ঢাকা, রোববার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ৫ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

‘শিক্ষার্থীদের আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে’

জুয়েল খান
প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ বুধবার, ০৪:০০ পিএম
‘শিক্ষার্থীদের আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, কিছুদিনের মধ্যে টিকাদানের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে। এজন্যে সকলকে কিছুদিনের জন্য ধৈর্য ধরতে হবে। 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে চলমান আন্দোলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন ড. আরেফিন সিদ্দিক। পাঠকদের জন্য আরেফিন সিদ্দিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক জুয়েল খান। 

ড. আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং হল খোলার দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হচ্ছে এবং করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীসহ সবাইকে আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে। সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে শিক্ষার্থী এবং দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয় তাদের পরিবারও করোনার ঝুঁকিতে থকাবেন কারণ তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে পরিবারের সঙ্গে মেলামেশা করলে তারাও ঝুঁকিতে পড়বেন। 

আমাদের আশপাশের দেশগুলো নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে কাজেই করোনা নিয়ন্ত্রণে না আসার আগে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয় তাহলে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকবে তখন দেশ নতুন করে সংকটে পড়বে। অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে ভারতে করোনার নতুন একটা ধরন সনাক্ত হয়েছে কাজেই পরিস্থিতি কোনদিকে যায় সেটা বলা কঠিন। সবকিছু মিলে এখন আমরা একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি তাই এই অনিশ্চয়তা কাটিয়ে উঠতে একটু সময় লাগবে। মে মাসের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার যে সিদ্ধান্ত সেটা যুক্তিসংগত। কাজেই এই অনিশ্চয়তার মাঝে আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে এবং সরকারের পরিকল্পনা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনার সমন্বয় করে এগিয়ে যেতে হবে।  

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্থানীয় পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে ঝামেলার জেরে ক্যাম্পস উত্তপ্ত হয়। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় এলাকাবাসীর সংঘর্ষ বাধে। এপর শিক্ষার্থীরা হলের তালা বেঙে ভেতরে প্রবেশ করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় ওঠে। আর সেই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জাহাঙ্গীরনগর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালসহ ঢাবির অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হল খোলার দাবিতে বিক্ষোভ করে যাচ্ছে।