লিভিং ইনসাইড

শীতকালে যে ৩ টি খাবার গরম রাখবে আপনার শরীর

প্রকাশ: ০১:১২ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail শীতকালে যে ৩ টি খাবার গরম রাখবে আপনার শরীর

শীতকালে গরম লাগাটাই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু অতিরিক্ত ঠান্ডার ফলে আবার জ্বর, সর্দি-কাশির সমস্যা হয়ে থাকে বেশি। শীতকালে সবাই এই সমস্যা নিয়ে ভয়ে থাকে যে কখন আবার ঠান্ডা, জ্বর হয়, তাই সকলেই চেষ্টা করে শীতকালে নিজেকে গরম রাখার। অনেকেই এর জন্য মোটা গরম জামা পড়ে। তবে শীতকালে গরম কাপড় ছাড়াও শরীর গরম রাখা যায়। হয়তো আপনারা ভাবতে পারেন গরম কাপড় ছাড়া শীতকালে শরীর গরম রাখার আর কি মাধ্যম আছে!

গরম কাপড় ছাড়াও শীতকালে খাবারের মাধ্যমে শরীর গরম রাখা যায়। এমন কিছু খাবার আছে যা আপনার শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করবে। অনেকেই আছেন যারা শীতে শরীর গরম রাখতে গুড় ও তিল রাখেন পাতে। প্রচণ্ড শীতে শররীর গরম রাখতে এর সাথে আরও ৩টি খাবার রাখতে পারেন। জেনে নিন কোন খাবারগুলো শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়-

আদা : আদায় থাকা পুষ্টিকর উপাদানসমূহ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এটি হজমে তো সাহায্য করেই, পাশাপাশি এর পরিচিতি আছে ডায়াফরেটিক উপাদান হিসাবেও। অর্থাৎ তা দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে।

বাদাম : শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে বাদামও। চিনাবাদাম, কাঠবাদাম, কাজুবাদামসহ খেঁজুরে থাকা পুষ্টিগুণ প্রচণ্ড ঠান্ডাতেও শরীরকে রাখে গরম। তাই শীতে নিয়মিত খেতে পারেন বাদাম।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুতে থাকে প্রচুর ফাইবার। ফলে এটি পরিপাক হয় বেশ ধীর গতিতে। স্বাভাবিকভাবেই যেসব খাদ্য উপাদান ধীর গতিতে পরিপাক হয়, সেগুলো দীর্ঘক্ষণ শরীরকে রাখে গরম।

শীতকাল   টিপস  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

ঠোঁট ছাড়াও বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে পারেন লিপিস্টিক

প্রকাশ: ০৯:১২ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail ঠোঁট ছাড়াও বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে পারেন লিপিস্টিক

মেয়ে তবে সাজগোজ পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। বেশিরভাগ মেয়ে/নারীদেরই পছন্দ। আর এই সাজগোজের মধ্যে প্রধান জিনিসটি হলো লিপিস্টিক। অনেক ভারি মেক-আপ না করলেও ঠোঁটে লিপিস্টিক থাকা চাই-ই-চাই। তবে লিপিস্টিক যে শুধু ঠোঁটেই ব্যাবহার করা যায় এমন টা না। এর বাইরেও রয়েছে লিপিস্টিকের বিভিন্ন ব্যাবহার। 

তাহলে চলুন জেনে নেই বিভিন্নভাবে লিপিস্টিক কিভাবে ব্যাবহার করা যায়-

>> ত্বকের দাগ ঢাকতে ব্যবহার করতে পারেন লিপস্টিক। ত্বক উজ্জ্বল হলে কালার কারেক্টর হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন পিচ অথবা কোরাল কালারের লিপস্টিক।

>> ত্বক অপেক্ষাকৃত কম উজ্জ্বল হলে কমলা রঙের লিপস্টিক বযবহার করুন। যেখানে দাগ রয়েছে সেখানে লিপস্টিক লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর ফাউন্ডেশন বা কনসিলার লাগিয়ে নিন।

>> জমকালো মেকআপের সঙ্গে ক্রিম কনটুরিং করে নিতে পারে। যদি ডার্ক কালারের কনসিলার না থাকে, তবে ডার্ক কালারের লিপস্টিকটাই ব্যবহার করুন।
কনটুরিং এরিয়াগুলোতে ডার্ক ব্রাউন লিপস্টিকটি লাগিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। উজ্জ্বল দেখাবে সাজ।

>> অনেক সময় লিপস্টিক ভেঙে যায়। এ ধরনের লিপস্টিক দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন লিপবাম। একটি পাত্রে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি নিয়ে ভেঙে যাওয়া লিপস্টিক টুথপিক দিয়ে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ফ্রিজে রেখে দিন। প্রয়োজন মতো বের করে ব্যবহার করুন লিপবাম হিসেবে।

>> ব্লাশার হিসেবে ব্যবহার করা যায় লিপস্টিক। অল্প লিপস্টিক আঙুলে লাগিয়ে ত্বকে ব্লেন্ড করে নিন।

সাজগোজ   লিপিস্টিক   ব্যাবহার  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

গরমে আরামদায়ক ঘুমের জন্য যা করণীয়

প্রকাশ: ০৪:০৩ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail গরমে আরামদায়ক ঘুমের জন্য যা করণীয়

কর্মব্যস্ত জীবনে সারদিন বাইরে অকালন্ত পরিশ্রম করে এসে ক্লান্তি কাটাতে রাতে নির্বিঘ্নে পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। যদি সঠিভাবে ঘুম না হয় তাহলে এর প্রভাব পড়ে শরীর ও মনে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সাত-আট ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। কিন্তু গরমে অনেকের ঘুমে বিঘ্ন ঘটে। যারা সামর্থ্যবান, তারা কিনছেন এয়ার কন্ডিশন। তাতে শরীর ও পরিবেশের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এয়ার কন্ডিশন ছাড়াও গরমে আরামদায়ক ঘুমের জন্য যা করবেন—

ঘর পরিবর্তন

ঘুমের সময় শরীরের তাপমাত্রা খানিকটা কম হওয়া দরকার। শোবার ঘরের তাপমাত্রা ১৬-২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকাই উত্তম। বাড়ির মধ্যে যে কক্ষে রোদ কম পড়ে, গরমের সময়ে সেটি শোবার ঘর হিসেবে ব্যবহার করুন। এ রকম যদি সম্ভব না হয় তাহলে সেক্ষেত্রে করা যেতে পারে আরও কিছু কাজ।

ঘর অন্ধকার রাখা

গরমের সময় শোবার ঘর অন্ধকার রাখুন। এ সময় জানালা-দরজায় এমন পর্দা ব্যবহার করুন যার ভেতর দিয়ে আলো কম প্রবেশ করে। ভারী ও মোটা পর্দা এ সময় ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। পর্দার দুটি ভাগ থাকলে প্রয়োজন মতো ছড়িয়ে বা গুটিয়ে রাখতে পারবেন।

বাতাস চলাচল

ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না করলে স্বস্তি মিলবে না। গরমের সময় বিকেলের দিকে জানালা খুলে রাখার চেষ্টা করুন। মশা বা অন্যান্য পোকার উপদ্রব থাকলে জানালায় নেট লাগিয়ে নেওয়া যেতে পারে। দুপুরের দিকে জানালা খোলা রাখলে আলো রোধ করার জন্য ভারী পর্দা টেনে দিতে পারেন।

শোবার ঘরের সাজ

শোবার ঘরে আসবাব যত কম রাখা যায়, ততই ভালো। এতে ঘরে আলো-বাতাস চলাচল বাড়বে। বিছানায় বাড়তি বালিশ থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন। বিছানায় হালকা রঙের সুতির চাদর ব্যবহার করুন। ঘরের সাজে রাখুন কিছু ইনডোর প্লান্ট। এতে দেখতে সুন্দর লাগবে এবং ঘরের পরিবেশও সতেজ থাকবে।

আলো নিভিয়ে রাখুন

প্রয়োজন না থাকলে ঘরের বাতি বন্ধ করে রাখুন। এতে চোখে প্রশান্তি লাগবে এবং ঘরের পরিবেশও ঠান্ডা থাকবে। বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার সময় ঘর যেন অন্ধকার থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

নিজেকে শীতল রাখবেন

গরমে নিজেকে ভেতর থেকে শীতল রাখার জন্য কিছু কাজ করতে হবে। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোসল করে নিতে পারেন। এতে আরাম লাগবে। নিয়মিত মেডিটেশন, ধর্মীয় প্রার্থনা করুন। এতে মানসিক প্রশান্তি থাকবে। অস্থিরতা কম হবে। ল্যাভেন্ডারের মতো অ্যাসেনসিয়াল তেল বালিশের তুলোয় দিয়ে রাখলে ঘুম ভালো হতে পারে। চা, কফি খুব বেশি খাবেন না। হালকা রঙের সুতির পোশাক পরবেন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

রাত   ঘুম   করণীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

নিয়মিত করোলা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি

প্রকাশ: ১০:২৮ এএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail নিয়মিত করোলা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি

করলা তেতো হলেও অনেকের প্রিয়। করলা রুচিবর্ধক সবজি। ভাজি, ভর্তা, ব্যাঞ্জনে করলার অনেক কদর। চিংড়ি সহযোগে ভাজি, ডালের সঙ্গে রান্না কিংবা মুচমুচে ভাজা-রান্না যেভাবেই হোক করলা স্বাদের। গরম ভাতে আলু-করলা ভাজি খাবারকে আনন্দদায়ক করে তোলে।

স্বাস্থ্যের জন্য এই সবজির উপকারী গুণও কম নয়। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত করলা রাখুন। করলার ঔষধি গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। নিয়মিত করলা খেলে রোগবালাই দূরে পালাবে।

করলার পুষ্টিমান ও কেন নিয়মিত করলা খাবেন: গরমে স্বস্তি দেয় করলা; সঙ্গে শরীর সুস্থ রাখবে। প্রতি ১০০ গ্রাম করলায় ২৮ কিলোক্যালরি, ৯২ দশমিক ২ গ্রাম জলীয় অংশ, ৪ দশমিক ৩ গ্রাম শর্করা, ২ দশমিক ৫ গ্রাম আমিষ, ১৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম লোহা ও ৬৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আছে।

কেন নিয়মিত করলা খাবেন

করলা উচ্চরক্তচাপ ও চর্বি কমায়। এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক ও চুল ভালো রাখে। বার্ধক্য ঠেকিয়ে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
হিমোগ্লোবিন তৈরি করে রক্তের উপাদান বাড়াতে করলার জুড়ি মেলা ভার। রক্তশূন্যতায় ভুগছেন এমন রোগীদের জন্য উত্তম পথ্য করলা।
এটি ভাইরাস ও কৃমিনাশক হিসেবেও কাজ করে।

>> করলার রস শক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে। স্ট্যামিনা বাড়ানোর পাশাপাশি ভালো ঘুম হতেও সহায়তা করে।

>> পানির সঙ্গে মধু ও করলার রস মিশিয়ে খেলে অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, শ্বাসরোগ ও গলার প্রদাহে উপকার পাওয়া যায়।

>> করলায় রয়েছে রক্তে চিনি কমানোর উপাদান। ডায়াবেটিস রোগীরা রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত করলা খেতে পারেন।

>> করলা হজমপ্রক্রিয়ার গতি বাড়ায়। কোষ্ঠকাঠিন্য ও পরিপাকতন্ত্রের জটিলতা কমাতে নিয়মিত করলা খেতে পারেন।

>> করলা শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

করোলা   স্বাস্থ্য   উপকারি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

'দিনের শুরুটার উপরই কিন্তু নির্ভর করে সম্পূর্ণ দিন'

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail 'দিনের শুরুটার উপরই কিন্তু নির্ভর করে সম্পূর্ণ দিন'

একটা সুন্দর সকাল আপনাকে উপহার দিবে একটা সুন্দর সারাদিন।  কথায় আছে, 'Morning shows the day' দিনের শুরুটার উপরই কিন্তু নির্ভর করে পুরো দিনটা কেমন যাবে। আপনি খেয়াল করে দেখবেন সকালের শুরুটাই যদি খারাপ হয় তাহলে দিনের সসম্পূর্ণ সময়ই খারাপ যায়। সারাদিনের সকল কাজের ভেতরে আমাদের মস্তিষ্কে আটকে থাকে সেই সকালের খারাপ সময়টা। আর সারাদিনের কাজে এর প্রভাব পড়তে থাকে এবং সারাটাদিন আমাদের খারাপ চলতে থাকে। মানসিক ও শারীরিক কোনরকম প্রশান্তিই পাওয়া যায় না। সকালের কয়েকটা মিনিটের কাজের উপরই নির্ভর করে আপনার পুরো দিনটি কতটুকু সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ হবে। আর কিছু সহজ অভ্যাস আপনার দিনটিকে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে। চলুন তাহলে জেনে নেই আমরা সকালের শুরুটা কিভাবে করতে পারি, জেনে নেই কিছু সহজ উপায়- 

সময়ের আগে ঘুম থেকে উঠুন

অনেকেই আছেন যে তাড়াহুড়ো করে ঘুম থেকে উঠে কোনভাবে তৈরি হয়েই কাজে বেড়িয়ে যান। এই তাড়াহুড়ায় নাস্তা করার সময়টুকুও পান না, নিজে অগোছালো বিছানা গুছাবেন কখন! 

সকালটাই যদি এইভাবে তাড়াহুড়োয় অগুছালোভাবে শুরু হয় তাহলে সারাদিনই মন মেজাজ খিটখিটে থাকে। আর সারাদিন পর বাসায় ফিরে অগুছালো বাসা দেখেন তখন অবশ্যই মন মেজাজ আরও খারাপ থাকে। তাই সময়ের আগে ঘুম থেকে উঠে গুছিয়ে, পরিপাটি হয়ে এবং নাস্তা সেরে বাসা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করুন।  দেখবেন সারাটাদিন যেমন সুন্দর আর সতেজ যাবে, তেমনি দিন শেষে কাজ থেকে বাসাত ফিরে গুছালো বাসা দেখে আরও ভালো লাগবে৷ একটু হলেও একটা শান্তি শান্তি অনুভূতি হবে 

ঘুম থেকে উঠেই সব ধরনের ডিভাইস এড়িয়ে চলুন

বর্তমান সময়ে আমরা ঘুম থেকে উঠেই সর্বপ্রথম যে কাজটি করি সেটা হলো,  হাতের কাছে বা মাথার কাছে রাখা ডিভাইস বা স্মার্টফোনটি হাতে নিই আর ইমেইল চেক করি, না হয় সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং করি। এতে নানারকম নেতিবাচক খবর বা চিন্তাভাবনা দিয়ে দিনটা শুরু হয়। তাই ঘুম থেকে ওঠার পর অন্তত ১৫ মিনিট সবরকম টেকনোলজি থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

হাসুন ও ইতিবাচক চিন্তা করুন

বিছানা ছেড়ে উঠে মাথার কাছে রাখা ডিভাইসটি চেক না করে কিছুক্ষন হাসার চেষ্টা করুন। আপনি যখন হাসেন তখন আপনার শরীরে ডোপামিন, সেরোটনিন, এন্ড্রোফিন নামক কিছু হরমোন নিঃসৃত হয়। এসব হরমোন আমাদের মুড ভালো রাখে, শরীরকে রাখে তাজা এবং হার্ট রেট কমায়। তাই চেষ্টা করবেন সকালটা একটা সুন্দর হাসি দিয়ে শুরু করতে। সকালের শুরুর সুন্দর হাসির সাথে রাখুন ইতিবাচক চিন্তাভাবনা। মনে মনে আজকের দিনটির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। গবেষনায় দেখা গেছে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অভ্যাস স্ট্রেস হরমোন কমায়, মুড ভালো রাখে। তাই সকালে ঘুম ভাঙার পর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অভ্যাস করুন।

পানি পান করুন

সারারাত ঘুমের পর এক গ্লাস পানি আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড করবে। তাই বিছানা থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করুন।  যদি হালকা উষ্ণ পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করেন তা আপনার শরীরের টক্সিন দূর করে পরিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি করবে। তাই ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমের পর এক গ্লাস পানি পান করা আপনার শরীরের জন্য খুব জরুরি।

একটি আরামদায়ক গোসল নিন

রাতের যত্ন তো নিয়েছেন, তাই বলে সকালের গোসলটিকে কম গুরুত্ব দেয়া যাবে না। দিনের শুরুটা একটি আরামদায়ক গোসল দিয়ে শুরু করলে দেখবেন সারাদিন একটি ফ্রেশ অনুভুতি কাজ করছে। সকালে গোসল করা যাদের পক্ষে সম্ভব নয় তারা অন্তত দাঁত ব্রাশ করে ভালো কোন ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। সাথে হাত ও পা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। মুখ ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজের লাগাতে ভুলবেন না।

ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন

সারারাত ঘুমের পর শরীরের পেশীকে সচল করতে ব্যায়াম খুব জরুরি।হতে পারে এটি ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়াম, ইয়োগা বা জগিং। সকালে হাতে কিছু সময় রাখুন শুধুমাত্র ব্যায়াম করার জন্য। শরীরকে সারাদিনের জন্য প্রস্তুত করতে এর চেয়ে অতুলনীয় পন্থা আর নেই।  ইয়োগা আপনার শরীরের সাথে মনের সংযোগ স্থাপন করে এবং মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।

স্বাস্থ্যকর ও ভারী নাস্তা

অন্য বেলার খাবারের চেয়ে সকালের নাস্তাটি হওয়া চায় ভারি ও স্বাস্থ্যকর। সারারাত না খেয়ে থাকার পর আমাদের শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে যায়। মস্তিষ্কের সচলতার জন্য গ্লুকোজ খুব জরুরি। সকালের নাস্তা মস্তিষ্ককে সারাদিনের জন্য তৈরি করে। তাই কোনভাবেই সকালের নাস্তা বাদ দেয়া যাবে না।

এবার আগের রাতে তৈরি করে রাখা কাজের লিস্ট অনুযায়ী কাজ শুরু করুন। অ্যাপেলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের একটি সাক্ষাৎকারে দেখেছিলাম তিনি বলেছেন, প্রতিদিন সকালে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি নিজেকে একটি প্রশ্ন করেন। তা হলো, “যদি আজ আমার জীবনের শেষদিন হতো তাহলে কি আমি তাই করতাম যা আমি আজ করার প্ল্যান করেছি?” এই প্রশ্নটি নিজের জীবনে কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন। আপনার প্রতিদিনের কাজের লিস্ট তৈরিতে এটি সাহায্য করবে।


সকাল   ইতিবাচক   ফ্রেশ   প্রশান্তি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

প্রাকৃতিকভাবে শরীরের ব্যথা দূর করতে যেসব খাবার খাবেন

প্রকাশ: ০২:১৪ পিএম, ২৩ মে, ২০২২


Thumbnail প্রাকৃতিকভাবে শরীরের ব্যথা দূর করতে যেসব খাবার খাবেন

অনেকেই শরীরে কোথাও ব্যথা হলেই ব্যথানাশক ওষুধ খান। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘন ঘন ব্যথানাশক ওষুধ শরীরের জন্য ভালো নয়। বরং মাথাব্যথা এবং পিরিয়ড ক্র্যাম্প থেকে শুরু করে, দাঁতে ব্যথা, গ্যাসের পেট ব্যথা দূর করতে কিছু কিছু খাবার বেশ উপকারী—

আনারস
আনারসে থাকা ব্রোমেলাইন উপাদান পেটের ফোলাভাব, গ্যাস এবং এমনকি দাঁতের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এই প্রাকৃতিক রাসায়নিক উপাদান ওজন এবং প্রদাহ কমাতেও ভূমিকা রাখে।

ব্লুবেরি
ব্লুবেরি শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এতে ব্যথা উপশমকারী বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। ছোট ছোট বেরিতে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট উপাদান প্রদাহ কমাতে পারে এবং পেশিগুলিকে শিথিল করে। নিয়মিত ব্লুবেরি খেলে মূত্রাশয় এবং মূত্রনালীর সংক্রমণ কমে।

আদা
আদা প্রাকৃতিকভাবে পেশি প্রশমিত করতে সাহায্য করে। শুধু আঘাত নয়, আদা গুরুতর পিরিয়ড ক্র্যাম্প কমাতেও সাহায্য করতে পারে। আদায় থাকা স্যালিসিলেট নামক একটি যৌগ স্যালিসিলিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়, যা ব্যথা এবং অস্বস্তি কমায়। আদা খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় চায়ের সাথে।

হলুদ
হলুদে থাকা প্রদাহ বিরোধী এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য অভ্যন্তরীণ ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করে। অভ্যন্তরীণ ক্ষত নিরাময়ে হলুদ দুধ খেতে পারেন। হলুদে থাকা কারকিউমিন উপাদান বাহ্যিক ফোলাভাব বং অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমায়।

চেরি
চেরিতে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন নামক একটি সক্রিয় যৌগ অল্প সময়ের মধ্যেই শরীরের সাধারণ ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। এজন্য কমপক্ষে ২০-২৫ চেরি খেতে হবে। চেরি মাথা ব্যথা এবং এমনকি জয়েন্টে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। চেরি ভালো করে ধোওয়ার পর কাঁচা খাওয়া ভালো।

লবঙ্গ
সব ধরনের দাঁত ও মাড়ির ব্যথার জন্য লবঙ্গ উপকারী। দাঁতে ব্যথা হলে শুধু একটি লবঙ্গ চিবিয়ে ব্যথাযুক্ত দাঁতের নিচে চেপে রাখুন। এতে উপকার পাবেন।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন