ইনসাইড টক

‘যেই ইউনিট পর্যায়ে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের টাকার লোভ-লালসা বেশি তারাই এসব করে’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ২৮ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, কেন্দ্র থেকে বিতর্কিতদের মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে যে এটা সঠিক কিন্তু এই বিতর্কিতদের দিলো কীভাবে। এই বিতর্কিতদের তালিকা ইউনিয়ন, থানা, জেলা থেকে প্রেরণ করা হয়েছে। তারা যে বিতর্কিতদের নামের তালিকা এবং তথ্য প্রেরণ করেছে তখন এই তথ্যগুলো গোপন করে প্রস্তাব পাঠিয়েছে যে, এরা যোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য প্রার্থী। মনোনয়নের জন্য সুপারিশ পাঠিয়েছে। এখন সেই সুপারিশের তালিকার সাথে যদিও আরেকটা গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট যাচাই করা হয় তারপরেও এই ধরণের ঘটনা ঘটে গেছে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, বিভিন্ন জেলা এবং স্থানীয় পর্যায়ের কমিটি সহ সকল পর্যায়ে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী সহ নানা দিক নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

মির্জা আজম বলেন, তারপরও একটা বিষয় যে, এই বিতর্কিতরা বিএনপি থেকে আসা অনুপ্রবেশকারি হয়ে থাকে সেই সংখ্যা কত? যত বিতর্কিতদের কথা শোনা যাচ্ছে সব মিলে ৫-১০টা হবে কিন্তু দেওয়া হয়েছে ২০০০ নমিনেশন। ২০০০ নমিনেশনে এমন ৫-১০টা বিতর্কিত নাম ঢুকে গেছে। যখন এই বিতর্ক নিয়ে ঝড় উঠেছে তখন তা আবার পরিবর্তনও করা হয়েছে। ৫ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এর মধ্যে ৫০টা নিয়ে বিতর্ক তো হতেই পারে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলার পরও অনুপ্রবেশ বন্ধ হচ্ছে না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা আজম বলেন, এখন যে বিতর্ক হচ্ছে অনুপ্রবেশকারী নিয়ে, এই বিতর্ক যদি দেখা যায় তাহলে দেখা যাবে যে এতদিনে আমরা যে স্বোচ্ছার হয়েছি যে কোন বিতর্কিত কাউকে আমরা দলে কোন যায়গা দিব না। কিন্তু আমরা যখন ২০০৮-০৯ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলাম, তখন কিন্তু এই সতর্কতা অবলম্বন করা হয়নি। তারা তখন দলে ঢুকে গেছে এবং আজ ১২-১৩ বছর তারা দল করছে। এর আগে যে বিতর্কিত কিছু চেয়ারম্যান আসছে এখন, অথচ দেখা যাচ্ছে এই লোকটা কিন্তু তার আগেরবার নৌকা মার্কায় সে ৫ বছর চেয়ারম্যান ছিল, এখন থানা আওয়ামী লীগের কিংবা জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কোন পদে আছেন। এখন বলতেছে সে বিএনপি-জামায়াত থেকে আসছে।

তিনি আরও বলেন, তো এই কারণে প্রথম যখন দল ক্ষমতায় আসছে তখন আমরাও চেয়েছি যে, দল যখন ক্ষমতায় আসছে অতএব আমাদের বিএনপি থেকে যাই আসে, যদিও আমাদের দলে জামায়াতের কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশ্রয় দেয়া হয় না কিন্তু অন্য দলের কেউ যদি আসে এবং তার গ্রহণযোগ্যতা থাকে তাহলে আমরা তাকে নিয়েছি।

জেলা এবং স্থানীয় পর্যায়ের কমিটির ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে এখন শতভাগ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নে মির্জা আজম বলেন, এখন যত যায়গায় সম্মেলন হচ্ছে, কমিটি গঠিত হচ্ছে সব যায়গায় শতভাগ নির্দেশনা মানা হচ্ছে। কোনভাবে যেন বিতর্কিত কেউ কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত হতে না পারে। কারণ, এখন আমাদের নতুন লোকের প্রয়োজন নেই।

এমপি কিংবা প্রভাবশালীদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু এমপিদের কথা বললে হবে না, বিভিন্ন জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক যারা আছেন, যারা সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচিত তারাই পূর্ণাংগ কমিটি গঠন করেন। এই সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক যদি সজাগ থাকেন তাহলে তারা কিন্তু ঢুকতে পারেনা। নির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক হয়ে একজন অনুপ্রবেশকারীকে কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করে তারাই কিন্তু কমিটির অনুমোদন নেন জেলা পর্যায়ের নেতাদের কাছ থেকে। আমাদের সব যায়গায় যে সৎ মানুষ আছে তা কিন্তু না। যেই যায়গায় যেই ইউনিট পর্যায়ের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের টাকার প্রতি লোভ-লালসা বেশি তারাই কিন্তু এই কাজগুলো করে বসে এবং আমরা তাদের জন্যই কিন্তু সতর্কতার কথাগুলো বলে থাকি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘যে ভদ্রলোক নয়, তার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাও কাম্য নয়’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিএনপির অনেক কর্মী-সমর্থক আছে। বিভিন্ন কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্ন মনোভাব থাকতেই পারে। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু যারা নেতৃত্বে থাকে, তাদের অনেক কিছু বিবেচনায় নিয়ে, অনেক বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কোনো সিদ্ধান্ত নিলে দীর্ঘমেয়াদে তার কি প্রভাব পড়বে, এর ফলাফল নিয়েও চিন্তা করতে হয়। যা তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ভাবতে হয় না। এরকম হতেই পারে। আমার মনে হয় না, এটা কোনো ইস্যু। এগুলো সব দলেই ঘটে। নেতা কর্মীদের বিভিন্নরকম মতবাদ থাকতেই পারে। মতামত থাকতে পারে। 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে এক কর্মীর 'দালাল' বলা, বিএনপির আন্দোলন, তথ্য প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে  ড. বদিউল আলম মজুমদার বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। পাঠকদের জন্য ড. বদিউল আলম মজুমদার এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক অলিউল ইসলাম।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমি মনে করি না এটা আন্দোলনের বিষয়। আন্দোলন করে কোনো কিছুর সমাধান হয় না। আমরা যদি মানুষ হিসেবে নিজেকে বিবেচনা করতে চাই, তাহলে মানুষ হিসেবে কিছু মানবিক মূল্যবোধ, মানবিক গুণাবলি দিকে আমাদের ওয়াদাবদ্ধ থাকতে হবে। মানবিক গুণাবলি, সহমর্মিতা, উদারতা, অন্যের প্রতি মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধাবোধ জানানো উচিত। এগুলো যদি আমাদের না থাকে তাহলে মানুষ হিসেবে সমাজের বৈশিষ্ট্যগুলো অস্বীকার করা হয়। আদালত, আইন, এসবের ঊর্ধ্বে হলো জীবনের অধিকার। এটা মৌলিক অধিকার। সবচেয়ে বড় অধিকার। আমাদের সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে বলা আছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়টি জীবনের অধিকার, বেঁচে থাকার অধিকারে অন্তর্ভুক্ত। এটি সব অধিকারের ঊর্ধ্বে। আমার মনে হয়, প্রত্যেক নাগরিকেরই আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হোক কিংবা নির্দোষ হোক, যা-ই হোক, নাগরিকের বেঁচে থাকার অধিকার থাকতে হবে। ফলে সরকারের এখানে মনোযোগ দেওয়া দরকার।

তিনি বলেন, আমরা তো কথায় কথায় বাহিরে চিকিৎসার জন্য যাই। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তো রুটিন চেকআপের জন্য বাহিরে যাচ্ছেন নিয়ম করে। এমনকি ছোটখাটো রোগের জন্যও বাহিরে যায়। খালেদা জিয়া একজন জ্যেষ্ঠ নাগরিক হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে এ সুবিধা দেওয়া যায়। এতে সরকারেরই লাভ। আমাদের বৈরিতা আছে। রাজনৈতিক হানাহানি আছে। খালেদা জিয়াকে নিয়েও অনেক অভিযোগ আছে। আমরা নিশ্চিহ্ন করার রাজনীতিতে লিপ্ত। কিন্তু তার উপরও আমাদের মানবিক গুণাবলি ও বাঁচার অধিকারের প্রেক্ষিতে উন্নত চিকিৎসা সেবার অনুমতি দেওয়া দরকার। 

তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের সাম্প্রতিক বক্তব্য নারীবিদ্বেষী কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি অশ্লীল, অশ্রাব্য, কুৎসিত কথা বলেছেন, যা বলার মতো নয়। এটা কোনো ভদ্রলোকের কাছে আশা করা যায় না। যে ভদ্রলোক নয়, সে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকবে, এটাও কাম্য নয়। এতা মানা যায় না। সে জাতীয় সংসদসহ মন্ত্রীসভায় মানসই না। অন্যই মহান জাতীয় সংসদের সদস্য। মহান জাতীয় সংসদ (House of the people)! ওনি সংসদের যোগ্য নন। ওনার বক্তব্য একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।

বিএনপি   ফখরুল   রাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘ওমিক্রন নিয়ে কিছুটা ওভার রিয়েকশন হয়ে যাচ্ছে’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেছেন, করোনার বর্তমান পরিস্থিতি তো ভালোই, স্বস্তিদায়ক। কিন্তু এটা তো আনপ্রেডিক্টেবল ডিজিজ কেউ তো বলতে পারে না কখন হবে না হবে কিনা। ইউরোপের দেশগুলোতে বাড়ছে কিন্তু শীতের শুরুতেই। ইউরোপ, আমেরিকায়ও কিন্তু বেড়ে যাচ্ছে ভয়ানক আকারে। ওমিক্রন তো প্রায় ৩১টি দেশে ধরা পড়েছে। এখন তো কোন কিছু বলা যায় না। আর ওমিক্রন সম্পর্কে যেগুলো বলা হচ্ছে, এটা খুব দ্রুত ছড়ায় কিন্তু এখনো কেউ মারা যায়নি। এটার খুব মাইল্ড সিম্পটম্প হয়। কিছু কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর। তবে খুব ক্লান্ত লাগে বলে শোনা গেছে। কিন্তু মৃত্যুর কোন খবর কিন্তু এখনো পাওয়া যায়নি।

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সহ করোনার প্রকোপ বৃদ্ধির সম্ভাবনা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডারের নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান তুহিন।

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেছেন, আমার মনে হয় এটা কিছুটা ওভার রিয়েকশন হয়ে যাচ্ছে। যতটা বলছে অতটা সিরিয়াস হয়তো না। তবে দ্রুত সংক্রমনশীল, এটা সত্য। তারপরও আমার মনে হয় একটু ভয় ধরানোর জন্যে বলা হয়েছে। আমাদের এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, সচেতন থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, টিকা নিতে হবে। এই ব্যাপারে যেন ঢিলেঢালা না করা হয়। আফ্রিকা থেকে যারা আসছে তারা তো অনেকদিন আগে আসছে। আমার মনে হয় তাদের ট্রেস করা গেলেও কোয়ারেন্টাইন সময় বোধহয় পার হয়ে গেছে। আমার মনে হয় তাদের নিয়ে ভয়ের কিছু নাই। অথবা তিন-চারদিন পর কোয়ারেন্টাইন স্টেজ পার হয়ে যাবে, ভয়ের কিছু নাই।

তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিন নিয়ে তো আরও রিসার্চ হচ্ছে। ভ্যাকসিন নিয়ে সন্দেহ করছে যে কার্যকরী হবে কিনা। এটা তো আসলে বলা মুশকিল। এটা আরও কয়েকদিন পরে বুঝা যাবে, রিসার্চ হচ্ছে, হবে। কার্যকরী নাও হতে পারে, আবার হতেও পারে। এটা নিয়ে ডেফিনেটলি কিছু বলা যাচ্ছে না এবং কেউ বলতেও পারছে না। শুধু মর্ডানা বুস্টার ডোজ দেয়ার চিন্তাভাবনা করছে। বুস্টার ডোজ এই ভ্যাকসিনকে হয়তো মোডিফাই করে আরও স্ট্রঙ্গার কোন ভ্যাকসিন আনবে। সবকিছু পরিষ্কার হবে আগামী কিছুদিনের মধ্যে।

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘ইউপি নির্বাচনে সংঘাত পুরনো বিষয়’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, মৃত্যু কোনো কাম্য না। আমরা এ সহিংসতার নিন্দা জানাই। যারা নির্বাচন কেন্দ্রিক সংঘর্ষে আহত-নিহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি আমি সহানুভূতি জানাই। নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। আমরা চাই নির্বাচন সুষ্ঠ নিরপেক্ষ হোক। মূল কথা হচ্ছে ইউপি নির্বাচনে সংঘাত পুরনো বিষয়। আগে এত বেশি মিডিয়া ছিল না বিধায় এত খবর সামনে আসেনি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনা ঘটার সাথে সাথে চলে আসে। যার কারণে মানুষ দেখতে পারছে যে এত মানুষ মারা গিয়েছে। কিছু লোক মারা গেছে, এটা দুঃখজনক। কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। তারপরও আমরা মনে করি এই নির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার বিজয় হয়েছে। কারণ যেভাবে নির্বাচন নিয়ে অপপ্রচার করা হয়েছিল, যে ভাবে ভোট নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছিল, মানুষকে ভোটবিমুখ করার যে ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত জামাত-বিএনপি ও তাদের সহযোগীরা করেছিল, সেই ষড়যন্ত্র থেকে মানুষ বের হয়ে এসেছে। মানুষ নির্বাচনমুখী হয়েছেন। কেন্দ্রমুখী হয়েছেন। এটা হচ্ছে বড় বিষয়।

আওয়ামী লীগের তৃণমূলে কোন্দল, ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা সহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে আলাপচারিতায় তিনি এসব কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য এস এম কামাল হোসেন এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক অলিউল ইসলাম।

তৃণমূলে কেন্দ্রের কন্ট্রোল আছে কিনা জানতে চাইলে কামাল বলেন, এখানে মূল কারণ হচ্ছে এই নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন না। এটা তৃণমূলও জানে। যার ফলে অনেক জায়গায় বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড়াচ্ছেন। দল থেকে অবশ্য তাদের অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি একটি ইউনিয়ন থেকে পাঁচ থেকে সাত জন মনোনয়ন চান। কিন্তু পায় মাত্র একজন। ফলে বাকি ছয়জন সেই একজনের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগে যায়। 

তৃণমূল থেকে পাঠানো তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল থেকে তালিকার সিরিয়ালটা হয় সাধারণত দলীয় পদ অনুযায়ী। যেমন প্রেসিডেন্ট বা সেক্রেটারি দাঁড়ালে তার নাম তালিকার প্রথম দিকে থাকে। অনেক সময় সদ্য সাবেক চেয়ারম্যানের নাম আগে রেখে পাঠানো হয়। তবে এই সিরিয়াল অনুযায়ী মনোনয়ন দেওয়া হয় না। অনেক সময় দেখা যায়, যার নাম এক নম্বরে আছে, সে মনোনয়ন পায়নি। কিন্তু দুই তিন বা চার নম্বরে যে আছে, সে মনোনয়ন পেয়েছে। এখানে সাধারণত চুলচেরা বিচার বিশ্লেষণ করে তারপরই মনোনয়ন দেওয়া হয়। কিন্তু দেখা যায় যে, যারা পাননি, তারা মনোনয়ন প্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচার চালায়। এই কারণে অনেক জায়গায় দেখা যায় যে, নৌকা প্রার্থীর বিরোধী পক্ষ বিজয়ী হয়ে যাচ্ছে। 

ভোটের কাস্টের হার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার প্রত্যেকটি জায়গায় ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ভোট পড়ছে। অর্থাৎ এইখানে বিএনপি জামায়াতের তৃণমূলের সমর্থকরাও স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে আসছেন। নৌকার বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছেন। সংঘাতের যতগুলো কারণ আছে তার মধ্যে এটি একটি কারণ। তারা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীদের ওপর ভর করে নৌকা প্রার্থী ও তার সমর্থকদের ওপর চড়াও হচ্ছেন। মারপিট বাজাচ্ছেন। এটিই হচ্ছে মূল কারণ। 

কেন্দ্রের ব্যর্থতা ও নিহতদের পরিবারকে কোনো ধরণের প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে কিনা প্রশ্নে কামাল বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই কেন্দ্রের কিছু কিছু ব্যর্থতা তো আছেই। তা অস্বীকার করছি না। কিছু দায় দায়িত্ব আমাদের অবশ্যই ছিল। প্রণোদনার বিষয়ে বলতে চাই খোঁজ খবর নিয়ে অবশ্যই সবাইকে সাহায্য করা হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা তো মানবতার নেত্রী। উনার মতো অন্য কোনো নেতা তৃণমূলের খোঁজ রাখে না। প্রধানমন্ত্রী সবসময় তৃণমূলের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ান। উনি উনার অবস্থান থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য সহযোগিতা করেন। শুধু দলীয় নয়, উনি সব দলের ও মতাদর্শের লোকদের বিপদে পাশে দাঁড়ান। সাহায্য সহযোগিতা করেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব যারা আওয়ামী লীগ করে না, তাদেরকেও জননেত্রী শেখ হাসিনা সাহায্য করেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ   নির্বাচন   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘মুখে বড় কথা বলে দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে আনার দিন শেষ’

প্রকাশ: ১০:১৭ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের নায়ক আরিফিন শুভ। খুব বেশী চলচ্চিত্রে কাজ না করলেও কাজ করেন খুব দেখে শুনে। আর তাই তো কাজের সম্মাননা হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।

শুভ বর্তমানে অভিনয় করছেন জাতীর জনক ‘বঙ্গবন্ধু’র বায়োপিকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর এই মাঝেই আজ শুক্রবার মুক্তি পেলো তার অভিনীত ‘মিশন এক্সট্রিম’ ছবিটি। সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডারের সাথে কথা হলো হালের এই নায়কের।

বঙ্গবন্ধুর বেশে প্রিমিয়ারে আসার কারণ জানতে চাইলে শুভ বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে বঙ্গবন্ধু ছবির শুটিংয়ে আমি খুব ব্যস্ত। আমি বঙ্গবন্ধু সেট থেকে সোজা এখানে চলে আসলাম। ‘মিশন এক্সট্রিম’ এর জন্য আজ সন্ধ্যা এবং আগামীকাল ছুটি পেয়েছি। তাই এভাবে চলে আসা।'



নতুন ছবি ‘মিশন এক্সট্রিম’ নিয়ে এই অভিনেতা বলেন, আমার ক্যারিয়ারে সব থেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে শ্রম দিয়ে কাজ করা সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’। ঘটনাচক্রে বঙ্গবন্ধুর মতো বলতে হয় যে, তোমাদের যা কিছু আছে তা নিয়েই শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে। বর্তমানে আমাদের যা আছে, তা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। আগে প্রায় ১৫০০ প্রেক্ষাগৃহ ছিল। বর্তমানে তা কমে দুই অংকের ঘরে এসে নেমেছে। এ নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমাটি অনেক পরিশ্রম করে করেছি। যেখানে একটি সিনেমা এক মাসে কাজ সম্পন্ন করা যায়, সেখানে আমরা ‘মিশন এক্সট্রিম’ দেড় বছরেরও বেশি সময় নিয়ে কাজ করেছি। সবচেয়ে কষ্ট লাগে, আগের মতো এখন আর প্রেক্ষাগৃহ নেই। কিন্তু আশার কথা হচ্ছে, আমাদের যা আছে, তা নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা যোদ্ধার জাতি, আমরা যুদ্ধ করতে জানি।



শুভ বলেন, সৃষ্টিকর্তার কাছে চাওয়া- দেশের পরিস্থিতি যাতে অচিরেই ঠিক হয়ে যায় উল্লেখ করে শুভ বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সিনেমাটি মুক্তির স্বাদ পেল। অনুভূতি মিশ্র। খুবই আনন্দ লাগছে। পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের মতো নার্ভাস লাগছে। কারণ, দর্শক সিনেমাটি কীভাবে নেন! আশা করছি, ‘মিশন এক্সট্রিম’ দর্শকদের নিরাশ করবে না। আমি যতটুকু কাজ করি চেষ্টা করি ভালোভাবে করার। সততার সঙ্গে কাজ করার।

অসংখ্য কাজ করার চেয়ে অল্প কাজ করে সন্তুষ্ট থাকা ভালো উল্লেখ করে এই অভিনেতা বলেন, অসংখ্য কাজ করলে ইন্ডাস্ট্রির লাভ হবে না। একসঙ্গে আমিও অনেক কাজ করতে পারি। কিন্তু তা আমি করি না। তা করে সংখ্যা বাড়াতে চাই না। অনেক সেক্রিফাইস করে কাজটি করেছি। ‘মিশন এক্সট্রিম’ এর জন্য যে পরিশ্রম আমি করেছি, দর্শকদের কাছে প্রশ্ন- সে পরিশ্রম না করলে কি ‘মিশন এক্সট্রিম’ হতো না? অবশ্যই হতো। করেছি শুধু একটি মাত্র কারণেই- মুখে বড় বড় কথা বলার চেয়ে, ‘আন্তর্জাতিক-আন্তর্জাতিক’ মুখ দিয়ে বলার থেকে একবার করে দেখালাম আন্তর্জাতিক মানে কি। সংজ্ঞা ও উদাহরণসহ। আমাদের দেশে বাজেট-টেকনিশিয়ান অপ্রতুল। যা আছে সেই আয়ত্তের মধ্যে আমরা চেষ্টা করেছি। কতটুকু পেরেছি, তা দর্শক সিনেমাটি দেখে তাদের মতামত ব্যক্ত করবেন।

দর্শক আমাকে সবসময় যেভাবে ভালোবাসা দিয়েছেন ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমাকে সেভাবেই ভালোবাসা দেবেন, যোগ করে আরিফিন শুভ বলেন, আমাদের বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এই প্রথম বাংলাদেশসহ একইদিনে চারটি মহাদেশে সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে। এটি আমাদের জন্য আনন্দের ও অনেক বড় পাওয়া। এর আগে সবাই ‘ঢাকা অ্যাটাক’ দেখেছেন। আমরা দর্শকদের ঠকাইনি। মিথ্যা কথা বলে দর্শক প্রেক্ষাগৃহে আনার চেষ্টা করিনি। একটি প্রবাদ আছে- খালি কলসি বাজে বেশি। আমরা বেশি বাজতে চাই না। তাহলে খালি মনে হবে। আমরা কাজে প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করি।

২০ বছর আগে দেশে ইন্টারনেট ছিল না। তখন বিনোদনের মাধ্যম সীমিত ছিল। এখন সবার হাতে ইন্টারনেট। চাইলে ঘরে বসেই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কি কাজ হচ্ছে, তার খোঁজ নেওয়া যাচ্ছে। সেই জায়গা থেকে চিন্তা করলে মুখে বড় কথা বলে দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে আনার সেই দিন চলে গেছে। এখন কাজে প্রমাণ দিতে হবে। দর্শকদের আস্তা অর্জন করে প্রেক্ষাগৃহে আসতে আগ্রহী করে তুলতে হবে। আমি আশাবাদী সিনেমাটি দর্শকদের ভালো লাগবে। দর্শক সিনেমাটি দেখলে বুঝতে পারবেন, আমরা ভালো কিছু করার চেষ্টা করেছি। তাদের মিথ্যা বলিনি। ‘মিশন এক্সট্রিম’ দেশ প্রেমের গল্পের সিনেমা। আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে কাজ করেছি। সবাই প্রেক্ষাগৃহে এসে দেখুন আমাদের চেষ্টাটি।



বর্তমানে আরিফিন শুভ ‘বঙ্গবন্ধু’ বায়োপিকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এক রাত ও এক দিনের ছুটি নিয়ে প্রিমিয়ারে আসেন তিনি। যোগ করে বলেন, রাত-দিন হার ভাঙা পরিশ্রম করছি। ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমায় ছিলাম ৮২ কেজি, এখন আমি ৯৫ কেজি। এখন সিক্স প্যাক আমার জন্য অতীত। আবার যখন এমন সুযোগ আসবে তখন করে দেখাব। ‘বঙ্গবন্ধু’ চরিত্রের জন্য তার মতো করেই ভাবনা, শারীরিক গঠন- সবকিছুই করার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশের বিজয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে ‘মিশন এক্সট্রিম’ মহাসমারোহে শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) মুক্তি পেল দেশের পঞ্চাশ প্রেক্ষাগৃহে। আরিফিন শুভ অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘নূর’ নামের সিনেমাটি। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন রায়হান রাফি। সিনেমাটিতে অভিনয়ের পাশাপাশি নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন আরিফিন শুভ। এই সিনেমাতেও শুভর বিপরীতে আছেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশে ২০১৮- এর জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।

মিশন এক্সট্রিম   আরিফিন শুভ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড টক

‘রাস্তায় বের হলে দেখি ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষ মাস্ক পরে না’

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেছেন, যে নিউ ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সেটা নিয়ে সঠিক কোন তথ্য নেই, একেকজন একেক কথা বলছে। কেউ বলছে এটা দ্রুত ছড়াবে, ইমপ্যাক্ট কমাবে, কেউ বলছে এরমধ্যে কিছু আছে যে ইফেক্ট করবে। যাইহোক যেহেতু এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে আসছে এরকম খবর পাওয়া যায়নি। তবে সাউথ আফ্রিকা থেকে ২৪০ জন যাত্রী চলে আসছিল। ওদেরকে ট্রেস (trace) করা যাচ্ছে না, একজন দুইজনকে ট্রেস করা গিয়েছে।

করোনা নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্বেগ সহ নানা বিষয় নিয়ে বাংলা ইনসাইডার এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এসব কথা বলেছেন অধ্যাপক আবদুল মান্নান। পাঠকদের জন্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান এর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা ইনসাইডার এর নিজস্ব প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান তুহিন।

অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, ​আমি ওটাকে নতুন করে না দেখে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট আমাদেরকে যেভাবে এটাক করেছে এবং অন্যান্য ভ্যরিয়েন্ট এফেক্ট করেছে। আমাদের তো স্বাস্থ্য ঝুঁকিটা কোনভাবে নেয়া যাবে না, বিশেষ করে বাচ্চাদের। এইসব আপেক্ষিক ব্যাপার। ভবিষ্যতে কি হয়, না হয় সেটা দেখে আমরা ব্যবস্থা নিব। যদি পরিস্থিতি আগের মত হয় তাহলে স্কুল কেন, পরীক্ষা কেন, সবকিছু হয়তো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। কিছু তো করার না। আমাদের সবাইকে প্রথমে স্বাস্থ্যের ব্যাপারটা দেখতে হবে। আমাদের তো উদাসীনতা আছেই। রাস্তায় বের হলে দেখি যে, ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষ মাস্ক পরে না।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত বিশ্ববিদ্যালয়ে গেট টুগেদারে যদিও আমি যাই নাই কিন্তু আমি টিভিতে দেখলাম যে অর্ধেকের বেশি মানুষ মাস্ক পরে নাই। এই সুরক্ষাবিধি যাতে মানে, কিছু না, আপনি মাস্কটা পরবেন, আপনি অহেতুক ভিড়ে যাবেন না, হাতটা ধোবেন, আর কিছু তো না। ভ্যাকসিনটা দিবেন। এখন অনেক দেশে ভ্যাকসিন না দিলে ফাইন প্রথা চালু হয়েছে। আবার আমেরিকার মত দেশ, যেখানে প্রায় অর্ধেক লোক বিশ্বাস করে না যে কভিড আছে, ওখানের একটা সার্ভেতে আমি নিজেই অংশগ্রহণ করেছিলাম। তো সেই দেশে ১ম ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য কোন কোন স্টেটে ৫০০ ডলার, ২য় ডোজ নেওয়ার জন্য আরও ৫০০ ডলার। মানে ১০০০ ডলার দিবে তাও ভ্যাকসিন নাও। তারপরও মানুষ তেমন নিচ্ছে না। এখন আমাদের ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যসুরক্ষা সারা দুনিয়াতে নেয়ার কথা বলছে, সেটা নিতে হবে। শ্রীলঙ্কার কলোম্বোর রাস্তায় আমি দেখলাম মাস্ক ছাড়া কোন মানুষ নাই। আমরা তো এই বিষয়গুলো লক্ষ্যই করি না।

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন