ঢাকা, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ৫ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

‘সংশোধন করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি চালু রাখা দরকার’

জুয়েল খান
প্রকাশিত: ০১ মার্চ ২০২১ সোমবার, ০৩:৫৯ পিএম
‘সংশোধন করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি চালু রাখা দরকার’

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, সংশোধন করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি চালু রাখা দরকার। তবে কোনোভাবেই আইনটি বাদ দেয়ার সুযোগ নেই, কারণ এটি বাদ দিলে ডিজিটাল মাধ্যম লাগামহীন হয়ে যাবে। 

কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। পাঠকদের জন্য ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক জুয়েল খান।

শফিক আহমেদ বলেন, কারা হেফাজতে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে দেখতে হবে কারাগারে কোনো ধরনের গাফিলতির কারণে তিনি মারা গেছেন কি না?। তাছাড়া কারাগারে থাকা ব্যক্তির মৃত্যু হওয়াটা কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। কারও যদি মৃত্যুর সময় হয় তাহলে তার মৃত্যু হবেই তবে কারও অবহেলা বা গাফিলতির কারণে যদি মৃত্যু হয়ে থাকে তাহলে বিষয়টির আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যদি অপব্যবহার হয় তাহলে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুনরায় আইনটি সংশোধন করা যেতে পারে। তবে জনগণের দাবির মুখে আইনটি বাদ দিলে সামাজিক মাধ্যম লাগামছাড়া হয়ে সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করবে। যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের হুমকি হবে। 

তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৯০ হাজারের মতো মানুষ কারাগারে আছে কাজেই যে কেউ শারীরিক সমস্যায় পড়তে পারে এবং এতে মৃত্যু হতে পারে। যাকে আমরা স্বাভাবিক মৃত্যু বলে থাকি। তবে লেখক মুশতাকের মৃত্যু স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক মৃত্যু সেটা কিন্তু এখনও অফিসিয়ালি জানা যায়নি সুতরাং তার মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর কারণ নেই। তিনি ৬ বার জামিন চেয়েও কেন জামিন পেলেন না বা তার অপরাধের পরিধি কেমন ছিলো সেটি নিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। এ ছাড়া এই মামলায় যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কিংবা প্রসিকিউটর তাদের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের গ্রেফতার লেখক মুশতাক ৬ বার জামিন চেয়েও না পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, জামনি না পাওয়ার সঙ্গে মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে কি কারণে তিনি জামিন পেলেন না বা তার জমিনের বিষয়টি প্রসিকিউশন যথাযথভাবে দেখেছিলেন কি না বা কোনো ধরনের গাফিলতি ছিলো কি না সেটাও খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।