ঢাকা, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়ায় দ্বিতীয় রানার আপ কিশোয়ার চৌধুরী

নিজস্ব ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২১ মঙ্গলবার, ০৭:৫০ পিএম
মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়ায় দ্বিতীয় রানার আপ কিশোয়ার চৌধুরী

মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ায় তৃতীয় স্থান (দ্বিতীয় রানার আপ) অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রতিযোগী কিশোয়ার চৌধুরী। এবারের আসরের মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার চ্যাম্পিয়নের খেতাব জিতেছেন জাস্টিন নারায়ণ। প্রথম রানার-আপ হয়েছেন পিট ক্যাম্পবেল।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়।

মাস্টার শেফের খেতাব জেতা বিজয়ী বাড়ি ফিরছেন প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ টাকা পুরস্কার এবং মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার ২০২১ সালের খেতাব নিয়ে। তৃতীয় হয়ে কিশোয়ার পেয়েছেন প্রায় ১৩ লাখ টাকা। আর দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী পিট ক্যামবেল জিতেছেন প্রায় ২০ লাখ টাকা।

দুদিনের গ্র্যান্ড ফিনালের প্রথম দিনে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন কিশোয়ার। অন্যদিকে ৫৩ পয়েন্টে শীর্ষে ছিলেন পিট আর ৫০ পয়েন্টে তৃতীয় ছিলেন জাস্টিন। দ্বিতীয় দিন শেষে ১১৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে সন্তুষ্ট থাকতে হয় কিশোয়ারকে। অন্যদিকে পিটও শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেননি। তিনি ১২৪ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। তাঁর চয়ে মাত্র এক পয়েন্ট বেশি পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হন জাস্টিন।

আজ মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড ফিনালেতে ‘চাপের মুখে রান্না’ চ্যালেঞ্জ রাখা হয়।

আর এ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন বিশেষ অতিথি ও সিডনির অন্যতম সেরা রাঁধুনি পিটার গিলমোর। মাস্টারশেফের বহু জটিল রান্নার চ্যালেঞ্জ তাঁরই করা। আজ তিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন। আর তিন প্রতিযোগীর জন্য তিনি রাখেন একই রান্নার পরীক্ষা। তাঁদের রাঁধতে দেওয়া হয় দুটি ভাগে। প্রথম ভাগে রাঁধতে হয়েছে স্কুইড। এই স্কুইডকে ছিলে এর ওপর মাশরুমের কাস্টার্ড, মাখন আর চিনাবাদাম দিতে হয়। দ্বিতীয় ভাগে ছিল ডেজার্ট। নাম গোল্ডেন ক্র্যাকার বা স্বর্ণের বল। এর ভেতর থাকবে বিভিন্ন মিষ্টির দানা। এই খাবারটি সিডনির বিখ্যাত অপেরা হাউস রেস্টুরেন্টের জন্য বানানো হয়েছে। প্রায় তিন মাস সময় লেগেছে এ ডেজার্টটির রেসিপি তৈরিতে।

কঠিন এই মিষ্টি তৈরি করতে গিয়ে তিন প্রতিযোগীকেই পড়তে হয়েছে মহাবিপদে। বিশেষ করে যখন স্কুইডের চামড়া ছাড়ানোর সময় আসে তখন প্রায় হাল ছাড়তে বসেছিল তিনজনই। তবে দর্শক সারিতে থাকা প্রতিযোগীদের পরিবার আর অন্যান্যদের উল্লাসে লড়াই চালিয়ে যান তাঁরা। এ রান্না নিয়ে কিশোয়ার বলেন, ‘এটা এভারেস্টে ওঠার মতো কঠিন ছিল।’