ইনসাইড ট্রেড

বসুন্ধরা এলপিজির সঙ্গে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিংয়ের চুক্তি সই

প্রকাশ: ০৪:১১ পিএম, ১৪ জুন, ২০২২


Thumbnail বসুন্ধরা এলপিজির সঙ্গে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিংয়ের চুক্তি সই

আমাদের চারপাশের পরিবেশ একটু একটু করে ঝুঁকে পড়ছে ক্ষতির মুখে। আমরা যদি আমাদের পরিবেশ নিয়ে চিন্তা না করি তাহলে আগামীতে আমরা যেকোনো ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারি। তাই পরিবেশকে বিপন্ন না করে কীভাবে প্রতিটি খাতে উন্নয়ন আনা যায় তা নিয়ে ভাবা সময়ের দাবি। তেমনই ভাবনা থেকে দেশের বৃহত্তম এবং এক নম্বর এলপি গ্যাস ব্র্যান্ড বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি:।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো এপ্যারেল শিল্পে এলপিজি ব্যবহৃত হবে। এই কারখানা থেকে দৈনিক ৬৫ হাজার পিস রেডিমেইড গার্মেন্টস প্রোডাক্ট উৎপাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ১০ বছর এই কারখানায় বিকল্প জ্বালানি কারিগরি সহায়তা দেবে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি:। প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ীভাবে বাল্ক এলপিজি ট্যাঙ্কার স্থাপনের মাধ্যমে এই কারখানায় নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করবে। এখন পর্যন্ত বসুন্ধরা এলপিজি প্রায় ১০টিরও অধিক বৃহৎ শিল্পে এলপিজি সরবরাহ করে আসছে।

চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি: থেকে উপস্থিত ছিলেন- জনাব মাহবুব আলম (চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার), জনাব এম এম জসীম উদ্দিন (সিওও, ব্র্যান্ড এন্ড মার্কেটিং, সেক্টর এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), জনাব সাদ তানভীর (হেড অফ এইচ আর), প্রকৌশলী জনাব জাকারিয়া জালাল (হেড অফ ডিভিশন, সেলস), জনাব সরোয়ার হোসেন সোহাগ (জিএম, সাপ্লাই চেইন ডিভিশন), জনাব মুশফিকুর রহমান (সেক্রেটারি টু ভাইস চেয়ারম্যান, বসুন্ধরা গ্রুপ) এবং এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- মোঃ জিল্লুর রহমান মৃধা (গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর), জনাব তাসলিম আহমেদ (সি ই ও), জনাব অমিত কান্তি (ডিরেক্টর), জনাব মুজিবুল ইসলাম (কোম্পানি সেক্রেটারি), জনাব প্রকৌশলী মোঃ কাওসার রহমান (হেড অফ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট)।

জাকারিয়া জালাল বলেন, এই বিনিয়োগ বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমরা মার্কেটে এক নম্বর কোম্পানি হওয়ার পরও, বৈচিত্র্যপূর্ণ বিনিয়োগে বিশ্বাসী এবং নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে বিশ্বাসী। সেই চিন্তা থেকে এবং ২০৩০ সালের মধ্যেই যে এসডিজি আমাদের অর্জন করতে হবে, সেই এসডিজির ১১ নম্বর গোলে শহর ও মানব বসতিকে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ, স্থিতিস্থাপক এবং টেকসই করার যে কথা বলা আছে তা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপে আমরা পা বাড়ালাম। রফতানিমুখি শিল্পে আনইন্টারাপ্টেড এনার্জি সাপ্লাই একটি অত্যাবশ্যকীয় বিষয়। এপারেল শিল্পে আমরা এই প্রথম এলপিজি সরবরাহ করতে যাচ্ছি, এছাড়াও আমরা সিরামিক এবং বয়লার নির্ভর শিল্পে আমরা গ্যাস সরবরাহ করেছি এবং করছি।

জসিম উদ্দীন বলেন, রফতানি যোগ্য শিল্পে নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানী সরবরাহ একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের বর্তমানে যে সরবরাহ ব্যবস্থা তা বিশ্ব সমাদৃত। প্রাকৃতিক বিপর্যয় ছাড়া একমাত্র আমরাই পারি নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে। আমরা এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: এর উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং সেই সাথে অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠানকেও আহ্বান জানাই এলপিজি গ্রহণ করে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নিরবিচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে।

এপ্যারেলস ওয়েট প্রসেসিং লি: কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়, আজকের বড় বড় অবকাঠামোগুলোই কোথাও না কোথাও আমাদের সবুজ পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে থাকে। তাই এমন কিছু উপায় নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে যেখানে পরিবেশবান্ধব উপায়ে এই খাতের উন্নয়ন সম্ভব হয়। পরিবেশ বান্ধব ব্যবস্থায় যে এপ্যারেল ফ্যাক্টরি কার্যক্রম চালানো যায়, তা বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডকে সঙ্গে নিয়ে আমরা দেশে প্রথমবারের মতো শুরু করে দেখতে চাই। বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি: এর কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতা এবং আন্তরিক ধন্যবাদ, রেডিমেইড গার্মেন্ট উৎপাদন ফ্যাক্টরিতে আমাদের কারিগরি কাজে পাশে থাকার জন্য এবং নিরবিচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার জন্য।

বসুন্ধরা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

দাম কমেছে ডিম-মুরগি-পেঁয়াজের, অপরিবর্তিত সবজির

প্রকাশ: ১২:৩৩ পিএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail দাম কমেছে ডিম-মুরগি-পেঁয়াজের, অপরিবর্তিত সবজির

কিছুদিন আগেও ছিল চড়া ছিল সবজির বাজার। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ডিম, মুরগি ও পেঁয়াজের দাম কমেছে।ডিমের দাম ডজনে ৩০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এর আগে ডিমের দাম ডজন প্রতি ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়। যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড গড়েছে। এদিকে অপরিবর্তিত আছে সবজি, ভোজ্যতেল ও চালের দাম।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজি গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সিমের কেজি ২৪০ টাকা, শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। করলা  ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৫০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনো মরিচের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।  

মিরপুর কালশী বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. সাকলাইন বলেন, গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। শুধুমাত্র সিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। সাপ্লাই বাড়ায় সবজির দাম কমেছে।  

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১১০ টাকায়।  

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। এছাড়াও এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ টাকা। ভারতীয় মুশুরের ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।  

এছাড়া ভজ্যতেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা।  

এসব বাজারে লাল ডিমের দাম কমে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা।  

এখন ডিমের দাম কমতে শুরু করেছে। লাল ডিমের ডজনে কমেছে ৩০ টাকা। ডিমের দাম বাড়ার পেছনে কারসাজি ছিল খামারি ও পাইকারদের। সরকার চাপ দেওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে।

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৬০ থেকে ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কমেছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা। ৭ দিন আগে বিক্রি হয়েছিল ২১০ টাকা কেজি। কমেছে সোনালি মুরগির দাম। কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ৩১০ টাকা। লেয়ার মুরগির দামও কমেছে। কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়।

১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা রুবেল বলেন, মুরগির উৎপাদন বাড়ায় কমেছে দাম। গত সপ্তাহে পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে দাম বেড়েছিল মুরগির। ওই দাম বাড়ার মূল কারণ ছিল পাইকার ও খামারির।

গত সপ্তাহের বাড়তি ধানে বিক্রি হচ্ছে চাল। সকল ধরনের মোটা ও চিকন চাল আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।

১১ নম্বর বাজারের কামরুল রাইস এজেন্সি কর্ণধার কামাল সরকার বলেন, চালের দাম বাড়ার পিছনের কারণ হচ্ছে সিন্ডিকেটের কারসাজি। পাইকারি ও সিন্ডিকেটরা পরিবহন খরচের অজুহাত দেখিয়ে চালের দাম বাড়িয়েছে। প্রায় সব ধরনের মোটা ও চিকন চলের দাম বাড়তি। মোটা চালের বস্তায় দাম বেড়েছে ২৫০ ও চিকন চালের বস্তায় দাম বেড়েছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা।

দাম   ডিম-মুরগি-পেঁয়াজ   কম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

বাজারে দাম কমেছে ডিমের

প্রকাশ: ০১:০৯ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বাজারে দাম কমেছে ডিমের

জ্বলানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পর থেকেই অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি ডিমের দাম ছিলো ঊর্ধ্বমুখী। তবে গতকাল (১৭ আগস্ট) 'দাম কমানোর স্বার্থে প্রয়োজনে ডিম আমদানি করা হবে' এমন মন্তব্যের পরে আজ (১৮ আগস্ট) বাজারে ডিমের দাম কমেছে। এই একদিনের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৬৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা কমে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি হালিতে ডিমের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সরেজমিনে দেখা যায়, লাল ও সাদা ডিম প্রতি হালিতে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা করে। যা একদিন আগেই ছিলো ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। খুচরা বাজারে একদিনের ব্যবধানে প্রতি হালি ডিমের দাম কমেছে ৮ থেকে ১০ টাকা। তবে যারা ডজন কিংবা এক কেস ডিম কিনছেন তারা আরও কম দামে ১৪০ টাকায় কিনতে পারছেন।

দাম কমার কারণ জানতে চাইলে হাতিরপুলের এক দোকানি জানায়, আড়ত থেকে ডিম কম দামে কিনেছি। তাই কম দামেই বিক্রি করছি।
  
তিনি বলে, দাম বাড়ার পরে অনেকে ডিম কেনা কমিয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন ১০ কেস ডিম বিক্রি হতো। এখন তার অর্ধেক বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েকদিন ৬০ টাকা হালি ডিম বিক্রি হচ্ছিল এখন ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।  

ডিম আমদানি করা হবে বলে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এখন ডিমের দাম কমানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জানায়, আমরাও চাই ডিমের দাম কমাতে কিন্তু আমাদের উপায় নেই। ডিমের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি কমেছে। আমাদের ব্যবসাও কমেছে।

তবে বাজারে দেশি মুরগি কিংবা হাঁসের ডিমের দাম কমেনি। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়।

ডিমের   দাম   কমলো  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

একটি ডিমের দাম ১৪ টাকা!

প্রকাশ: ০৮:৫৪ এএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail একটি ডিমের দাম ১৪ টাকা!

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ডিমের উপরও। নিম্নআয়ের মানুষের প্রোটিনের চাহিদা মেটায় ডিম। কিন্তু ডিমের লাগামহীন বাজারদরে নিম্নবিত্তের নাভিশ্বাস। তুলনামূলক সস্তার ডিম এখন বাড়তি পয়সা গুনে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ভোক্তারা। রাজধানীর অলিগলির খুচরা বাজারগুলোতে এক হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫৪-৫৬ টাকায়। ফলে চড়া দামের বর্তমান বাজারে ভোক্তাকে একটি ডিম কিনতেই খরচ করতে হচ্ছে সাড়ে ১৩ থেকে ১৪ টাকা। ডিমের লাগামহীন দামে ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তায় সীমিত আয়ের মানুষের।

সরেজমিনে গতকাল সোমবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারগুলোতেও ডজনপ্রতি বেড়েছে ডিমের দাম। এক ডজন লাল ডিমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ১৫০ টাকায়। সাদা ডিমের ডজন ১৫০ টাকা, দেশি ২১০ টাকা ও হাঁসের ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে।

ওইদিন রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসিন্দা সাবরিনা সুলতানা বাজারে ডিম কিনতে এসে অনেকটাই চমকে যান! ডিমের ডজন ১৫০ টাকা শুনে তিনি অবাক। এই ক্রেতা বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ডিমের দাম এতোটা বাড়ার তো কথা নয়। আজকের বাজারে অনেকে পর্যাপ্ত মাছ-মাংস কিনতে পারেন না। নিম্নবিত্তের সাধ্যের মধ্যে থাকা ডিমের দামও এখন আকাশছোঁয়া। এটা ভাবা যায়! মানুষ যাবে কোথায়!

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ডিমের উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত খামারিরা জানান, উপাদানের দাম বাড়ার কারণে মুরগীর খাবারের দাম বেড়েছে। ভালো কোম্পানির এক বস্তা মুরগির খাবারের দাম এখন ৩ হাজার টাকার ওপরে, যা এক বছর আগেও দুই হাজার টাকার কম ছিল। ভুট্টা, সয়াবিন মিল, রাইস পলিশসহ যা যা দরকার সবকিছুর দামই বেড়েছে।

পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা জানান, ফিড তৈরিতে ৫০-৫৫% ভুট্টা এবং ৩০-৩৫% সয়াবিন মিলের দরকার হয়। গত বছরের মার্চে প্রতি কেজি সয়াবিন মিলের দাম ছিল ৪৯ টাকা থাকলেও তা এখন ৬৫-৬৬ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

ফিডের দাম বাড়ার প্রভাব ডিমের দামের ওপর পড়ায় দিনশেষে ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। এক বছর আগের তুলনায় হালিতে ডিমের দাম ১৫ টাকা বেড়েছে। যারা একটু বেশি করে ডিম কিনেন, তাদের অবশ্য প্রতি ডজন ডিম কিনতে হচ্ছে অন্তত ১৩০ টাকায়, যা দুই মাস আগেও ১০০-১১০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেতো।

বাড্ডা এলাকার এক দোকানি বলেন, প্রতিদিনই ডিমের দাম বাড়ছে। যারা ডিম সরবরাহ করছেন তারা নতুন নতুন রেট দিচ্ছেন বলেই আমাদেরকে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এখন ৪৫ টাকা হালি হিসেবে ডিম বিক্রি করছি। দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষও কম কিনতে শুরু করেছে।

ডিম   দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

আগামীকাল পুঁজিবাজার লেনদেন বন্ধ

প্রকাশ: ০১:৫০ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail আগামীকাল পুঁজিবাজার লেনদেন বন্ধ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আগামীকাল (১৫ আগস্ট) দেশের পুঁজিবাজারের লেনদেন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার যথাসময়ে পুঁজিবাজারের লেনদেন ও অফিশিয়াল কার্যক্রম শুরু হবে।

রোববার (১৪ আগস্ট) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছিল সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী উচ্ছৃঙ্খল সদস্য। ওই রাতে ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। শোকের এই দিনটি পালনে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায় পুঁজিবাজার,ব্যাংক ও বিমা অফিসের লেনদেনও বন্ধ থাকবে।

পুঁজিবাজার   লেনদেন বন্ধ   আগামীকাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থানে সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংস

প্রকাশ: ০৮:৩২ এএম, ১১ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থানে সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংস

শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। জুলাই মাসের লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে তারা এই তালিকা করেছে। এই তালিকায় নতুন হাউজগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে সাকিব আল হাসানের মোনার্ক হোল্ডিংস লিমিটেড।

বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের প্রতিষ্ঠানটি ২৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা লেনদেন করেছে। এক মাসের ব্যবধানে হাউজটিতে শেয়ার কেনা-বেচায় ব্যাপক উত্থান হয়েছে।
এই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হয় ১২ হাজার ২৮৪ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। জুলাইয়ে ডিএসইর মোট লেনদেনের ২ দশমিক ১০ শতাংশই মোনার্ক হোল্ডিংসে হয়।

সূত্র মতে, শেয়ারবাজারে শেয়ার কেনা-বেচার করা জন্য সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংসের সঙ্গে আরও নতুন ৩০টি ব্রোকারেজ হাউজ বা ট্রেকের (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) অনুমোদন দিয়েছিল পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অনুমোদন পাওয়া এসব সিকিউরিটিজ হাউজগুলোকে পেছনে ফেলে দ্রুতই শীর্ষ স্থানে উঠে এলো মোনার্ক হোল্ডিংস।

জুলাইয়ে সাকিবের মালিকানধীন ব্রোকারেজ হাউজটির মাধ্যমে ১২৪ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার ক্রয় করা হয়। একই মাসে শেয়ার বিক্রি হয় ১৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকার। প্রতিষ্ঠানটিতে লেনদেন শুরু হওয়ার পরে গত মাস জুলাইয়ে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। ফলে নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থান দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর সকল ব্রোকারেজ হাউজের মধ্যে মোনার্ক হোল্ডিংস ২২তম অবস্থানে রয়েছে।


সাকিব   মোনার্ক হোল্ডিংস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন