ইনসাইড ট্রেড

কমেছে চাল ও সবজির দাম

প্রকাশ: ১২:০১ পিএম, ১০ জুন, ২০২২


Thumbnail কমেছে চাল ও সবজির দাম

বাজারে চাল ও সবজির দাম কমেছে। এছাড়াও কমেছে আমদানি করা রসুন ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। আর পেঁয়াজ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দাম বেড়েছে ভোজ্য তেল ও মুরগির।

শুক্রবার (১০ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বাজারে চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা দাম কমেছে। মিনিকেট চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকা। একসপ্তাহ আগে মিনিকেটের কেজি ছিল ৭০ থেকে ৭২ টাকা। ২৮ চালের কেজি ৩ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকায়। আগে দাম ছিল ৫৫ টাকা কেজি। নাজিরশাইল চালের দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। আগে নাজিরশাইল চালের কেজি ছিল ৮০ টাকা কেজি। বাজারে পোলার চাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।  

১১ নম্বর বাজারের মকবুল রাইস এজেন্সি কর্ণধার কামাল সরকার বলেন, বাজারে প্রতি কেজি চালে ২ থেকে ৩ টাকা করে কমেছে। আরও দাম কমার সম্ভবনা আছে।  

এদিকে বাজারে সবজির দামও কমেছে। এসব বাজারে শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেঁপের কেজি ৫০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৬০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৪০ টাকা।

সবজি বিক্রেতারা জানান, বাজারে সবজির চাহিদা থেকে সরবরাহ অনেক ভালো। এ কারণে সবজির দাম কম।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকা।  

বাজারে আলুর আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। আর একটু ভাল মানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। বার্মার আদার কেজি ৬০ থেকে ৭০টাকা। চায়না আদার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। এছাড়াও এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।  

প্যাকেট আটার কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০। খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা।  

বাজারে বাড়ছে ভজ্যতেলের দাম। বাজেটে প্রতিলিটার তেলে ৭ টাকা দাম বেড়েছে। বাজারে ১৯৮ টাকা প্রতি লিটার তেল বিক্রি হলেও কিছু খুচরা দোকানে বিক্রি হচ্ছে ২০৫ টাকা লিটার।

এসব বাজারে লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ১৯০ টাকা।  

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭০০ টাকা। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায়।

এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে এখনও বাজেটের প্রভাব পড়েনি। চার থেকে পাঁচ দিন পরে বুঝা যাবে বাজেটের প্রভাব।


চাল   সবজি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

দাম কমেছে ডিম-মুরগি-পেঁয়াজের, অপরিবর্তিত সবজির

প্রকাশ: ১২:৩৩ পিএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail দাম কমেছে ডিম-মুরগি-পেঁয়াজের, অপরিবর্তিত সবজির

কিছুদিন আগেও ছিল চড়া ছিল সবজির বাজার। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ডিম, মুরগি ও পেঁয়াজের দাম কমেছে।ডিমের দাম ডজনে ৩০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এর আগে ডিমের দাম ডজন প্রতি ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়। যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড গড়েছে। এদিকে অপরিবর্তিত আছে সবজি, ভোজ্যতেল ও চালের দাম।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজি গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সিমের কেজি ২৪০ টাকা, শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। করলা  ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৫০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনো মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।  

মিরপুর কালশী বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. সাকলাইন বলেন, গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। শুধুমাত্র সিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। সাপ্লাই বাড়ায় সবজির দাম কমেছে।  

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়।  

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। এছাড়াও এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ টাকা। ভারতীয় মুশুরের ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।  

এছাড়া ভজ্যতেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা।  

এসব বাজারে লাল ডিমের দাম কমে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা।  

এখন ডিমের দাম কমতে শুরু করেছে। লাল ডিমের ডজনে কমেছে ৩০ টাকা। ডিমের দাম বাড়ার পেছনে কারসাজি ছিল খামারি ও পাইকারদের। সরকার চাপ দেওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে।

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৬০ থেকে ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা। ৭ দিন আগে বিক্রি হয়েছিল ২১০ টাকা কেজি। কমেছে সোনালি মুরগির দাম। কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩১০ টাকা। লেয়ার মুরগির দামও কমেছে। কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়।

১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা রুবেল বলেন, মুরগির উৎপাদন বাড়ায় কমেছে দাম। গত সপ্তাহে পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে দাম বেড়েছিল মুরগির। ওই দাম বাড়ার মূল কারণ ছিল পাইকার ও খামারির।

গত সপ্তাহের বাড়তি ধানে বিক্রি হচ্ছে চাল। সকল ধরনের মোটা ও চিকন চাল আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।

১১ নম্বর বাজারের কামরুল রাইস এজেন্সি কর্ণধার কামাল সরকার বলেন, চালের দাম বাড়ার পিছনের কারণ হচ্ছে সিন্ডিকেটের কারসাজি। পাইকারি ও সিন্ডিকেটরা পরিবহন খরচের অজুহাত দেখিয়ে চালের দাম বাড়িয়েছে। প্রায় সব ধরনের মোটা ও চিকন চলের দাম বাড়তি। মোটা চালের বস্তায় দাম বেড়েছে ২৫০ ও চিকন চালের বস্তায় দাম বেড়েছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা।

দাম   ডিম-মুরগি-পেঁয়াজ   কম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

বাজারে দাম কমেছে ডিমের

প্রকাশ: ০১:০৯ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বাজারে দাম কমেছে ডিমের

জ্বলানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর থেকেই অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি ডিমের দাম ছিলো ঊর্ধ্বমুখী। তবে গতকাল (১৭ আগস্ট) 'দাম কমানোর স্বার্থে প্রয়োজনে ডিম আমদানি করা হবে' এমন মন্তব্যের পরে আজ (১৮ আগস্ট) বাজারে ডিমের দাম কমেছে। এই একদিনের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৬৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা কমে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি হালিতে ডিমের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়, লাল ও সাদা ডিম প্রতি হালিতে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা করে। যা একদিন আগেই ছিলো ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। খুচরা বাজারে একদিনের ব্যবধানে প্রতি হালি ডিমের দাম কমেছে ৮ থেকে ১০ টাকা। তবে যারা ডজন কিংবা এক কেস ডিম কিনছেন তারা আরও কম দামে ১৪০ টাকায় কিনতে পারছেন।

দাম কমার কারণ জানতে চাইলে হাতিরপুলের এক দোকানি জানায়, আড়ত থেকে ডিম কম দামে কিনেছি। তাই কম দামেই বিক্রি করছি।
  
তিনি বলে, দাম বাড়ার পরে অনেকে ডিম কেনা কমিয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন ১০ কেস ডিম বিক্রি হতো। এখন তার অর্ধেক বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েকদিন ৬০ টাকা হালি ডিম বিক্রি হচ্ছিল এখন ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।  

ডিম আমদানি করা হবে বলে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এখন ডিমের দাম কমানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জানায়, আমরাও চাই ডিমের দাম কমাতে কিন্তু আমাদের উপায় নেই। ডিমের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি কমেছে। আমাদের ব্যবসাও কমেছে।

তবে বাজারে দেশি মুরগি কিংবা হাঁসের ডিমের দাম কমেনি। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়।

ডিমের   দাম   কমলো  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

একটি ডিমের দাম ১৪ টাকা!

প্রকাশ: ০৮:৫৪ এএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail একটি ডিমের দাম ১৪ টাকা!

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ডিমের উপরও। নিম্নআয়ের মানুষের প্রোটিনের চাহিদা মেটায় ডিম। কিন্তু ডিমের লাগামহীন বাজারদরে নিম্নবিত্তের নাভিশ্বাস। তুলনামূলক সস্তার ডিম এখন বাড়তি পয়সা গুনে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ভোক্তারা। রাজধানীর অলিগলির খুচরা বাজারগুলোতে এক হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫৪-৫৬ টাকায়। ফলে চড়া দামের বর্তমান বাজারে ভোক্তাকে একটি ডিম কিনতেই খরচ করতে হচ্ছে সাড়ে ১৩ থেকে ১৪ টাকা। ডিমের লাগামহীন দামে ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তায় সীমিত আয়ের মানুষের।

সরেজমিনে গতকাল সোমবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারগুলোতেও ডজনপ্রতি বেড়েছে ডিমের দাম। এক ডজন লাল ডিমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ১৫০ টাকায়। সাদা ডিমের ডজন ১৫০ টাকা, দেশি ২১০ টাকা ও হাঁসের ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে।

ওইদিন রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসিন্দা সাবরিনা সুলতানা বাজারে ডিম কিনতে এসে অনেকটাই চমকে যান! ডিমের ডজন ১৫০ টাকা শুনে তিনি অবাক। এই ক্রেতা বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ডিমের দাম এতোটা বাড়ার তো কথা নয়। আজকের বাজারে অনেকে পর্যাপ্ত মাছ-মাংস কিনতে পারেন না। নিম্নবিত্তের সাধ্যের মধ্যে থাকা ডিমের দামও এখন আকাশছোঁয়া। এটা ভাবা যায়! মানুষ যাবে কোথায়!

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ডিমের উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত খামারিরা জানান, উপাদানের দাম বাড়ার কারণে মুরগীর খাবারের দাম বেড়েছে। ভালো কোম্পানির এক বস্তা মুরগির খাবারের দাম এখন ৩ হাজার টাকার ওপরে, যা এক বছর আগেও দুই হাজার টাকার কম ছিল। ভুট্টা, সয়াবিন মিল, রাইস পলিশসহ যা যা দরকার সবকিছুর দামই বেড়েছে।

পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা জানান, ফিড তৈরিতে ৫০-৫৫% ভুট্টা এবং ৩০-৩৫% সয়াবিন মিলের দরকার হয়। গত বছরের মার্চে প্রতি কেজি সয়াবিন মিলের দাম ছিল ৪৯ টাকা থাকলেও তা এখন ৬৫-৬৬ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

ফিডের দাম বাড়ার প্রভাব ডিমের দামের ওপর পড়ায় দিনশেষে ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। এক বছর আগের তুলনায় হালিতে ডিমের দাম ১৫ টাকা বেড়েছে। যারা একটু বেশি করে ডিম কিনেন, তাদের অবশ্য প্রতি ডজন ডিম কিনতে হচ্ছে অন্তত ১৩০ টাকায়, যা দুই মাস আগেও ১০০-১১০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেতো।

বাড্ডা এলাকার এক দোকানি বলেন, প্রতিদিনই ডিমের দাম বাড়ছে। যারা ডিম সরবরাহ করছেন তারা নতুন নতুন রেট দিচ্ছেন বলেই আমাদেরকে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এখন ৪৫ টাকা হালি হিসেবে ডিম বিক্রি করছি। দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষও কম কিনতে শুরু করেছে।

ডিম   দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

আগামীকাল পুঁজিবাজার লেনদেন বন্ধ

প্রকাশ: ০১:৫০ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail আগামীকাল পুঁজিবাজার লেনদেন বন্ধ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আগামীকাল (১৫ আগস্ট) দেশের পুঁজিবাজারের লেনদেন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার যথাসময়ে পুঁজিবাজারের লেনদেন ও অফিশিয়াল কার্যক্রম শুরু হবে।

রোববার (১৪ আগস্ট) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছিল সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী উচ্ছৃঙ্খল সদস্য। ওই রাতে ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। শোকের এই দিনটি পালনে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায় পুঁজিবাজার,ব্যাংক ও বিমা অফিসের লেনদেনও বন্ধ থাকবে।

পুঁজিবাজার   লেনদেন বন্ধ   আগামীকাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থানে সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংস

প্রকাশ: ০৮:৩২ এএম, ১১ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থানে সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংস

শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। জুলাই মাসের লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে তারা এই তালিকা করেছে। এই তালিকায় নতুন হাউজগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে সাকিব আল হাসানের মোনার্ক হোল্ডিংস লিমিটেড।

বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের প্রতিষ্ঠানটি ২৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা লেনদেন করেছে। এক মাসের ব্যবধানে হাউজটিতে শেয়ার কেনা-বেচায় ব্যাপক উত্থান হয়েছে।
এই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হয় ১২ হাজার ২৮৪ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। জুলাইয়ে ডিএসইর মোট লেনদেনের ২ দশমিক ১০ শতাংশই মোনার্ক হোল্ডিংসে হয়।

সূত্র মতে, শেয়ারবাজারে শেয়ার কেনা-বেচার করা জন্য সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংসের সঙ্গে আরও নতুন ৩০টি ব্রোকারেজ হাউজ বা ট্রেকের (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) অনুমোদন দিয়েছিল পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অনুমোদন পাওয়া এসব সিকিউরিটিজ হাউজগুলোকে পেছনে ফেলে দ্রুতই শীর্ষ স্থানে উঠে এলো মোনার্ক হোল্ডিংস।

জুলাইয়ে সাকিবের মালিকানধীন ব্রোকারেজ হাউজটির মাধ্যমে ১২৪ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার ক্রয় করা হয়। একই মাসে শেয়ার বিক্রি হয় ১৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকার। প্রতিষ্ঠানটিতে লেনদেন শুরু হওয়ার পরে গত মাস জুলাইয়ে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। ফলে নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থান দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর সকল ব্রোকারেজ হাউজের মধ্যে মোনার্ক হোল্ডিংস ২২তম অবস্থানে রয়েছে।


সাকিব   মোনার্ক হোল্ডিংস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন