ইনসাইড ট্রেড

সারাদেশে প্রায় ২ লাখ লিটার তেল জব্দ

প্রকাশ: ০৮:১৮ এএম, ১১ মে, ২০২২


Thumbnail সারাদেশে প্রায় ২ লাখ লিটার তেল জব্দ

সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিপুল পরিমাণ ভোজ্যতেলের মজুতের সন্ধান পেয়েছেজাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও পুলিশের অভিযানে এসব গুদাম থেকে বেরিয়ে আসছে ব্যবসায়ীদের মজুত করা হাজার হাজার লিটার তেল।

গত দুই দিনে সাত জেলায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া কুষ্টিয়ায় এক ব্যবসায়ীর গুদামে মজুত করা ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল পাওয়া গেছে। অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে গতকাল আট জেলার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মজুত করা তেল উদ্ধারে সবচেয়ে বড় অভিযানটি চালানো হয় রাজশাহীর বানেশ্বরে। গতকাল বিকেলে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারের চারটি গুদাম ও একটি ট্রাক থেকে ৯২ হাজার ৬১৬ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২৪ হাজার ৬৮৪ লিটার সয়াবিন ও ৬৭ হাজার ৯৩২ লিটার পাম তেল রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বানেশ্বরে বাজারের সরকার অ্যান্ড সন্স, ইন্তাজ স্টোর, মেসার্স পাল অ্যান্ড ব্রাদার্স ও রিয়া স্টোর থেকে তেল জব্দ করা হয়। সরকার অ্যান্ড সন্সের মালিক বিকাশ কৃষ্ণ সরকার দাবি করেন, তাঁরা কখনো তেল মজুতের ব্যবসা করেন না। তাঁর সয়াবিন সরকারিভাবে দাম বাড়ানোর পরে কে না। আর পাম তেল ঈদের এক দিন আগে তাঁর গুদামে এসেছে। রাজশাহীর পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন জানান, দ্রুত আদালতের অনুমতি নিয়ে জব্দ করা তেল টিসিবির মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হবে। গতকাল রাতে জেলার গোদাগাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার ৪০০ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়।

গত সোমবার রাতে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর গুদামে অভিযান চালিয়ে আরও ৬ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করে পুলিশ। এর আগে সোমবার অপর এক ব্যবসায়ীর গুদামে অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়।

আরেকটি বড় অভিযান চালানো হয় কুষ্টিয়ায়। গতকাল সকালে শহরের বড়বাজার এলাকায় মেসার্স মা ফুড প্রোডাক্টসের গুদামে পাওয়া গেছে ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে তেল মজুতের দায়ে গুদামমালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অধিদপ্তরের কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মণ্ডল বলেন, তিন দিনের মধ্যে এসব তেল খোলাবাজারে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিন দিন পর আবার গুদামে খোঁজ নেওয়া হবে।

গতকাল পাবনার ঈশ্বরদীতে শ্যামল স্টোর নামে একটি মুদিদোকানের গুদামে অভিযান চালিয়ে ১৮ হাজার ২৪৪ লিটার ভোজ্যতেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই দোকানের মালিক শ্যামল দত্তকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তেল মজুত, নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে তেল বিক্রি ও তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কিনতে বাধ্য করার দায়ে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার তিনটি প্রতিষ্ঠানকে। ওই তিন প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়।

৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে গাজীপুর থেকে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, গাজীপুরের কর্মকর্তারা দুটি গুদামে অভিযান চালিয়ে ওই তেল জব্দ করেন। পরে এসব তেল সরকার–নির্ধারিত দামে স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করা হয়। আর ওই দুই গুদাম মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

সিলেটের কালীঘাট এলাকার মাহের ব্রাদার্স নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মজুত করা ৫ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়। পরে সেই তেল নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে বিক্রি করা হয়।

পটুয়াখালীর দুমকিতে মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজারে তিন ব্যবসায়ীর গুদাম থেকে ৩ হাজার ১০৬ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়েছে। তেল মজুত রাখার দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বরিশাল নগরের সাগরদী বাজার ও বাবুগঞ্জের রহমতপুর বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল বাড়তি দামে বিক্রির দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় রহমতপুর বাজারের একটি পাইকারি দোকান থেকে ৭০০ লিটার মজুত করা সয়াবিন তেলও উদ্ধার করা হয়।


সারাদেশে   তেল   জব্দ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

আজ থেকে ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবির পণ্য বিক্রি

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২২ Jun, ২০২২


Thumbnail আজ থেকে ফ্যামিলি কার্ডে টিসিবির পণ্য বিক্রি

সিলেট বিভাগ ছাড়া সারা দেশে ফের শুরু হচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। আজ বুধবার (২২ জুন) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। তবে এবার আগের মতো ট্রাকে নয়, শুধু ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ডিলারের দোকান বা নির্ধারিত স্থায়ী স্থাপনা থেকে পণ্য বিক্রি হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায় টিসিবি।

এতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এক কোটি নিম্ন আয়ের পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য দেওয়া হবে। বুধবার থেকে শুরু হবে এ কার্যক্রম। চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত।

তবে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোয় ২৬ জুন থেকে বিক্রি শুরু হবে। বন্যার কারণে সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে আপাতত স্থগিত থাকবে বিক্রি কার্যক্রম। পরিস্থিতি বিবেচনায় বিক্রির তারিখ পরে জানানো হবে।

এ দফায় একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল ও এক কেজি চিনি কিনতে পারবেন।

প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, চিনি ৫৫ টাকা এবং মসুর ডাল ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হবে।

টিসিবি   পণ্য বিক্রি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

বসুন্ধরা এলপিজির সঙ্গে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিংয়ের চুক্তি সই

প্রকাশ: ০৪:১১ পিএম, ১৪ Jun, ২০২২


Thumbnail বসুন্ধরা এলপিজির সঙ্গে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিংয়ের চুক্তি সই

আমাদের চারপাশের পরিবেশ একটু একটু করে ঝুঁকে পড়ছে ক্ষতির মুখে। আমরা যদি আমাদের পরিবেশ নিয়ে চিন্তা না করি তাহলে আগামীতে আমরা যেকোনো ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারি। তাই পরিবেশকে বিপন্ন না করে কীভাবে প্রতিটি খাতে উন্নয়ন আনা যায় তা নিয়ে ভাবা সময়ের দাবি। তেমনই ভাবনা থেকে দেশের বৃহত্তম এবং এক নম্বর এলপি গ্যাস ব্র্যান্ড বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি:।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো এপ্যারেল শিল্পে এলপিজি ব্যবহৃত হবে। এই কারখানা থেকে দৈনিক ৬৫ হাজার পিস রেডিমেইড গার্মেন্টস প্রোডাক্ট উৎপাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১০ বছর এই কারখানায় বিকল্প জ্বালানি কারিগরি সহায়তা দেবে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি:। প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ীভাবে বাল্ক এলপিজি ট্যাঙ্কার স্থাপনের মাধ্যমে এই কারখানায় নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করবে। এখন পর্যন্ত বসুন্ধরা এলপিজি প্রায় ১০টিরও অধিক বৃহৎ শিল্পে এলপিজি সরবরাহ করে আসছে।

চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি: থেকে উপস্থিত ছিলেন- জনাব মাহবুব আলম (চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার), জনাব এম এম জসীম উদ্দিন (সিওও, ব্র্যান্ড এন্ড মার্কেটিং, সেক্টর এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), জনাব সাদ তানভীর (হেড অফ এইচ আর), প্রকৌশলী জনাব জাকারিয়া জালাল (হেড অফ ডিভিশন, সেলস), জনাব সরোয়ার হোসেন সোহাগ (জিএম, সাপ্লাই চেইন ডিভিশন), জনাব মুশফিকুর রহমান (সেক্রেটারি টু ভাইস চেয়ারম্যান, বসুন্ধরা গ্রুপ) এবং এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- মোঃ জিল্লুর রহমান মৃধা (গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর), জনাব তাসলিম আহমেদ (সি ই ও), জনাব অমিত কান্তি (ডিরেক্টর), জনাব মুজিবুল ইসলাম (কোম্পানি সেক্রেটারি), জনাব প্রকৌশলী মোঃ কাওসার রহমান (হেড অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট)।

জাকারিয়া জালাল বলেন, এই বিনিয়োগ বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমরা মার্কেটে এক নম্বর কোম্পানি হওয়ার পরও, বৈচিত্র্যপূর্ণ বিনিয়োগে বিশ্বাসী এবং নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে বিশ্বাসী। সেই চিন্তা থেকে এবং ২০৩০ সালের মধ্যেই যে এসডিজি আমাদের অর্জন করতে হবে, সেই এসডিজির ১১ নম্বর গোলে শহর ও মানব বসতিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, স্থিতিস্থাপক এবং টেকসই করার যে কথা বলা আছে তা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপে আমরা পা বাড়ালাম। রফতানিমুখি শিল্পে আনইন্টারাপ্টেড এনার্জি সাপ্লাই একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। এপারেল শিল্পে আমরা এই প্রথম এলপিজি সরবরাহ করতে যাচ্ছি, এছাড়াও আমরা সিরামিক এবং বয়লার নির্ভর শিল্পে আমরা গ্যাস সরবরাহ করেছি এবং করছি।

জসিম উদ্দীন বলেন, রফতানি যোগ্য শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানী সরবরাহ একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের বর্তমানে যে সরবরাহ ব্যবস্থা তা বিশ্ব সমাদৃত। প্রাকৃতিক বিপর্যয় ছাড়া একমাত্র আমরাই পারি নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে। আমরা এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: এর উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং সেই সাথে অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও আহ্বান জানাই এলপিজি গ্রহণ করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নিরবিচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে।

এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়, আজকের বড় বড় অবকাঠামোগুলোই কোথাও না কোথাও আমাদের সবুজ পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। তাই এমন কিছু উপায় নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে যেখানে পরিবেশবান্ধব উপায়ে এই খাতের উন্নয়ন সম্ভব হয়। পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থায় যে এপ্যারেল ফ্যাক্টরি কার্যক্রম চালানো যায়, তা বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডকে সঙ্গে নিয়ে আমরা দেশে প্রথমবারের মতো শুরু করে দেখতে চাই। বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি: এর কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতা এবং আন্তরিক ধন্যবাদ, রেডিমেইড গার্মেন্ট উৎপাদন ফ্যাক্টরিতে আমাদের কারিগরি কাজে পাশে থাকার জন্য এবং নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার জন্য।

বসুন্ধরা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

কমেছে চাল ও সবজির দাম

প্রকাশ: ১২:০১ পিএম, ১০ Jun, ২০২২


Thumbnail কমেছে চাল ও সবজির দাম

বাজারে চাল ও সবজির দাম কমেছে। এছাড়াও কমেছে আমদানি করা রসুন ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। আর পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দাম বেড়েছে ভোজ্য তেল ও মুরগির।

শুক্রবার (১০ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বাজারে চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা দাম কমেছে। মিনিকেট চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকা। একসপ্তাহ আগে মিনিকেটের কেজি ছিল ৭০ থেকে ৭২ টাকা। ২৮ চালের কেজি ৩ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকায়। আগে দাম ছিল ৫৫ টাকা কেজি। নাজিরশাইল চালের দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। আগে নাজিরশাইল চালের কেজি ছিল ৮০ টাকা কেজি। বাজারে পোলার চাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।  

১১ নম্বর বাজারের মকবুল রাইস এজেন্সি কর্ণধার কামাল সরকার বলেন, বাজারে প্রতি কেজি চালে ২ থেকে ৩ টাকা করে কমেছে। আরও দাম কমার সম্ভবনা আছে।  

এদিকে বাজারে সবজির দামও কমেছে। এসব বাজারে শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেঁপের কেজি ৫০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৬০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৪০ টাকা।

সবজি বিক্রেতারা জানান, বাজারে সবজির চাহিদা থেকে সরবরাহ অনেক ভালো। এ কারণে সবজির দাম কম।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকা।  

বাজারে আলুর আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। আর একটু ভাল মানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। বার্মার আদার কেজি ৬০ থেকে ৭০টাকা। চায়না আদার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। এছাড়াও এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।  

প্যাকেট আটার কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০। খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা।  

বাজারে বাড়ছে ভজ্যতেলের দাম। বাজেটে প্রতিলিটার তেলে ৭ টাকা দাম বেড়েছে। বাজারে ১৯৮ টাকা প্রতি লিটার তেল বিক্রি হলেও কিছু খুচরা দোকানে বিক্রি হচ্ছে ২০৫ টাকা লিটার।

এসব বাজারে লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ১৯০ টাকা।  

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭০০ টাকা। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায়।

এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে এখনও বাজেটের প্রভাব পড়েনি। চার থেকে পাঁচ দিন পরে বুঝা যাবে বাজেটের প্রভাব।


চাল   সবজি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

‘চাল ব্যবসা করে গুলশানে বাড়ি করছেন, আবার বলছেন লোকসান’

প্রকাশ: ০৬:১১ পিএম, ০২ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘চাল ব্যবসা করে গুলশানে বাড়ি করছেন, আবার বলছেন লোকসান’

দেশে চালের দাম বাড়ায় চাল ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, চাল ব্যবসা করে গুলশানে বাড়ি করছেন, আবার বলছেন লোকসান। দু’একজন ব্যবসায়ীর কারণে পুরো ব্যবসায়ীরা এর দায় নেবে না।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআইয়ের বোর্ড রুমে ‘নিত্যপণ্যের আমদানি, মজুত, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি’ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি বাংলাদেশ থেকে চাল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে প্যাকেটজাত চালের দর বেধে দেওয়ার বিষয়ে মত দেন।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে চাল ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের হয়রানি ও ধরপাকড় করা হচ্ছে।

এর জবাবে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, আপনারা ধানের ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়িয়ে দেবেন, আর সরকার ধরপাকড় করবে না এটা কি হয়। এখন ধান উঠছে, দাম কমছে এ অবস্থায় চালের দাম কমার কথা। আপনি-আমি ব্যবসা করবো। তার মানে কেজিতে ১০-১৫ টাকা বাড়াবেন এটা কি হয়? আপনি হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে মেশিন আনছেন, এতে খরচ কমার কথা, তাহলে দাম কেন বাড়বে ভাই। বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন পোলাও চালের, সেখানে মিনিটে ছয় হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। আপনারা উল্টো চালের দাম আরও বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

এসময় তিনি চাল ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন করে বলেন, আপনারা কেন মজুত করেন। এর জবাবে ব্যবসায়ীদের কয়েকজন বলেন কোনো মজুত হয়নি।

জবাবে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, আপনারা যদি মজুত না করেন তাহলে কেন অভিযানের পর দাম কমে বা কমলো। তার মানে আমরা মজুত করেছি। আসলেই সংকট না, সবার কাছে চাল আছে। ৫-১০ শতাংশ ধান নষ্ট হয়েছে, এখনই কেন দাম বাড়বে, এটা তো আরও সাত মাস পরে বাড়বে। সুযোগ পেলেই দাম বাড়বে এটা সরকার বা আমরা কেউ সহ্য করবো না। চাল ব্যবসা করে গুলশানে বাড়ি করছেন, বিভিন্ন স্থানে আরও ৮-১০টি করে বাড়ি আছে, আবার বলছেন লোকসান। দু’একজন ব্যবসায়ীর কারণে পুরো ব্যবসায়ীরা এর দায় নেবে না।



চাল   ব্যবসা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

দাম বাড়লো মিল্ক ভিটা দুধের

প্রকাশ: ০২:১৯ পিএম, ০২ Jun, ২০২২


Thumbnail দাম বাড়ালো মিল্ক ভিটা দুধের

মিল্ক ভিটা দুধের দাম বাড়ালো সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড। মিল্ক ভিটা দুধসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ৫ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার দুধের দাম ৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) মিল্ক ভিটার মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) মইনুল হক চৌধুরী বলেন, দুধের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দুগ্ধজাত নানা পণ্যের দাম। প্রতি কেজি ঘিয়ের দাম হয়েছে ১ হাজার ৩২০ টাকা। এত দিন এর দাম ছিল ১ হাজার ১৮০ টাকা। এক কেজি মিষ্টি দইয়ের দাম হয়েছে ২১০ টাকা, আগে বিক্রি হতো ১৯০ টাকায়। এক কেজি টক দইয়ের দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৭৫ টাকা।

এছাড়া গো-খাদ্যসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ও সরবরাহ খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে দাম বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এরআগে বুধবার (১ জুন) বিশ্ব দুগ্ধ দিবস থেকে এ দাম কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি লিটার প্যাকেটজাত তরল দুধে ৫ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ টাকা। আগে যা ৭৫ টাকা ছিল। এ ছাড়া আধা লিটারের প্যাকেট ৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ টাকা করা হয়েছে। ২৫০ মিলি প্যাকেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ টাকা; যা এতদিন বিক্রি হয়েছে ২২ টাকায়।

তবে ২০০ মিলিলিটারের প্যাকেটের দাম ২০ টাকাই আছে বলে জানিয়েছেন মিল্ক ভিটার মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) মো. মইনুল হক চৌধুরী।

মিল্ক ভিটা কর্তৃপক্ষের দাবি, প্যাকেজিং সামগ্রী, গোখাদ্যসহ সহায়ক সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা দাম বাড়িয়েছে দুধ ও দুগ্ধজাত অন্যান্য পণ্যের। পাস্তুরিত তরল দুধ, টোল্ড মিল্ক, ফ্লেভার্ড মিল্ক, ঘি, মাখন, ননিযুক্ত গুঁড়া দুধ, ননিবিহীন গুঁড়া দুধ, মিষ্টি দই, টক দই, রসগোল্লা, সন্দেশ, চিজ, কেকসহ ২২ ধরনের পণ্য বাজারজাত করে মিল্ক ভিটা। প্রায় সব ধরনের পণ্যের দামই বাড়ানো হয়েছে।

মইনুল হক চৌধুরীর আরও জানান, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে গোখাদ্যের দাম। লিটারে প্যাকেটের মূল্য আগে ছিল ২ টাকা ২০ পয়সা। এখন হয়েছে ৪ টাকা। জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ ক্ষেত্রেও খামারিদের ২৫ শতাংশ খরচ বাড়ানো হয়েছিল। পণ্যের দাম বাড়ায় আগামী ১ জুলাই থেকে খামারিদের কাছে থেকে লিটারপ্রতি দুধ দুই টাকা বেশিতে কিনবে মিল্ক ভিটা।

গত ১৩ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে মিল্ক ভিটার পণ্যের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়।  

মিল্ক ভিটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২০ সাল থেকে করোনা পরিস্থিতির কারণে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। ২০২০–২১ অর্থবছরে সংস্থাটি মাত্র ১৩ লাখ টাকা লাভ করেছে।


দাম   বাড়ালো   মিল্ক ভিটা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন