ইনসাইড টক

`টিকা ছাড়া বাঁচার কোনো রাস্তা নেই`

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩:৫৯ পিএম, ২০ জুন, ২০২১


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, মাস্ক পরিধান করতে হবে, হাত ধোয়া চালু রাখতে হবে, শারীরিক দূরুত্ব বজায়ে রাখতে হবে আর চতুর্থ বিষয় হলো টিকার ব্যবস্থা জোড়েশোরে করতে হবে। গণটিকাটা করতে হবে। সবাইকে গণহারে টিকা দিতে না পারলে কিন্তু সমস্যা। টিকা ছাড়া বাঁচার কোনো রাস্তা নেই।

সম্প্রতি সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনার প্রকোপ ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে, সংক্রমণের হার বেড়েছে, স্থানীয় প্রশাসন লকডাউন, গণটিকার ব্যবস্থা ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। পাঠকদের জন্য ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ`র সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের প্রধান বার্তা সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান

ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, সীমান্ত এলাকায় করোনা বাড়ছে। যাতায়াত তো বন্ধ হচ্ছে না। বাস, কারসহ অন্যান্য যানবাহনে মানুষ যাচ্ছে, আসছে। কত লোকজন সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে যাচ্ছে আবার কত লোকজন সেসব জেলাগুলো থেকে অন্য জায়গায় যাচ্ছে। ফলে এভাবেই ছড়াচ্ছে আরকি। যদিও সরকার অনেকগুলো সীমান্ত এলাকায় লাকডাউন দিয়েছে। তারপরও তো মেইনটেইন করতে পারছে না। সবচেয়ে বড় কথা হলো জনগণতো স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। মাস্ক পড়ে না, শারীরিক দূরুত্ব মানার বালাই নেই ইত্যাদি। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে আগে তো হতো না, ভালো ছিল। কিন্তু এখন গ্রামেও ভয়ানক আকারে ছড়াচ্ছে। সেসব এলাকায় অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানে না। অনেকে বিশ্বাসও করে না। করোনা যে আছে এটাও অনেকে স্বীকার করে না। এরকম ঘটনা তো ঘটছে।  

তিনি বলেন, মানুষ মাস্ক পড়ে না, হাত ধোয়ার চর্চা নেই, শারীরিক দূরুত্ব বলতে গেলে নেইই এখন আর। কেউ তো মেইনটেইন করছেন না। মেইনটেইন না করলে এটা তো হবেই। আর এ কারণেই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। যেহেতু এটার থেকে বাঁচার তো আর কোনো রাস্তা নেই, সেহেতু টিকাই প্রতিরোধ। বিশেষ করে সীমান্তে যে হারে বাড়ছে। সেখানে তো হাসপাতাল, সুযোগ সুবিধা এগুলো তো কম। সেসব জায়গায় অক্সিজেন ক্রাইসিস, আইসিইউ কম, বেড কম, ফ্লোরে জায়গা দিয়ে কুলাতে পারছে না, অথচ রোগী বাড়ছে। ফলে এটার থেকে বাঁচার একমাত্র রাস্তা, আমাদের প্রতিকার এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অর্থাৎ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। মাস্ক পরিধান করতে হবে, হাত ধোয়া চালু রাখতে হবে, শারীরিক দূরুত্ব বজায়ে রাখতে হবে আর চতুর্থ বিষয় হলো টিকার ব্যবস্থা জোড়েশোরে করতে হবে। গণটিকাটা করতে হবে। সবাইকে গণহারে টিকা দিতে না পারলে কিন্তু সমস্যা। টিকা ছাড়া বাঁচার কোনো রাস্তা নেই।

তিনি বলেন, এখন যেগুলাে ছড়াচ্ছে সেগুলো ক্ষেত্রে সন্দেহ হচ্ছে যে, এগুলো ডেল্টা ভেরিয়েন্ট। অনেক জায়গায় তো ডেল্টা ভেরিয়েন্টই বেশি পাচ্ছে। এই ভেরিয়েন্ট দ্রুত ছড়ায়। যেকোনো বয়সের মানুষকে আক্রান্ত করে। সেসব রোগীর হঠাৎ করেই সিরিয়াস হয়ে যায়, কিন্তু তার কোনো লক্ষণ নেই। অনেকের শ্বাসকষ্ট, কাশী এবং অক্সিজেন ফল করে এবং এটিই ছড়াচ্ছে বেশি। সেজন্য প্রতিকার এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হলো সব থেকে জরুরী। এছাড়া তো আর কোনো উপায় নেই। 

তিনি বলেন, এখন বর্ষার সময়ে ডেঙ্গু কিছু কিছু জায়গায় শুরু হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় জমা পানিতে ডেঙ্গু মশা ডিম পারে। এই বর্ষার সময় এটি দ্রুত ছড়াবে এটির ভয় তো আছেই। এই করোনার মধ্যে এটি ঝুকিপূর্ণ তো বটেই। ডেঙ্গু আমরা জানি এটি মশার কামড়ে হয়। সুতরাং মশা নিধনের ব্যবস্থা যদি নেওয়া যায় তাহলেই ভালো হয়। করোনা তো অদৃশ্য শক্তি, যেটা বোঝা যায় না। সুতরাং ডেঙ্গুর বিষয়ে জনগণকে সচেতন থাকতে হবে।  নিজের ঘরবাড়ি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ফুলের টবে বা বাথরুমে জমানো পানি না থাকে সেই দিকে নজর দিতে হবে। নিজের ঘরের আশেপাশের আঙ্গিনা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। মশা যাতে কোনোভাবে ডিম পারতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাহলেই এটি থেকে আমরা সকলকে রক্ষা করতে পারবো।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘পূজা উপলক্ষে নিরাপত্তার বিষয়টি গদবাধা, কোনো নতুনত্ব নেই’

প্রকাশ: ০৪:০১ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ‘পূজা উপলক্ষে নিরাপত্তার বিষয়টি গদবাধা, কোনো নতুনত্ব নেই’

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত বলেছেন, বাংলাদেশে এই যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হচ্ছে এটা অনেক আগে থেকে হয়ে আসছে। পঁচাত্তরের পর বিশেষ করে নব্বইয়ের পর থেকে অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের ঘটনাগুলো কমছে না। সহিংসতার ঘটনাগুলো ক্রমশ বাড়ছেই। বরং সহিংসতায় আরও নতুনত্ব এসেছে। প্রধানমন্ত্রী যখন সহিংসতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন এরপরও এ ধরনের ঘটনাগুলো চরম উদ্বেগ তৈরি করেছে। 

দেশজুড়ে চলছে হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। সারাদেশে এ সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এবারের সার্বিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে কথা বলেছেন রানা দাশগুপ্ত। পাঠকদের জন্য রানা দাশগুপ্ত এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথেষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করার কথা বরা হচ্ছে। কিন্তু পাশাপাশি তারা আবার শঙ্কাও প্রকাশ করছেন। সুতরাং পূজার্থীরা শঙ্কামুক্ত এটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। পূজার সময় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা যদি নাও ঘটে কিন্তু পূজার পর যে ঘটবে না কোনো নিশ্চিয়তা নেই। 

তিনি বলেন, প্রশাসন বলছে তারা সব ধরনের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত আছেন। তারা এক দিকে নিরাপত্তা নিশ্চিতের কথা বলছে আবার শঙ্কার কথা উড়িয়েও দিচ্ছেন না। সুতরাং সঙ্গত কারণেই পূজার্থীরা ভয়ের মধ্যে উৎসব পালন করবে। প্রশাসনের স্বইচ্ছার কারণে পূজা চলাকালীন এই পাঁচ দিন যদি কোনো ধরনের অঘটন নাও ঘটে কিন্তু পরবর্তীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা আবার ঘটবে। কারণ সামনে জাতীয় নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশে প্রতিবারই সাম্প্রদায়িক হামলা নতুন মাত্রা পায়। অর্থাৎ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে সাম্প্রদায়িক হামলাগুলোও জোরদার হবে। এ সময় জঙ্গীরা সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

এবারের পূজার নিরাপত্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পূজা উপলক্ষ্যে নিরাপত্তার বিষয়টি গদবাধা, কোনো নতুনত্ব নেই। অতীতের ধারাবাহিতায় এবারের নিরাপত্তাও একই। সমস্যার মূলে হাত না দিলে এ ধরনের নিরাপত্তা টেক সই হবে না। অতীতে সাম্প্রদায়িক হামলাগুলো মামলা করা হলেও সেগুলোর মীমাংসা এখনও হয়নি। বরং মামলার আসামীরা অল্প কিছুদিনের মধ্যেই জামিনে বেরিয়ে আসছেন। অতীতের সাম্প্রদায়িক হামলার গুলোর বিচার আমরা এখনও দেখিনি। আর এর মধ্য দিয়ে দায় মুক্তির একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। ফলে দুর্বৃত্তরা তাদের সাম্প্রদায়িক হামলা পুনরায় চালাতে অনুপ্রাণিত হচ্ছে। 

রানা দাশগুপ্ত বলেন, এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসছে হলে দেশের বিদ্যমান আইন দিয়ে সম্ভব হবে না। নারী শিশুদের ক্ষেত্রে যেমন বিশেষ আইন প্রণীত হয়েছে তেমনিভাবে সাম্প্রদায়িক দুর্বৃত্তদের দমন করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনগুলোকে সামনে রেখে একটি সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণীত হওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। যার প্রতিশ্রুতি গত নিবাচনী ইশতিহারে আওয়ামী লীগ দিয়েছিল। সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা এবং জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন করা এবং বৈষম্য আইন বিলোপ করা দরকার বলে আমি মনে করি। এই আইনগুলো না হওয়া পর্যন্ত চোর পুলিশ খেলা হবে কিনা পুলিশ চোর ধরতে পারবে না। আর চোর চুরি করতে থাকবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে গেলে রাশিয়া ইউক্রেনের ভেতরে আরও ঢুকে পড়বে’

প্রকাশ: ০৪:০১ পিএম, ০১ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail ‘ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে গেলে রাশিয়া ইউক্রেনের ভেতরে আরও ঢুকে পড়বে’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেছেন, ইউক্রেনের চার অঞ্চল রাশিয়ার সঙ্গে অন্তর্ভুক্তির ঘটনায় সেখানে পশ্চিমাদের অবস্থান দুর্বল হলো কিনা সেটা এত তাড়াতাড়ি বলা মুশকিল। তবে দুর্বল হওয়ার কথা নয়। কারণ, অনেক আগে থেকেই রাশিয়া বলে আসছিল যে, ওই চার অঞ্চল তাদেরই হয়। সেটা পশ্চিমাও ভালো করে জানেন। আর এর ফলে সেখানকার পরিস্থিতি বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনও হবে না।

অভিযানরত রুশ বাহিনী ও রুশভাষী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউক্রেনের চার প্রদেশ খেরসন, ঝাপোজ্জিয়া, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে সেখানে পশ্চিমাদের অবস্থান, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের ভবিষ্যতসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ, এখন ইউক্রেন যদি যুদ্ধ চালিয়ে যায় তাহলে রাশিয়া তো ইউক্রেনের ভেতরে আরও সরাসরিভাবে ঢুকে পড়বে। এর মাধ্যমে অবস্থান যেমন আছে তেমনই থাকবে। আর যদি যুদ্ধ চলতে থাকে তাহলে তো ইউরোপের ভোগান্তি আরও বাড়বে। কিন্তু ইউরোপ ভোগান্তি বাড়াবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। কারণ ইউরোপ এখন বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনের যে চারটি অঞ্চল রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ হচ্ছে ইউক্রেন সেটা আগে থেকেই জানতো। সেখানে প্রায় ৮ বছর ধরে যুদ্ধ চলছিল কিন্তু পশ্চিমা মিডিয়া সে খবর প্রচার করেনি। ইউক্রেনের ডানপন্থীরা এই আট বছর ধরে সেখানে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। এখন এই ঘটনার পর ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য দেয়া হবে কিনা সেটাও আগ্রহের বিষয়। পশ্চিমারা যদি এখন বড় ধরনের যুদ্ধ চালিয়ে যায় তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইউরোপই। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ এখন অনেকটা ইউরোপের ওপরই নির্ভর করে। এখন ইউরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া সময় এসেছে তারা কি যুক্তরাষ্ট্রর সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে নাকি তারা বিকল্প কিছু ভাববে সেটা তাদের বিষয়।

অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আমরা জানি যে, ন্যাটোর সদস্য সব সময় আমেরিকাই অংশ হিসেবে ছিল বা বলা যায় সব বিষয়ে আমেরিকাকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। তারা নিজেরা কতখানি স্বাধীনভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে সেটা একটা প্রশ্নের বিষয়। এই প্রশ্ন সব সময় ছিল। এখন এই প্রশ্ন আরও বড় হয়ে দাঁড়ালো। কারণ ইউরোপে একেকটি দেশে যে পরিমাণ মিলিটারি বছরের পর বছর ধরে আছে এবং এর ফলে ইউরোপের দেশগুলো কতটুকু স্বাধীনভাবে পররাষ্ট্র নীতি পরিচালন করতে পেরেছে সেটি বড় প্রশ্ন। অর্থাৎ ইউপি সদস্য দেশগুলো নিজেরাই কতটা স্বাধীন সেটি বড় প্রশ্ন।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়ার চলমান সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে ইউরোপের জনগণ। এখন এটা দেখার বিষয় যে, ইউরোপের জনগণ কি সিদ্ধান্ত দেয়। তারা রাশিয়ার এই পদক্ষেপ মেনে নেবে কিনা নাকি তারাও যুদ্ধমুখী হবে। তবে আমি মনে করি যুদ্ধমুখী হওয়ার সম্ভাবনা কম। যুদ্ধমুখী হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আরও আগেই হতে পারতো। কিন্তু তেমনটা হয়নি। সেখান যুদ্ধমুখী হওয়া মানেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়া। কারণ রাশিয়া বারবার বলে আসছে তাদের ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ হলে তারা এটাকে সহজভাবে নেবে না। এ সমস্ত বিষয় বিবেচনা করলে ইউক্রেনের চার অঞ্চল রাশিয়া সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি একটি সমাধানের বিষয়ও হতে পারে। কারণ যে অঞ্চল নিয়ে এতদিন বিতর্ক ছিল সেই ২০০৮ সাল থেকেই এবং তারা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে চাচ্ছিল। কিন্তু রাশিয়া এতদিন পিছু পা ছিল। আর এখন তারা স্বীকৃতি দিচ্ছে। কিন্তু ইউক্রেন যদি এটা মেনে না নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যায় তাহলে রাশিয়াও তাদের শক্তি দেখাবে এবং হয়তো তখন ইউক্রেন আরও অঞ্চল হারাবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ থামানোর জন্য নিজে যুদ্ধে জড়াবে কিনা সেটিই এখন দেখার বিষয়। তবে এটা বুঝা যাচ্ছে যে ইউরোপের জনগণ সেটা চাইবে না। ফলে সেখান শান্তি সৃষ্টি হওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। এখন সবকিছু নির্ভর করছে ইউক্রেনের ওপর। তারা কি প্রক্রিয়া দেখায়।

ইউক্রেন   রাশিয়া   যুক্তরাষ্ট্র   রুশভাষী বিচ্ছিন্নবাদী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘প্রত্যেকটা কাজই জীবনে অনেক আনন্দের’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘প্রত্যেকটা কাজই জীবনে অনেক আনন্দের’

অভিনেত্রী দিলরুবা দোয়েল, ক্যারিয়ারে যেন সুসময় পার করছেন। গেল বছর মুক্তি পেয়েছিলো তার অভিনীত `চন্দ্রাবতী কথা`চলচ্চিত্রটি। মুক্তির পঅর ছবিটি বেশ সাড়া ফেলেছে। ষোড়শ শতকের বাংলাদেশের প্রথম নারী কবি চন্দ্রাবতীর বেদনাবিধুর জীবন ও সমকালীন সমাজচিত্র নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। এরপর সারা দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিলো  নির্মাতা নূরুল আলম আতিক পরিচালিত ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ সিনেমাটি। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সিনেমাটি বিজয়ের মাসে মুক্তি দেয়া হয়েছিল।

বর্তমানে তিনি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটক,ওয়েব সিরিজ,ওয়েব ফিল্ম ও বিজ্ঞাপনে কাজ করছেন। কাজের ব্যস্ততা ও নানা বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা হয় বাংলা ইনসাইডার এর।

বাংলা ইনসাইডার: নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হলেন। চরিত্রটি নিয়ে কিছু বলুন?

দিলরুবা দোয়েল: প্রত্যেকটা কাজই তো আসলে জীবনে অনেক আনন্দের। আর যেহেতু অপু বিশ্বাস আমাদের দেশের একজন স্বনামধন্য অভিনেত্রী এবং প্রথম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং অনুদান পেয়েছে। উনার যে টপিকটা 'লালা শাড়ি'। 'লাল শাড়ি'টা হচ্ছে আমাদের দেশেরই একটা নির্দিষ্ট কমিউনিটির গল্প। যে কমিউনিটিটা এখনো বিদ্যমান এবং এটি আমাদের দেশীয় জায়গা তাঁত সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের জীবনযাপন, তাদের সব কিছু নিয়ে ছবির গল্পটা। তো আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে যে, এই টপিকটা আমাদের খুবই নিজস্ব টপিক। এটার মধ্যে একটা বিশুদ্ধতা আছে এ কারণেই এই টপিকটা আকর্ষণীয় লেগেছে।

বাংলা ইনসাইডার: এই প্রথম অপু বিশ্বাসের সাথে ছবি করছেন। কেমন লাগছে?

দিলরুবা দোয়েল: অপু দি'র সাথে কাজ করে ভালো লেগেছে। এর আগেও উনার সাথে শুট করা হয়েছে। তবে ভাবিনি উনার সাথে কাজ করবো এভাবে। এটা নিঃসন্দেহে একতা ভালো বিষয়। আর উনিও এত কম বয়েসে যে উদ্যোগটা নিয়েছেন এবং যে গল্পের প্লট উনি সিলেক্ট করেছেন এটি একটি এপ্রিশিয়েট করার মত বিষয় বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। এছাড়াও নারী প্রযোজক, অনুদান পেয়েছে সবকিছু মিলিয়ে আরও ভালো লাগা কাজ করেছে।

বাংলা ইনসাইডার: ওটিটিতে নিয়মিত কাজ করছেন। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ওয়েবফিল্ম 'যদি বেঁচে থাকি' কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

দিলরুবা দোয়েল: হ্যাঁ নিয়মিত কাজ করছি। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি কাজ করেছি এবং গতকালকে চরকিতে মুক্তি পেয়েছে আমার অভিনীত 'যদি বেঁচে থাকি' নামে ওয়েব ফিল্ম। যেটিতে প্রথমবারের মত আমি কাজ করলাম মিশা ভাইয়ের সাথে এবং মুক্তির পর ইতিমধ্যে বেশ সাড়া পাচ্ছি। আশাকরি দর্শকদের কাছে এই ওয়েব ফিল্মটি ভালো লাগবে।



বাংলা ইনসাইডার: একজন অভিনেত্রী হিসেবে কোন চরিত্রে কাজ করতে ইচ্ছুক আপনি বেশি?

দিলরুবা দোয়েল: একজন অভিনেত্রী হিসেবে প্রত্যেকটি চরিত্রেই কাজ করতে চাই। আর একজন মানুষ হিসেবেও আমার ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র পছন্দ। টুকটাক যেহেতু কাজ করছি এখন কাজের সেই জায়গা থেকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র খুব ভালো লাগে আমার কাছে। এর ফলে আমার কাছে মনে হয় যে ভিন্ন ভিন্ন মানুষের জীবন কেমন, তাদের জীবনের উপলব্ধি কেমন এটার স্বাদ পাওয়া যায়। এটাতে নিজের জীবনে যথেষ্ট প্রভাব পড়ে কিন্তু যেহেতু নিজে ব্যক্তি হিসেবেও ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র আমাকে খুব আকর্ষণ করে। এর পাশাপাশি চ্যালেঞ্জিংও বিষয়টা এটা মজা আছে। 

বাংলা ইনসাইডার: সম্প্রতি মিডিয়ার অনেকেই সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি?

দিলরুবা দোয়েল: সম্প্রতি মিডিয়ার বাইরে বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে। এটা আসলে হচ্ছেই। এটা শুধু মিডিয়া না, মিডিয়ার বাইরেও যে পরিমাণ বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে এটা আসলে খুবই দুঃখজনক। এ অবস্থায় এটা নিয়ে আসলে কি বলবো আর কোথা থেকে শুরু করবো, কোথায় শেষ করবো এটা আসলে বুঝে উঠতে পারি না। এই যে কলেজ টিচার মারা যাওয়া থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক আরও নানা ঘটনা যে ঘটছে খুবই খুবই দুঃখজনক। আর মন্তব্য করতে চাই না, জ্ঞানও দিতে চাই না,কারোর পরামর্শও চাই না। আমার কাছে মনে হয় যে, প্রত্যেকটা মানুষ যারা যে যে জায়গা থেকে আমরা খারাপ জিনিসটা কপি না করে ভালো জিনিসের দিকে অগ্রসর হই। এটা খুব জরুরি বিষয়। জীবনটা খুব ছোট। আর দ্বিতীয়ত যারা এগুলা করারা পরিকল্পনা করছেন তাদের উদ্দেশ্যে আমি কিছুই বলতে চাই না। যেহেতু আমরা সাইবার বুলিং কখনো ঠেকাতে পারবো না। তাই এ বিষয়ে আমার মন্তব্য হচ্ছে যারা এ বুলিংয়ের স্বীকার হচ্ছেন তারা মানসিকভাবে ভেঙে না পড়ে প্রতিবাদ করুন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘চোখ ওঠলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া চোখে ওষুধ ব্যবহার না করাই উত্তম’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘চোখ ওঠলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া চোখে ওষুধ ব্যবহার না করাই উত্তম’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: দীন মোহাম্মদ নুরুল হক বলেছেন, চোখ ওঠলে চোখ লাল হয়ে তখন চোখের পাতা ফুলে যায়। চোখের ভেতর তখন অস্বস্ত্বিকর লাগে। লাইটের দিকে তাকানো যায় না। লাইটের আলো সহ্য করা যায় না। কাজ করতে অসুবিধা হয়। দৃষ্টি শক্তি কিছুটা ঝাপসা হতে পারে। বেশির ভাগ সময় দুই চোখ লাল হতে দেখা যায়। তবে এক চোখেও হতে পারে। চোখে পুঁজের মতো জমা হয়, ঘুম থেকে উঠলে অনেক সময় চোখের পাতা লেগে থাকতে দেখা যায় এবং চোখ থেকে পানি ঝরে। চোখ জ্বালাপোড়া করে। চোখে খচখচ ভাব, অস্বস্তি হয়। হালকা ব্যথা ও ফটোফোবিয়া বা রোদে তাকাতে অসুবিধা হতে পারে। চোখ উঠলে সাধারণ এই গুলো হয়। এটা কোনটা ভাইরাসের জন্য, কোনটা ব্যাকটেরিয়ার জন্য হয়। আবার কোনটা ফাংগাসের জন্য হয়। 

সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘরে ঘরে চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস নামের সমস্যার কথা শুনা যাচ্ছে। এটি একটি ভাইরাসজনিত সমস্যা। চোখ ওঠলে এর চিকিৎসা এবং সর্তকতাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অধ্যাপক ডা: দীন মোহাম্মদ নুরুল হক এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা: দীন মোহাম্মদ নুরুল হক এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক সূচনা।

অধ্যাপক ডা: দীন মোহাম্মদ নুরুল হক  বলেন, ভাইরাস সাধারণত মহামারি হিসেবে আসে। চোখের বেলায় ভাইরাস একজনের চোখের থেকে আরেকজনের চোখে এটা ছড়াতে থাকে। বিশেষ করে হ্যান্ডশেক করার মধ্য দিয়ে। দুইজন ব্যক্তি একই বস্তু স্পর্শ করলে সেখান থেকে ছড়ায়। অর্থাৎ আক্রান্ত ব্যক্তি যদি কোন কিছু স্পর্শ করে এবং পরে সেখানে কেউ স্পর্শ করে তাহলে এভাবে সবার মধ্যে ছড়াতে থাকে। দেখা যাচ্ছে স্কুলে কোনো বাচ্চার হলে পরে সবারই হচ্ছে। আস্তে আস্তে এটা ব্যাপকভাবে ছড়াতে থাকে। এটা হয় ভাইরাসের বেলায়।

তিনি বলেন, সাধারণ চোখ ওঠা এক থেকে তিন সপ্তাহে সেরে যায়। ঠান্ডা বা সর্দির মতো উপসর্গ থাকলে কেবল অ্যান্টিহিস্টামিন সেবনই যথেষ্ট। অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ডোজ মেনে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া চোখে ওষুধ ব্যবহার না করাই উত্তম।

চোখ উঠলে সতর্কতার ব্যাপারে তিনি বলেন, চোখে পিঁচুটি জমলে হালকা নরম পরিষ্কার কাপড় দিয়ে বা পানির ঝাপটা দিয়ে চোখ পরিষ্কার করা যেতে পারে। তবে কোনোমতেই চোখ রগড়ানো যাবে না। কালো চশমা রোদে বা আলোতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়। তাই বাইরে বেরোলে কালো চশমা পরুন। চোখে কোনোমতেই হাত দেওয়া যাবে না। একজনের ব্যবহার করা রুমাল, গামছা, তোয়ালে বা কাপড়চোপড় অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না। হাত সব সময় সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জনসমাগম, অনুষ্ঠান, ক্লাস ইত্যাদি পরিহার করে চলাই ভালো। এ সময়টায় অনেক শিক্ষার্থীর ক্লাস চলছে। চোখ ওঠা নিয়ে ক্লাসে উপস্থিত না হওয়াই ভালো। তবে পরীক্ষা থাকলে ওপরের নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে স্কুলে যাওয়া যাবে। অবশ্যই কালো চশমা পরে থাকতে হবে এবং অন্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করা যাবে না।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে সংগঠনকে মূল্যায়ন করা সমীচীন নয়’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে সংগঠনকে মূল্যায়ন করা সমীচীন নয়’

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেছেন, ছাত্রলীগ অনেক সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী একটি ছাত্র সংগঠন। কিন্তু ইদানিংকালে ছাত্রলীগের যে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটছে তাতে কিন্তু সাংগঠনিক অগ্রযাত্রার ব্যাহত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ যারা সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর দুই চার ব্যক্তি দিয়ে বা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে পুরো সংগঠনকে মূল্যায়ন করা সমীচীন নয় বলে আমি মনে করি। কারণ ছাত্রলীগের অনেক গৌবরময় ইতিহাস আছে, অর্জন আছে। 

বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রলীগের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সর্বশেষ ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ঘটনাটি আরও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংগঠনটির এ ধরনের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায়  ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য সাইফুর রহমান সোহাগ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক শান্ত সিংহ।

সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ঘটনাটি নিয়ে এখন দেশে ছাত্রলীগকে নিয়ে নেতিবাচকভাবে আলোচনা হচ্ছে। তবে সেখানকার সমস্যা নিয়ে সংগঠনটির বর্তমান নেতৃত্ব অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে বলে আমি মনে করি। সংগঠনপরিপন্থী কাজের সত্যতা পাওয়া কারণে ইতোমধ্যে সেখানে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠন মনে করলে সেখানে আরও ২৬ কেও বহিষ্কার করবে। কারণে কর্মীর চেয়ে সংগঠন বড়। সংগঠনের স্বার্থই সব সময় প্রাধান্য পাবে। সংগঠনকে শৃঙ্খলিত করতে যদি আরও বেশি সংখ্যক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করতে হয়ে তাহলে বর্তমান নেতৃত্ব সেটা অবশ্যই করবে। সংগঠনের প্রয়োজনে কাউকে তিরস্কার করবে নাকি বহিষ্কার করবে সেটা সংগঠনের নেতৃত্ব অবশ্যই বিচক্ষণতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিবে। 

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্য নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সমাজে অপরাধ প্ররণতা আছে। আর ছাত্ররা হচ্ছে সেই সমাজেরই অংশ। সে কারণে দুই এক জায়গায় হয়তো এটা কেউ করতে পারে। কারণ ছাত্রলীগ এই সমাজের বাইরে নয়। তবে কেউ করে থাকলে যে সংগঠন সেটিকে সমর্থন করে সেটাও কিন্তু নয়। কমিটি বাণিজ্যের মতো কেউ অনৈতিক কারণ করলে সংগঠন সেটির নয় দায়ী নয়। সংগঠন এর দায়ও নেবে না। যারা এ ধরনের কাজ করছে সংগঠন অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কারো ব্যক্তিগত অরপাধ সংগঠন বহন করবে না। এটা অতীতে করেনি। সেটি ভবিষ্যতেও করা হবে না। বর্তমান নেতৃত্বও অভিযোগগুলো ভালোভাবে খতিয়ে দেখবে বলে আমি মনে করি। কারণ বর্তমান নেতৃত্ব অনেক দক্ষ এবং সক্রিয় আছে।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে এখন অনেক ক্রিয়াশীল সক্রিয় রয়েছে। এ ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে রাজপথে সক্রিয় হতে হবে। বিএনপি-জামায়াত বা ক্রিয়াশীল চক্রের যেধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকতে হবে। 


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন