ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

পুলিশের নতুন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন

প্রকাশ: ১১:০৪ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail পুলিশের নতুন আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বাংলাদেশ পুলিশের ৩১তম মহাপরিদর্শক (আইজি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। সরকারের একাধিক সূত্র বাংলা ইনসাইডারকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আগামীকাল এই বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে একাধিক সূত্র বাংলা ইনসাইডারকে নিশ্চিত করেছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। সৎ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে বাহিনী ও সরকারের কাছে তার সুনাম রয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশে অসামান্য অবদান ও অনন্য সেবাদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পদকে ভূষিত হয়েছেন। গত বছরের ১৮ অক্টোবর চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে ঢাকা রেঞ্জে ও ডিআইজি হিসেবে ডিআইজি (অপারেশনস), ডিআইজি (প্রশাসন), রেঞ্জ ডিআইজি হিসেবে ময়মনসিংহ ও ঢাকা রেঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এরপর পদোন্নতি পেয়ে তিনি অতিরিক্ত আইজিপির (এইচআরএম) দায়িত্ব পান। র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে যোগদানের আগে তিনি সিআইডি প্রধান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদের চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর। আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের চাকরীর মেয়াদ শেষ হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

দেশে আন্দোলন: লন্ডনে বিশ্বকাপের জুয়ায় মত্ত তারেক

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ২২ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

তারেক জিয়া, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি। একটি মানিলন্ডারিং মামলায় হাইকোর্ট তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এরকম একজন দণ্ডিত ব্যক্তি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যদিও বিএনপির গঠনতন্ত্র ছিলো কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি দলের প্রধান হতে পারবেন না। কিন্তু সেই গঠনতন্ত্র সংশোধন করে তারেক জিয়াকে এখন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যদিও বিএনপির গঠনতন্ত্রে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলে কোনো পদ নেই। পদ থাকুক না থাকুক, তারেক জিয়া এখন বিএনপির সর্বেসর্বা এবং তার নেতৃত্বেই বিএনপি চলছে। গত দুইদিন ধরে বিএনপি ঘটা করে তারেক জিয়ার ৫৮তম জন্মদিন উদযাপন করেছে। জন্মদিনের এই উৎসবের সময় তারেক জিয়াকে কেউ পাননি, তারেক জিয়া এখন ভীষণ ব্যস্ত রয়েছেন।

গত ২০ নভেম্বর থেকে বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপ ফুটবল আমাদের বাংলাদেশে একটা উৎসব-আনন্দ। কিন্তু লন্ডনের মতো দেশগুলোতে বিশ্বকাপ ফুটবলে মানেই জুয়াড়িদের বড় উৎসব। লন্ডনে একজন প্রতিষ্ঠিত, আত্মস্বীকৃত জুয়াড়ি হলেন তারেক জিয়া। তিনি তার আয়-ব্যয় সংক্রান্ত হিসেবে ব্রিটিশ সরকারকে জানিয়েছেন, তাঁর আয়ের প্রধান উৎস হলো জুয়া খেলা। বিশেষ করে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বেটিং করে তিনি যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছেন। তিনি যে দলের পক্ষে বাজি ধরেন সেই দল জিতে, এমন কথা এখন লন্ডনে প্রচলিত রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে দুইদিন তিনি ওয়েস্ট ফিল্ডের ক্যাসিনোতে সময় কাটান এবং সেই সময় তিনি লাগোয়া একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করেন। রাতভর ক্যাসিনোতে জুয়া খেলে তিনি কি টাকা উপার্জন করেন, সেটি অবশ্য অনেকে জানেনা। তবে বাংলাদেশ থেকে যে তার বিপুল পরিমাণ বিত্ত-বৈভব লন্ডনে পাঠানো হয়, সেই বিপুল  বিত্ত-বৈভবকে বৈধ করার ক্ষেত্রে জুয়া একটি কার্যকর উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

সম্প্রতি তিনি বিএনপির সব নেতাদের জানিয়েছেন আগামী এক মাস অর্থাৎ ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত খুব জরুরী কিছু না হলে তাকে ফোনে বিরক্ত না করার জন্য। যখন প্রয়োজন হবে তখন তিনি ফোন করবেন। আগে তিনি তৃণমূলের ভিডিও কনফারেন্স করতেন সকাল-সন্ধ্যা কিন্তু এর সেটিও ২০ নভেম্বর থেকে বন্ধ হয়ে গেছে। এর কারণ হলো জুয়া নিয়ে তারেক জিয়ার ব্যস্ততা। কাতারে বিশ্বকাপ হওয়ার কারণে সকাল থেকে রাত পর্যন্তই তারেককে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। বিকেল চারটায় যে খেলাটি বাংলাদেশের মানুষ দেখছে সেটি যুক্তরাজ্যের মানুষ দেখছে সকাল ১০টায়। কাজেই, ঘুম থেকে উঠেই জুয়া নিয়ে ব্যস্ত হচ্ছেন লন্ডনে পলাতক বিএনপির এই নেতা এবং সন্ধ্যা অবধি জুয়াতেই তাকে সময় কাটাতে হচ্ছে। তাছাড়া পয়সা-কড়ির হিসেব-নিকেশ তো আছেই। তবে লন্ডনে একাধিক ব্যক্তি বলেছেন, জুয়াটা আসলে তারেক জিয়ার একটা আইওয়াশ। কারণ, বাংলাদেশ থেকে যে বিপুল পরিমাণ টাকা লন্ডনে পাচার হয়ে যাচ্ছে সেই পাচারকৃত অর্থগুলোকে বৈধতা দেওয়ার ক্ষেত্রে জুয়াকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন তারেক। কারণ, তার প্রাপ্ত অবৈধ অর্থগুলো যদি জুয়ার আবরণে ঢাকা না হতো তাহলে তাকে সেখানে নানা রকম প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হতো। সেই প্রশ্ন থেকে বাঁচার জন্যই জুয়ার আবরণ দেওয়া হয়েছে। জুয়াটা আসলে অবৈধ অর্থ বৈধ করার একটি হাতিয়ার মাত্র।


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

কারাগারেই গোল্ডেন মনিরের সাম্রাজ্য

প্রকাশ: ০৩:৩১ পিএম, ১৫ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

২০২০ সালের ২১ নভেম্বর রাতভর অভিযান চালিয়ে সকালে গোল্ডেন মনির নামে পরিচিত মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। বিভিন্ন ধরণের জালিয়াতি, চোরাচালান এবং দুর্নীতির বিষয়ে প্রমাণ পাওয়ার পর গোল্ডেন মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে প্রায় ২ বছর ধরেই কারাগারেই আছেন তিনি। আর কারাগারে বসেই গোল্ডেন মনির রাজকীয়ভাবে তাঁর সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। কারান্তরীন অবস্থায়ও চলছে তাঁর দুর্বৃত্তায়ন, অপকর্ম। সেখানে বসেই তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কলকাঠি নাড়ছেন।

নব্বইয়ের দশকে মনির হোসেন গাউছিয়া মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পরে তিনি রাজধানীর মৌচাকের একটি ক্রোকারিজের দোকানে কাজ শুরু করেন। তখন ‘লাগেজ পার্টি’র একজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর মনিরও লাগেজ ব্যবসায় যুক্ত হন। ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে লাগেজে কাপড়, প্রসাধনী পণ্য, ইলেকট্রনিকস, মোবাইল ফোন, ঘড়ি, কম্পিউটার সামগ্রী ইত্যাদি আনা-নেওয়া শুরু করেন। র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, মূলত ঢাকা-সিঙ্গাপুর-ভারত রুটে ছিল তার ব্যবসা। এই লাগেজ ব্যবসা করার সময় স্বর্ণ চোরাকারবারে জড়িয়ে পড়েন। অবৈধভাবে দেশে নিয়ে আসেন বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ। বায়তুল মোকাররম মার্কেটে তিনি একটি স্বর্ণের গহনার দোকানও দেন। চোরাচালানের স্বর্ণ ওই দোকান থেকে বিক্রি হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্বর্ণ চোরাচালান ব্যবসার মধ্যেই ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মনির জমির ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। গোল্ডেন মনিরের উত্থান ঘটে লুৎফুজ্জামান বাবর যখন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয় তখন। তখন গণপূর্ত ও রাজউকের সঙ্গে তার সম্পর্ক গাঢ় হয়। সেই সময় লুৎফুজ্জামান বাবরের মুল ব্যবসা ছিল চোরাচালান। বাবর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর চোরাচালান সিন্ডিকেটের দায়িত্ব মনিরকে দেয়া হয়। এখান থেকেই গোল্ডেন মনির ফুলে-ফেঁপে ওঠেন এবং বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে তিনি বিপুল বিত্তের মালিক হন। গামছা বিক্রেতা থেকে জমির ব্যবসার ‘মাফিয়া’ হয়ে ওঠেন মনির। ২০০৭ সালে চোরাচালানের দায়ে তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একাধিক মামলা হয়। বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন গোল্ডেন মনির, কিন্তু সে চেষ্টা সফল হয়নি। তবে বিএনপিকে অর্থায়ন করা, বিভিন্ন নাশকতা তৎপরতা করা এবং অবৈধ অস্ত্র সরবরাহ করা, মাদক ব্যবসা ইত্যাদি নানা অভিযোগে অভিযুক্ত এই গোল্ডেন মনির।

এরপর আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা সূত্রে জানায়, তাদের কাছে খবর ছিল যে, বিভিন্ন নাশকতার ঘটনায় গোল্ডেন মনিরের হাত রয়েছে। আর সেই প্রেক্ষিতেই ২০২০ সালের ২১ নভেম্বরের অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‍্যাবের অভিযানে গোল্ডেন মনির হিসেবে পরিচিত কথিত স্বর্ণ ব্যবসায়ী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা নগদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা, চার লিটার মদ, ৮ কেজি স্বর্ণ, একটি বিদেশি পিস্তল এবং কয়েক রাউন্ড গুলি। আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা সূত্রে জানা যায়, কার্যত সোনা চোরাচালানই ছিল মনিরের ব্যবসা। পরে তিনি জড়িত হন জমির ব্যবসায়। হুন্ডি ব্যবসা, স্বর্ণ চোরাচালান, ভূমিদস্যুতার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। মনির ঢাকা ও আশপাশে গত ২ শতাধিক প্লটের মালিক হন। বাড্ডা, নিকেতন, কেরানীগঞ্জ, উত্তরা, নিকুঞ্জ এলাকায় অবৈধভাবে নেওয়া ২ শতাধিক প্লট-ফ্ল্যাট তার আছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনির ৩৫টি প্লটের কথা স্বীকার করেছে। জমির ব্যবসায় নেমে রাজউকের বর্ধিত ভবনে একটি অফিস খুলে বসে সে, সেখান থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ শুরু করে। রাজউকের বিভিন্ন ধরনের তদবির, জমির কাগজ তৈরি, নকল ফাইল তৈরি করাসহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে থাকে। রাজউকের বহু প্লট তার দখলে। রাজউকের ৭০টি ফ্ল্যাটের নথি নিয়ে গিয়ে আইনবহির্ভূতভাবে হেফাজতে রাখায় ২০১৯ সালে মনিরের বিরুদ্ধে রাজউক কর্তৃপক্ষ মামলা করে। এ ছাড়া দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জন করায় তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলাও চলমান।

বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের মালিকানার সঙ্গে জড়িত এই গোল্ডেন মনির। তার মধ্যে রয়েছে- মনির বিল্ডার্স, গার্লস অটোকারস লিমিটেড, উত্তরার গ্র্যান্ড জমজম টাওয়ার। এসব প্রতিষ্ঠানের অন্যতম পরিচালক এই গোল্ডেন মনির। জমজম টাওয়ারে মনিরের মালিকানার মূল্যমান প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। বারিধারায় গোল্ডেন গিয়ার নামে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে তার। বাড্ডার ১১ নম্বর সড়কে সাড়ে তিন কোটি টাকা মূল্যের দুটি এবং দুই কোটি টাকা দামের প্লট রয়েছে। এমনকি বাড্ডায় ১০ নম্বর সড়কে একটি ছয়তলা শপিং সেন্টারও আছে। উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে মনিরসহ চারজনের অংশীদারিত্বে প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের পাঁচ বিঘা জমি রয়েছে। এর বাইরে কেরানীগঞ্জে প্রচুর জমিজমা ও প্লট আছে।

সম্প্রতি স্বদেশ প্রোপার্টিজের শেয়ার মালিকদের তালিকায় দেখা যায় মনির হোসেনের নাম। সেখানে দেখা যায় তাঁর নামে রয়েছে ৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকার শেয়ার। ফলে প্রশ্ন ওঠেছে, কারাগারে বসেই কি মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির এই স্বদেশ প্রোপার্টিজের মালিকানা কিনলেন নাকি কারাগারের বাইরে থেকে এই লেনদেন করলেন? এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে এখন চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

এখনও নাটের গুরু কাইয়ুম: তারেকের ‘ডানহাত’

প্রকাশ: ০৫:৩০ পিএম, ১৪ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ইতালি নাগরিক তাবেলা সিজারকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডে নাম আসে ‘বড় ভাই’ হিসেবে পরিচিত কাইয়ুমের। পরে তদন্তে কাইয়ুমের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। আলোচিত ইতালি নাগরিক তাবেলা সিজার হত্যাকাণ্ড মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রধান আসামী তিনি। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়ায় বসেই তাবেলা সিজার এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন এম এ কাইয়ুম। তার দেওয়া নির্দেশমতো এম এ কাইয়ুমের ছোট ভাই এম এ মতিন পুরো কিলিং মিশনের সমন্বয় করেন। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে ইতালির নাগরিক তাবেলা সিজারকে হত্যা করে। এম এ মতিনকে অর্থের যোগানদাতা এবং এম এ কাইয়ুম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ব্যক্তি। পুলিশের খাতায় ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বিএনপির এই নেতা এম এ কাইয়ুম। শুধু তাবেলা হত্যা নয়, জাপানি নাগরিক হত্যায়ও অর্থের জোগান দেন কাইয়ুম। এছাড়াও যাত্রাবাড়ীতে আলোচিত গাড়ি পোড়ানোর মামলাসহ আরও অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে তার নামে। এরপর কাইয়ুম দেশ থেকে পালিয়ে পরিবারসহ মালয়েশিয়ায় যান। সেখান তিনি লন্ডনে যান। সর্বশেষ কাইয়ুম লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং বর্তমানে তারেক জিয়ার ‘ডানহাত’ হিসেবে কাজ করছেন। তবে লন্ডন থেকে নিয়মত মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দুবাই যাতায়ত করেন কাইয়ুম।

আশির দশকে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন এম এ কাইয়ুম। এরপর বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। পর্যায়ক্রমে বাড্ডা ওয়ার্ড ও গুলশান থানা হয়ে অবিভক্ত ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর গুলশান, বাড্ডা এলাকায় জমি দখলসহ নানা অভিযোগ ওঠে কাইয়ুমের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলাও হয়েছে। ২০০৪ সালে কমিশনার হওয়ার পর দুই ডজনের বেশি মামলার আসামি এই নেতা বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে রাতারাতি আলোচনায় উঠে আসেন। বাড়তে থাকে তাঁর প্রভাব প্রতিপত্তি। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ১০ বছর অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কমিশনার ছিলেন। ওই সময় তিনি নিয়মিত হাওয়া ভবনে যেতেন এবং হাওয়া ভবনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের একটি অংশ ছিলেন তিনি। এরপর ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তাবেলা সিজার হত্যা মামলায় পালিয়ে বিদেশে যান এবং সেখান থেকেই দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বেও রয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে গুলশান-বাড্ডা আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন কাইয়ুম। একাদশ সংসদ নির্বাচনে কাইয়ুমের আসনে মনোনয়ন দেয়া হয় তার স্ত্রী শামীম আরাকে। ‘নাভিদ উল ওয়ারস’ নামে একটি গার্মেন্টসের চেয়ারম্যান তাঁর স্ত্রী।


বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়ই মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম বানিয়েছিলেন কাইয়ুম। আবাসন ব্যবসা ছাড়াও মালয়েশিয়ায় তার অঢেল অর্থকড়ি আছে। এম এ কাইয়ুম স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে হাত মিলিয়ে গড়ে তোলেন আবাসন প্রতিষ্ঠান স্বদেশ প্রোপার্টিজ। এই স্বদেশ প্রোপার্টিজের বেনামি ৪০ ভাগ শেয়ারের মালিক ছিলেন এম এ কাইয়ুম। স্বদেশ প্রোপার্টিজের শেয়ার মালিকানায় দেখা যায়, হত্যা মামলার আসামী বিদেশে পলাতক এম এ কাইয়ুম কারাগারে থাকা ‘গোল্ডেন মনির’ নামে পরিচিত মনির হোসেনের কাছে বেনামি এই শেয়ার বিক্রি করেছেন। আর এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন ওঠেছে, কিভাবে তিনি এই কাজ করেছেন? কারণ, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কটকে ত্বরান্বিত করার একটি নীলনকশা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জানা যায়, তারেক জিয়ার ‘ডানহাত’ এম এ কাইয়ুম বাংলাদেশের বিভিন্ন কোম্পানিতে ফোন করছেন এবং হুমকি-ধামকির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে পাচার করে তারেক জিয়ার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। বর্তমানে বিএনপি যে মহাসমাবেশ করছেন সেই সমাবেশে অর্থ যোগানোর নেপথ্যে নাটের গুরু হিসেবে কাজ করছেন হত্যা মামলার আসামী বিদেশে পলাতক এম এ কাইয়ুম।

বিএনপি   এম এ কাইয়ুম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

দুর্জয়ের বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ: মামলা করবে দুদক

প্রকাশ: ০৩:০০ পিএম, ০৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

মানিকগঞ্জ-১ আসনের এমপি এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয়ের বিরুদ্ধে নিয়োগ দেওয়ার নাম করে ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন প্রাথমিক অনুসন্ধানে ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য-প্রমাণাদি পেয়েছে। এখন দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা এবং অধিকতর অনুসন্ধানের জন্য কমিশনের কাছে এটি উপস্থাপন করবে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে কমিশনের বৈঠকে দুর্জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগটি কমিশনের আলোচ্যসূচিতে থাকতে পারে বলে দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে, মানিকগঞ্জের মো. জামাল উদ্দিন, সুরাইয়া খানম, আক্তারা বেগম, এনামুল করিমসহ ১৪৪ জন যৌথভাবে একটি অভিযোগ উপস্থাপন করেন দুর্নীতি দমন কমিশনে এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অভিযোগটি দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন পরিচালক বিষয়টি অতীব জরুরী এবং এ বিষয়ে অনুসন্ধান করা প্রয়োজন মন্তব্য করে দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠায়।

গত জানুয়ারি মাসে এই লিখিত অভিযোগ দেন জামাল উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্টরা। এই অভিযোগে বলা হয়েছিল যে, বিভিন্ন প্রকার চাকরি দেওয়ার নাম করে মানিকগঞ্জ-১ আসনের এমপি নাইমুর রহমান দুর্জয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে প্রায় ৫৭০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। যে সমস্ত চাকরির জন্য নাইমুর রহমান দুর্জয় টাকা নিয়েছেন বলে ওই সমস্ত লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে- পুলিশের এসআই নিয়োগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন নিয়োগ। এসমস্ত নিয়োগে চাকরি দেওয়ার নাম করে নাইমুর রহমান দুর্জয় এবং তার ঘনিষ্ঠরা সর্বনিম্ন পাঁচ লাখ টাকা থেকে পনের লাখ টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করেছে। পরবর্তীতে তাদের চাকরি দেওয়া হয়নি। তাঁরা যখন টাকা ফেরতের জন্য গিয়েছেন তখন নাইমুর রহমান দুর্জয় এবং তার ঘনিষ্ঠরা এই সমস্ত লোকজনকে অপমান করেছে, কোথাও কোথাও তাদেরকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে, অনেকের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জে বিভিন্ন থানায় হয়রানিমূলক মামলাও দায়ের করা হয়েছে বলে তারা লিখিত চিঠিতে অভিযোগ করেছেন।

একই চিঠির অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশনেও দেওয়া হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন তাঁর আইন অনুযায়ী এই বিষয়টি অনুসন্ধান করে। অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনে ১৪১ জন চাকরিপ্রত্যাশী প্রতারিত ব্যক্তি সাক্ষ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই ১৪১ জনের মধ্যে ৭৯ জন প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য-প্রমাণ দিতে পেরেছেন যাতে টাকা লেনদেনের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। আর এই সমস্ত অভিযোগ গুলোই শুধু আমলে নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন এই সমস্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এবং সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোকে যাচাই-বাছাই করে এবং একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। এই প্রতিবেদনটিতে সুপারিশ করা হয়েছে যে, এই বিষয়ে আরও অধিকতর অনুসন্ধান প্রয়োজন এবং সুনির্দিষ্ট মামলা করা প্রয়োজন। দমন কমিশনের আইন অনুযায়ী এ ধরনের অভিযোগের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অনুসন্ধান করতে গেলে কমিশনের অনুমোদন লাগে। দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে জানা গেছে। দুদক সূত্রে জানা গেছে যে, ৭৯ জনের যে অভিযোগ তাতে টাকার অংক প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। বাকিরা সাক্ষ্য দেননি বা উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি বলে সেটি আমলে নেওয়া হয়নি। তবে মামলার চূড়ান্ত তদন্তে যদিও এ ব্যাপারে আরও যাচাই-বাছাই করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ-১ আসনের এমপি নাইমুর রহমান দুর্জয় সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।


মন্তব্য করুন


ইনসাইডার এক্সক্লুসিভ

বৈধপথে রেমিটেন্স না পাঠাতে বিদেশে বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০২ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail বৈধপথে রেমিটেন্স না পাঠাতে বিদেশে বিএনপি-জামায়াতের প্রচারণা

অক্টোবরে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। গত ৮ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে প্রবাসী আয়ে। যেখানে প্রতি মাসে বাংলাদেশে ২ বিলিয়ন ডলার করে গড়ে রেমিট্যান্স আসছিল সেখানে গত সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলারে নেমে ছিল। অর্থাৎ এক দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। সদ্য বিদায়ী অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্স আয় আরও কমে ১৫২কোটি ৫৪ লাখ ডলারে এসে ঠেকেছে। সামনের দিনগুলোতে রেমিট্যান্স আরও কমবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। বাংলা ইনসাইডারের অনুসন্ধানে বিদেশে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বৈধপথে রেমিট্যান্স না পাঠানোর ব্যাপারে বিএনপি জামায়াতের পরিকল্পিত প্রচারণার খবর পাওয়া গেছে। সৌদি আরবে, কাতারে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিএনপি আয়োজন করে প্রবাসী ভাই-বোনদের কাছে সভা করছে এবং সেই সভায় বৈধপথে রেমিট্যান্স না পাঠানোর জন্যে বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেছে এবং তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করছে। পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াত সেখানে সংগঠিত হয়ে অবৈধ পথে বা হুন্ডির মাধ্যমে লাভজনকভাবে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য চেইন তৈরি করেছে এবং সেই চেইন অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন অবৈধ পথে রেমিট্যান্স দেশে আসছে। আর এ সমস্ত ঘটনাগুলোতে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলো এক ধরনের নির্লিপ্ত এবং নীরবতা পালন করছে। 

সৌদি আরবের রিয়াদ, মক্কা এবং মদিনায় বিএনপি-জামায়াত গত সাত দিনে তিনটি সভার আয়োজন করেছে। সেই সভাগুলোতে প্রবাসীদেরকে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং প্রবাসীদের কাছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকটের সম্পর্কে নানা রকম মিথ্যা-অসত্য তথ্য পরিবেশন করা হয় এবং এই পরিস্থিতিতে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাঠালে টাকা না পাওয়ার সম্ভাবনা, কম টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে ঘোষণা করা হয়। বিএনপির উদ্যোগে কিছু হুন্ডি চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে  যেখানে প্রবাসী শ্রমিকদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। তারা যদি বিএনপির এই অবৈধ পন্থায় রেমিট্যান্স পাঠায় তাহলে ১১১ টাকা পর্যন্ত তাদেরকে দেয়া হবে বলেও ঘোষণা করা হচ্ছে। অনেক প্রবাসী বুঝে না বুঝে এই ফাঁদে পা দিচ্ছে এবং তারা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে অনুৎসাহিত হচ্ছে। 

একইভাবে তারা মনে করছে যে, সরকারের কাছে টাকা নেই এবং বৈধ পথে টাকা পাঠালে তার পরিবার-পরিজনরা টাকা পাবে না। শুধু সৌদি আরব নয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতেও বিএনপির অপরিকল্পিতভাবে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো বিরোধী প্রচারণা করছে এবং সেখানেও তারা পৃথক নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে যেন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স না আসে। রেমিট্যান্সগুলো যেন অবৈধভাবে আসে এবং সেখানেও বিএনপি নেতৃবৃন্দ কিছু হুন্ডি চ্যানেল তৈরি করেছে। কাতারেও বিএনপি এবং জামায়াতের উদ্যোগে একই রকম উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। ফলে বিএনপি-জামায়াতের পরিকল্পিত প্রচারণা এবং বিভিন্ন দেশে হুন্ডি চ্যানেল উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি সংকট সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে এখনই সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে অর্থনীতিবিদ এবং বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। 


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন