ঢাকা, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ৫ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ বাড়ছে

বিশ্বজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ শুক্রবার, ১২:৫৮ পিএম
ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধ বাড়ছে

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনে হেরে গেলে, শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের নিশ্চয়তা না দিলেও তার দল রিপাবলিকান পার্টির নেতা উল্টো পথে হেঁটেছেন। মার্কিন সিনেটে সংখ্যা গরিষ্ঠ দল রিপাবলিকান পার্টির নেতা মিচ ম্যাককোনেল বলেছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি’র প্রতিবেদনে এমন খবর জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন দলের সিনিয়র নেতা ম্যাককোনেলের এ বক্তব্য এমন সময় প্রকাশিত হল যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার নির্বাচনে হেরে গেলে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করার প্রশ্নে বিতর্কিত মন্তব্য করেন।

নভেম্বরের নির্বাচনে পরাজিত হলে শান্তি পূর্ণ ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন কিনা; এ ব্যাপারে কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে তার ভাষ্য, পরাজিত হলে, আগে দেখতে হবে আসলে কী ঘটেছে। সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ডাক যোগে ভোটের ব্যাপারে আবারও সন্দেহের কথা জানিয়ে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

রিপাবলিকান পার্টির নেতা মিচ ম্যাককোনেল বলেন, আগামী ৩ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে বিজয়ী হয়, সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হচ্ছে জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখ পরবর্তী প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। টুইটারে ম্যাককোনেল আরও বলেন, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী প্রার্থী ২০ জানুয়ারি শপথ নেবেন। ১৭৯২ সাল থেকে যে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর হচ্ছে এবারও সেভাবেই হবে।

রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের মধ্যে ট্রাম্প ঘনিষ্ট সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামও একইভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফক্স নিউজকে গ্রাহাম বলেন, ‘আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি ক্ষমতা হস্তান্তর শান্তিপূর্ণ হবে’। তবে তিনিও বলেছেন, সিদ্ধান্ত হয়ত সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে। গ্রাহাম বলেন, রিপাবলিকানরা হেরে গেলে আমরা ফল মেনে নেব। যদি সুপ্রিম কোর্ট জো বাইডেনের পক্ষে রায় দেন, আমি তা মেনে নেব।

সিনেটর মিট রমনি বুধবার ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান মেনে চলবেন না এমনটি মনে করা অচিন্তনীয় ও অগ্রহণযোগ্য।

সর্বশেষ জনমত জরিপে দেখা গেছে, জাতীয়ভাবে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন এখনো বেশ সুবিধাজনক অবস্থায় এগিয়ে আছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতেও দুই প্রার্থীর অবস্থান খুব কাছাকাছি। এর ফলে এবারের নির্বাচনের ফলাফল খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে এবং ডাকযোগে ভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।