কোর্ট ইনসাইড

কাকরাইলে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা, আসামি ৪ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২:৪৭ পিএম, ১৭ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে ঢাকার কাকরাইলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) রমনা ও মতিঝিল থানায় পুলিশের করা এ দুই মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা চার হাজার মানুষকে আসামি করা হয়।

দুই মামলাতেই আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। পল্টন থানার মামলায় খেলাফত আন্দোলনের আমির জাফরুল্লাহ খানসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে। আর রমনা থানার মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা প্রায় দেড় হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে।

পল্টন থানার ওসি সালাউদ্দিন মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, যে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৬ জনকে শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর সংঘর্ষের সময় গ্রেফতার করা হয়েছিল। আমির জাফরুল্লাহসহ পাঁচজন পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

তিনি বলেন, গ্রেফতার ছয়জনকে শনিবার আদালতে হাজির করলে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক। 

রমনা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, তার থানার মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা প্রায় দেড় হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার সংঘর্ষের সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। শনিবার আদালতে হাজির করা হলে তাদের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক। 



মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাস ৩ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশ: ০৩:২৫ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে রাজশাহী মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্ধ্যায় আব্বাস আলীকে বোয়ালিয়া মডেল থানায় নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর রাতে মেয়র আব্বাস আলীর ১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের একটি অডিও ক্লিপ নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বানালে ‘পাপ হবে’— এমন কথা বলতে শোনা যায় তাকে। ওই ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে মেয়রের বিরুদ্ধে আরএমপির তিন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়।

এর মধ্যে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় দায়ের করা নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ১৩নং কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনের অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়।

আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় গত ১ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানী ঢাকার ঈশা খাঁ হোটেল থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব। ২ ডিসেম্বর নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ তাকে আদালতে তোলেন। ওই দিনই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। কিন্তু রিমান্ড শুনানি না করে আদালত ওই দিন তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন।

রিমান্ড  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

আমিনবাজারে ৬ শিক্ষার্থী হত্যায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ১২:০০ পিএম, ০২ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

১০ বছর আগে শবে বরাতের রাতে সাভারের আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া, অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ২৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান এ রায় ঘোষণা করেন। 

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন, আবদুল মালেক, সাইদ মেম্বার, আবদুর রশীদ, ইসমাইল হোসেন, জমশের আলী, মীর হোসেন, মজিবর রহমান, আনোয়ার হোসেন, রজ্জব আলী সোহাগ, আলম, রানা, আবদুল হামিদ ও আসলাম মিয়া।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, শাহীন আহমেদ, ফরিদ খান, রাজীব হোসেন, ওয়াসিম, সাত্তার, সেলিম, মনির হোসেন, আলমগীর, মোবারক হোসেন, অখিল খন্দকার, বশির, রুবেল, নুর ইসলাম, শাহাদ হোসেন, টুটুল, মাসুদ, মোকলেছ, তোতন ও সাইফুল। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গত ২২ নভেম্বর ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। মামলায় ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৫৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হলো। 

২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে আমিনবাজারের বড়দেশি গ্রামের কেবলার চরে ডাকাত সন্দেহে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

আমিনবাজারে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায় আজ

প্রকাশ: ১১:১৮ এএম, ০২ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

দশ বছর আগে ২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে ঢাকার অদূরে সাভারের আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান এ রায় ঘোষণা করবেন।

২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে আমিনবাজারের বড়দেশি গ্রামের কেবলার চরে ডাকাত সন্দেহে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

গত ২২ নভেম্বর ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এদিন ধার্য করেন। মামলায় ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৫৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর আনন্দ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, সাভারের আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ বেলা ১১টার দিকে। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আশা করছি, আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।

নিহতরা হলেন- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ম্যাপললিফের এ লেভেলের ছাত্র শামস রহিম শামীম (১৮), মিরপুর বাংলা কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র তৌহিদুর রহমান পলাশ (২০), একই কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র ইব্রাহিম খলিল (২১), উচ্চমাধ্যমিক বিজ্ঞান বিভাগের প্রথমবর্ষের ছাত্র কামরুজ্জামান কান্ত (১৬), তেজগাঁও কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথমবর্ষের ছাত্র টিপু সুলতান (১৯) ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) বিবিএ দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র সিতাব জাবির মুনিব (২০)।

ঘটনার পর নিহতদের বিরুদ্ধেই ডাকাতির অভিযোগ এনে গ্রামবাসীর পক্ষে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন আব্দুল মালেক নামে এক বালু ব্যবসায়ী। অন্যদিকে ছয় কলেজছাত্র হত্যাকাণ্ডে ৬০০ গ্রামবাসীকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন।

২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি র‌্যাব সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন আহমেদ ৬০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই বছরের ৮ জুলাই মামলার ৬০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জশিট) গঠন করেন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলালউদ্দিন।

হত্যা মামলার ৬০ আসামির মধ্যে ছয়জন পলাতক এবং এছাড়া দুই আসামি মারা যাওয়ায় অব্যাহতি দেওয়া হয়। বাকি ৫২ আসামির একজন বাদে সবাই জামিনে ছিলেন। ২২ নভেম্বর তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 


আদালত   শবে বরাত   হত্যা  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

শারীরিক উপস্থিতিতে আপিল বিভাগের বিচারকাজ শুরু

প্রকাশ: ১২:৫৫ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনাভাইরাস মহামারি প্রকোপের কারণে দীর্ঘ প্রায় ২০ মাস পর শারীরিক উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বুধবার (১ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে এ বিচারকাজ শুরু হয়। একইদিন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকাজও শারীরিক উপস্থিত শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে।

গত বছরের মার্চে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় সরকার ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা করে। সেই অনুসারে আদালতেও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। তার আগে সশরীরে সর্বশেষ আপিল বিভাগ বসেছিল ১২ মার্চ। এরপর একই বছরের মে মাসে অধ্যাদেশ জারি করা হলে ভার্চুয়াল কোর্ট চালু হয়। পরে ভাইরাসের প্রকোপ কমতে থাকলে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিম্ন আদালতে পর্যায়ক্রমে শারীরিক উপস্থিতিতে কার্যক্রম চালু করা হয়। এরপর ভার্চুয়ালের পাশাপাশি হাইকোর্টের কয়েকটি বেঞ্চেও শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রম চালু করা হয়। তবে ২০২০ সালের ১২ মার্চের পর শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কার্যক্রমে বসেননি আপিল বিভাগ।  

এ অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টে পুরোপুরিভাবে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ২৯ নভেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে বলা হয়, ১ ডিসেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। 

আপিল-বিভাগ   আদালত  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

তথ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুই মামলা

প্রকাশ: ০৯:৩৯ এএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সম্পর্কে অসত্য তথ্য ও ছবিবিকৃতির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার সূত্রাপুর থানায় ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ওমর ফারুক শিবলু এবং চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: আলী শাহ বাদী হয়ে এ দুইটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দুইটির এজাহারে বলা হয়, গত ২৫ নভেম্বর থেকে ফেইসবুকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সম্পর্কে  অসত্য তথ্য এবং ছবির বিকৃতি ঘটিয়ে কিছু পোস্ট ও শেয়ার দেখা গেছে। এতে মন্ত্রীসহ সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা ও তার সমর্থকদের অনুভূতিতে আঘাত দেয়া হয়েছে। এজাহারে ফেইসবুক পোস্টের বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে যারা এ ধরণের পোস্ট দিয়েছেন, শেয়ার করেছেন এবং লাইকসহ বিরূপ মন্তব্য করেছেন তাদের চিহ্নিত করে আশু আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন জানানো হয়।

তথ্যমন্ত্রী   মামলা   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন