লিভিং ইনসাইড

বন্যার সময় রোগব্যাধি থেকে রক্ষায় করনীয়

প্রকাশ: ০২:১০ পিএম, ১৮ Jun, ২০২২


Thumbnail

বন্যার সময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, চারিদিকে নোংরা পানি, বিশুদ্ধ পানির অভাব, স্বাস্থ্যকর খাদ্যের অভাব ইত্যাদি নানা কারণে ডায়রিয়া, কলেরা, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, জ্বর, বমি, যক্ষা ইত্যাদি প্রকোপ বেড়ে যায়। তবে এদের মধ্যে ডায়রিয়ার প্রকোপটাই সবচাইতে বেশি।  

এছাড়াও, বন্যার সময় রোগীর পরিচর্যা, চিকিৎসা সবকিছুই হয় দুষ্কর। পানিবন্দী হওয়ার কারণে ডাক্তারের কাছে যাওয়া সুযোগ কম থাকে। ওষুধ কেনার সমস্যা। ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজার রাখাও সম্ভব হয়না। এছাড়া বিশুদ্ধ পানির সমস্যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। পান করার পানি, রান্না-গোসলের পানি না থাকায় রোগের তীব্রতা আরও বাড়ে। তাই এসব সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে চাই বাড়তি সাবধানতা।

>> বিশুদ্ধ পানির প্রতি সবচাইতে বেশি যত্নবান হতে হবে। পানি ফুটানোর ব্যবস্থা না থাকলে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ব্লিচিং পাইডার, ক্লোরিন ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো অবশ্যই ফার্মেসি থেকে কিনতে হবে এবং কতটুকু পানিতে কি পরিমাণে উপাদানগুলো দিতে হবে যা জেনে নিতে হবে। এছাড়াও পানি ছেঁকে নিতে পারেন। সুতি কাপড় তিন, চার পরত মোটা করে নিয়ে তা দিয়ে পানি ছেঁকে নিয়ে সেই পানি রান্না ও গোসলের কাজে ব্যবহার করতে পারেন। তবে পান না করাই ভালো।

>> খাবার সব সময় ঢেকে রাখতে হবে। মশা-মাছি, কলেরা ও ডায়রিয়া রোগের জীবানু ছড়ায়। খাবার ঢেকে রাখলে কলেরা ও ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

>>  পচা বা বাসী খাবার খাওয়া যাবে না। এতে ডায়রিয়া হতে পারে।

>>  ডায়রিয়া হলে খাবার স্যালাইন খেতে হবে।

>> খাবার আগে হাত ভালো করে সাবান বা ছাই দিয়ে ধুতে হবে।

>> পায়খানার পর হাত ভালো করে সাবান অথবা ছাই দিয়ে ধুতে হবে।

বন্যা   রোগ-ব্যাধি   করণীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বর্ষাকালে জামাকাপড় শুকাতে যা করবেন

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ০৩ Jul, ২০২২


Thumbnail বর্ষাকালে জামাকাপড় শুকাতে যা করবেন

বর্ষাকালে জামাকাপড় শুকানো খুব কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ‌একটানা কিংবা থেমে থেমে বৃষ্টি হলে খোলামেলা জায়গার বদলে ঘরের মধ্যে দড়ি টাঙিয়ে পোশাক শুকাতে হয়। বর্ষায় ভালো করে জামাকাপড় শুকায় না বলে একটা স্যাঁতসেঁতে ভাব হয়ে থাকে। এতে জামাকাপড়ে দুর্গন্ধ হয় আবার ছত্রাকও হানা দেয়।

তবে ঘরোয়া কিছু উপায় মেনে চললে বর্ষাকালেও জামাকাপড়ে দুর্গন্ধ এড়ানো সম্ভব। এসব কৌশল অনুসরণ করলে কাপড় দ্রুত শুকিয়ে যাবে। সেই সঙ্গে জীবাণুর হাত থেকেও দূরে রাখা যাবে পোশাক।
 
এই সময় জামাকাপড় শুকাতে যা করবেন-

>> বর্ষায় ছাদে জামাকাপড় মেলা সম্ভব নয়। এ দিকে ব্যবহৃত পোশাক পরিষ্কার না করেও উপায় নেই। সেই জন্য জামাকাপড় ভালো করে নিংড়ে নিয়ে পানি ঝরিয়ে ঘরে পাখার নীচে মেলে দিন। এমন ঘরে মেলুন যেখানে হাওয়া-বাতাস আসে। বারান্দা থাকলে সেখানে দড়ি টাঙিয়ে জামাকাপড় মেলে দিন।

>> বাড়িতে ওয়াশিং মেশিন থাকলে বাড়তি সুবিধা রয়েছে।  মেশিনে কাপড় কেচে নিয়ে সেটি ড্রায়ারে ভালো করে শুকিয়ে নিন।

>> অনেক বাড়িতেই শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র রয়েছে। বর্ষায় এই যন্ত্রের ব্যবহার কমই হয়। তবে জামাকাপড় শুকোতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। বাতানুকূল যন্ত্রের ড্রাইমোড চালিয়ে জামাকাপড় শুকিয়ে নিন।

>> দড়ি টাঙানো থাকলেও প্রতিটি জামাকাপড় হ্যাঙারে টাঙিয়ে দিন। এতে পোশাকের দু’দিক-ই দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

>> বর্ষায় জামাকাপড় থেকে জীবাণু তাড়াতে শুধু পানি  দিয়ে না ধুয়ে ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করুন। এতে পোশাক জীবাণুমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

>> বর্ষাকালে শুধু ঘরের মেঝেই নয়, জামাকাপড়েও একটা স্যাঁতসেঁতে ভাব থাকে। তাই পোশাক পরার আগে ভালো করে এক বার আয়রন করে নিন।

বর্ষাকাল   জামা-কাপড়   শুকানো   উপায়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

এবারের ঈদে ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলুন মাংসের মসলা

প্রকাশ: ০৯:৩১ এএম, ০৩ Jul, ২০২২


Thumbnail এবারের ঈদে ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলুন মাংসের মসলা

গুণে গুণে আর মাত্র ৬-৭ দিন বাকি ঈদুল আজহার(কোরবানির ঈদ)। আর এই কোরবানির ঈদ মানেই গরু, ছাগল, ভেড়া, উটসহ বিভিন্ন পশু কোরবানি দেওয়া হয়। ঈদের দিন কোরবানি দেওয়ার সাথে সাথেই কাজ বাড়ে গৃহিণীদের, মাংস রান্না-বান্নার একটা ধুম পড়ে যায়। কেউ খিচুড়ির সাথে ঝাল গরুর মাংস আবার কেউ কষা মাংস। তবে এইসব নানাবিধ আইটেম তৈরি করার আগে প্রয়োজন মসলা। তাহলে খুব দ্রুতই রান্না সম্পন্ন করা যায়। অনেকেই মাংসের বাহারি পদ তৈরির জন্য বাজার থেকে রেডি মিক্স মসলা কেনেন। তবে চাইলে ঘরেও তৈরি করতে পারেন মাংসের মসলা-

পেঁয়াজ, আদা, রসুন ও তেল বাদে আর কিছুই দেওয়া লাগবে না এই মসলা ব্যবহার করলে। এই মসলা তৈরি করে ২-৩ মাস পর্যন্ত ঘরে সংরক্ষণও করতে পারবেন। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন মাংসের মসলা-

উপকরণ

১. শুকনো মরিচ ২২টি
২. আস্ত জিরা দেড় টেবিল চামচ
৩. আস্ত ধনিয়া ২ টেবিল চামচ
৪. ১ চা চামচ মৌরি
৫. মাঝারি তেজপাতা ৪টি
৬. দারুচিনির ছোট টুকরো ১ টেবিল চামচ
৭. এলাচ ১ চা চামচ
৮. আধা চা চামচ লবঙ্গ
৯. কালো গোলমরিচ ১ চা চামচ
১০. জয়ত্রী ছোট্ট ১টি
১১. জায়ফল অর্ধেক
১২. হলুদ গুঁড়া দেড় টেবিল চামচ ও
১৩. লবণ দেড় টেবিল চামচ।

পদ্ধতি

চুলায় প্যান বসিয়ে মাঝারি আঁচে শুকনা মরিচ হালকা টেলে নিন। এরপর মরিচ উঠিয়ে ধনিয়া ভাজুন হালকা করে। এরপর এটি তুলে নিয়ে জিরা ও মৌরি একসঙ্গে ভেজে নিন।
ভাজা হলে উঠিয়ে লবণ বাদে বাকি সব মসলা দিয়ে এক থেকে দেড় মিনিট ভেজে নিন। শেষে লবণ হালকা করে টেলে নিন।

লবণ ও হলুদ বাদে বাকি সব মসলা একসঙ্গে ব্লেন্ড করে মসৃণ পাউডার তৈরি করে নিন। শেষে লবণ ও হলুদ মিশিয়ে আরও একবার ব্লেন্ড করুন।

২-৩ কেজি মাংসের জন্য ব্যবহার করা যাবে এই মসলা। বেশি মাংসের জন্য মসলার পরিমাণ বাড়িয়ে তৈরি করুন রেডিমিক্স।

এই মসলা সংরক্ষণ করতে চাইলে রোদে ভালো করে শুকিয়ে মসলা কাচের পাত্রে রেখে ঢাকনা ভালো করে বন্ধ করে রাখুন।

ঈদ   মাংসের মসলা   রেসিপি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

শুরু হল ব্যতিক্রমী ‘ভৈষা’ দই মেলা

প্রকাশ: ০৪:৪৪ পিএম, ০২ Jul, ২০২২


Thumbnail শুরু হল ব্যতিক্রমী ‘ভৈষা’ দই মেলা

দেশের দক্ষিণ উপকূলের মানুষের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী ভৈষা দইকে জতীয় বাজারে পরিচিত করতে শুরু হয়েছে ‘দই মেলা ২০২২’। সরকারের পল্লী কর্ম – সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সহযোগিতায় ভোলা জেলা কেন্দ্রিক বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) কর্তৃক বাস্তবায়িত সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর আয়োজনে এই ‘দই মেলা ২০২২’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   

ঢাকার লালমাটিয়া, মিরপুর ২, খিলগাঁও, গাবতলি, উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি এলাকার অরগানিক পণ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে ০২ – ০৩ জুলাই ২০২২ চলবে  ২ দিনব্যপি এই ভিন্নধর্মী দই মেলা। যেখানে ১ কেজি পরিমাণ ভৈষা দই এর বাজারমূল্য ২৫০ টাকা থেকে ৩০% ছাড়ে ১৭৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। আগ্রহী গ্রাহকরা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফেজবুক পেজ থেকে অগ্রিম অর্ডার যেমন করতে পারবেন, তেমনি মেলার ২ দিন সরাসরিও আউটলেট গুলো থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। 

এছাড়াও, এই মেলায় ভোলার চরফ্যাশনে উৎপাদিত খাঁটি গাওয়া ঘি ২৫% ছাড়ে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি  করা হচ্ছে।  

এফডিএ এর নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ কামাল উদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, যুগের পর যুগ ধরে ভৈষা দই ভোলা এলাকার মানুষের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়। কিন্তু এই পণ্যটি উৎপাদনের সাথে জড়িত মানুষগুলো আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেননি। পণ্যটি দেশব্যাপী সমাদৃত করতে ও এর সাথে জড়িত উদ্যোক্তাদের আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী করতেই আমাদের প্রকল্পটি কাজ করছে। 

এ প্রসঙ্গে এফডিএ  এসইপি এর ব্যবস্থাপক মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, আমরা চাই আমাদের এই অঞ্চলের এই পণ্যটি দেশের সকল মানুষের কাছে পরিচিতি পাক। এই পণ্যটি যেহেতু স্বাস্থ্যসম্মত এবং কোন প্রকার মিশ্রণ ছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি করা হয় সেহেতু, এই পণ্যটি সকল স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ গ্রহণ করবে বলে আমার বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, সাস্টেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর মাধ্যমে ভোলা জেলাকেন্দ্রিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) চরফ্যাশনে উৎপাদিত দুগ্ধ পণ্যকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত ও বাজারজাতকরণে কাজ করছে। সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পর্যায়ে পরিবেশবান্ধব খামার তৈরি, নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে পণ্য প্রক্রিয়া এবং বাজারজাতকরণে প্রান্তিক খামারি ও সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সংস্থাটি। পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে আর্থিক ও সব ধরনের কারিগরি সহায়তা।

ভৈষা   দই   মেলা  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

ঈদুল আজহার আগে যেসব কাজ গুছিয়ে রাখবেন

প্রকাশ: ০২:৫৮ পিএম, ০২ Jul, ২০২২


Thumbnail ঈদুল আজহার আগে যেসব কাজ গুছিয়ে রাখবেন

কয়েক দিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা বা কুরবানির ঈদ। কুরবানির দু-তিন দিন ব্যস্ততা একটু বেশি থাকে। কুরবানির পশুর মাংস কাটা, বণ্টন, রান্না, আপ্যায়ন নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। রান্নাঘরেই বেশি সময় ব্যয় হয়। তাই আগে থেকে কিছু কাজ গুছিয়ে রাখলে সহজ হয়।

যেসব কাজগুলো এগিয়ে রাখবেন—

কুরবানিতে মাংসের বিভিন্ন পদ তৈরি হয়। তার জন্য দরকার মসলাপাতি। তাই আগেই মসলাপাতি তৈরি করে এয়ার টাইট বক্সে রেখে দিন। পেঁয়াজ, আদা, রসুন, জিরা আগে থেকেই কেটে, বেটে বা ব্লেন্ড করে নিন। সঙ্গে অনেক বাটা মসলা রাখলে পরে পরিমাণমতো নেওয়া মুশকিল। তাই ব্লেন্ড করা মসলা ছোট ছোট বক্সে রেখে বরফ করে সেগুলোকে জিপ-লক ব্যাগ বা পলি ব্যাগে রেখে দিতে পারেন।

এতে প্রয়োজনের সময় ১-২টি মসলার কিউব দিয়ে সহজেই রান্না করতে পারবেন। গরম মসলা কিনেও হাতের কাছে রাখুন। রান্নাঘরের দা, বটি, ছুরি ধারালো না হলে কাজে দেরি হবে। তাই সেগুলো ধার করিয়ে নিন। তবে তা শিশুদের চোখের আড়ালে রাখতে হবে।

এ ছাড়া অতিথি আপ্যায়নের বাসন আগেভাগেই ধুয়ে-মুছে রেখে দিন। কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।

কুরবানির ঈদের অবশিষ্ট মাংস সংরক্ষণ করার জন্য ফ্রিজ পরিষ্কার করে কিছু জায়গা খালি করে রাখুন। ফ্রিজে মাংস রাখার আগে একবার ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখাটাই ভালো। আগেই ব্লিচিং পাউডার কিনে রাখুন। কুরবানির পর রান্নাঘরের দুর্গন্ধ দূর করতে কাজে লাগবে। ঈদের সময় দরকার বড় হাঁড়ি-পাতিল। সেগুলোও পরিষ্কার করে রাখুন।

ঈদুল আজহা   কাজ   গুছানো  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

গ্যাস সিলিন্ডার লিক করলে তৎক্ষণাৎ যা করবেন

প্রকাশ: ১০:৩৭ এএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail গ্যাস সিলিন্ডার লিক করলে তৎক্ষণাৎ যা করবেন

বাড়িকে সুরক্ষিত রাখতে তালা-চাবির ব্যবহার করেন, ঝড়-বৃষ্টি এলে খুলে রাখেন এসি, টিভি, ফ্রিজের তার। কিন্তু এতেই কি বাড়ির সুরক্ষার পাঠ শেষ হয়ে যাচ্ছে? সুরক্ষার কথা ভাবতে গেলে রান্নাঘর বাদ দিলে চলবে না। প্রতি দিনের তাড়াহুড়ো আর ব্যস্ততার মধ্যেও দুর্ঘটনা এড়াতে যে ক’টা জরুরি বিষয় মাথায় রাখতে হয়, তার মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার ভাল ভাবে বন্ধ হল কি না, গ্যাসের নব বন্ধ হয়েছে কি না— এ সব যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সিলিন্ডার বিস্ফোরণের হাত থেকে বাঁচার কিন্তু প্রাথমিক শর্ত এটাই। রান্নাঘর থেকে অনেক সময় গ্যাসের গন্ধ পেলেও আমরা অনেকেই অবহেলা করে যাই! এর ফল হতে পারে মারাত্মক।

গ্যাস সিলিন্ডার লিক করলে তৎক্ষণাৎ কী করা উচিত?

১) সবার আগে গ্যাসের নবটি বন্ধ করতে হবে।

২) রান্নাঘর-সহ বাড়ির সব রকম বৈদ্যুতিক সুইচগুলি বন্ধ করতে হবে। ভুলবশত কোনও যন্ত্রপাতি চালু করবেন না।

৩) রান্নাঘর এবং ঘরের জানলা-দরজা খুলে রাখুন। যাতে গ্যাস বেরিয়ে যেতে পারে।

৪) সিলিন্ডারের রেগুলেটরটি পরীক্ষা করতে হবে। যদি সেটি চালু থাকে, অবিলম্বে বন্ধ করুন।

৫) রেগুলেটর বন্ধ করার পরেও যদি গ্যাস লিক হয় তবে এটি সরিয়ে ফেলুন এবং সেফটি ক্যাপ লাগিয়ে দিন।

৬) গ্যাস বার করার জন্য কোনও ফ্যানের ব্যবহার করবেন না।

৭) ঘরে কোনও প্রদীপ বা ধূপকাঠি জ্বালানো থাকলে তা নিভিয়ে দিতে হবে।

৮) আপনার ডিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাঁকে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান। তিনি এলে গ্যাসের পাইপ কিংবা রেগুলেটরে কোনও সমস্যা আছে কি না, তা যাচাই করে দেখতে বলুন।

৯) মুখে কাপড় বেঁধে রাখুন যাতে শ্বাসের সঙ্গে শরীরের ভিতর গ্যাস না চলে যায়। না হলে সমস্যা হতে পারে।

গ্যাস   সিলিন্ডার   লিক   তৎক্ষণাৎ   করণীয়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন