ইনসাইড ট্রেড

বিশ্ব বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, দেশের বাজারে এখনো অপরিবর্তিত

প্রকাশ: ০২:০৫ পিএম, ০২ জুলাই, ২০২২


Thumbnail বিশ্ব বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, দেশের বাজারে এখনো অপরিবর্তিত

বিশ্ববাজারে গত এক মাস যাবতই কমছে স্বর্ণের দাম। প্রায় ছয় মাসের মধ্যে এখন স্বর্ণের দাম পৌছে গেছে সর্বোনিম্ন পর্যায়ে। তবে বিশ্বাবাজারে দাম কমলেও গত এক মাসে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

স্বর্ণের পাশাপাশি গত এক মাসে বিশ্ববাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামে বড় পতন হয়েছে। একমাসের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। রুপার দাম কমেছে ১০ দশমিক ৮২ শতাংশ। আর প্লাটিনামের দাম কমেছে ১৩ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

একমাস আগে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৮৬৮ দশমিক শূন্য ৯ ডলার। সেখান থেকে কমতে কমতে এখন তা এক হাজার ৮১০ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ একমাসে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ৫৭ দশমিক ৫১ ডলার। এরমধ্যে গেল সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে ১৬ দশমিক শূন্য ৭ ডলার বা দশমিক ৮৮ শতাংশ।

স্বর্ণের পাশাপাশি গেলো সপ্তাহে কমেছে ‍রুপা ও প্লাটিনামের দামও। গত সপ্তাহে প্রতি আউন্স রুপার দাম কমেছে ১ দশমিক ২৪ ডলার বা ৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৮৭ ডলারে। আর প্লাটিনামের দাম গেলো সপ্তাহে কমেছে ১৮ দশমিক ৫১ ডলার বা ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৮৯ ডলারে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। হুট করে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, এরপর আবার বড় দরপতনের ঘটনা ঘটছে গত কয়েক মাস ধরেই।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। রাশিয়া হামলা শুরুর পর ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ব অর্থনীতিও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। হু হু করে বেড়েছে বিভিন্ন পণ্যের দাম।

রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু পর প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ দশমকি ৩৭ শতাংশ বা ৮২ দশমিক ৪৮ ডলার বেড়ে যায়। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৭০ দশমিক শূন্য ৭ ডলারে উঠে যায়।

যার প্রেক্ষিতে ৩ মার্চ বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সেসময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ২৬৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৮ হাজার ২৬৫ হাজার টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৩ হাজার ৪২১ টাকা করা হয়।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পর এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। ফলে ৯ মার্চ দেশের বাজারে আবার বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। এ দফায় ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৯ হাজার ৩১৫ হাজার টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৪২ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ৬২ টাকা।

অবশ্য এরপর বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ। ফলে ১৬ মার্চ এবং ২২ মার্চ দু’দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে ২২ মার্চ সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৭ হাজার ৯৯ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ১০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর রোজা শুরু হলে দেশের বাজারে ঈদকেন্দ্রিক স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি কিছুটা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে দামেও। বিশ্ববাজারে খুব একটা দাম না বাড়লেও ১২ এপ্রিল সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৩৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২২৪ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৩ হাজার ৮২৯ টাকা।

তবে বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা দেখা দিলে ২৬ এপ্রিল আবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সেসময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়।

আর ঈদের পর এক সপ্তাহ না যেতেই ১১ মে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সেসময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬২ হাজার ৬৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা।

তবে ২২ মে আবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৮২ হাজার ৪৬৫ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম চার হাজার ২৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৭৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৫৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৮৫৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ২২০ টাকা করা হয়।

অবশ্য ওই দাম বাড়ানোর চারদিনের মাথায় দেশের বাজারে আবার স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সর্বশেষ গত ২৬ মে স্বর্ণের দাম আরও এক দফা কমানো হয়। সেসময় ২২ ক্যারেটের ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৯১৭ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৭৯৯ টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৪৯৯ টাকা কমিয়ে ৬৫ হাজার ৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৮২ টাকা কমিয়ে ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকা করা হয়।

বিশ্ব বাজার   স্বর্ণের দাম   দেশের বাজার   অপরিবর্তিত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

একটি ডিমের দাম ১৪ টাকা!

প্রকাশ: ০৮:৫৪ এএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail একটি ডিমের দাম ১৪ টাকা!

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ডিমের উপরও। নিম্নআয়ের মানুষের প্রোটিনের চাহিদা মেটায় ডিম। কিন্তু ডিমের লাগামহীন বাজারদরে নিম্নবিত্তের নাভিশ্বাস। তুলনামূলক সস্তার ডিম এখন বাড়তি পয়সা গুনে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ভোক্তারা। রাজধানীর অলিগলির খুচরা বাজারগুলোতে এক হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫৪-৫৬ টাকায়। ফলে চড়া দামের বর্তমান বাজারে ভোক্তাকে একটি ডিম কিনতেই খরচ করতে হচ্ছে সাড়ে ১৩ থেকে ১৪ টাকা। ডিমের লাগামহীন দামে ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ে দুশ্চিন্তায় সীমিত আয়ের মানুষের।

সরেজমিনে গতকাল সোমবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারগুলোতেও ডজনপ্রতি বেড়েছে ডিমের দাম। এক ডজন লাল ডিমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ১৫০ টাকায়। সাদা ডিমের ডজন ১৫০ টাকা, দেশি ২১০ টাকা ও হাঁসের ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে।

ওইদিন রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসিন্দা সাবরিনা সুলতানা বাজারে ডিম কিনতে এসে অনেকটাই চমকে যান! ডিমের ডজন ১৫০ টাকা শুনে তিনি অবাক। এই ক্রেতা বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ডিমের দাম এতোটা বাড়ার তো কথা নয়। আজকের বাজারে অনেকে পর্যাপ্ত মাছ-মাংস কিনতে পারেন না। নিম্নবিত্তের সাধ্যের মধ্যে থাকা ডিমের দামও এখন আকাশছোঁয়া। এটা ভাবা যায়! মানুষ যাবে কোথায়!

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ডিমের উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত খামারিরা জানান, উপাদানের দাম বাড়ার কারণে মুরগীর খাবারের দাম বেড়েছে। ভালো কোম্পানির এক বস্তা মুরগির খাবারের দাম এখন ৩ হাজার টাকার ওপরে, যা এক বছর আগেও দুই হাজার টাকার কম ছিল। ভুট্টা, সয়াবিন মিল, রাইস পলিশসহ যা যা দরকার সবকিছুর দামই বেড়েছে।

পোল্ট্রি ব্যবসায়ীরা জানান, ফিড তৈরিতে ৫০-৫৫% ভুট্টা এবং ৩০-৩৫% সয়াবিন মিলের দরকার হয়। গত বছরের মার্চে প্রতি কেজি সয়াবিন মিলের দাম ছিল ৪৯ টাকা থাকলেও তা এখন ৬৫-৬৬ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

ফিডের দাম বাড়ার প্রভাব ডিমের দামের ওপর পড়ায় দিনশেষে ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। এক বছর আগের তুলনায় হালিতে ডিমের দাম ১৫ টাকা বেড়েছে। যারা একটু বেশি করে ডিম কিনেন, তাদের অবশ্য প্রতি ডজন ডিম কিনতে হচ্ছে অন্তত ১৩০ টাকায়, যা দুই মাস আগেও ১০০-১১০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেতো।

বাড্ডা এলাকার এক দোকানি বলেন, প্রতিদিনই ডিমের দাম বাড়ছে। যারা ডিম সরবরাহ করছেন তারা নতুন নতুন রেট দিচ্ছেন বলেই আমাদেরকে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এখন ৪৫ টাকা হালি হিসেবে ডিম বিক্রি করছি। দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষও কম কিনতে শুরু করেছে।

ডিম   দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

আগামীকাল পুঁজিবাজার লেনদেন বন্ধ

প্রকাশ: ০১:৫০ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail আগামীকাল পুঁজিবাজার লেনদেন বন্ধ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আগামীকাল (১৫ আগস্ট) দেশের পুঁজিবাজারের লেনদেন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। মঙ্গলবার যথাসময়ে পুঁজিবাজারের লেনদেন ও অফিশিয়াল কার্যক্রম শুরু হবে।

রোববার (১৪ আগস্ট) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছিল সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী উচ্ছৃঙ্খল সদস্য। ওই রাতে ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। শোকের এই দিনটি পালনে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এরই ধারাবাহিকতায় পুঁজিবাজার,ব্যাংক ও বিমা অফিসের লেনদেনও বন্ধ থাকবে।

পুঁজিবাজার   লেনদেন বন্ধ   আগামীকাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থানে সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংস

প্রকাশ: ০৮:৩২ এএম, ১১ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থানে সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংস

শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। জুলাই মাসের লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে তারা এই তালিকা করেছে। এই তালিকায় নতুন হাউজগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে সাকিব আল হাসানের মোনার্ক হোল্ডিংস লিমিটেড।

বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের প্রতিষ্ঠানটি ২৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা লেনদেন করেছে। এক মাসের ব্যবধানে হাউজটিতে শেয়ার কেনা-বেচায় ব্যাপক উত্থান হয়েছে।
এই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হয় ১২ হাজার ২৮৪ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। জুলাইয়ে ডিএসইর মোট লেনদেনের ২ দশমিক ১০ শতাংশই মোনার্ক হোল্ডিংসে হয়।

সূত্র মতে, শেয়ারবাজারে শেয়ার কেনা-বেচার করা জন্য সাকিবের মোনার্ক হোল্ডিংসের সঙ্গে আরও নতুন ৩০টি ব্রোকারেজ হাউজ বা ট্রেকের (ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট) অনুমোদন দিয়েছিল পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অনুমোদন পাওয়া এসব সিকিউরিটিজ হাউজগুলোকে পেছনে ফেলে দ্রুতই শীর্ষ স্থানে উঠে এলো মোনার্ক হোল্ডিংস।

জুলাইয়ে সাকিবের মালিকানধীন ব্রোকারেজ হাউজটির মাধ্যমে ১২৪ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার ক্রয় করা হয়। একই মাসে শেয়ার বিক্রি হয় ১৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকার। প্রতিষ্ঠানটিতে লেনদেন শুরু হওয়ার পরে গত মাস জুলাইয়ে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। ফলে নতুন ট্রেক হোল্ডারদের মধ্যে শীর্ষ স্থান দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর সকল ব্রোকারেজ হাউজের মধ্যে মোনার্ক হোল্ডিংস ২২তম অবস্থানে রয়েছে।


সাকিব   মোনার্ক হোল্ডিংস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

খোলাবাজারে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে ডলার

প্রকাশ: ০৫:১৩ পিএম, ১০ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail খোলাবাজারে সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে ডলার

দেশে খোলাবাজারে ডলারের দাম সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। চাহিদার বিপরীতে বাজারে ডলার না থাকায় দাম বাড়ছে। বর্তমানে খোরাবাজারে ১১৮ থেকে ১১৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ডলার। যা সোমবার ছিল ১১৫ টাকা। খোলাবাজারে সাধারণ গ্রাহক ডলার বিক্রি করলে পাচ্ছেন ১১৫ টাকা থেকে ১১৬ টাকা। কিনতে গেলে গুনতে হচ্ছে ১১৯ টাকা।

বুধবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলের মানি এক্সচেঞ্জে সরেজমিনে দেখা গেছে, মানি এক্সচেঞ্জগুলোয় নগদ ডলার নেই বললেই চলে। যার কারণে বেশিরভাগ মানি এক্সচেঞ্জই ডলার বিক্রি করার চেয়ে ডলার কিনতে বেশি আগ্রহী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেশির ভাগ মানি এক্সচেঞ্জেই এখন নগদ ডলার সংকট। বিক্রির চেয়ে কিনছে বেশি। মানি এক্সচেঞ্জগুলো ১১৫/১১৬ টাকায় ডলার কিনলেও বিক্রি করছে ১১৮ থেকে ১১৯ টাকায়। তবে বিক্রি করার লোক নেই। আবার এতদিন যারা রাস্তায় ডলার কেনাবেচা করতেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের ভয়ে তারাও সরাসরি কেনাবেচা করছেন। শুধু খোলাবাজারে নয়, বা‌ণি‌জ্যিক ব্যাংকগু‌লো‌তেও ১০৮ থে‌কে ১১০ টাকার ওপরে নগদ ডলার বি‌ক্রি হচ্ছে।

মতিঝিলের খুচরা ডলার এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে থেকে নগদ ডলার কেনাবেচা করি। যারা বিদেশ যান তাদের খুচরা কিছু ডলার লাগে। ব্যাংকে গেলে বিভিন্ন ঝামেলা হয়। আমাদের কাছ থেকে সহজে ডলার কিনতে পারেন। তবে খোলাবাজারে ডলারের চা‌হিদা বে‌শি, সরবরাহ কম। তীব্র সংকট চলছে। ডলার নেই তাই রেটও বলা যাবে না।

এ বিষয়ে নিয়ামুল হাসান নামে একজন ডলার বিক্রেতা সাংবাদিকদের বলেন, এখন বেশিরভাগ মানি এক্সচেঞ্জেই নগদ ডলারের সংকট। তাই ডলার বিক্রির চেয়ে ক্রয় বেশি হচ্ছে। এছাড়া এতদিন অনেকেই রাস্তায় ডলার কেনাবেচা করত। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনার নজরদারি বাড়ায় তারাও সরসরি ডলার কেনাবেচা করছেন না।

মানি এক্সচেঞ্জার কর্মীরা জানান, ডলার নেই। কেউ কিনতে চাইলে প্রতি ডলার ১১৯ টাকায় কিনতে হবে। তাও ১ ঘণ্টা লাগবে। কারণ কারও কাছ থেকে এনে দিতে হবে।

গত ৩ মাসে ডলারের দাম বেড়েছে ১৯ বার। এ সময়ে টাকার মান কমেছে সাড়ে ৮ টাকা। এর আগে ২৯ মে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দর নির্ধারণ করে ৮৯ টাকা। কিন্তু এরপরেই ডলারের দর বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর থেকে দু-একদিন পরপরই বাড়ছে ডলারের দাম। সোমবার (৮ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৯৪ টাকা ৯৫ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করে। নিয়মানুযায়ী এটাই এখন ডলারের আনুষ্ঠানিক দর।

খোলাবাজার   ডলার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ট্রেড

পুঁজিবাজারের সকল লেনদেন বন্ধ মঙ্গলবার

প্রকাশ: ১২:৩৭ পিএম, ০৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail পুঁজিবাজারের সকল লেনদেন বন্ধ মঙ্গলবার

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আগামীকাল (৯ আগস্ট) দেশের পুঁজিবাজারের লেনদেন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বুধবার (১০ আগস্ট)  যথারীতি লেনদেন শুরু হবে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। 

এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান মজুমদার জানায়, পবিত্র আশুরা উপলক্ষে মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) পুঁজিবাজার বন্ধ থাকবে। এরপরের দিন লেনদেন পুনরায় শুরু হবে। পুঁজিবাজারের পাশাপাশি আগামীকাল ব্যাংক-বিমাসহ সরকারি-বেসরকারি সব অফিস-আদালত বন্ধ থাকবে।

বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র এসএম শাকিল আখতার জানায়, সরকারি ছুটি অনুসারে মঙ্গলবার আইডিআরএ ও বিমা কোম্পানির অফিসের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

উল্লেখ্য, হিজরি সনের মহররম মাসের ১০ তারিখ আশুরা। এই দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের করতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

পুঁজিবাজার   লেনদেন বন্ধ   মঙ্গলবার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন