে না। আর পাম তেল ঈদের এক দিন আগে তাঁর গুদামে এসেছে। রাজশাহীর পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন জানান, দ্রুত আদালতের অনুমতি নিয়ে জব্দ করা তেল টিসিবির মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে। গতকাল রাতে জেলার গোদাগাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার ৪০০ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়।

গত সোমবার রাতে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর গুদামে অভিযান চালিয়ে আরও ৬ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করে পুলিশ। এর আগে সোমবার অপর এক ব্যবসায়ীর গুদামে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়।

আরেকটি বড় অভিযান চালানো হয় কুষ্টিয়ায়। গতকাল সকালে শহরের বড়বাজার এলাকায় মেসার্স মা ফুড প্রোডাক্টসের গুদামে পাওয়া গেছে ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে তেল মজুতের দায়ে গুদামমালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অধিদপ্তরের কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মণ্ডল বলেন, তিন দিনের মধ্যে এসব তেল খোলাবাজারে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিন দিন পর আবার গুদামে খোঁজ নেওয়া হবে।

গতকাল পাবনার ঈশ্বরদীতে শ্যামল স্টোর নামে একটি মুদিদোকানের গুদামে অভিযান চালিয়ে ১৮ হাজার ২৪৪ লিটার ভোজ্যতেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই দোকানের মালিক শ্যামল দত্তকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তেল মজুত, নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে তেল বিক্রি ও তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কিনতে বাধ্য করার দায়ে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার তিনটি প্রতিষ্ঠানকে। ওই তিন প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়।

৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে গাজীপুর থেকে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, গাজীপুরের কর্মকর্তারা দুটি গুদামে অভিযান চালিয়ে ওই তেল জব্দ করেন। পরে এসব তেল সরকার–নির্ধারিত দামে স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করা হয়। আর ওই দুই গুদাম মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

সিলেটের কালীঘাট এলাকার মাহের ব্রাদার্স নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মজুত করা ৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়। পরে সেই তেল নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে বিক্রি করা হয়।

পটুয়াখালীর দুমকিতে মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজারে তিন ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে ৩ হাজার ১০৬ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে। তেল মজুত রাখার দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বরিশাল নগরের সাগরদী বাজার ও বাবুগঞ্জের রহমতপুর বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল বাড়তি দামে বিক্রির দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় রহমতপুর বাজারের একটি পাইকারি দোকান থেকে ৭০০ লিটার মজুত করা সয়াবিন তেলও উদ্ধার করা হয়।


সারাদেশে   তেল   জব্দ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

২০ কেজির কাতলা বিক্রি হলো ২৮ হাজারে

প্রকাশ: ০৭:৫৮ পিএম, ০৮ মে, ২০২২


Thumbnail ২০ কেজির কাতলা বিক্রি হলো ২৮ হাজারে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি কাতলা মাছ। সেটি ২৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাট বাজারে। 

মৎস্যজীবীরা জানান, রোববার সকাল ৯টার দিকে তাঁরা যমুনা নদী পার হয়ে রাজবাড়ী সদর উপজেলার জৌকুড়া পদ্মা নদীতে জাল ফেলেন। এ সময় তাঁদের জালে কাতলা মাছটি ধরা পড়ে। পরে তাঁরা দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তদার শাহজাহান শেখের কাছে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে মোট ২৬ হাজার টাকায় কাতলা মাছটি বিক্রি করেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান শেখ বলেন, মাছটি কেনার পর আড়তে রাখলে উৎসুক মানুষ তা দেখতে ভিড় করেন। রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির নারুয়া এলাকার এক ব্যক্তি ঢাকায় ব্যবসা করেন। তাঁর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে কেজিতে ১০০ টাকা লাভে ১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে মোট ২৮ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করা হয়েছে। মাছটি বেলা দুইটার দিকে মোটরসাইকেলে করে ওই ব্যক্তির গ্রামের বাড়ি বালিয়াকান্দি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গোয়ালন্দ উপজেলার সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, পদ্মা নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। ভবিষ্যতে নদীতে আরও বড় বড় রুই, কাতলা, বোয়াল, পাঙাশ, চিতলসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু মাছ পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


২০ কেজির   কাতলা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

১১০ টাকা লিটারেই সয়াবিন তেল বিক্রি করবে টিসিবি

প্রকাশ: ১০:৪২ এএম, ০৮ মে, ২০২২


Thumbnail ১১০ টাকা লিটারেই সয়াবিন তেল বিক্রি করবে টিসিবি

খুচরা বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে ১৯৮ টাকা লিটার হলেও ১১০ টাকা লিটারেই তেল বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। কম দামে তেল বিক্রির এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করবে সংস্থাটি।

এর অংশ হিসেবে আগামী জুন থেকে এক কোটি কার্ডধারী পরিবারের কাছে ১১০ টাকা লিটার দামে তেল বিক্রি করবে টিসিবি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাণিজ্য সচিব জানান, সরকার টিসিবির মাধ্যমে সরাসরি সয়াবিন তেল আমাদানি করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যেই রাষ্ট্র মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠনের মাধ্যমে সয়াবিন তেল কেনার জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে।

বিশ্ব বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশেও ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। তবে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিতদের স্বল্পমূল্যে সয়াবিন তেলসহ নিত্যপণ্য সরবরাহ করছে সরকার। টিসিবির মাধ্যমে এক কোটি পরিবারকে এ সহায়তা করা হচ্ছে।

গত ৫ মে বাংলাদেশ ভেজিটেবল ওয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনসপতি ম্যানুফ্যাকসার্স অ্যাসোসিয়েশন তেলের দাম নির্ধারণ করে দেয়। এতে লিটারপ্রতি ৩৮ টাকা বাড়িয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৮ টাকা করা হয়। খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ৭ মে থেকে বাজারে এ দাম কার্যকর হয়েছে।

এ নিয়ে গত ৪ মাসে তৃতীয়বারের মতো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হলো। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত চার বছরে যেসব ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে তার মধ্যে অন্যতম সয়াবিন ও পাম অয়েল। ২০১৯ সালে দেশের বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ছিল ১০৪ টাকা। ২০২০ সালে সেটি বেড়ে হয় ১১৩ টাকা, ২০২১ সালে ১৩০ টকা এবং ২০২২ সালের শুরুতে এসে হয় ১৬৮ থেকে ১৭০ টাকা। এখন ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা।

পামওয়েলের লিটার (খোলা) ২০১৯ সালে ছিল ৫৮ টাকা, ২০২০ সালে লিটারে ৭৮ টাকা, ২০২১ সালে ১০৭ টাকা এবং ২০২২ সালের শুরুতে হয় ১৫০ টাকা। এখন ১৬৫ টাকা।


টিসিবি   সয়াবিন তেল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন