ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

‘নাশকতাকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে`

জুয়েল খান
প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল ২০২১ শুক্রবার, ০৪:০০ পিএম
‘নাশকতাকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে`

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, যারা সন্ত্রাসী ও নাশকতা করেছে তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। নাশকতা চালিয়ে দেশকে অস্তিতিশীল করে কেউ পার পায়নি এখনও পাবে না।

দেশব্যাপী হেফাজতের তাণ্ডব, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এবং হেফাজত নেতাদের গ্রেফতারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলপচারিতায় এসব কথা বলেছেন মাহবুব উল আলম হানিফ। পাঠকদের জন্য মাহবুব উল আলম হানিফের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক জুয়েল খান। 

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, অন্যায় করলে কারও ছাড় নেই। সরকার কারও শক্তি বা দলীয় পরিচয় বিবেচনা করে না। অন্যায় করে বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়াকেও জেল খাটতে হয়েছে। সেই বিবেচনায় হেফাজতের নেতারও আইনের আওতায় আসবে। যারা নাশকতা করেছে তারাই শাস্তি পাবেই।

তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে হেফাজত দেশব্যাপী যে নাশকতা ও সন্তাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে তারা সন্ত্রাসী তাদের শাস্তি হবে। এখানে আওয়ামী লীগের কোনো বিষয় নেই। যারা অপরাধ করবে তাদের শাস্তি হবে এটা রাষ্ট্রীয় বিষয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব নাশকতাকারীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। ভবিষ্যতে যাতে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড করতে সাহস না পায় সে জন্য তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। 

মাহবুব উল আলম হানিফ আরও বলেন, নাশকতাকারীদের শাস্তি দেয়ার মাধ্যমে একটা বার্তা দেয়া হবে যে রাষ্ট্রের সম্পত্তি ধ্বংস করে কেউ টিকতে পারবে না। তাকে অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। এক্ষেত্রে কে কোন রাজনৈতি বা ধর্মীয় নেতা সেটা বিবেচনা করা হবে না। যারা মানুষের জনমালের ক্ষতি করবে তারা সন্ত্রাসী, অপরাধী। কাজেই অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে।

তিনি বলেন, সরকার পরিচালনার পাশাপাশি সরকারের একটি বড় দায়িত্ব হচ্ছে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা। আর রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকলে কোনো উন্নয়ন-অগ্রগতী হয় না। সেই কারণেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরকার কৌলশ অবলম্বন করে কখনও শক্ত, কখনও নরম। আর এভাবেই রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করেই দেশের উন্নয়ন অগ্রগতীকে এগিয়ে নিতে হয়। এর সাথে রাজনীতির বা আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই।

ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ধর্মভিত্তিক রজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। যেখানে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির উত্থান সেই পাকিস্তানেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই হিসেবে বাংলাদেশেও ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করা এবং ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করা, ধর্মকে ব্যবসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করার জন্য পদক্ষেপ নেয়া দরকার। আর এটা করা এখন সময়ের দাবি।

বিষয়: হানিফ , হেফাজত