লিভিং ইনসাইড

ঘুমের আগে অতিরিক্ত পানি পানে রয়েছে ঝুঁকি

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail ঘুমের আগে অতিরিক্ত পানি পানে রয়েছে ঝুঁকি

ছোট থেকেই পাঠ্য বইয়ে পড়ে এসেছেন যে, "পানি অপর নাম জীবন"।তবে অতিরিক্ত পানি পানে ঝুঁকিও রয়েছে।  আপনি যদি সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান না করেন, তবে দুর্বল বোধ করতে পারেন, মাথাব্যথা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা অনুভব করতে পারেন। পর্যাপ্ত পানি পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে সর্বদা ভালো, তবে এটির পাশাপাশি ঝুঁকি রয়েছে বলে অতিরিক্ত পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন। প্রতিদিন কমপক্ষে ২ লিটার পানি পানের চেষ্টা করুন। তবে যতটা সম্ভব ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে পানি পান এড়িয়ে চলুন। একটি ভালো মানের ঘুমের জন্য ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে নয়, অন্তত ত্রিশ মিনিট আগে পানি পান করুন।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে পানি পান করা কেন ভালো নয়:

ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগে পানি পান করা আপনার ঘুমচক্রে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। এটি রাতে প্রস্রাবের জন্য আপনার বাথরুমের তাড়া বাড়িয়ে দিতে পারে।

সাধারণভাবে, আমাদের প্রস্রাবের আউটপুট রাতে কমে যায়, যা আমাদের পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা শান্তভাবে ঘুমাতে দেয়। শোবার আগে আপনি যদি এক বা একাধিক গ্লাস পানি পান করেন তবে রাতে আপনার একাধিকবার প্রস্রাব করার তাগিদ থাকতে পারে।

ঘুম ব্যহত হলে পরের দিন মুড সুইং, শরীর জ্বালা, উচ্চ রক্তচাপ, খিটখিটে মেজাজের কারণ হতে পারে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, ৪৫ বছরের বেশি বয়স্ক প্রাপ্ত বয়স্করা যারা রাতে ছয় ঘণ্টারও কম ঘুমাতেন তাদের স্ট্রোকের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঘটনা বেশি।

রাতে পানি পানের উপকারিতা:

রাতের খাবার খাওয়ার পরে এক বা দুই গ্লাস পানি পান করলে তা নানাভাবে স্বাস্থ্যের উপকার করে। ভারি খাবার বা অধিক মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পরে হালকা গরম পানির চেয়ে ভালো আর কিছু নেই। পানি প্রাকৃতিক ক্লিনার হিসাবে কাজ করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সহায়তা করে। এটি হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে রাখে।


পানি   স্বাস্থ্য   টিপস  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

গরমে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

প্রকাশ: ০২:২৯ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail গরমে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

গরমে শরীরের দুর্গন্ধ প্রায় সময়ই মানুষকে অস্বস্থিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি করে। বাইরে কাজে বেরোনো মানেই নিরন্তর ঘাম। কিন্তু কিছুক্ষণ পর একটু ঠান্ডা হলেই পড়তে হয় লজ্জায়। সহকর্মী থেকে শুরু করে বন্ধু-বান্ধপ বা আশেপাশে থাকা মানুষের সামনে পরতে হয় লজ্জায়। চলুন তাহলে জেনে নেই ঘামের দূরগন্ধ দূর করার উপায়।

চলুন দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করা যায়-
রোজ সকালে গোসলের পর একটি তুলা অ্যাপেল সাইডার ভিনিগারে ভিজিয়ে হাত ও বগোলে লাগিয়ে নিন। তাতে সারা দিন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে ঘামের গন্ধ।

বেকিং সোডা অনেকটা অর্দ্রতা শুষে নিতে পারে। তাই প্রতিদিন বেকিং সোডার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন তিন-চার ফোঁটা লেবুর রস। তা দিয়ে যে থকথকে মিশ্রণটি তৈরি হবে, সেটি বগোলে লাগিয়ে তিন মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ঘাম ও ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

গোলাপ পানি একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে প্রতিদিন গোসলের পর লাগাতে পারেন সারা গায়ে। তাতেও ঘাম দূর হবে।

গরম   দূর্গন্ধ   করনীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

গরমে সাদা কাপড় থেকে ঘামের দাগ তুলবেন যেভাবে

প্রকাশ: ১২:২৭ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail গরমে সাদা কাপড় থেকে ঘামের দাগ তুলবেন যেভাবে

গরমে দিনের বেলায় বাইরে সূর্যের প্রখর রোদ। বাইরে বেরলেই ঘামে ভিজে যায় গায়ের পোশাকআশাক। ফলে পোশাকে ঘামের দাগ, দুর্গন্ধ হওয়াটা স্বাভাবিক। বিশেষ করে সাদা পোশাকে ঘামের হলুদ দাগ বসে যায়। অথচ স্কুল-কলেজের বেশিরভাগেরই ইউনিফর্মই সাদা। সেই সঙ্গে বেশ কিছু অফিসেও সাদা পোশাককে প্রাধান্য দেওয়া হয়। সাদা কাপড় থেকে ঘামের দাগ তোলার সহজ একটি উপায় জেনে রাখুন।

উপকরণ:

এক কাপ ভিনেগার,

১/২ কাপ বেকিং সোডা,

এক টেবিল চামচ লবণ,

এক টেবিল চামচ হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড।

পদ্ধতি:

ঘামের দাগ পোশাক থেকে তুলতে প্রথমে ভিনেগার ও হালকা গরম পানি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। সেই পানিতে জামা ভিজিয়ে রাখুন অন্তত ২০ মিনিট। এরপর একটি বাটিতে বেকিং সোডা, লবণ ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার ভিনেগার পানি থেকে জামাটি তুলে অতিরিক্ত পানি চিপে নিন। এবার দাগের জায়গায় মিশ্রণটি লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ঝলমল করছে সাদা জামাটিও। দাগছোপ সব উধাও হয়ে যাবে এই উপায়ে।

গরম   সাদা কাপড়   ঘাম   দাগ   করণীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে খাদ্য তালিকায় রাখুন ১০ খাবার

প্রকাশ: ১১:১৭ এএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail উচ্চ রক্তচাপ কমাতে খাদ্য তালিকায় রাখুন ১০ খাবার

উচ্চ রক্তচাপ (হাই প্রেশার) একটি জটিল শারীরিক সমস্যা। যাদের এই সমস্যা রয়েছে, তাদের নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়। তবে সুস্থ থাকতে খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে। বেশ কিছু খাবার রয়েছে; যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উপকারী ভূমিকা রাখে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু খাবার সম্পর্কে—

>> টক জাতীয় ফল

উচ্চ রক্তচাপ থাকলে খাদ্যতালিকায় টক জাতীয় ফল রাখুন। এসব ফলে ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর থাকে। যা মানুষকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এমনি ফলও খেতে পারেন।

>> ধনে পাতা

সহজলভ্য ধনে পাতাও রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই খাদ্যতালিকায় ধনে পাতা রাখুন। এ ছাড়াও খেতে পারেন বিভিন্ন সবুজ শাক।

>> চিয়া ও তিসির বীজ

ছোট, দানাদার শস্যবীজ চিয়া ও তিসি। এই খাবারের পুষ্টিগুণ কিন্তু কম নয়। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফাইবারের মতো উপকারী উপাদান। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

>> ব্রকোলি

ফ্ল্যাভানয়েডস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে ব্রকোলিতে। এই উপাদানগুলো রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ব্রকোলি খেলে রক্তনালী ও নাইট্রিক অক্সাইডের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

>> গাজর

ক্লোরোজেনিক, পি কিউমেরিক, ক্যাফেইক অ্যাসিডের মতো ফেনোলিক যৌগ রয়েছে গাজরে। রক্তনালিকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে এই উপাদান; এমনকি কমায় প্রদাহ। ফলে কমে রক্তের চাপ।

>> পেস্তা বাদাম

হালকা সবুজ রঙের এই বাদাম রক্তচাপ কমাতে পারে। এতে থাকা বিভিন্ন উপাদান হৃদপিণ্ড ভালো রাখে। উচ্চ রক্তচাপ সমস্যায় ভুগলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কয়েকটি পেস্তা বাদাম রাখতে পারেন।

>> কুমড়ার বীজ

অনেকেই কুমড়া খেলেও, এর বীজ ফেলে দেন। কিন্তু বীজেও ভালো পুষ্টি রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপে ভোগা ব্যক্তিরা কুমড়ার বীজ খেতে পারেন। ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

>> বিনস ও ডাল

প্রোটিন ও ফাইবারের অন্যতম উৎস বিনস ও ডাল। এর অন্যান্য পুষ্টিগুণও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে এমন ব্যক্তিরা বিনস ও ডাল খেতে পারেন। এত অল্প সময়েই ব্লাড প্রেশার কমে।

>> টমেটো

টমেটোতে রয়েছে পটাশিয়াম ও ক্যারোটিনাইলয়েড পিগমেন্ট লাইকোপিন। এই উপাদান হৃদপিণ্ডের জন্য খুব ভালো। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যতালিকায় টমেটো রাখুন।

>> ফ্যাটি ফিশ

মাছের চর্বি দেহের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রক্তচাপ কমাতে স্যালমন ও ফ্যাটি ফিশ খেতে পারেন। মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যা হৃদপিণ্ডের জন্য ভালো। পরিকল্পিত খাদ্যাভ্যাসে দেহ থাকবে সুস্থ এবং রক্তচাপ থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

উচ্চ রক্তচাপ   খাদ্য তালিকা   ১০ খাবার  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

হজ ফরজ হওয়ার পর করণীয়

প্রকাশ: ০৪:২২ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail হজ ফরজ হওয়ার পর করণীয়

সামর্থ্যবান বান্দার ওপর আল্লাহ তাআলা হজ ফরজ করেছেন। হজ আর্থিক ও কায়িক ইবাদত। হজ আদায় করলে আল্লাহ তাআলা বান্দার আগের সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন।

>> যে বছর হজ ফরজ হয়, ওই বছরই তা আদায় করা উচিত। অযথা বিলম্ব করা গুনাহ। হজ একবার ফরজ হলে তা আর কখনো মাফ হয় না। (আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/৫২৮)

>> মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি হজের ইচ্ছা করে সে যেন তা দ্রুত আদায় করে নেয়। কেননা মানুষ কখনো অসুস্থ হয়ে পড়ে, কখনো সম্পদ খরচ হয়ে যায়, কখনো সমস্যার সম্মুখীন হয়। ’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২০৭)

>> হজে যাওয়ার প্রাথমিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর করণীয় হলো, মানুষের অধিকারের প্রতি যত্নবান হওয়া। ঋণ থাকলে তা পরিশোধ করা। ইবাদতে কোনো ত্রুটি থাকলে তা শুধরে নেওয়া। তাওবা-ইস্তিগফার করা। এমন সফরসঙ্গী নির্বাচন করা, যিনি নেককার ও সহযোগিতাকারী। বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির করা। হজের মাসালা-মাসায়েল শেখা। (ফাতাওয়া আলমগিরি : ১/২২০)

>> হজে যাওয়ার সময় নিয়ত বিশুদ্ধ করে নিতে হবে। মহান আল্লাহর হুকুম পালনার্থে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হজ করছি—এমন নিয়ত করতে হবে। লোকে হাজি বলবে, সম্মান দেখাবে, প্রসিদ্ধি অর্জন হবে, ব্যবসা ভালো জমবে, ইলেকশনে ভালো করা যাবে—এ ধরনের মনোভাব নিয়ে হজ করলে সাওয়াব তো হবেই না; বরং লৌকিকতার কারণে গুনাহ হবে। (মুসলিম, হাদিস : ১৯০৫)

>> হজের জন্য যে টাকা খরচ করা হবে, তা হালাল হতে হবে। হজের মধ্যে হারাম টাকা খরচ করাও হারাম। যে হজে হারাম টাকা খরচ করা হয়, সে হজ কবুল হয় না। (রদ্দুল মুহতার : ৩/৫১৯)

হজ   ফরজ   করণীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

যে কারণে মাতৃগর্ভে সন্তানের ডায়াবেটিসের আশঙ্কা থাকতে পারে

প্রকাশ: ০১:০৬ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail যে কারণে মাতৃগর্ভে সন্তানের ডায়াবেটিসের আশঙ্কা থাকতে পারে

মায়ের সুগার স্বাভাবিক থাকলে গর্ভের সন্তানের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। মায়ের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে সুগার বেশি থাকলে প্লাসেন্টারের মাধ্যমে সন্তানের শরীরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের রক্ত গর্ভে শিশু পুষ্ট হয়। ফলে তারও রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ে।

বংশগত ডায়াবেটিস সন্তানেরও হতে পারে। গর্ভের শিশু অপুষ্টিতে ভুগলে দ্রুত তার শরীরে ডায়াবেটিস ডেভেলপ করে। এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং একটু দ্রুত ডেভেলপ করে। ফলে অনাগত সন্তানের সুরক্ষায় কোনোভাবেই ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। সঠিক ডায়াগনোসিস করে চিকিৎসা করতে হবে।

আরেকটি বিষয়, আমাদের কিছু রোগীর ডায়াবেটিস আগে থেকেই জানা। তারা গর্ভবতী হলে বাড়তি যত্ন নিতে হবে। তা না হলে মা ও গর্ভের সন্তানের সমস্যা হতে পারে। টাইপ-১ বা টাইপ-২ যাই হোক না কেন আগ থেকেই সুগারসহ সবকিছু চিকিৎসকের পরামর্শে ঠিক করে তারপর গর্ভধারণ করতে হবে।

প্রেগন্যান্সির চিন্তা করলে মা ডায়াবেটিসের মুখে খাওয়ার ওষুধে অভ্যস্ত থাকলে সেটি বাদ দিতে হবে। ইনসুলিন দিয়ে মাকে এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে কনসিভ করলে কোনো ঝুঁকি না দেখা দেয়। এটি অবশ্যই প্রি-প্ল্যান প্রেগন্যান্সি বা পরিকল্পিত গর্ভধারণ হতে হবে। অনাকাঙ্ক্ষিত হলে ভিন্ন কথা।

মাতৃগর্ভ   সন্তান   ডায়াবেটিস   আশঙ্কা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন