লিভিং ইনসাইড

বর্ষায় ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়

প্রকাশ: ০৯:৫১ এএম, ২৯ জুন, ২০২২


Thumbnail বর্ষায় ছত্রাক সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়

বর্ষাকালে প্রকৃতি আরো সবুজ, সতেজ ও সুন্দর হয়ে ওঠে। তবে এই মৌসুম  নোংরা পানির সংস্পর্শ, আর্দ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি ও ঘরের স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ পায়ে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আঙুলের ফাঁক সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। পায়ে ইতিমধ্যে কোনো সংক্রমণ থাকলে এ সময় অবস্থা আরো শোচনীয় হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষায় অবশ্যই পায়ের যত্ন নিতে হবে, বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীরা মোটেই অবহেলা করতে পারবেন না। এখানে বৃষ্টির দিনগুলোতে পায়ের সুস্থতায় করণীয় উল্লেখ করা হলো।

>> খালি পায়ে হাঁটা নয়: বৃষ্টিতে খালি পায়ে হাঁটা আনন্দদায়ক হতে পারে, কিন্তু এটা পায়ে সমস্যা বয়ে আনতে পারে। তাই পায়ের সুস্থতা বজায় রাখতে খালি পায়ে বাইরে বের হবেন না। ঘরেও স্যান্ডাল পরা ভালো, যদি নিচতলায় বসবাস করেন।বাইরে যেতে জুতা পরার আগে পায়ে অ্যান্টিফাঙ্গাল পাউডার ছিটাতে পারেন। এতে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।

>> পা শুষ্ক রাখুন: ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে পা সহজেই ছত্রাকের শিকার হতে পারে। বাইর থেকে এসে যত দ্রুত সম্ভব পা ধুয়ে মুছে নিন। বর্ষায় এন্টিসেপ্টিক দিয়ে পা ধোয়াই ভালো।

>> ময়েশ্চারাইজারের অতি ব্যবহার নয়: ত্বকের যত্নে শীত ও গ্রীষ্মে আপনি হয়তো ঘনঘন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন, তবে বৃষ্টির দিনগুলোতেও এমনটা করবেন না। বৃষ্টির সময় এমনিতেই পরিবেশ অত্যধিক আর্দ্র থাকে। তাই এসময় দিন-রাতে ঘনঘন ময়েশ্চারাইজিং করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

>> হালকা গরম পানিতে পা ভেজান: বৃষ্টির মৌসুমে পায়ের যত্নে কুসুম গরম পানিতে পা ডোবানো সহায়ক হতে পারে।এটাকে আরো কার্যকর করতে লবণ মেশাতে পারেন। এতে করে পায়ে কেবল আরামই পাবেন না, ছত্রাক সংক্রমণও প্রতিরোধ হবে। গরম পানিতে টি ব্যাগ ডুবিয়েও পা ভেজাতে পারেন। কিছুক্ষণ পর পা শুকিয়ে নিন।

>> ম্যাসাজ ও স্ক্রাব করুন: পায়ে নিয়মিত ম্যাসাজ করলে সমস্যার ঝুঁকি কমে। জলপাই তেল বা নারকেল তেলকে হালকা গরম করে প্রতিদিন অন্তত পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করতে পারেন। এছাড়া ত্বকের মৃতকোষ অপসারণে স্ক্রাব করতে পারেন।এতে পা কোমল ও মসৃণ থাকবে। চিনি/লবণের সঙ্গে বেবি অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাবের পেস্ট তৈরি করুন। এরপর সারা পায়ে পেস্ট মেখে বৃত্তাকারে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করুন। অতঃপর ঝামা পাথর ত্বকে হালকা ঘষে সাধারণ ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন এবং পা মুছে নিয়ে ফুট ক্রিম লাগাতে পারেন।

>> ক্ষত নিয়ে বাইরে নয়: অন্য মৌসুমের তুলনায় বর্ষাকালে ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগতে পারে। অবহেলায় সংক্রমণও সৃষ্টি হতে পারে। তাই পায়ে উন্মুক্ত ক্ষত থাকলে বৃষ্টির সময় বাইরে বের হবেন না, কারণ নোংরা পানির ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু ক্ষতকে সহজেই সংক্রমিত করতে পারে। পায়ের সুরক্ষায় কর্ম থেকে ছুটি নিয়ে নিন। ছুটি না পেলে সর্বোচ্চ সতর্কতা সহকারে বের হতে হবে, যেমন- ব্যান্ডেজ দিয়ে ক্ষত ঢেকে নিন।

>> রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণ করুন: বর্ষাকালে ডায়াবেটিস রোগীদের রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা অন্য সময়ের তুলনায় বেশি, বিশেষ করে পায়ে কাটাছেঁড়া বা সংক্রমণ থাকলে। অন্যথায় এটা এমন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে যে পা কেটে ফেলা ছাড়া উপায় থাকবে না। পায়ের ক্ষত না শুকানো বা সংক্রমণ সেরে না ওঠা পর্যন্ত ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ে নোংরা পানি বা কাদামাটির সংস্পর্শ কখনোই ভালো কিছু নয়।

বর্ষাকাল   ছত্রা্‌ সংক্রমণ   প্রতিরোধ   করণীয়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে যা উপহার দিতে পারেন

প্রকাশ: ০১:০৫ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে যা উপহার দিতে পারেন

বন্ধুত্ব যেমন মধুর তেমনি অম্লান। এই সম্পর্ক চিরকালের। সেই চিরন্তন বিশ্বাস ও নিঃস্বার্থ ভালবাসাকে উদযাপন করার এক বিশেষ দিন হলো ফ্রেন্ডশিপ ডে। প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রোববার ফ্রেন্ডশিপ ডে পালন হয়ে আসছে। সেই হিসেবে আজকে বিশ্ব বন্ধু দিবস। 

বন্ধু দিবসে বন্ধুকে শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন। তবে এর পাশাপাশি আপনার প্রিয় বন্ধুটিকে অন্য কোন বিশেষ উপহার দিতে পারলে কেমন হয়? কম খরচেই দিতে পারেন মিনিংফুল গিফ্ট। সেই উপহারের মধ্য দিয়েই থেকে যাবে আপনাদের বন্ধুত্বের ছোট্ট টোকেন।

ফ্রেন্ডশিপ ডে-তে বন্ধুকে যেসব উপহার দিতে পারেন:

গ্রিটিংস কার্ড :
যতই যাই বলুন, একটি গ্রিটিংস কার্ডের অনুভূতি কি কখনও একটি মেসেজ দিতে পারে না। অঙ্কনের অভ্যাস থাকলে নিজে হাতেই বানিয়ে ফেলুন একটি কার্ড। তাতে থাকুক বন্ধুর প্রতি আপনার বার্তা। কার্ড বানাতে না পারলে কিনেও গিফ্ট করতে পারেন।

গাছ :
এই বন্ধুত্ব দিবসে প্রিয় বন্ধুদের হাতে তুলে দিতে পারেন চারা গাছ। যা একটি নতুন আইডিয়া। গাছ বেড়ে উঠবে আপনাদের বন্ধুত্বের বন্ধন হিসেবে।

ছবি :
ছবির গ্যালারিতে কোন কমতি নেই, এর ভেতর থেকে খুঁজে বের করুন আপনাদের প্রথম দিকের ছবি। তা থেকে একটি প্রিন্ট করে পাঠিয়ে দিন আপনার বন্ধুকে। বাজারচলতি ফোটোফ্রেমেও ভরেও দিতে পারেন সেই ছবি।

গল্পের বই :
আপনার বন্ধুটি যদি বইপ্রেমী হন, তাহলে কিন্তু এটা বেশ ভাল অপশন। আপনার বন্ধুর হাতে তুলে দিন আপনার পছন্দের কোনও বই।

বন্ধু দিবস   উপহার  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন, কেনো এমন হয়?

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ০৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন, কেনো এমন হয়?

ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখা এই সমস্যার সম্মুখীন হয় অনেকেই। অনেকে তো আবার ঘুমে বাজে স্বপ্ন দেখে ভয়ে আতঙ্কে ঘাম ঝড়ে যায়। বেশ সময় লেগে যায় নিজের চেতনায় ফিরে আসতে। তবে এমনটা কেনো হয় জেনে নিন গবেষকরা কি বলছে-

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সারা দিনের ক্লান্তি, চিন্তা আমাদের উপর এমন একটা প্রভাব ফেলে, যা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নে প্রতিফলিত হয়ে ওঠে। এই দুঃস্বপ্নের মোকাবিলা করা মুখের কথা নয়। ভাল স্বপ্নগুলি আমাদের তেমন মনে না থাকলেও দুঃস্বপ্নগুলি যেন মনে গেঁথে যায়। কেন এমনটা হয় জানেন? তুলানে ইউনিভার্সিটি স্কুল অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টুফস ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের এর গবেষকরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন।

গবেষকরা দেখেছেন যে, স্ট্রেস নিউরোট্রান্সমিটার নরপাইনফ্রাইন, যা নরড্রেনালাইন নামেও পরিচিত, অ্যামিগডালায় প্রতিরোধমূলক স্নায়ুগুলিকে উদ্দীপিত করে মস্তিষ্কে ভয়ের স্মৃতিগুলিকে জাগিয়ে তোলে। যা মস্তিষ্কে ভয়ের বিষ্ফোরণ ঘটায়। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক শান্ত অবস্থায় থাকে সেই সময় ভয়ের স্মৃতিগুলি হঠাৎ জেগে উঠলে আমরা ঘুমের মধ্যে শিহরিত হই। আর বারে বারে এই স্মৃতিগুলি আমাদের স্নায়ুগুলিকে উদ্দীপিত করে। তাই দুঃস্বপ্ন বেশ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

ঘুম   দুঃস্বপ্ন   কারণ  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

চুলে সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি

প্রকাশ: ১২:৩৮ পিএম, ০১ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail চুলে সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি

চুলের যত্ন নিতে শ্যাম্পু-কন্ডিশনারের পাশাপাশি এখন সিরামেরও বেশ কদর বেড়েছে। সিরাম মূলত ব্যবহার করা হয় চুলে যাতে জট না পরে, আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং উজ্জ্বল ও মসৃণ হয়। অনেক সময় সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চুল বাঁচায় সিরাম। তবে সিরাম ঠিক যতটা গুরুত্বপূর্ণ সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে না পারলে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। রইল সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি।

কোথাও যাওয়ার আগে দেখলেন চুল কেমন এলোমেলো হয়ে রয়েছে। চিরুনি দিয়ে আঁচড়িয়েও ঠিক করা যাচ্ছে না। চুলের উস্কোখুশকো ভাব দূর করতে পারছেন না কিছুতেই। এমন পরিস্থিতেই অনেকেই ভরসা রাখেন সিরামে। শুষ্ক চুল বাগে আনতে বেশ খানিকটা সিরাম মাথায় মেখে নেন খানিকটা। এতে কিছুটা হলেও চুলের হাল ফেরে।

চুল বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে বেশি সিরাম ব্যবহার করা একেবারেই ঠিক নয়। এতে সাময়িক ভাবে চুলগুলি মসৃণ হলেও এর প্রভাবে চুলের ক্ষতি হতে পারে। চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যেতে পারে। খুব বেশি পরিমাণ সিরাম লাগালে চুল তেলতেলে হয়ে গিয়ে নেতিয়ে পড়বে। বিশেষ করে যাদের চুল সোজা। কোঁকড়া চুলের ক্ষেত্রে একটু বেশি পরিমাণে সিরাম লাগে। তবে সোজা এবং প্রাকৃতিক ভাবে নরম ও মসৃণ হলে এক-দু’ফোঁটা সিরামই যথেষ্ট।

কী ভাবে চুলে লাগাবেন সিরাম?

সিরাম এমনিতে বেশ গাঢ় হয়। তাই হাতে নিয়ে দু’হাতের তালুতে ঘষে ছড়িয়ে নিন প্রথমে। তার পর চুলের আগা থেকে মাখতে শুরু করুন। তবে ভুলেও মাথার তালুতে ভুলেও লাগাবেন না সিরাম। এতে মাথার ত্বকে র‌্যাশ বা চুলকানি হতে পারে।

চুল   সিরাম   সঠিক উপায়   পদ্ধতি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

ঘরে বসে বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু আনারস চিংড়ি

প্রকাশ: ১১:০১ এএম, ০১ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঘরে বসে বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু আনারস চিংড়ি

চিংড়ি বেশিরভাগ মানুষেরই পছন্দের একটি খাবার। বাজারে গেলে অন্য কোনো মাছের দিকে চোক যাক আর না যাক চিঙ্গড়ির দিকে যাবেই। এমন অনেক মানুষ আছে যারা বাজারে গেলে অন্য মাছ কিনুক আর না কিনুক চিংড়ি কিনবেই। আর চিংড়ি মাছের মালাইকারির তো বেশ জনপ্রিয় সবখানে। তবে এই পরিচিত খাবারের পরিবর্তে যদি এই পছন্দের মাছের সাথে একটু ভিন্ন ধরনের রেসিপি করা যায় তাহলে কেমন হয়! 

এই সময়ে বাজারে গেলে চিংড়ি পাশাপাশি আনারসও পাওয়া যায়। তাই আপনি চাইলে চিংড়ি সাথে আনরস দিয়ে একটা ভিন্ন ধরনের সুস্বাদু রেসিপি করতে পারেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক আনারস চিংড়ির রেসিপি-

উপকরণ:

আনারস: ১টি

চিংড়ি: ৫০০ গ্রাম (মাঝারি মাপের)

ক্যাপসিকাম: ২টি

পেঁয়াজ: ৪টি

সাদা তেল: ২ টেবিল চামচ

আদা: ১ ইঞ্চি

রসুন: ৬-৭টি

ভিনিগার: ১ চা চামচ

গোলমরিচ গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ

নুন: স্বাদ মতো

মধু: ২ চা চামচ

সয়া সস: ২ টেবিল চামচ

কর্নফ্লাওয়ার: ২ চামচ

প্রণালী:

প্রথমে আনারস, পেঁয়াজ, ক্যাপসিকাম ডুমো ডুমো করে কেটে নিন। আদা, রসুন কুচিয়ে রাখুন। চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে সামান্য নুন মাখিয়ে নিন। এ বার ফুটন্ত গরম জলে চিংড়ি দিয়ে দু’-তিন মিনিট রেখেই তুলে নিন। ফ্রাইং প্যানে সাদা তেল গরম করে আদা কুচি ও রসুন কুচি ফোড়ন দিন। আদা-রসুন ভাজা হয়ে এলে আনারস বাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। মিনিট দুয়েক পরে সয়া সস দিন। সামান্য ফুটে উঠলেই একে একে আনারস, পেঁয়াজ ও ক্যাপসিকামের টুকরোগুলি দিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন। এর পর ভাপিয়ে রাখা চিংড়ি, নুন, সামান্য ভিনিগার, গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। একটি বাটিতে সামান্য পানি নিয়ে কর্নফ্লাওয়ার গুলে নিন। এ বার মিশ্রণটি কড়াইতে ঢেলে দিন। গ্রেভি ঘন হয়ে এলে মধু ছড়িয়ে হালকা নেড়ে চেড়ে নামিয়ে নিন। পরোটা কিংবা ফ্রায়েড রাইসের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

আনারস চিংড়ি   রেসিপি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

যেসব রোগের কারণে চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ৩০ জুলাই, ২০২২


Thumbnail যেসব রোগের কারণে চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়

চুল পড়া আবার নতুন করে চুল গজানো একটা স্বাভাবিক বিষয়। তবে অত্যধিক মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ার অভ্যাস ও দূষণের কারণে চুলের বারোটা বাজে। এসব কারণেই চুল ঝরতে শুরু করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেয়ার পাশাপাশি চুলের স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেয়া প্রয়োজন। চুল পড়ার লক্ষণ অনেক সময়ই কোনো না কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। তাই চুল পড়ার সমস্যাকে একেবারেই হালকাভাবে নেয়া উচিত নয়। 

জেনে নিন, যেসব রোগের কারণে অত্যধিক হারে চুল পড়তে শুরু করে।

থাইরয়েড

শরীরে থাইরয়েড রোগ বাসা বাঁধলে এমনটা হতে পারে। থাইরয়েড হরমোন, আয়রন, ক্যালশিয়ামের মতো খনিজ শোষণ করে। এই খনিজগুলো চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। হাইপোথাইরয়েডিজম এবং হাইপারথাইরয়েডিজম— উভয় রোগের ক্ষেত্রেই রোগীর চুল ঝরতে শুরু করে।

অ্যালোপেসিয়া

যখন শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা চুলের ফলিক্‌লগুলো আক্রমণ করে, তাকে বলা হয় অ্যালোপেসিয়া অ্যারেটা। মাথার তালু এবং মুখেই এই রোগের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে। এ রোগে আক্রান্ত হলে মাথার তালুতে গোল গোল চাকতির মতো টাক হয়ে যায়। এমনকি, ভ্রুর রোমও ঝরতে শুরু করে।

এক্সিমা এবং পোরিওসিস

প্রদাহজনিত এই দুই রোগের কারণে চুলকানি, র‌্যাশ হতে পারে। লাল ছোপ সারা মুখে ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, এই দুই রোগের কারণেও চুলের ঘনত্বও কমে যেতে পারে।

পিসিওডি

অনেক নারী পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের সমস্যায় ভোগেন। হরমোনের সাম্যতা বজায় না থাকার কারণেই মূলত এই সমস্যা হয়। এই রোগে আক্রান্ত হলে অত্যধিক চুল পড়া এবং চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো দেখা দেয়।

রোগ   কারণ   চুল পড়া   সমস্যা   বেড়ে যায়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন