ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

ইন্দিরা-প্রিয়াঙ্কার যত মিল-অমিল

বিশ্বজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০১৯ শনিবার, ০২:১৮ পিএম
ইন্দিরা-প্রিয়াঙ্কার যত মিল-অমিল

বর্তমানে ভারতের রাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি নিঃসন্দেহে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। নেহরু-গান্ধী পরিবারের এই সদস্যের চেহারা, শাড়ি পরার স্টাইল, হাসি, চুলের ছাঁট, হাত নাড়ানোর ভঙ্গী সবকিছুর মধ্যেই দাদি ইন্দিরা গান্ধীকে খুঁজে পাচ্ছেন আম-জনতা। কিন্তু চেহারা কিংবা স্টাইলই কি সবকিছু? এই দুই প্রিয়দর্শিনীর মধ্যে আসলে মিল কতটুকু? অমিলই বা কোথায়? 

ব্যক্তিত্ব

ইন্দিরা-প্রিয়াঙ্কার মধ্যে সবচেয়ে বড় মিল বোধয় তাদের ব্যক্তিত্বে। ইন্দিরা ছিলেন স্বল্পভাষী। তবে যতটুকু বলতেন সেটাই জনগণের মনে গেঁথে যেত। প্রিয়াঙ্কার মধ্যেও এই বিষয়টিই খুঁজে পাচ্ছে আমজনতা।

শিক্ষাজীবন

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর কন্যা ইন্দিরার ছাত্রজীবন কেটেছে স্যুইজারল্যান্ড আর যুক্তরাজ্যের নামকরা সব স্কুল-কলেজে। বিশ্বের বহু বিশ্ববিদ্যালয়ই তাঁকে সাম্মানিক ডক্টরেট ডিগ্রিতে সম্মানিতও করেছে। এদিক থেকে তার নাতনি প্রিয়াঙ্কা যেন অনেকটাই পিছিয়ে। প্রিয়াঙ্কার শিক্ষাজীবনের শুরু হয়েছে দিল্লির মডার্ন স্কুলে। আর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিএসএস অ্যান্ড মেরি কলেজ থেকে তিনি মনোবিজ্ঞানে স্নাতক হন।

দাদি ইন্দিরার আগ্রহের বিষয় ছিল অর্থনীতি আর রাষ্ট্রবিজ্ঞান। সেখানে নাতনি প্রিয়াঙ্কার পছন্দের বিষয় বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষা। ২০১০ সালে এই বিষয়ে মাস্টার্স করেন তিনি।

রাজনীতি

রাজনীতির ক্ষেত্রে দাদি-নাতনির মধ্যে যেন আকাশ-পাতাল পার্থক্য। বলতে গেলে ছেলেবেলা থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ইন্দিরা। বয়স ১০ পেরোনোর আগেই তিনি ‘বাল চড়কা সঙ্ঘ’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরে ১৯৩০ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনের সময় কংগ্রেসকে সাহায্য করতে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে গড়ে তোলেন ‘বানর সেনা’। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩! আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন মাত্র ২১ বছর বয়সে। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা সক্রিয় রাজনীতিতে এলেন ৪৭ বছর বয়সে। যদিও তাকে গত দুই দশক ধরে দলের বিভিন্ন প্রচার প্রচারণায় দেখা গেছে। মা সোনিয়া গান্ধীর কাছ থেকে পেয়েছেন রাজনৈতিক দীক্ষা।

কারাবরণ

রাজনীতিতে ইন্দিরাকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। ১৯৪২ সালের সেপ্টেম্বরে কারাগারেও যেতে হয়েছিল তাকে। এদিক থেকে প্রিয়াঙ্কা ভাগ্যবানই বটে। রাজনীতিতে এসেই তিনি দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ পেয়েছেন। তার স্বামীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত তাদের খুব বড় কোন ঝামেলায় পড়তে হয়নি।

বাংলা ইনসাইডার/এএইচসি