লিভিং ইনসাইড

যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে

প্রকাশ: ০২:০৯ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে

কোলেস্টেরলের কথা শুনলেই আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। কিন্তু শরীরে কোলেস্টেরল থাকলেই যে বিপদ, এমন কিন্তু নয়। ভালো আর খারাপ দুই ধরনের কোলেস্টেরলের মধ্যে ভালো কোলেস্টেরলই আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। তবে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।

বাইরে থেকে একেবারে সুস্থ। কেবল জোরে হাঁটাহাঁটি বা সিঁড়ি ভাঙলে হাঁপিয়ে উঠছেন। অবশ্য তা তো কমবেশি সকলেরই হয়— এমন ভেবেই নিশ্চিন্ত থাকেন অনেকে। কিন্তু বুঝতে পারেন না চুপিসাড়ে রক্তে মিশে গিয়েছে খারাপ কোলেস্টেরল। পরে রক্ত পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে তার দৌরাত্ম্য। উচ্চ রক্তচাপ, ওবেসিটি তো বটেই, কোলেস্টেরলের হাত ধরে হৃদযন্ত্রেও ক্ষতি হতে পারে।

যদিও শরীরে কোলেস্টেরলে মাত্রা বাড়লে কোনও উপসর্গ দেখে তা বোঝার উপায় নেই। তবে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। উচ্চ কোলেস্টেরল ধমনীর উপর চাপ তৈরি করে। যার থেকে ‘পেরিফেরাল আর্টারিয়াল ডিজিজ’-এর ঝুঁকি বাড়ে। এতে ধমনীগুলো সরু হয়ে রক্ত চলাচল ব্যহত হয়। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত ঠিক মতো পৌঁছাতে পারে না। ফলে শরীরের বিভিন্ন গাঁটে যন্ত্রণা শুরু হয়।

>> কোলেস্টেরল খুব বেড়ে গেলে পায়ের টেন্ডন লিগামেন্টে প্রভাব পড়ে। এ ক্ষেত্রে পায়ের ধমনী সরু হয়ে পায়ের নীচের অংশে অক্সিজেন-সহ রক্ত পৌঁছতে পারে না। তাতে পা ভারী হয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে সহজেই। পায়ের অসম্ভব যন্ত্রণা শুরু হয়। উরু বা হাঁটুর নীচে পিছনের দিকে ব্যথা হতে পারে। হাঁটার সময়েই এই ধরনের ব্যথা বাড়ে।

>> একই কারণে ঘাঁড় ও হাতের সংযোগস্থলেও ব্যথা হয়। মাঝেমাঝে এমন ব্যথায় আমরা নজেহাল হই। খুব ঘন ঘন একই স্থানে ব্যথা হলে একটু সতর্ক থাকুন।

>> নিতম্বেও ব্যথা হওয়া উচ্চ কোলেস্টেরলের লক্ষ হতে পারে। যদি নিতম্বে ব্যথা হয়, তাহলে সেই লক্ষণ ভালো নয়। এই সব লক্ষণ দেখা দিলে এক বার রক্ত পরীক্ষা করে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি।

কোলেস্টেরলর   লক্ষণ  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

কতটা ভয়ঙ্কর ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েন্ট!

প্রকাশ: ০৬:১৮ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail কতটা ভয়ঙ্কর ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েন্ট!

দেশে ফের বাড়তে শুরু করেছে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ। এবার ওমিক্রনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট বা উপধরন শনাক্ত হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২১ জুন) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারের একদল গবেষক এ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করেন।

যবিপ্রবির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) আবদুর রশিদ বলেন, বাংলাদেশি দুজনের শরীরে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট ‘বিএ.৪-৫’ শনাক্ত হয়েছে।

এদিকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও এরই মধ্যে ওমিক্রনের সাব-ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও ওমিক্রনের নতুন সাবভেরিয়েন্ট বিএ.৪ ও বিএ.৫-এর তীব্রতা নিয়ে এখন পর্যন্ত সীমিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

তবে এটা স্পষ্ট যে ওমিক্রনের বিএ৪-৫ ও বিএ.২.১২.১ সাব-ভ্যারিয়েন্ট অতীত সংস্করণের তুলনায় আরও বেশি সংক্রামক ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। সিডিসি ধারণা করছে, বিএ৪-৫ চলতি বছরের মে মাসের প্রথম থেকে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

সাব-ভ্যারিয়েন্ট কতটা ভয়ঙ্কর!

বিএ.৪ ও বিএ.৫ ভেরিয়েন্ট রোগীর জন্য তেমন গুরুতর না হলেও, তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা রাখে। করোনার ওমিক্রণের এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট ফুসফুসে স্থায়ী হয়। ওমিক্রনের অন্যান্য রূপগুলোর মতোই নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গগুলো সাধারণত হালকা হয়;

যার মধ্যে জ্বর, অস্বস্তি, শ্বাসকষ্ট, গন্ধ হ্রাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। যদিও দীর্ঘমেয়াদি উপসর্গের (লং কোভিড) প্রাদুর্ভাব এখনও মূল্যায়ন করা হচ্ছে। গুরুতর অসুস্থতা বিরল কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে তা মারাত্মক হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা করোনা টিকার সবগুলো ডোজ সম্পন্ন করেননি তারা বিএ৪-৫-এ আক্রান্ত হলো গুরুতর উপসর্গে ভুগতে পারেন। তাই সবাইকে করোনার টিকা ও বুস্টার ডোজ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি মাস্ক, স্যানিটাইজার, বারবার হাত ধোওয়াসহ ব্যক্তিগত সুরক্ষা বজায় রাখতে হবে।

সূত্র : টাইম ও জিনিউজ

ওমিক্রন   সাব-ভ্যারিয়েন্ট   কতটা ভয়ঙ্কর  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বিকেলের নাস্তার পাতে রাখুন পাকা আমের লুচি

প্রকাশ: ০৪:১১ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail বিকেলের নাস্তার পাতে রাখুন পাকা আমের লুচি

এখন গ্রীষ্মকাল। বাজারে ঢুকতেই চোখে পরে কাঁচা পাকের আমের সমারহ। ছোট থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের মানুষের কাছেই আম পছন্দের। সাধারণত পাকা আমের জুস, আমসত্ত্ব, পায়েস, স্মুদি, মালপোয়া ও পরোটা ইত্যাদি খাওয়া হয়। এবার তাহলে পাকা আমের মজাদার লুচির রেসিপি জেনে নেয়া যাক।

উপকরণ:

পাকা আমের পিউরি, ময়দা, পরিমাণমত তেল ও লবণ।

প্রস্তুত প্রণালী:

প্রথমে একটি বাটিতে আমের পিউরি নিয়ে নিন। এবার তাতে পরিমাণত তেল ও লবণ দিয়ে অল্প অল্প করে ময়দা মিশিয়ে ডো তৈরি করুন। তারপর আমের পিউরির সঙ্গে যতটুকু ময়দা মেশানো যায় তা নিয়ে নিন। তবে এক্ষেত্রে কোনো পানি ব্যবহার করা যাবে না। এখন ময়দা ভালো করে মেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মতো রেখে দিন।

এবার ছোট ছোট লুচি বানিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে গরম তেলে ভেজে নিয়ে তেল ঝরতে দিন। হয়ে গেল আপনার তৈরি মজাদার আমের লুচি।

পাকা আম   লুচি   বিকেলের নাস্তা   রেসিপি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

সুস্বাদু আমের ক্ষীর, দেখে নিন রেসিপি

প্রকাশ: ০২:৩২ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail সুস্বাদু আমের ক্ষীর, দেখে নিন রেসিপি

আম সবার কাছেই প্রিয় একটি ফল। আর পাকা আম হলেই তো কথা নেই। সুমিষ্ট এই ফল দিয়ে তৈরি করা যায় নানা পদের খাবারও। আমের জুস, আমের মোরব্বা, আমের পুডিং, আমের কেক, আমসত্ত্বসহ আরও কত কি! এই তালিকায় যোগ করতে পারেন আমক্ষীরও। সে জন্য আমের সঙ্গে দরকার দুধ, পোলাওয়ের চালসহ অল্প কিছু উপকরণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক আমের ক্ষীর তৈরির সহজ রেসিপি—

উপকরণ
পাকা আম ৩টি, দুধ ১ লিটার, পোলাওর চাল আধা কাপ, চিনি আধা কাপ, কিশমিশ ৫০ গ্রাম, বাদাম ৫০ গ্রাম, গোলাপ জল ১ চা চামচ, এলাচ গুঁড়া ১ চা চামচ ও পেস্তাকুচি সাজানোর জন্য।

প্রণালি
আমের খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করে নিন। এরপর হাঁড়িতে দুধ ফুটিয়ে ঘন করে অর্ধেক করে নিন। তার মধ্যে পোলাওর চাল দিয়ে ফোটান ২০ মিনিটের মতো। একটু পরপর নেড়ে দিন। চাল সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে এলে আঁচ বন্ধ করে চিনি মিশিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে আমের পিউরি ও বাকি উপকরণ মিশিয়ে দিন। ভালো করে নেড়ে ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। পরিবেশ করার সময় উপরে পেস্তাকুচি ছড়িয়ে দিন।

সুস্বাদু আমের ক্ষীর   রেসিপি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বর্ষায় বাগানের যত্ন নেবেন যেভাবে

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail বর্ষায় বাগানের যত্ন নেবেন যেভাবে

গাছ মানুষের একমাত্র বেঁচে থাকার মাধ্যম। কারন এই গাছ থেকেই মানবজাতি অক্সিজেন সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। এছারাও গাছ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। যেকোনো গাছই উপকারী অক্সিজেন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উপকারী। তাই অনেকেই খোলা জায়গায় বাগান করতে না পারলেও আজকাল অনেকেই ব্যালকনি কিংবা ছাদে বাগান করার দিকে ঝুঁকছেন। বর্ষার পানি গাছের জন্য উপকারী হলেও এর দাপট গাছের জন্য ক্ষতিকর। তাই এমন ভাবে বাগান সাজাতে হবে, যাতে শুধু বৃষ্টির পানিটা গাছ পায়। পাশপাশি বর্ষায় ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বাগানকে রক্ষা করতে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

গাছকে ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে যা করবেন-

পানি নিকাশি:
খেয়াল রাখতে হবে গাছের গোড়ায় যেন পানি না জমে। তার জন্য টবের নীচে অন্তত দুটো গর্ত করে রাখবেন। মাটিতে একটা গর্তের মুখ বন্ধ হয়ে গেলেও অন্য গর্ত জমা পানি বের করতে সাহায্য করবে। দু’তিন দিন বাদে দেখে নিতে হবে গর্তের মুখ বুজে গিয়েছে কি না। বাগানের জমিতে যাতে পানি না জমে তার জন্য নালা কেটে বাগানের মধ্যে একটা জায়গায় গর্ত করে বড় টব বসিয়ে রাখতে পারেন। সারা বাগানের পানি নালা দিয়ে সেই পাত্রে ভরে থাকবে। পরে অন্য কাজে ব্যবহার করে নিতে পারেন সেই পানি। রেন ওয়াটার হারভেস্টও করতে পারেন। এতে বৃষ্টির পানি বাগানচর্চায় কাজে লাগাতে পারবেন।

ছায়ায় রাখুন চারা:
প্রথমেই চারাগুলোকে কোনও শেডের তলায় নিয়ে গিয়ে রাখতে হবে। অথবা ছাদের একটা পাশে নিয়ে গিয়ে তার উপরে টিন বা অ্যাসবেসটস দিয়েও ঢেকে দিতে পারেন। শেডের সুবিধে না থাকলে চারাগুলিকে বারান্দার কোণে বা চিলেকোঠার ঘরের জানালার কাছেও রাখতে পারেন।

মাটির ক্ষয় রোধ:
অনেক সময়েই দেখা যায়, বর্ষার পানি গাছের মাটির উপরের স্তর ধুয়ে যায়। এর সঙ্গে কিন্তু মাটির সার, উর্বর অংশটুকুও ধুয়ে সাফ হয়ে যায়। ফলে গাছ পানি পেলেও পুষ্টি পায় না। তাই গাছের কাণ্ড থেকে প্লাস্টিক বেঁধে টবের মাটি ঢেকে রাখতে পারেন। তবে অস্বচ্ছ আবরণের পরিবর্তে পারফোরেটেড শিট দিয়ে টবের উপরটা ঢেকে দিতে পারেন। এতে বৃষ্টির পানি চুয়ে চুয়ে মাটিকে পুষ্ট করবে। এঁটেল মাটি বেশি ব্যবহার করতে পারেন। এরা খুব তাড়াতাড়ি জল টেনে নেয়।

সার প্রয়োগ:
যেহেতু বর্ষার পানি উপরের স্তরের মাটি অনেকটাই ধুয়ে যায়, তার সঙ্গে খানিক পুষ্টিও চলে যায়। তাই গাছে সার দিতে হবে নিয়মিত, যাতে গাছের পুষ্টির জোগানে ঘাটতি না হয়। তবে এ সময়ে গলা-পচা সারের তুলনায় শুকনো সারের উপরে ভরসা রাখাই ভালো। চায়ের পাতা রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে, হাড়ের গুঁড়ো, ডিমের খোলা শুকিয়ে গুঁড়ো করে দিতে পারেন।

প্রুনিং:
বর্ষায় অনেক গাছই খুব ঝাঁকড়া হয়ে যায়। ফলে একনাগাড়ে অনেক দিন বৃষ্টির পরে মাঝেমাঝে রোদ উঠলেও গাছের সব জায়গায় সেই রোদ পৌঁছয় না। বিশেষ করে শিকড়ে রোদ, অক্সিজেন না পৌঁছলে গাছের গোড়া পচে যেতে পারে। তাই গাছের ডাল ছেঁটে দিতে হবে। ফুলের গাছে যে ডালে ফুল শুকিয়ে যাবে, তা কেটে দিতে পারেন। তা হলে সেখান থেকে আবার নতুন কুঁড়ি জন্মাবে। শ্রাব কাটার সময়ে ডিম্বাকার, গোল বা চৌকো ধরনের কোনও আকার দিতে পারেন ভালো লাগবে।

কেঁচোর কারবার:
বর্ষায় কেঁচোর আনাগোনা বাড়ে। তবে এরা বন্ধু কীট। মাটি খুঁড়ে যেমন মাটি উর্বর করে তেমনই নাইট্রোজেনের জোগান দিয়েও গাছকে পুষ্টি দেয়। তাই কোনও গাছের গোড়ায় যদি দেখেন, একাধিক কেঁচো জমা হয়েছে, তাদের তুলে অন্যান্য গাছের টবে সমানভাবে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে সব গাছেরই উপকার হবে।

কীটনাশক:
বর্ষার আর্দ্র পরিবেশে পোকামাকড়ের দৌরাত্ম্য বাড়ে। এরা নতুন পাতার রস খেতেও গাছে জড়ো হয়। ছোট পিঁপড়ে থেকে শুরু করে এক ধরনের সাদা পোকাও লেগে যেতে পারে গাছে। তাই বর্ষার শুরু থেকেই কীটনাশকের ব্যবহার শুরু করতে হবে। প্রাকৃতিক কীটনাশক হিসেবে নিম অয়েল, গোলমরিচ গুঁড়ো, শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো দিতে পারেন গাছের গোড়ায় বা পোকা লাগা অংশে। এতেও কাজ না হলে রাসায়নিক কীটনাশকের শরণাপন্ন হতে হবে।

বর্ষায় বাগান পরিষ্কার রাখুন

১। বারান্দা হোক বা ছাদ বাগানের মাটি থেকে শুরু করে গাছ পুরোটাই পরিষ্কার রাখতে হবে।

২। সবচেয়ে আগে পানিনিকাশি ভালো করা দরকার। এতে কাদা হবে কম।

৩। গাছের পচা বা হলুদ পাতা একটা পাত্রে জড়ো করুন। সেখানেই কম্পোস্ট করে তৈরি করুন জৈব সার।

৪। অনেক সময়েই দেখা যায়, টবের উপরের স্তর পুরো সবুজ শ্যাওলায় ঢেকে গিয়েছে। এই শ্যাওলা কিন্তু অক্সিজেন গাছের গোড়ায় পৌঁছতে দেয় না। ফলে গাছের বৃদ্ধি রোধ করে। তাই শ্যাওলার অংশটুকু খুরপি দিয়ে খুঁচিয়ে তুলে ফেলে দিতে হবে।

৫। বাড়ির সামনে বা ছাদে বাগান হলে গার্ডেন এরিয়ার ভাগ রাখুন। ইট বা পাথর দিয়ে বাগানের সীমানা নির্দিষ্ট রাখুন। তা হলে বাকি অংশে সেই মাটি বা কাদা ছড়িয়ে নোংরা হবে না।

৬। বৃষ্টির তোড়ে অনেক সময়ে গাছ ভেঙে যায়। তাই দুর্বল গাছের চারপাশে কাঠি পুঁতে দড়ি দিয়ে বেঁধে ওদের সাপোর্ট দিতে পারেন। লতানে গাছ মাচায় তুলে দিন।

বৃষ্টির পানি বাগানের জন্য ভাল। কিন্তু সেই জমা জলেই মশা জন্মায়। পোকামাকড়েরও বাড়বৃদ্ধি হয়। তাই বর্ষায় সচেতন ভাবে বাগানের যত্ন নিতে হবে।

বর্ষা   বাগান   যত্ন   যেভাবে  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বিছানায় বসেই যেসব ব্যায়াম করা যাবে

প্রকাশ: ১১:৩২ এএম, ২২ Jun, ২০২২


Thumbnail বিছানায় বসেই যেসব ব্যায়াম করা যাবে

অলসতার কারণে হয়তো অনেকেরই প্রতিদিন ব্যায়াম করার সুযোগ হয় না। আবার কেউ কেউ তাড়াহুড়োর কারণে ব্যায়াম করতেই চান না। তাদের জন্য রয়েছে ভিন্ন উপায়। এখন থেকে বিছানায় বসেই আপনি প্রতিদিনের ব্যায়াম অনুশীলন করতে পারবেন বলে জানাচ্ছেন ফিটনেস এক্সপার্টরা।যেসব ব্যায়াম করা যাবে বিছানায় বসেই।

তাই ঘুম থেকে উঠেই বিছানায় ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। এতে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আপনার প্রতিদিনের ব্যায়াম শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিছানায় অবশ্য আপনি সব ব্যায়ামই অনুশীলন করতে পারবেন না। এর জন্য উপযোগী যে ব্যায়াম সেগুলো হলো-

স্ট্রেচিং: ঘুম থেকে উঠেই যে ব্যায়ামটি শুরু করতে পারেন তাহলো স্ট্রেচিং। দীর্ঘ ক্ষণ শুয়ে বা বসে থাকার ফলে পেশি স্বাভাবিক নমনীয়তা হারায়। পেশি সচল রাখতে হাত, পা মাঝেমাঝেই প্রসারিত করে নেওয়া জরুরি। অফিসে বসে কাজ করার ফাঁকে বা ঘুম থেকে উঠে নিজেকে সচল রাখতে বিছানায় বসেই স্ট্রেচিং করতে পারেন।

রোল আপস: ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসেই দুই হাত সামনের দিকে প্রসারিত করে পায়ের আঙুল ছোঁয়ার ভঙ্গিতে বসুন। এই ব্যায়ামটির নামই রোল আপস। কোমরের পেশি সচল রাখতে খুবই কার্যকরী এই ব্যায়াম।

ক্রাঞ্চেস: পেটের অতিরিক্ত মেদ(Fat) কমাতে এই ব্যায়ামটি করতে পারেন। বিছানায় শুয়েই হাঁটুকে ৯০ ডিগ্রি কোণে সোজা করুন এবং হাত দু’টি মাথার নিচে রাখুন।

হিপ ব্রিজ: বিছানায় শুয়ে পায়ের হাঁটু ভাঁজ করে কোমর ওপরের দিকে তুলতে চেষ্টা করুন। এ সময় হাত দু’টি শরীর স্পর্শ করে পাশে রাখুন। কোমরের মেদ কমাতে এই ব্যায়া’মটি নিয়মিত করতে পারেন।

এছাড়া বিছানায় বসেই পা দুটি একবার উঁচু একবার নিচু করতে পারেন। এভাবে করতে পারেন হাতের ব্যায়ামও। ঘাড় ভালো রাখতেও ডান ও বাম এবং সামনে ও পেছনের দিকে আপনার ঘাড় ঘোরান। এই ব্যায়ামগুলো দিয়ে দিনের শুরু করলে ২ সপ্তাহের মধ্যে এর উপকারিতা আপনি নিজেই অনুভব করবেন।

বিছানা   বসে   ব্যায়াম  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন