লিভিং ইনসাইড

৫ ভুলের কারণে গরমে ডায়রিয়া হতে পারে

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৮ জুন, ২০২২


Thumbnail ৫ ভুলের কারণে গরমে ডায়রিয়া হতে পারে

ডায়রিয়া একটি জলবাহিত রোগ। ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায় বলে রোগী দুর্বল হয়ে পড়ে। এমনকি রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি করতে হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, শিশুরা এতে তুলনামূলক বেশি আক্রান্ত হয়। তাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও কম থাকে। তবে বড়দের ক্ষেত্রেও সময় মতো চিকিৎসা শুরু না করলে এই অসুখ মারাত্মক আকার নিতে পারে।

গরমে পিপাসা মেটাতে অনেক সময় বাইরের বিভিন্ন রং-বেরঙের পানীয় পান করেন। এর মাধ্যমেও শরীরে ডায়রিয়ার জীবাণু শরীরে ঢুকতে পারে। তবে এই অসুখ থেকে দূরে থাকতে কতগুলো নিয়ম মানতেই হবে। জেনে নিন করণীয়-

চিকিৎসকদের মতে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে এই অসুখ এড়ানো সম্ভব। রান্নাঘর থেকে খাওয়ার জায়গা পরিষ্কার রাখুন। বাসন মাজার জন্য পরিষ্কার পানি ব্যবহার করুন। মুখ ধোয়ার সময় ব্যবহার করুন পরিষ্কার পানি।

ডায়রিয়া এড়াতে সারা বছরই পরিষ্কার পানি খান। রাস্তাঘাটের যে কোনো জায়গা থেকে পানি খাবেন না। প্রয়োজনে বোতলবন্দি বা ফোটানো পানি খান।

গরমে কোনো খাবার বেশিক্ষণ বাইরে ফেলে রাখবেন না। গরম অবস্থাতেই টাটকা খাবার খান। খাবার ঠান্ডা হলে তাতেও কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে। যা ডায়েরিয়ার কারণ হতে পারে।

ডায়রিয়া থেকে বাঁচতে রাস্তার খাবার এড়িয়ে চলুন। বিশেষ করে ফুচকা, চটপট, পানিপুরি কিংবা ভেলপুরি একেবারেই খাবেন না। যেসব খাবারে টকজল বা স্যুপের আকারে পানি সরাসরি পেটে যায়। তাই সেসব এড়িয়ে চলুন।

এ সময় পাতে মৌসুমী ফল রাখুন। তবে রাস্তার কাটা ফল খাবেন না। আস্ত ফল কিনে ভালো করে ধুয়ে খান। গরমে বাইরে থেকে লেবুর পানি কিংবা যে কোনো ধরনের পানীয় পান করবেন না।

ডায়রিয়া  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মৃত্যুহার বাড়তে পারে ৬০ শতাংশ!

প্রকাশ: ০৯:১৬ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মৃত্যুহার বাড়তে পারে ৬০ শতাংশ!

দাবদাহে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ইউরোপ থেকে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষজন যখন অতিষ্ট এমন সময় আরও এক আতংকের খবর জানালো একদল গবেষক। তাদের দাবি রাতের অতিরিক্ত তাপমাত্রার ফলে এ শতাব্দির শেষ নাগাদ মৃত্যুহার ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

গবেষকদের দাবি, তাপমাত্রার এ উলম্ফন মানুষের ঘুমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যার ফলে হৃদরোগ, মানসিক অস্থিরতা-অশান্তিসহ নানা ধরনের রোগ বাড়তে পারে। আর এ রোগবৃদ্ধি মানুষকে আরও বেশি ঠেলে দেবে মৃত্যুর দিকে।

২০৯০ সালের মধ্যে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানের ২৮টি শহরে রাতের তাপমাত্রা গড়ে ৬৮.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট থেকে দ্বিগুণ হয়ে ১০৩.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে গবেষণায়।

চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং গবেষণার অন্যতম লেখক ড. হাইডং কান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে যেসব স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, মানুষকে এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে; আর আমাদের উচিত মানিয়ে নিতে বা এ অভিযোজন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এমন কার্যকর উপায় তৈরি করা।

এক্ষেত্রে ড. কান মনে করেন, ভবিষ্যতে দাবদাহের সতর্ক ব্যবস্থা তৈরির সময় রাতেরবেলার উত্তাপের বিষয়টি অবশ্যই বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। বিশেষ করে, নিম্ন আয়ের মানুষদের কথা বিবেচনায় রাখতে হবে, যাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের অতিরিক্ত ব্যয় বহনের সক্ষমতা নেই।

এ গবেষকরা মনে করেন, রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিষয়টি কেউ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে না। তবে, গবেষকরা এশিয়া অঞ্চলের বাকি অংশ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এ গবেষণার ফলাফল আপাতত প্রয়োগ না করার পক্ষে মত দিয়েছেন। কারণ তারা এখনও এ সংক্রান্ত বিশ্বব্যাপী তথ্য বিশ্লেষণ করেননি।

চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, জার্মানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন।


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

প্রকাশ: ০১:৩৩ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

আমরা সকলেই কম-বেশি মুখের ত্বকের যত্ন নিয়ে থাকি। এর পিছনে অনেক টাকা ও শ্রমও খরচ করে থাকি। কিন্তু শরিরের বিভিন্ন অংশে কালো দাগ ছোপ থেকেই যায়। অনেকেই হাঁটু ও কনুইয়ের ত্বক কালচে হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। নামী-দামি ক্রীম ব্যবহার করেও এই দাগ সহজে যেতে চায় না। তবে ঘরোয়া কয়েকটি উপাদান কাজে লাগিয়ে হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ সহজেই দূর করা যায়। যদিও রাতারাতি তা সম্ভব নয়, নিয়মিত ব্যবহার করলে তবেই ফল মিলবে।

কফি ও অ্যালো ভেরার প্যাক
এক চামচ কফি নিয়ে তাতে অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। এ বার এই মিশ্রণটি হাঁটু ও কনুইতে ঘষুন। টানা কয়েক মিনিট ঘষার পর কফির রং বদলাতে শুরু করবে। তখন জল দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার করলে সুফল পাবেন।

টম্যাটোর প্যাক
ত্বকের দাগছোপ দূর করতে টম্যাটোর কোনও জুড়ি নেই। হাঁটু এবং কনুইয়ের কালচে দাগ তুলতে ওই অংশে টম্যাটো ঘষুন। কয়েক মিনিট পর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এ ছাড়া চালের আটার মধ্যে টম্যাটোর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে কনুই এবং হাঁটুতে লাগান। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

লেবু ও চিনির প্যাক
এক চামচ চিনি সামান্য পরিমাণ জলে গুলে ঘন রস করে নিন। একটি পাতিলেবুকে সমান দু’ভাগে কেটে ফেলুন। পাতিলেবুর অর্ধেক ভাগের মধ্যে চিনির রস দিয়ে কনুইয়ে পাঁচ-সাত মিনিট ভাল করে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন করলে দ্রুত ফল পাবেন।

হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ   দূর করার   ঘরোয়া উপায়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

মাঙ্কিপক্স থেকে বাচতে যে ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি

প্রকাশ: ০১:৪৮ পিএম, ১০ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মাঙ্কিপক্স থেকে বাচতে যে ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি

বিশ্বজুড়ে হানা দিয়েছে মাঙ্কিপক্স। দিন দিন বাড়ছে আক্রান্ত সংখ্যার। শুধু তাই নয় বিশ্বে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে ১৫ হাজার। সেই তালিকায় বাদ যায়নি বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটির কেরালা, দিল্লি, রাজস্থানে মিলেছে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের খোঁজ।

মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধ করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আলাদা নজর দেওয়া জরুরি। এই ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে কতটা পরিবর্তন আনা জরুরি ডায়েটে? কী ধরনের খাবার খাবেন?

প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাব।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে, যে কোনো রোগই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। মাঙ্কিপক্স হোক বা করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে প্রোটিনের যোগান শরীরে পর্যাপ্ত থাকা প্রয়োজন। সয়াবিন, বাদাম, মুসুর ডাল, দই, বিভিন্ন শস্যের মতো প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান।

ডিম
ভিটামিন-এ, ডি, কোলিন, আয়রন, ফোলেটের মতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ডিম সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, পেশির শক্তিশালী করতে ডিম অপরিহার্য। মাঙ্কিপক্স এবং করোনার যৌথ আবহে সুস্থ থাকতে প্রতিদিন একটি করে ডিম খান।

ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল
এই ভিটামিন শরীরে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়। তা ছাড়া, ভিটামিন সি সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় সহায়তা করে। লেবু, আমলকি, পেঁপে, চেরি, কিউয়ি, স্ট্রবেরির মতো ভরপুর ভিটামিন-সমৃদ্ধ ফল সুস্থ থাকতে প্রতিনিয়ত খাওয়া জরুরি।

মাঙ্কিপক্স   খাদ্যতালিকা   জরুরি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে যা উপহার দিতে পারেন

প্রকাশ: ০১:০৫ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে যা উপহার দিতে পারেন

বন্ধুত্ব যেমন মধুর তেমনি অম্লান। এই সম্পর্ক চিরকালের। সেই চিরন্তন বিশ্বাস ও নিঃস্বার্থ ভালবাসাকে উদযাপন করার এক বিশেষ দিন হলো ফ্রেন্ডশিপ ডে। প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রোববার ফ্রেন্ডশিপ ডে পালন হয়ে আসছে। সেই হিসেবে আজকে বিশ্ব বন্ধু দিবস। 

বন্ধু দিবসে বন্ধুকে শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন। তবে এর পাশাপাশি আপনার প্রিয় বন্ধুটিকে অন্য কোন বিশেষ উপহার দিতে পারলে কেমন হয়? কম খরচেই দিতে পারেন মিনিংফুল গিফ্ট। সেই উপহারের মধ্য দিয়েই থেকে যাবে আপনাদের বন্ধুত্বের ছোট্ট টোকেন।

ফ্রেন্ডশিপ ডে-তে বন্ধুকে যেসব উপহার দিতে পারেন:

গ্রিটিংস কার্ড :
যতই যাই বলুন, একটি গ্রিটিংস কার্ডের অনুভূতি কি কখনও একটি মেসেজ দিতে পারে না। অঙ্কনের অভ্যাস থাকলে নিজে হাতেই বানিয়ে ফেলুন একটি কার্ড। তাতে থাকুক বন্ধুর প্রতি আপনার বার্তা। কার্ড বানাতে না পারলে কিনেও গিফ্ট করতে পারেন।

গাছ :
এই বন্ধুত্ব দিবসে প্রিয় বন্ধুদের হাতে তুলে দিতে পারেন চারা গাছ। যা একটি নতুন আইডিয়া। গাছ বেড়ে উঠবে আপনাদের বন্ধুত্বের বন্ধন হিসেবে।

ছবি :
ছবির গ্যালারিতে কোন কমতি নেই, এর ভেতর থেকে খুঁজে বের করুন আপনাদের প্রথম দিকের ছবি। তা থেকে একটি প্রিন্ট করে পাঠিয়ে দিন আপনার বন্ধুকে। বাজারচলতি ফোটোফ্রেমেও ভরেও দিতে পারেন সেই ছবি।

গল্পের বই :
আপনার বন্ধুটি যদি বইপ্রেমী হন, তাহলে কিন্তু এটা বেশ ভাল অপশন। আপনার বন্ধুর হাতে তুলে দিন আপনার পছন্দের কোনও বই।

বন্ধু দিবস   উপহার  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন, কেনো এমন হয়?

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ০৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন, কেনো এমন হয়?

ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখা এই সমস্যার সম্মুখীন হয় অনেকেই। অনেকে তো আবার ঘুমে বাজে স্বপ্ন দেখে ভয়ে আতঙ্কে ঘাম ঝড়ে যায়। বেশ সময় লেগে যায় নিজের চেতনায় ফিরে আসতে। তবে এমনটা কেনো হয় জেনে নিন গবেষকরা কি বলছে-

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সারা দিনের ক্লান্তি, চিন্তা আমাদের উপর এমন একটা প্রভাব ফেলে, যা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নে প্রতিফলিত হয়ে ওঠে। এই দুঃস্বপ্নের মোকাবিলা করা মুখের কথা নয়। ভাল স্বপ্নগুলি আমাদের তেমন মনে না থাকলেও দুঃস্বপ্নগুলি যেন মনে গেঁথে যায়। কেন এমনটা হয় জানেন? তুলানে ইউনিভার্সিটি স্কুল অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টুফস ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের এর গবেষকরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন।

গবেষকরা দেখেছেন যে, স্ট্রেস নিউরোট্রান্সমিটার নরপাইনফ্রাইন, যা নরড্রেনালাইন নামেও পরিচিত, অ্যামিগডালায় প্রতিরোধমূলক স্নায়ুগুলিকে উদ্দীপিত করে মস্তিষ্কে ভয়ের স্মৃতিগুলিকে জাগিয়ে তোলে। যা মস্তিষ্কে ভয়ের বিষ্ফোরণ ঘটায়। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক শান্ত অবস্থায় থাকে সেই সময় ভয়ের স্মৃতিগুলি হঠাৎ জেগে উঠলে আমরা ঘুমের মধ্যে শিহরিত হই। আর বারে বারে এই স্মৃতিগুলি আমাদের স্নায়ুগুলিকে উদ্দীপিত করে। তাই দুঃস্বপ্ন বেশ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

ঘুম   দুঃস্বপ্ন   কারণ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন