ঢাকা, শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ২২ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

‘টিকা স্বল্পতার কারণেই বয়সের বিধিনিষেধ’

জুয়েল খান
প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ রবিবার, ০৩:৫৮ পিএম
‘টিকা স্বল্পতার কারণেই বয়সের বিধিনিষেধ’

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এবি এম আব্দুল্লাহ বলেছেন, টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে বয়স না কমানোর কারণ হলো টিকা স্বল্পতা। এখন যদি ৩০ বছরের কম বয়সীদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয় তাহলে আরও এক কোটি মানুষেকে টিকা দিতে হবে কিন্তু এই মূহুর্তে এতো টিকা নেই। কাজেই যাদের বিশেষ প্রয়োজন তাদের টিকা দেয়া হবে। আর সেই বিবেচনায় টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে বয়সের বিধিনিষেধ করা হচ্ছে।

টিকাদান কার্যক্রম এবং চলমান করোনা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় একথা বলেছেন ডা. এবি এম আব্দুল্লাহ। পাঠকদের জন্য ডা. এবি এম আব্দুল্লাহর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক জুয়েল খান।

ডা. এবি এম আব্দুল্লাহ বলেন, শুরুতে যারা টিকা নিয়েছেন তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না হওয়ার কারণে এই টিকা যে নিরপাদ সেটা প্রমাণিত। আর এ কারণে মানুষের মধ্যে এখন টিকা নেয়ার আগ্রহ বেড়েছে। অন্যদিকে যারা টিকা নিয়ে গুজব ছড়িয়েছিলো তাদের সেই উদ্দেশ্য পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে আমরা অনেক ভাগ্যবান যে অল্প সময়ের মধ্যে এতো ভালো মানের টিকা পেয়েছি শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের কারণে। এখনও অনেক দেশ টিকা পায়নি। কিন্তু আমাদের দেশে ইতিম্যধ্যে ১৬ লাখেও বেশি মানুষের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। সম্প্রতি কানাডার সরকার ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন টিকা নেয়ার জন্য আর আমাদের দেশে ইতিমধ্যে টিকাদান চলছে।

তিনি বলেন, করোনার শুরুতে কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দিলেও সরকার ভালোভাবেই করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। এরপর ভ্যাকসিন আসবে না বলে যে গুঞ্জন চলছিলো তারও অবসান ঘটিয়ে ভারতের টিকা বাংলাদেশে এসেছে। বাংলাদেশের টিকাদানের সক্ষমতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির কারণে টিকাদান ভালোভাবেই আগাচ্ছে। শুরুতে মানুষের মধ্যে আগ্রহ কম থাকলেও এখন সবাই টিকা নিচ্ছেন।

ডা: এবি এম আব্দুল্লাহ বলেন, শুধুমাত্র ভ্যাকসিনের ওপরে নির্ভর হলেই চলবে না। ভ্যাকসিনের বিকল্প হিসেবে আমাদের তিনটি কাজ অবশ্যই করতে হবে। মাস্ক পড়তে হবে, সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে এবং হাত ধোয়াটা চালু রাখতে হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানার দিকে জোর দিতে হবে এবং যতদূর সম্ভব সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো পরিহার করতে হবে।