লিভিং ইনসাইড

যে কারণে মাতৃগর্ভে সন্তানের ডায়াবেটিসের আশঙ্কা থাকতে পারে

প্রকাশ: ০১:০৬ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail যে কারণে মাতৃগর্ভে সন্তানের ডায়াবেটিসের আশঙ্কা থাকতে পারে

মায়ের সুগার স্বাভাবিক থাকলে গর্ভের সন্তানের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। মায়ের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে সুগার বেশি থাকলে প্লাসেন্টারের মাধ্যমে সন্তানের শরীরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের রক্ত গর্ভে শিশু পুষ্ট হয়। ফলে তারও রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ে।

বংশগত ডায়াবেটিস সন্তানেরও হতে পারে। গর্ভের শিশু অপুষ্টিতে ভুগলে দ্রুত তার শরীরে ডায়াবেটিস ডেভেলপ করে। এটি টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং একটু দ্রুত ডেভেলপ করে। ফলে অনাগত সন্তানের সুরক্ষায় কোনোভাবেই ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। সঠিক ডায়াগনোসিস করে চিকিৎসা করতে হবে।

আরেকটি বিষয়, আমাদের কিছু রোগীর ডায়াবেটিস আগে থেকেই জানা। তারা গর্ভবতী হলে বাড়তি যত্ন নিতে হবে। তা না হলে মা ও গর্ভের সন্তানের সমস্যা হতে পারে। টাইপ-১ বা টাইপ-২ যাই হোক না কেন আগ থেকেই সুগারসহ সবকিছু চিকিৎসকের পরামর্শে ঠিক করে তারপর গর্ভধারণ করতে হবে।

প্রেগন্যান্সির চিন্তা করলে মা ডায়াবেটিসের মুখে খাওয়ার ওষুধে অভ্যস্ত থাকলে সেটি বাদ দিতে হবে। ইনসুলিন দিয়ে মাকে এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে কনসিভ করলে কোনো ঝুঁকি না দেখা দেয়। এটি অবশ্যই প্রি-প্ল্যান প্রেগন্যান্সি বা পরিকল্পিত গর্ভধারণ হতে হবে। অনাকাঙ্ক্ষিত হলে ভিন্ন কথা।

মাতৃগর্ভ   সন্তান   ডায়াবেটিস   আশঙ্কা  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

আলুর গুণেই সমাধান ৩ সমস্যার

প্রকাশ: ১১:০৭ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail আলুর গুণেই সমাধান ৩ সমস্যার

পরিচিত একটা সবজি আলু। ঘরে কিছু থাকুক আর না থাকুক আলু থাকবেই। আলু ছাড়া বাঙালির রান্না যেনো অসম্পূর্ণই রয়ে যায়। বাঙালি রান্নায় আলু যে স্বাদ বাড়ায়, সে কথা অতি আলোচিত। এখন তো এমনও বহু বাঙালি আছেন, যাঁরা আলু না পড়লে সে খাবার মুখেই তোলেন না। কিন্তু আলুর আরও অনেক ধরনের গুণ আছে। সে দিকেও তো নজর দিতে হয়।

ঘরে যেমন আর কোনও সবজি না থাকলে শুধু আলুই বাঁচিয়ে দিতে পারে, তেমন আরও কিছু সমস্যা আছে যার সমাধান সহজেই করে দিতে পারে এই সবজি।

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যায় আলুর তিনটি সমস্যার সমাধান-

১) রান্না করার সময়ে হাত পুড়ে গিয়েছে। বাড়িতে ওষুধ নেই। এমন ক্ষেত্রে একটু আলু সেদ্ধ বাঁচিয়ে দিতে পারে। বাড়িতে ওষুধ না রাখার দোষ কাটিয়ে দেবে আলুর গুণ। সেদ্ধ করা আলু ভাল করে চটকে পুড়ে যাওয়া জায়গায় লাগিয়ে নিন। কিছু ক্ষণ এ ভাবে রেখে দিলে কমতে শুরু করবে জ্বালা ভাব।

২) সাদা জামায় ঝোল পড়েছে? অথবা চা? সে দাগ ওঠা সহজ নয়। জামার জন্য মন খারাপ না করে আলু কাটতে শুরু করুন। ভাল করে কুচিয়ে নিয়ে একটি পাত্রে জল ভরে আলু ভিজিয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা পর আলুর কুচিগুলি তুলে নিন। তার পর আলু ভেজানো সেই জলে একটি কাপড় ভিজিয়ে নিন। সেই কাপড় দিয়ে ঘষে নিন দাগ। মুহূর্তে ফেরি পাবেন আহ্লাদের জামার রং।

৩) কোনও কিছু দিয়েই আর রুপোর বাসনপত্রের হারানো ঔজ্জ্বল্য ফিরছে না? নানা জিনিস দিয়ে ঘষেই চলেছেন? এই সমস্যারও সমাধান করতে পারে আলু। কাঁচা আলুর একটি টুকরো ভাল ভাবে ঘষে নিন সে সব বাসনে। তার পর একটি পাত্রে জল নিয়ে টুকরো টুকরো করে কাটা আলু সেদ্ধ করুন। আলু তুলে নিন বাসন ধুয়ে নিন সেদ্ধ করার জল দিয়ে। ফিরবে রুপোর ঔজ্জ্বল্য।

আলু   গুনাগুণ   সমস্যা   সমাধান  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

কুরবানির শর্ত ও নিয়মাবলি

প্রকাশ: ০৯:১৬ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail কুরবানির শর্ত ও নিয়মাবলি

আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নৈকট্য অর্জন ও তার ইবাদতের জন্য পশু জবেহ করাই কুরবানি। ঈদুল আজহার দিন থেকে কুরবানির দিনগুলোতে নির্দিষ্ট প্রকারের গৃহপালিত পশু আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য জবেহ করাই হচ্ছে কুরবানি। ইসলামি শরিয়তে এটি ইবাদত হিসেবে সিদ্ধ। যা কুরআন, হাদিস ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্যমত দ্বারা প্রমাণিত। কুরআন মাজিদে এসেছে-‘তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর ও কুরবানি কর।’ (সুরা কাউসার : আয়াত ২)

১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন পুরুষ ও নারীর কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ৭ ভরি সোনা অথবা সাড়ে ৫২ তোলা রূপার মূল্য পরিমাণ সম্পদ থাকবে তার কুরবানি করা ওয়াজিব।

টাকা-পয়সা, সোনা-রূপার অলঙ্কার, ব্যবসায়িক পণ্য, প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমি, সৌখিন বা অপ্রয়োজনী আসবাবপত্র এসব কিছুর মূল্য কুরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

কুরবানির শর্তাবলি
কুরবানি করার জন্য নির্দিষ্ট পশু রয়েছে। তবে এ সব পশুর বয়স এবং এক পশুতে কয়জন অংশগ্রহণ করতে পারবে এ সম্পর্কে ইসলামের অনেক দিকনির্দেশনা রয়েছে। আর তাহলো-

> কুরবানির পশু
এমন পশু দ্বারা কুরবানি দিতে হবে যা ইসলামি শরিয়ত নির্ধারণ করে দিয়েছে। সেগুলো হল- উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা। এগুলোকে কুরআনের ভাষায় বলা হয় ‘বাহীমাতুল আনআম।’ হাদিসে এসেছে- ‘তোমরা অবশ্যই নির্দিষ্ট বয়সের পশু কুরবানি করবে। তবে তা তোমাদের জন্য দুষ্কর হলে ছয় মাসের মেষ-শাবক কুরবানি করতে পার।’

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ছাড়া অন্য কোনো জন্তু কুরবানি করেননি ও কুরবানি করতে বলেননি। তাই কুরবানি শুধু এগুলো দিয়েই করতে হবে।

ইমাম মালিক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি'র মতে, কুরবানির জন্য সর্বোত্তম জন্তু হল শিংওয়ালা সাদা-কালো দুম্বা। কারণ রাসলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ধরনের দুম্বা কুরবানি করেছেন বলে বুখারি ও মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে।

উট, গরু ও মহিষ সাত ভাগে কুরবানি দেয়া যায়। হাদিসে এসেছে- ‘আমরা হুদাইবিয়াতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে ছিলাম। তখন আমরা উট ও গরু দ্বারা সাত জনের পক্ষ থেকে কুরবানি দিয়েছি।’

গুণগত দিক থেকে উত্তম হল- কুরবানির পশু হৃষ্টপুষ্ট, অধিক গোশত সম্পন্ন, নিখুঁত, দেখতে সুন্দর হওয়া।

> কুরবানির পশুর বয়স
কুরবানির পশু পরিপূর্ণ বয়সের হতে হবে। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে কুরবানির পশুর বয়সের দিকটা খেয়াল রাখা জরুরি। আর তাহলো-
- উট : পাঁচ বছরের হতে হবে।
- গরু-মহিষ : দুই বছরের হতে হবে।
- ছাগল-ভেড়া-দুম্বা : এক বছর বয়সের হতে হবে।

> পশু দোষ-ত্রুটিমুক্ত হতে হবে
কুরবানির পশু যাবতীয় দোষ-ত্রুটিমুক্ত হতে হবে। হাদিসে এসেছে-
সাহাবি হজরত আল-বারা ইবনে আজেব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়ালেন তারপর বললেন- চার ধরনের পশু, যা দিয়ে কুরবানি জায়েজ হবে না। অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে পরিপূর্ণ হবে না। (আর তাহলো)-
- অন্ধ, যার অন্ধত্ব স্পষ্ট।
- রোগাক্রান্ত, যার রোগ স্পষ্ট।
- পঙ্গু, যার পঙ্গুত্ব স্পষ্ট এবং
- আহত, যার কোনো অঙ্গ ভেঙ্গে গেছে। নাসাঈ'র বর্ণনা ‘আহত’ শব্দের স্থলে ‘পাগল’ উল্লেখ আছে।

> কুরবানি মাকরূহ হবে
আবার পশুর এমন কতগুলো ত্রুটি আছে যা থাকলে কুরবানি আদায় হবে কিন্তু তা মাকরূহ হবে। এ সব দোষত্রুটিযুক্ত পশু কুরবানি না করাই ভালো। আর তাহলো-
- পশুর শিং ভাঙ্গা।
- কান কাটা।
- লেজ কাটা।
- ওলান কাটা কিংবা লিঙ্গ কাটা ইত্যাদি।

> পরিপূর্ণ মালিকানা থাকা
কুরবানি দাতা যে পশুটি কুরবানি করবেন, তার উপর কুরবানি দাতার পরিপূর্ণ মালিকানাসত্ত্ব থাকতে হবে। যদি এ পশু বন্ধকের পশু, কর্জ করা পশু বা পথে পাওয়া পশু হয় তবে তা দ্বারা কুরবানি আদায় হবে না।

কুরবানির নিয়মাবলী
> মুখের উচ্চারণ দ্বারা নির্দিষ্ট করা যেতে পারে। এভাবে বলা যায় যে- ‘এ পশুটি আমার কুরবানির জন্য নির্দিষ্ট করা হল।’ তবে ভবিষ্যতের জন্য নির্দিষ্ট করা যাবে না। এমন বলা যে- ‘আমি এ পশুটি কুরবানির জন্য রেখে দেব।’

> কাজের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা যায়। যেমন- কুরবানির নিয়তে পশু কেনা অথবা কুরবানির নিয়তে জবেহ করা। যখন পশু কুরবানির জন্য নির্দিষ্ট করা হয় তখন কিছু বিষয় কার্যকর হয়ে যায়। আর তাহলো-

- প্রথমত : এ পশু কুরবানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না। দান করা যাবে না। বিক্রি করা যাবে না। তবে কুরবানি ভালোভাবে আদায় করার জন্য তার চেয়ে উত্তম পশু দ্বারা পরিবর্তন করা যাবে।

- দ্বিতীয়ত : যদি পশুর মালিক মারা যায় তবে তার ওয়ারিশদের দায়িত্ব হল এ কুরবানি বাস্তবায়ন করা।

- তৃতীয়ত : এ পশুর থেকে কোনো ধরনের উপকার ভোগ করা যাবে না। যেমন- কুরবানির পশুর দুধ বিক্রি করা যাবে না। কৃষিকাজে ব্যবহার করা যাবে না। সাওয়ারি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। পশম বিক্রি করা যাবে না। যদি পশম আলাদা করে তাবে তা সদকা করে দিতে হবে বা নিজের কোনো কাজে ব্যবহার করতে পারবে কিন্তু বিক্রি করা যাবে না।

- চতুর্থত : কুরবানি দাতার অবহেলা বা অযত্নের কারণে যদি কুরবানির নির্ধারিত পশুটি দোষযুক্ত হয়ে পড়ে, চুরি হয়ে যায় কিংবা হারিয়ে যায় তবে কুরবানি দাতার কর্তব্য হবে অনুরূপ বা তার চেয়ে ভাল একটি পশু ক্রয় করা। আর যদি অবহেলা বা অযত্নের কারণে না হয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে দোষযুক্ত হয় তবে এ দোষযুক্ত পশু কুরবানি করা যাবে।

- যদি পশুটি হারিয়ে যায় অথবা চুরি হয়ে যায় আর কুরবানি দাতার উপর আগে থেকেই কুরবানি ওয়াজিব হয়ে থাকে তাহলে সে কুরবানির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি লাভ করবে।

- আর যদি আগে থেকে কুরবানি ওয়াজিব ছিল না কিন্তু সে কুরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে থাকে তবে চুরি হয়ে গেলে বা মরে গেলে অথবা হারিয়ে গেলে তাকে আবার পশু কিনে কুরবানি করতে হবে।

মুমিন মুসলমানের উচিত, উল্লেখিত শর্ত ও নিয়মগুলো মেনে কুরবানি করা প্রত্যেকের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য।

হে আল্লাহ! মুসলিম উম্মাহকে যথাযথ শর্ত ও নিয়ম মেনে কুরবানির পশু কেনার ও কুরবানি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

কুরবানি   শর্ত   নিয়মাবলি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

কতটা ভয়ঙ্কর ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েন্ট!

প্রকাশ: ০৬:১৮ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail কতটা ভয়ঙ্কর ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েন্ট!

দেশে ফের বাড়তে শুরু করেছে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ। এবার ওমিক্রনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট বা উপধরন শনাক্ত হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২১ জুন) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারের একদল গবেষক এ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করেন।

যবিপ্রবির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) আবদুর রশিদ বলেন, বাংলাদেশি দুজনের শরীরে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট ‘বিএ.৪-৫’ শনাক্ত হয়েছে।

এদিকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও এরই মধ্যে ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও ওমিক্রনের নতুন সাবভেরিয়েন্ট বিএ.৪ ও বিএ.৫-এর তীব্রতা নিয়ে এখন পর্যন্ত সীমিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

তবে এটা স্পষ্ট যে ওমিক্রনের বিএ৪-৫ ও বিএ.২.১২.১ সাব-ভ্যারিয়েন্ট অতীত সংস্করণের তুলনায় আরও বেশি সংক্রামক ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। সিডিসি ধারণা করছে, বিএ৪-৫ চলতি বছরের মে মাসের প্রথম থেকে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

সাব-ভ্যারিয়েন্ট কতটা ভয়ঙ্কর!

বিএ.৪ ও বিএ.৫ ভেরিয়েন্ট রোগীর জন্য তেমন গুরুতর না হলেও, তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা রাখে। করোনার ওমিক্রণের এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট ফুসফুসে স্থায়ী হয়। ওমিক্রনের অন্যান্য রূপগুলোর মতোই নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গগুলো সাধারণত হালকা হয়;

যার মধ্যে জ্বর, অস্বস্তি, শ্বাসকষ্ট, গন্ধ হ্রাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যদিও দীর্ঘমেয়াদি উপসর্গের (লং কোভিড) প্রাদুর্ভাব এখনও মূল্যায়ন করা হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থতা বিরল কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে তা মারাত্মক হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা করোনা টিকার সবগুলো ডোজ সম্পন্ন করেননি তারা বিএ৪-৫-এ আক্রান্ত হলো গুরুতর উপসর্গে ভুগতে পারেন। তাই সবাইকে করোনার টিকা ও বুস্টার ডোজ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি মাস্ক, স্যানিটাইজার, বারবার হাত ধোওয়াসহ ব্যক্তিগত সুরক্ষা বজায় রাখতে হবে।

সূত্র : টাইম ও জিনিউজ

ওমিক্রন   সাব-ভ্যারিয়েন্ট   কতটা ভয়ঙ্কর  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বিকেলের নাস্তার পাতে রাখুন পাকা আমের লুচি

প্রকাশ: ০৪:১১ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail বিকেলের নাস্তার পাতে রাখুন পাকা আমের লুচি

এখন গ্রীষ্মকাল। বাজারে ঢুকতেই চোখে পরে কাঁচা পাকের আমের সমারহ। ছোট থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের মানুষের কাছেই আম পছন্দের। সাধারণত পাকা আমের জুস, আমসত্ত্ব, পায়েস, স্মুদি, মালপোয়া ও পরোটা ইত্যাদি খাওয়া হয়। এবার তাহলে পাকা আমের মজাদার লুচির রেসিপি জেনে নেয়া যাক।

উপকরণ:

পাকা আমের পিউরি, ময়দা, পরিমাণমত তেল ও লবণ।

প্রস্তুত প্রণালী:

প্রথমে একটি বাটিতে আমের পিউরি নিয়ে নিন। এবার তাতে পরিমাণত তেল ও লবণ দিয়ে অল্প অল্প করে ময়দা মিশিয়ে ডো তৈরি করুন। তারপর আমের পিউরির সঙ্গে যতটুকু ময়দা মেশানো যায় তা নিয়ে নিন। তবে এক্ষেত্রে কোনো পানি ব্যবহার করা যাবে না। এখন ময়দা ভালো করে মেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মতো রেখে দিন।

এবার ছোট ছোট লুচি বানিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে গরম তেলে ভেজে নিয়ে তেল ঝরতে দিন। হয়ে গেল আপনার তৈরি মজাদার আমের লুচি।

পাকা আম   লুচি   বিকেলের নাস্তা   রেসিপি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

সুস্বাদু আমের ক্ষীর, দেখে নিন রেসিপি

প্রকাশ: ০২:৩২ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail সুস্বাদু আমের ক্ষীর, দেখে নিন রেসিপি

আম সবার কাছেই প্রিয় একটি ফল। আর পাকা আম হলেই তো কথা নেই। সুমিষ্ট এই ফল দিয়ে তৈরি করা যায় নানা পদের খাবারও। আমের জুস, আমের মোরব্বা, আমের পুডিং, আমের কেক, আমসত্ত্বসহ আরও কত কি! এই তালিকায় যোগ করতে পারেন আমক্ষীরও। সে জন্য আমের সঙ্গে দরকার দুধ, পোলাওয়ের চালসহ অল্প কিছু উপকরণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক আমের ক্ষীর তৈরির সহজ রেসিপি—

উপকরণ
পাকা আম ৩টি, দুধ ১ লিটার, পোলাওর চাল আধা কাপ, চিনি আধা কাপ, কিশমিশ ৫০ গ্রাম, বাদাম ৫০ গ্রাম, গোলাপ জল ১ চা চামচ, এলাচ গুঁড়া ১ চা চামচ ও পেস্তাকুচি সাজানোর জন্য।

প্রণালি
আমের খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করে নিন। এরপর হাঁড়িতে দুধ ফুটিয়ে ঘন করে অর্ধেক করে নিন। তার মধ্যে পোলাওর চাল দিয়ে ফোটান ২০ মিনিটের মতো। একটু পরপর নেড়ে দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে চিনি মিশিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে আমের পিউরি ও বাকি উপকরণ মিশিয়ে দিন। ভালো করে নেড়ে ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। পরিবেশ করার সময় উপরে পেস্তাকুচি ছড়িয়ে দিন।

সুস্বাদু আমের ক্ষীর   রেসিপি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন