লিভিং ইনসাইড

ঘন চুল পেতে যেসব খাবার খাবেন

প্রকাশ: ০১:১১ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail ঘন চুল পেতে যেসব খাবার খাবেন

ঘন চুল পেতে সঠিক যত্ন নেয়া প্রয়োজন। ভালো মানের তেল ও শ্যাম্পু ব্যবহার করা জরুরি। চুল ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখার উপরেও বিশেষ যত্ন নেয়া প্রয়োজন। সেইসঙ্গে সুষম খাবারও খেতে হবে।

অনেকেরই চুল পাতলা হয়ে যাওয়া কিংবা ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এই ধরনের সমস্যার সমাধানের জন্য বাজারে বিভিন্ন ধরনের হেয়ার প্রোডাক্ট যেমন তেল, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার ইত্যাদি পাওয়া যায়। এসব ব্যবহারে সাময়িক উপকার হলেও সম্পূর্ণ সমস্যার সমাধান হয় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় শুধু কসমেটিক পণ্য নয়, ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাসও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে চুলেও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন এ, সি, ডি, ই, প্রোটিন, জিঙ্ক ও আয়রনের মতো উপাদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো চুলকে রাখে সজীব। দেখে নেয়ে যাক নিয়মিত খাদ্য তালিকায় কোন কোন খাবার রাখলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
 
ডিম: চুলের জন্য ডিমের পুষ্টি খুব প্রয়োজন। ডিমে থাকে প্রোটিন ও বায়োটিন। এছাড়াও ডিমে জিঙ্ক, সেলেনিয়াম রয়েছে। প্রতিদিন নিয়ম মেনে খাবারের তালিকায় ডিম রাখলে চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি হয়। চুল আরও মজবুত হয়।

পালং শাক: পালং শাকের বিভিন্ন স্বাস্থ্যগুণ আমরা সবাই জানি। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, আয়রন রয়েছে এতে। যার কারণে চুল পড়ার সমস্যা প্রতিরোধ করতে এবং চুল ঘন ও মজবুত করে তুলতে সাহায্য করে পালং শাক।

মাছ: চুলের স্বাস্থ্য ভালো চাইলে প্রতিদিন ডায়েটে মাছ রাখা আবশ্যক। মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আমাদের চুল পড়া রোধ করে। চুলের উজ্জ্বলতা ও ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।

ওটস: জিংক, ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন ও পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে ওটসে। প্রতিদিন এক বাটি ওটস খেলে চুল ঘন ও মজবুত হয়।

বাদাম: প্রতিদিন একমুঠো বাদাম খেলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেল। এগুলো চুলের গঠনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। চুলের বৃদ্ধিকেও ত্বরান্বিত করে বাদাম।

লেবুজাতীয় ফল: লেবুর মধ্যে থাকে প্রচুর ভিটামিন সি। যথেষ্ট ভিটামিন সি না খেলে কিন্তু আয়রন যথাযথভাবে শোষণ করতে পারবে না আপনার শরীর। চুলের গোড়া শক্তপোক্ত রাখার জন্য প্রয়োজন কোলাজেন, তার উৎপাদনের জন্য ভিটামিন সি একান্ত প্রয়োজনীয়।

ঘন চুল   টিপস  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

ঘরে বসে সহজেই বানিয়ে ফেলুন লিচুর জুস

প্রকাশ: ০২:১৬ পিএম, ১৮ মে, ২০২২


Thumbnail ঘরে বসে সহজেই বানিয়ে ফেলুন লিচুর জুস

গরমকাল টা বলা যায় ফলের মৌসুম। কারণ গরমেই যত বাহারি ফলের দেখা পাওয়া যায় বাজারে। যার মধ্যে লিচু একটি। লিচু প্রায় সকলেরই পছন্দের ফল। তবে লিচু খালি খাওয়ার পাশাপাশি এটি দিয়ে নানা ধরনের খাবারও তৈরি করে খাওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম সহজ রেসিপি হলো লিচুর জুস। এই গরমে প্রাণ জুড়াতে বাইরে থেকে জুস বা পানীয় কিনে না খেয়ে ঘরেই তৈরি করে খান লিচুর জুস। চলুন জেনে নেওয়া যাক লিচুর জুসের তৈরির রেসিপি-

তৈরি করতে যা লাগবে

লিচু- ১০-১২টি

চিনি- ১ টেবিল চামচ

লবণ- ১ চা চামচ

গোলমরিচ গুঁড়া- ৩/৪ চা চামচ

লেবুর রস- ১ চা চামচ

পানি- ১ কাপ।

যেভাবে তৈরি করবেন

লিচুর খোসা ও বিচি বাদ দিন। এরপর সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। গ্লাসে ঢেলে ফ্রিজে রাখুন কিছুক্ষণের জন্য। বের করে পরিবেশন করুন ঠান্ডা ঠান্ডা লিচুর শরবত। চাইলে পরিবেশনের আগে সামান্য বরফ কুচিও ছড়িয়ে দিতে পারেন।

লিচু   জুস   রেসিপি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

গরমে গলা ব্যথা হলে করণীয়

প্রকাশ: ০১:৩৯ পিএম, ১৮ মে, ২০২২


Thumbnail গরমে গলা ব্যথা হলে করণীয়

গরমে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যার মধ্যে সর্দি-কাশি ও গলাব্যথা অন্যতম। এ সময় কখনো অতিরিক্ত গরম আবার কখনো বৃষ্টি কিংবা ঝড়ো হাওয়া সব মিলিয়ে আবহাওয়া বারবার পরিবর্তন হওয়ায় শরীরে এর প্রভাব পড়ে। তাই এ সময় সতর্ক থাকা জরুরি। না হলে ভাইরাল অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

করোনাভাইরাসের পাশাপাশি ফ্লু ভাইরাসের কথাও কিন্তু এখন ভুলে গেলে চলবে না! ফ্লু ভাইরাসে আক্রান্ত হলে গলা ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। তাই নিয়মিত মাস্ক পরুন ও সতর্ক থাকুন।

তবেই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া হয়ে যাবে সম্ভব। তবে এ সময় গলাব্যথা হলে বেশ কয়েকটি ঘরোয়া উপায় মেনে সহজেই তা সারাতে পারেন। জেনে নিন করণীয়-

>> গলাব্যথার ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী এক উপাদান হলো মধু। এতে প্রদাহবিরোধী উপাদান আছে। এছাড়়া ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করারও ক্ষমতা আছে মধুর। তাই গলা ব্যথা হলে গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করুন। এতে স্বস্তি মিলবে।

>> আদার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গলাব্যথা সারায়। এক্ষেত্রে আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। রস করেও খাওয়া যায়। আবার আদা চা পান করলেও সুফল মিলবে।

>> লবঙ্গও সাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষ করে প্রদাহ কমাতে লবঙ্গ বেশ কার্যকরী। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅ্যালার্জিক ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতা কমাতে পারে গলাব্যথা। তাই মুখে লবঙ্গ রাখলে উপকৃত হবেন।


>> গলাব্যথা সারাতে গরম ডালও বেশ উপকারী। একই সঙ্গে ডালের মধ্যে থাকা প্রোটিন ইমিউনিটি বাড়াতে পারে।

>> গ্রিন টির স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সবারই জানা। এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা শরীরের বিভিন্ন প্রদাহ সারায়। তাই গলাব্যথা সারাতে গ্রিন টি পান করতে পারেন।

গরম   গলা ব্যথা   করণীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

আমের খোসায় রয়েছে একধিক স্বাস্থ্যগুণ

প্রকাশ: ১০:৪৫ এএম, ১৮ মে, ২০২২


Thumbnail আমের খোসায় রয়েছে একধিক স্বাস্থ্যগুণ

আমের ভরা মৌসুম। আম প্রায় বেশিরভাগ মানূষের একটি পন্দের ফল। আম ভালোবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। হোক কাঁচা কিংবা পাকা। আমের শাঁসালো অংশ খেয়ে আঁটি আর খোসা আমরা ফেলে দিই। কিন্তু আমের খোসাও পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ; এটা অনেকেই জানে না। আমের খোসায় ভিটামিন এ, সি, ই ও বি৬ এবং পটাশিয়ামের মতো মিনারেল রয়েছে। শুধু তাই নয়, আমের খোসা অ্যান্টি–অক্সিড্যান্ট ও ফাইবারেরও দারুণ উৎস। এসব উপাদান আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

আমের খোসায় রয়েছে ভিটামিন সি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি কতটা কার্যকরী, তা আমরা সকলেই জানি।

>> হার্ট ভাল রাখে

হৃদরোগ থেকে রক্ষা পেতে আমের খোসা দারুণ কার্যকরী একটি ফল। গবেষণা অনুযায়ী, আমের খোসা ক্যারোটিনয়েড এবং ফেনোলিক্সের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ শরীরকে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। ফলে স্থূলতা কমায়, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডিসলিপিডেমিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।


>> ওজন কমায়

আমের খোসায় পেকটিন ফাইবারও পাওয়া। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

>> ত্বক ও চুলের জন্য ভালো

আমের খোসা, বিশেষ করে পাকা আম ভিটামিন ই-তে পরিপূর্ণ। ত্বক ও চুল ভালো রাখতে এই ভিটামিন খুবই কার্যকর। ইউভি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে, ত্বকে বার্ধক্যের লক্ষণ এবং প্রদাহও দূর করে। এছাড়াও, আমের খোসা চুলের বৃদ্ধি এবং স্ক্যাল্প ভালো রাখতে অত্যন্ত সহায়ক।

>> ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

আমের খোসায় রয়েছে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এতে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক বৈশিষ্ট্যেও রয়েছে। যা শরীরে গ্লুকোজের মাত্রার আকস্মিক বৃদ্ধি রোধ করে এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতি থেকেও বাঁচায়। পাশাপাশি আম শরীরে ইনসুলিন উৎপাদনে সাহায্য করে, ফলে গ্লুকোজের মাত্রাও নিয়ন্ত্রিত হয়।

আমের খোসার নানাবিধ উপকারী দিক থাকলেও, এটি গ্রহণে সতর্ক হতে হবে। অনেক সময় পোকামাকড় থেকে রক্ষার জন্য আমে কীটনাশক স্প্রে করা হয়। তা ছাড়া অসাধু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করেন। এসব উপাদান আমের খোসায় দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে। এ ধরনের সমস্যা থেকে বাঁচতে সবচেয়ে সহজ সমাধান হলো জৈবিক উপায়ে উৎপন্ন আম খাওয়া; যেখানে কোনো রকম কীটনাশক ব্যবহার করা হয়নি।

আর বাজারের আমের খোসা খেলেও তার খোসা ভালোভাবে পানিতে ভিজিয়ে রেখে রাসায়নিক ও জীবাণুমুক্ত করে নেওয়া উচিত। এ ছাড়া আমের খোসায় যদি কারও অ্যালার্জি থাকে, তাহলে তার জন্য এটি এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম।

আম   খোসা   পুষ্টি ও স্বাস্থ্যগুণ  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

গরমে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

প্রকাশ: ০২:২৯ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail গরমে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

গরমে শরীরের দুর্গন্ধ প্রায় সময়ই মানুষকে অস্বস্থিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি করে। বাইরে কাজে বেরোনো মানেই নিরন্তর ঘাম। কিন্তু কিছুক্ষণ পর একটু ঠান্ডা হলেই পড়তে হয় লজ্জায়। সহকর্মী থেকে শুরু করে বন্ধু-বান্ধপ বা আশেপাশে থাকা মানুষের সামনে পরতে হয় লজ্জায়। চলুন তাহলে জেনে নেই ঘামের দূরগন্ধ দূর করার উপায়।

চলুন দেখে নেওয়া যাক কী ভাবে ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণ করা যায়-
রোজ সকালে গোসলের পর একটি তুলা অ্যাপেল সাইডার ভিনিগারে ভিজিয়ে হাত ও বগোলে লাগিয়ে নিন। তাতে সারা দিন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে ঘামের গন্ধ।

বেকিং সোডা অনেকটা অর্দ্রতা শুষে নিতে পারে। তাই প্রতিদিন বেকিং সোডার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন তিন-চার ফোঁটা লেবুর রস। তা দিয়ে যে থকথকে মিশ্রণটি তৈরি হবে, সেটি বগোলে লাগিয়ে তিন মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ঘাম ও ঘামের গন্ধ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

গোলাপ পানি একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে প্রতিদিন গোসলের পর লাগাতে পারেন সারা গায়ে। তাতেও ঘাম দূর হবে।

গরম   দূর্গন্ধ   করনীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

গরমে সাদা কাপড় থেকে ঘামের দাগ তুলবেন যেভাবে

প্রকাশ: ১২:২৭ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail গরমে সাদা কাপড় থেকে ঘামের দাগ তুলবেন যেভাবে

গরমে দিনের বেলায় বাইরে সূর্যের প্রখর রোদ। বাইরে বেরলেই ঘামে ভিজে যায় গায়ের পোশাকআশাক। ফলে পোশাকে ঘামের দাগ, দুর্গন্ধ হওয়াটা স্বাভাবিক। বিশেষ করে সাদা পোশাকে ঘামের হলুদ দাগ বসে যায়। অথচ স্কুল-কলেজের বেশিরভাগেরই ইউনিফর্মই সাদা। সেই সঙ্গে বেশ কিছু অফিসেও সাদা পোশাককে প্রাধান্য দেওয়া হয়। সাদা কাপড় থেকে ঘামের দাগ তোলার সহজ একটি উপায় জেনে রাখুন।

উপকরণ:

এক কাপ ভিনেগার,

১/২ কাপ বেকিং সোডা,

এক টেবিল চামচ লবণ,

এক টেবিল চামচ হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড।

পদ্ধতি:

ঘামের দাগ পোশাক থেকে তুলতে প্রথমে ভিনেগার ও হালকা গরম পানি একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। সেই পানিতে জামা ভিজিয়ে রাখুন অন্তত ২০ মিনিট। এরপর একটি বাটিতে বেকিং সোডা, লবণ ও হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার ভিনেগার পানি থেকে জামাটি তুলে অতিরিক্ত পানি চিপে নিন। এবার দাগের জায়গায় মিশ্রণটি লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ঝলমল করছে সাদা জামাটিও। দাগছোপ সব উধাও হয়ে যাবে এই উপায়ে।

গরম   সাদা কাপড়   ঘাম   দাগ   করণীয়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন