ইনসাইড ট্রেড

জমে উঠেছে ঈদ বাজার, চলছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৬ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail জমে উঠেছে ঈদ বাজার, চলছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়

ঘনিয়ে আসছে ঈদের প্রহর। মুসলিমদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে ক্রমান্বয়ে জমজমাট হয়ে উঠছে ঈদের বাজার। রমজানের অর্ধেক পার হতে না হতেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে জমজমাট রাজধানীর বিপণী বিতানগুলো। বড় বড় শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটফাতের দোকানিরা কাটাচ্ছেন ব্যস্ত সময়। মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নবিত্তদের ভিড় করতে দেখা যাচ্ছে এসব দোকানগুলোতে।

বছরজুড়ে ব্যাবসায়ীরা এই সময়টার জন্যই অপেক্ষায় বসে থাকেন। তবে এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে দোকানিদের আনন্দ এবং প্রত্যশা দুটোই বেশি। কারণ মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছর কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় ঈদের আগে বাজার খুলতেই পারেননি বিক্রেতেরা। স্বল্প পরিসরে সিমিত সময়ের জন্য মার্কেট খুললেও ক্রেতাদের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় মার্কেটে ভিড় জমেনি খুব একটা। তাই বেচাকেনা হয়েছিলো কম ও ব্যবসায়ীরা হয়েছেন লোকসানের শিকার।

তবে গত দুই বছর থেকে এবছর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অনেকটা কম থাকায় ব্যবসায়ীদের এবারের ঈদ বাজার নিয়ে প্রত্যাশা বেশি। তারা আশা করছেন গত বছরের লোকসানটা তারা এ বছর পুষিয়ে নিতে পারবেন।

ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর নিউমার্কেট থেকে শুরু করে ছোট বড় সকল শপিংমলগুলো সেজে উঠেছে বিভিন্ন রুপে। দোকানে তুলেছে শাড়ি, কামিজ, পাঞ্জাবিসহ রকমারি পোশাক। 

ছুটির দিনে রাজধানীর বড় বড় শপিংমলগুলির মধ্যে বসুন্ধরা, যমুনা ফিউচার পার্ক শপিংমল দিন দিন জমে উঠছে ঈদ আয়োজনে। পাশাপাশি ক্রেতারা ভিড় করছেন জুতা, স্যান্ডেল ও অলঙ্কারের দোকানগুলোতে। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, কেউবা পরিবার-পরিজন নিয়ে সকালেই হাজির হন রাজধানীর সবচেয়ে বড় এইসব শপিংমলে।  

এইদিকে ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর ফুটপাথগুলোতেও দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের ভিড়। যদিও এখানে সারি সারি দোকান, এসি নেই, নেই কোনো ঝলমলে আলোকসজ্জা। তবে তুলনামূলক কম দাম হওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষের ভরসা বলা যায় এসব অস্থায়ী মার্কেটই।

এছাড়াও,  ঈদকে সামনে রেখে বিপণী বিতানগুলো বিভিন্ন পণ্যের উপর দিচ্ছে আকর্ষণীয় মূল্য ছাড়। যার ফলে ঈদ কেনাকাটার আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে । বিপণি বিতানগুলো ছাড়াও কেনাকাটা নিরাপদ করতে ডেবিড-ক্রেডিট কার্ডে ব্যাংকগুলো দিচ্ছে আকর্ষণীয় সব অফার। শপিংয়ের বিল কার্ডে পরিশোধ করলেই মিলছে গিফটসহ নগদ মূল্যছাড়। কার্ডের মত মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলোও দিচ্ছে ক্যাশব্যাক অফার।

শুধু বিপনী বিতানগুলোই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ার দিকে নজর দিলে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে নানা অনলাইন ভিত্তিক কাপড়, কসমেটিক্সের পেইজ গুলোতেও কসমেটিক্স থেকে শুরু করে জামা-কাপড়, শাড়িসহ নানা পণ্য। বাইরে গিয়ে শপিংয়ের পাশাপাশি অনেকে এই অনলাইন ভিত্তিক পেইজগুলো থেকেও ঈদকে সামনে রেখে ক্রয় করছেন বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং ঈদে এসব অনলাইন ভিত্তিক পেইজেও দিচ্ছে আকর্ষনীয় মূল্যছাড়। যার ফলে ক্রেতারা শপিংমলের পাশাপাশি ঘরে বসে অনলাইন থেকে কিনছেন বিভিন্ন জিনিস।

কেনাকাটা অনলাইন হোক বা অফলাইন, এই গরমে স্বাস্থ্য এবং সাবধানতা অবলম্বন করেই জমে উঠুক সকলের ঈদ শপিং। পরিবার পরিজনের সাথে আনন্দে কাটুক সকলের ঈদ এই প্রত্যাশা।


ঈদ   ঈদ বাজার   মূল্যছাড়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

১২ কেজি এলপিজির দাম ১২ টাকা বাড়লো

প্রকাশ: ০৩:৪৪ পিএম, ০৩ Jul, ২০২২


Thumbnail ১২ কেজি এলপিজির দাম ১২ টাকা বাড়লো

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানো হয়েছে। রোববার (০৩ জুলাই) থেকে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে লাগবে ১ হাজার ২৫৪ টাকা, যা এতদিন ছিল ১ হাজার ২৪২ টাকা। সেই হিসাবে ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়লো ১২ টাকা।

রোববার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। 

এর আগে, জুনে ১২ কেজি এলপিজির দাম কমেছিল ৯৩ টাকা, আর আগের মাসে দাম কমেছিল ১০৪ টাকা।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম নির্ধারণ করে সরকারি এ সংস্থাটি। এর পর থেকে প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করছে বিইআরসি।


১২ কেজি   এলপিজি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

বিশ্ব বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, দেশের বাজারে এখনো অপরিবর্তিত

প্রকাশ: ০২:০৫ পিএম, ০২ Jul, ২০২২


Thumbnail বিশ্ব বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, দেশের বাজারে এখনো অপরিবর্তিত

বিশ্ববাজারে গত এক মাস যাবতই কমছে স্বর্ণের দাম। প্রায় ছয় মাসের মধ্যে এখন স্বর্ণের দাম পৌছে গেছে সর্বোনিম্ন পর্যায়ে। তবে বিশ্বাবাজারে দাম কমলেও গত এক মাসে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

স্বর্ণের পাশাপাশি গত এক মাসে বিশ্ববাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামে বড় পতন হয়েছে। একমাসের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। রুপার দাম কমেছে ১০ দশমিক ৮২ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম কমেছে ১৩ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

একমাস আগে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৮৬৮ দশমিক শূন্য ৯ ডলার। সেখান থেকে কমতে কমতে এখন তা এক হাজার ৮১০ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ একমাসে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ৫৭ দশমিক ৫১ ডলার। এরমধ্যে গেল সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে ১৬ দশমিক শূন্য ৭ ডলার বা দশমিক ৮৮ শতাংশ।

স্বর্ণের পাশাপাশি গেলো সপ্তাহে কমেছে ‍রুপা ও প্লাটিনামের দামও। গত সপ্তাহে প্রতি আউন্স রুপার দাম কমেছে ১ দশমিক ২৪ ডলার বা ৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৮৭ ডলারে। আর প্লাটিনামের দাম গেলো সপ্তাহে কমেছে ১৮ দশমিক ৫১ ডলার বা ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৮৯ ডলারে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। হুট করে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, এরপর আবার বড় দরপতনের ঘটনা ঘটছে গত কয়েক মাস ধরেই।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। রাশিয়া হামলা শুরুর পর ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ব অর্থনীতিও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। হু হু করে বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দাম।

রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু পর প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ দশমকি ৩৭ শতাংশ বা ৮২ দশমিক ৪৮ ডলার বেড়ে যায়। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৭০ দশমিক শূন্য ৭ ডলারে উঠে যায়।

যার প্রেক্ষিতে ৩ মার্চ বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সেসময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ২৬৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৮ হাজার ২৬৫ হাজার টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৩ হাজার ৪২১ টাকা করা হয়।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পর এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। ফলে ৯ মার্চ দেশের বাজারে আবার বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। এ দফায় ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৯ হাজার ৩১৫ হাজার টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৪২ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ৬২ টাকা।

অবশ্য এরপর বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ। ফলে ১৬ মার্চ এবং ২২ মার্চ দু’দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে ২২ মার্চ সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৭ হাজার ৯৯ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ১০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর রোজা শুরু হলে দেশের বাজারে ঈদকেন্দ্রিক স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি কিছুটা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে দামেও। বিশ্ববাজারে খুব একটা দাম না বাড়লেও ১২ এপ্রিল সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৩৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২২৪ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৩ হাজার ৮২৯ টাকা।

তবে বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা দেখা দিলে ২৬ এপ্রিল আবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সেসময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়।

আর ঈদের পর এক সপ্তাহ না যেতেই ১১ মে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সেসময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬২ হাজার ৬৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা।

তবে ২২ মে আবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৮২ হাজার ৪৬৫ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ২৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৫৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৮৫৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ২২০ টাকা করা হয়।

অবশ্য ওই দাম বাড়ানোর চারদিনের মাথায় দেশের বাজারে আবার স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সর্বশেষ গত ২৬ মে স্বর্ণের দাম আরও এক দফা কমানো হয়। সেসময় ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৯১৭ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৭৯৯ টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৪৯৯ টাকা কমিয়ে ৬৫ হাজার ৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৮২ টাকা কমিয়ে ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকা করা হয়।

বিশ্ব বাজার   স্বর্ণের দাম   দেশের বাজার   অপরিবর্তিত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

ইভ্যালির পাওনাদারদের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়: চেয়ারম্যান

প্রকাশ: ০৮:২৬ পিএম, ০১ Jul, ২০২২


Thumbnail ইভ্যালির পাওনাদারদের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়: চেয়ারম্যান

ইভ্যালির বর্তমানে যে সম্পদ রয়েছে তাতে পাওনাদারদের টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন উচ্চ আদালত কর্তৃক গঠিত ইভ্যালির বর্তমান নতুন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক। 

শুক্রবার (১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইভ্যালির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই। দুটি ওয়্যার হাউজে সর্বসাকুল্যে আনুমানিক ২৫ কোটি টাকার মালামাল রয়েছে। অ্যামাজন কোনো সহযোগিতা করেনি। পাসওয়ার্ড না পাওয়ায় ইভ্যালির সার্ভারে ঢোকাও যাচ্ছে না। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারী আনতে না পারলে পাওনাদারদের অর্থ পরিশোধ অসম্ভব।

তিনি বলেন, ইভ্যালির দুই ধরনের পাওনাদার রয়েছে। যারা সাপ্লাইয়ার আর যারা ক্লায়েন্ট। এখানে সাপ্লায়ারদের পাওনা বেশি। বর্তমানে ইভ্যালির যে সম্পদ রয়েছে তাতে পাওনাদারদের সন্তুষ্ট করা অসম্ভব।

ঢাকার সাভারে ইভ্যালির দুটি ওয়্যার হাউজে সর্বসাকুল্যে আনুমানিক ২৫ কোটি টাকার পণ্য রয়েছে। এছাড়া নয়টা ছোট পুরাতন কাভার্ডভ্যান ও ৫টা গাড়ি পেয়েছি। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই। যা পাওনাদারদের টাকার তুলনায় কিছুই না, এটা সমুদ্রের মতো পাওনাদের টাকা পরিশোধ অনেকটা এক ফোঁটা পানির মতো অবস্থা।

ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তার স্ত্রী ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন বিনিয়োগকারী আনতে পারবেন বলে উচ্চ আদালতে একটি আর্জি দিয়েছেন। তারা যদি বিনিয়োগকারী আনতে পারে তবেই কোম্পানি চলবে, পাওনাদাররাও টাকা পাবে। এটা নির্ভর করছে তারা বিনিয়োগকারী আনতে পারবেন কি-না।

ইভ্যালির সার্ভারের এক্সেস না থাকায় দেনা-পাওনা ও লেনদেনের সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছেনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা ইভ্যালির সার্ভারটি অপারেট করার অনেক ধরনের চেষ্টা করেছি। কিন্তু এটির পাসওয়ার্ড আমাদের কাছে নেই। পাসওয়ার্ড জানতে আদালতের অনুমতি নিয়ে আমরা জেলে গিয়ে রাসেলের সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনি লিখিত দিয়েছেন, ‘পাসওয়ার্ডটি তার মনে নেই। এটি তার ডেস্কের ড্রয়ারে একটি কালো ডায়েরিতে রাখা।’

এরপর আমরা দেশের এটুআই, সিআইডিসহ একাধিক আইটি এক্সপার্টদের সঙ্গে বসে পাসওয়ার্ডটি উদ্ধারের চেষ্টা করেছি, কিন্তু সম্ভব হয়নি। সার্ভারটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা অ্যামাজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা শুধু একটি কথাই বলেছে ‘পাসওয়ার্ড ছাড়া কোনো তথ্য পাওয়া সম্ভব নয়।’

ইভ্যালির বর্তমান এমডি মাহবুব কবীর মিলন এ বিষয়ে বলেন, আমরা ইভ্যালির আইটি প্রধান তানভিরের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। সে আমাদের বলেছে, রাসেল গ্রেপ্তারের আরও দু'মাস আগে সে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে, তখন আইডি পাসওয়ার্ড সব রাসেলকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। পরে তার আগের পাসওয়ার্ড দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছে এক্সেস সম্ভব হয়নি, তারমানে রাসেল পরে আবার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করেছে। তানভিরের অধীনে যারা কাজ করতেন তারাও পাসওয়ার্ডের বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি।

ইভ্যালি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

আজ থেকে ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবির পণ্য বিক্রি

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২২ Jun, ২০২২


Thumbnail আজ থেকে ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবির পণ্য বিক্রি

সিলেট বিভাগ ছাড়া সারা দেশে ফের শুরু হচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। আজ বুধবার (২২ জুন) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। তবে এবার আগের মতো ট্রাকে নয়, শুধু ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ডিলারের দোকান বা নির্ধারিত স্থায়ী স্থাপনা থেকে পণ্য বিক্রি হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায় টিসিবি।

এতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এক কোটি নিম্ন আয়ের পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য দেওয়া হবে। বুধবার থেকে শুরু হবে এ কার্যক্রম। চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত।

তবে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোয় ২৬ জুন থেকে বিক্রি শুরু হবে। বন্যার কারণে সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে আপাতত স্থগিত থাকবে বিক্রি কার্যক্রম। পরিস্থিতি বিবেচনায় বিক্রির তারিখ পরে জানানো হবে।

এ দফায় একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল ও এক কেজি চিনি কিনতে পারবেন।

প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, চিনি ৫৫ টাকা এবং মসুর ডাল ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হবে।

টিসিবি   পণ্য বিক্রি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

বসুন্ধরা এলপিজির সঙ্গে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিংয়ের চুক্তি সই

প্রকাশ: ০৪:১১ পিএম, ১৪ Jun, ২০২২


Thumbnail বসুন্ধরা এলপিজির সঙ্গে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিংয়ের চুক্তি সই

আমাদের চারপাশের পরিবেশ একটু একটু করে ঝুঁকে পড়ছে ক্ষতির মুখে। আমরা যদি আমাদের পরিবেশ নিয়ে চিন্তা না করি তাহলে আগামীতে আমরা যেকোনো ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারি। তাই পরিবেশকে বিপন্ন না করে কীভাবে প্রতিটি খাতে উন্নয়ন আনা যায় তা নিয়ে ভাবা সময়ের দাবি। তেমনই ভাবনা থেকে দেশের বৃহত্তম এবং এক নম্বর এলপি গ্যাস ব্র্যান্ড বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি:।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো এপ্যারেল শিল্পে এলপিজি ব্যবহৃত হবে। এই কারখানা থেকে দৈনিক ৬৫ হাজার পিস রেডিমেইড গার্মেন্টস প্রোডাক্ট উৎপাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১০ বছর এই কারখানায় বিকল্প জ্বালানি কারিগরি সহায়তা দেবে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি:। প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ীভাবে বাল্ক এলপিজি ট্যাঙ্কার স্থাপনের মাধ্যমে এই কারখানায় নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করবে। এখন পর্যন্ত বসুন্ধরা এলপিজি প্রায় ১০টিরও অধিক বৃহৎ শিল্পে এলপিজি সরবরাহ করে আসছে।

চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি: থেকে উপস্থিত ছিলেন- জনাব মাহবুব আলম (চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার), জনাব এম এম জসীম উদ্দিন (সিওও, ব্র্যান্ড এন্ড মার্কেটিং, সেক্টর এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), জনাব সাদ তানভীর (হেড অফ এইচ আর), প্রকৌশলী জনাব জাকারিয়া জালাল (হেড অফ ডিভিশন, সেলস), জনাব সরোয়ার হোসেন সোহাগ (জিএম, সাপ্লাই চেইন ডিভিশন), জনাব মুশফিকুর রহমান (সেক্রেটারি টু ভাইস চেয়ারম্যান, বসুন্ধরা গ্রুপ) এবং এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- মোঃ জিল্লুর রহমান মৃধা (গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর), জনাব তাসলিম আহমেদ (সি ই ও), জনাব অমিত কান্তি (ডিরেক্টর), জনাব মুজিবুল ইসলাম (কোম্পানি সেক্রেটারি), জনাব প্রকৌশলী মোঃ কাওসার রহমান (হেড অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট)।

জাকারিয়া জালাল বলেন, এই বিনিয়োগ বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমরা মার্কেটে এক নম্বর কোম্পানি হওয়ার পরও, বৈচিত্র্যপূর্ণ বিনিয়োগে বিশ্বাসী এবং নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে বিশ্বাসী। সেই চিন্তা থেকে এবং ২০৩০ সালের মধ্যেই যে এসডিজি আমাদের অর্জন করতে হবে, সেই এসডিজির ১১ নম্বর গোলে শহর ও মানব বসতিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, স্থিতিস্থাপক এবং টেকসই করার যে কথা বলা আছে তা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপে আমরা পা বাড়ালাম। রফতানিমুখি শিল্পে আনইন্টারাপ্টেড এনার্জি সাপ্লাই একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। এপারেল শিল্পে আমরা এই প্রথম এলপিজি সরবরাহ করতে যাচ্ছি, এছাড়াও আমরা সিরামিক এবং বয়লার নির্ভর শিল্পে আমরা গ্যাস সরবরাহ করেছি এবং করছি।

জসিম উদ্দীন বলেন, রফতানি যোগ্য শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানী সরবরাহ একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের বর্তমানে যে সরবরাহ ব্যবস্থা তা বিশ্ব সমাদৃত। প্রাকৃতিক বিপর্যয় ছাড়া একমাত্র আমরাই পারি নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে। আমরা এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: এর উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং সেই সাথে অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও আহ্বান জানাই এলপিজি গ্রহণ করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নিরবিচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে।

এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়, আজকের বড় বড় অবকাঠামোগুলোই কোথাও না কোথাও আমাদের সবুজ পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। তাই এমন কিছু উপায় নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে যেখানে পরিবেশবান্ধব উপায়ে এই খাতের উন্নয়ন সম্ভব হয়। পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থায় যে এপ্যারেল ফ্যাক্টরি কার্যক্রম চালানো যায়, তা বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডকে সঙ্গে নিয়ে আমরা দেশে প্রথমবারের মতো শুরু করে দেখতে চাই। বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি: এর কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতা এবং আন্তরিক ধন্যবাদ, রেডিমেইড গার্মেন্ট উৎপাদন ফ্যাক্টরিতে আমাদের কারিগরি কাজে পাশে থাকার জন্য এবং নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার জন্য।

বসুন্ধরা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন