লিভিং ইনসাইড

বর্ষাকালে জামাকাপড় শুকাতে যা করবেন

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ০৩ জুলাই, ২০২২


Thumbnail বর্ষাকালে জামাকাপড় শুকাতে যা করবেন

বর্ষাকালে জামাকাপড় শুকানো খুব কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ‌একটানা কিংবা থেমে থেমে বৃষ্টি হলে খোলামেলা জায়গার বদলে ঘরের মধ্যে দড়ি টাঙিয়ে পোশাক শুকাতে হয়। বর্ষায় ভালো করে জামাকাপড় শুকায় না বলে একটা স্যাঁতসেঁতে ভাব হয়ে থাকে। এতে জামাকাপড়ে দুর্গন্ধ হয় আবার ছত্রাকও হানা দেয়।

তবে ঘরোয়া কিছু উপায় মেনে চললে বর্ষাকালেও জামাকাপড়ে দুর্গন্ধ এড়ানো সম্ভব। এসব কৌশল অনুসরণ করলে কাপড় দ্রুত শুকিয়ে যাবে। সেই সঙ্গে জীবাণুর হাত থেকেও দূরে রাখা যাবে পোশাক।
 
এই সময় জামাকাপড় শুকাতে যা করবেন-

>> বর্ষায় ছাদে জামাকাপড় মেলা সম্ভব নয়। এ দিকে ব্যবহৃত পোশাক পরিষ্কার না করেও উপায় নেই। সেই জন্য জামাকাপড় ভালো করে নিংড়ে নিয়ে পানি ঝরিয়ে ঘরে পাখার নীচে মেলে দিন। এমন ঘরে মেলুন যেখানে হাওয়া-বাতাস আসে। বারান্দা থাকলে সেখানে দড়ি টাঙিয়ে জামাকাপড় মেলে দিন।

>> বাড়িতে ওয়াশিং মেশিন থাকলে বাড়তি সুবিধা রয়েছে।  মেশিনে কাপড় কেচে নিয়ে সেটি ড্রায়ারে ভালো করে শুকিয়ে নিন।

>> অনেক বাড়িতেই শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র রয়েছে। বর্ষায় এই যন্ত্রের ব্যবহার কমই হয়। তবে জামাকাপড় শুকোতে এটি ব্যবহার করতে পারেন। বাতানুকূল যন্ত্রের ড্রাইমোড চালিয়ে জামাকাপড় শুকিয়ে নিন।

>> দড়ি টাঙানো থাকলেও প্রতিটি জামাকাপড় হ্যাঙারে টাঙিয়ে দিন। এতে পোশাকের দু’দিক-ই দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

>> বর্ষায় জামাকাপড় থেকে জীবাণু তাড়াতে শুধু পানি  দিয়ে না ধুয়ে ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করুন। এতে পোশাক জীবাণুমুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

>> বর্ষাকালে শুধু ঘরের মেঝেই নয়, জামাকাপড়েও একটা স্যাঁতসেঁতে ভাব থাকে। তাই পোশাক পরার আগে ভালো করে এক বার আয়রন করে নিন।

বর্ষাকাল   জামা-কাপড়   শুকানো   উপায়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

শিক্ষার্থীদেরই জন্য জরুরি সুপরিকল্পিত রুটিন

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail শিক্ষার্থীদেরই জন্য জরুরি সুপরিকল্পিত রুটিন

বর্তমান সময়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রুটিন করে পড়াশোনার একটা প্রবণতা দেখা যায়। তবে শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীরা না,  সকল শিক্ষার্থীদের জন্যই রুটিন কতটা প্রয়োজনীয় সেটা নিয়েই বাংলা ইনসাইডারের আজকের আয়োজন। 

শুধু মেধাবীরাই নয়, রুটিন করে পড়াশোনা করা সকল শিক্ষার্থীদের জন্যই প্রয়োজন। কারণ একটা রুটিন আমাদের দিনের কাজ দিনে সেরে ফেলতে সাহায্য করে। সব থেকে বড় কথা হলো রুটিন অনুযায়ী প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন করে ফেলায় নিজেদের মধ্যে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। যেটা একটা রুটিনের মাধ্যমেই সম্ভব।

একজন শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফলা করা সম্পূর্ণই নির্ভর তার পড়াশোনার উপর। তাই বলে কি সকল কাজ বাদ দিয়ে সারাদিন বইয়ের ভেতর মুখ গুজে বসে থাকবেন! না সারাদিন বইয়ে মুখ গুজে কোনো লাভ নেই।  তাতে সবার ক্ষেত্রে ফলাফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।  তাই রুটিন করে পড়াশোনার পাশাপাশি,  আপনার অন্যান্য কাজ করা, খেলাধুলা করা, অনুশীলন করা সব কিছুই জরুরি।

পড়াশোনার পাশাপাশি আপনার যদি পছন্দের তালিকায় অঙ্কন, গান বা নাচ থাকে৷  তাহলে আপনি রুটিন কাজে লাগিয়ে ঘন্টা খানেক সময় রাখুন৷ আর প্রতিদিন একই সময়ে ঘন্টা খানেক অনুশীলন করেন তাহলে খুব সহজেই আপনি এটা নিজের মধ্যে আয়ত্ত করতে পারবেন। সেটা হতে পারে খেলা-ধুলা, অঙ্কন, নাচ গান ইত্যাদি৷ 

 যখনের কাজ তখন করা।  যেমন আপনার যখন পড়াশোনা করা উচিত তখন পড়াশোনা আর যখন খেলা ধুলা বা অন্যান্য অনুশীলন আলদা আলদা সময়ে নিয়ম অনুযায়ী করা। কারণ সময়েরটা সময়ে করলে কাজটি ভালোভাবে করা যায়। এছাড়া নিয়ম করে খেলাধুলা আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। আর ভালো করে পড়াশোনা করতে হলে সুস্থ থাকা খুবই জরুরি। যদি আপনি একটা রুটিন মেনে চলেন তাহলেই সব সম্ভব। 

রুটিন মানেই হলো আপনার কোন কাজটি কখন করবেন সেসব কিছু লিখে রাখা এবং তা মেনে চলা। আপনার প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন শেষ করতে রুটিন আপনাকে ভীষণভাবে সাহায্য করবে। তবে এর জন্য অবশ্যই রুটিন মেনে চলা জরুরি। রুটিনে আপনার যে কাজটি যখন দেওয়া থাকে চেষ্টা করবেন রুটিনের সময় অনুযায়ীই শেষ করতে। তবে আপনি যদি রুটিন না করেন তাহলে আপনার কোন কাজটা কখন বা কত সময় করতে সেটা বুঝতে পারবেন না।  তাতে করে আপনার অন্য কাজে প্রভাব  পড়ার সম্ভাবনা থাকে৷ কখন কোন কাজটি করতে হবে সেটা ভাবতে ভাবতেই আপনার অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে যাবে। যা একটা রুটিন মেনে চললে আপনার জন্য বিষয়টা খুবই সহজ হয়।

ছোট একটা রুটিন আপনার সময় অনেকটুকু বাচিয়ে দেবে। কারণ একটা রুটিনেই লেখা থাকে আপনি কখনের কাজ কখন করবেন৷ রুটিনে দেওয়া বরাদ্দ সময় অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারলে আপনার অনেকটা সময় বেচে যাবে এবং আপনি সময় অপচয় থেকে বিরত থাকতে পারবেন। 
ফলে আপনার পড়াশোনায় একঘেয়েমি চলে আসবে না। আপনার অন্যান্য কাজও সময় মত শেষ হবে। এছাড়াও রুটিনে আগে থেকেই পরিকল্পনা করা থাকে বলেই প্রতিদিন পরিকল্পনা করার জন্য সময় নষ্ট হয় না।

রুটিনে পড়াশোনা, খেলা-ধুলা, অন্যান্য কাজের পাশাপশি নিজের জন্য সময় রাখুন৷  নিজের জন্য সময়টা কখন বা কত সময় সেটাও রুটিনে লিখে রাখুন তাতে আপনার জন্য সব কিছুই সহজ মনে হবে এবং নিজেকে নিজে কিছুটা সময় দিলে আরও নতুন নতুন ভাবনা তৈরি করার আগ্রহটা বাড়বে।

একটি সুপরিকল্পিত রুটিন আপনার প্রত্যাহিক জীবনে অনেকটা সস্তি ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করবে। রুটিন মানেই নিয়ম। আর তাই এই নিয়মকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে সময়ানুবর্তিতা বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি নিয়ম মেনে চলার অভ্যাসও গড়ে উঠবে।

একজন শিক্ষার্থীর জন্য রুটিন শুধুমাত্র একটা রুটিন না, এটি শিক্ষার্থীদের প্রাত্যহিক জীবনকে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার হাতিয়ার। শৃঙ্খলাই একজন শিক্ষার্থীকে একাধারে ভালো ছাত্র ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেতে পারে। যদি একটি সুপরিকল্পিত  রুটিন মেনে চলা যায় তাহলে আপনাদের প্রতিদিনের জীবন আরও সুন্দর এবং গোছালো হবে। এর জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের একটি রুটিন তৈরি করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থী   সুপরিকল্পিত রুটিন   পড়াশোনা  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

মাঙ্কিপক্স থেকে বাচতে যে ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি

প্রকাশ: ০১:৪৮ পিএম, ১০ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মাঙ্কিপক্স থেকে বাচতে যে ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি

বিশ্বজুড়ে হানা দিয়েছে মাঙ্কিপক্স। দিন দিন বাড়ছে আক্রান্ত সংখ্যার। শুধু তাই নয় বিশ্বে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে ১৫ হাজার। সেই তালিকায় বাদ যায়নি বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটির কেরালা, দিল্লি, রাজস্থানে মিলেছে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের খোঁজ।

মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধ করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আলাদা নজর দেওয়া জরুরি। এই ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে কতটা পরিবর্তন আনা জরুরি ডায়েটে? কী ধরনের খাবার খাবেন?

প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাব।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে, যে কোনো রোগই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। মাঙ্কিপক্স হোক বা করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে প্রোটিনের যোগান শরীরে পর্যাপ্ত থাকা প্রয়োজন। সয়াবিন, বাদাম, মুসুর ডাল, দই, বিভিন্ন শস্যের মতো প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান।

ডিম
ভিটামিন-এ, ডি, কোলিন, আয়রন, ফোলেটের মতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ডিম সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, পেশির শক্তিশালী করতে ডিম অপরিহার্য। মাঙ্কিপক্স এবং করোনার যৌথ আবহে সুস্থ থাকতে প্রতিদিন একটি করে ডিম খান।

ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল
এই ভিটামিন শরীরে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়। তা ছাড়া, ভিটামিন সি সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় সহায়তা করে। লেবু, আমলকি, পেঁপে, চেরি, কিউয়ি, স্ট্রবেরির মতো ভরপুর ভিটামিন-সমৃদ্ধ ফল সুস্থ থাকতে প্রতিনিয়ত খাওয়া জরুরি।

মাঙ্কিপক্স   খাদ্যতালিকা   জরুরি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে যা উপহার দিতে পারেন

প্রকাশ: ০১:০৫ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে যা উপহার দিতে পারেন

বন্ধুত্ব যেমন মধুর তেমনি অম্লান। এই সম্পর্ক চিরকালের। সেই চিরন্তন বিশ্বাস ও নিঃস্বার্থ ভালবাসাকে উদযাপন করার এক বিশেষ দিন হলো ফ্রেন্ডশিপ ডে। প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রোববার ফ্রেন্ডশিপ ডে পালন হয়ে আসছে। সেই হিসেবে আজকে বিশ্ব বন্ধু দিবস। 

বন্ধু দিবসে বন্ধুকে শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন। তবে এর পাশাপাশি আপনার প্রিয় বন্ধুটিকে অন্য কোন বিশেষ উপহার দিতে পারলে কেমন হয়? কম খরচেই দিতে পারেন মিনিংফুল গিফ্ট। সেই উপহারের মধ্য দিয়েই থেকে যাবে আপনাদের বন্ধুত্বের ছোট্ট টোকেন।

ফ্রেন্ডশিপ ডে-তে বন্ধুকে যেসব উপহার দিতে পারেন:

গ্রিটিংস কার্ড :
যতই যাই বলুন, একটি গ্রিটিংস কার্ডের অনুভূতি কি কখনও একটি মেসেজ দিতে পারে না। অঙ্কনের অভ্যাস থাকলে নিজে হাতেই বানিয়ে ফেলুন একটি কার্ড। তাতে থাকুক বন্ধুর প্রতি আপনার বার্তা। কার্ড বানাতে না পারলে কিনেও গিফ্ট করতে পারেন।

গাছ :
এই বন্ধুত্ব দিবসে প্রিয় বন্ধুদের হাতে তুলে দিতে পারেন চারা গাছ। যা একটি নতুন আইডিয়া। গাছ বেড়ে উঠবে আপনাদের বন্ধুত্বের বন্ধন হিসেবে।

ছবি :
ছবির গ্যালারিতে কোন কমতি নেই, এর ভেতর থেকে খুঁজে বের করুন আপনাদের প্রথম দিকের ছবি। তা থেকে একটি প্রিন্ট করে পাঠিয়ে দিন আপনার বন্ধুকে। বাজারচলতি ফোটোফ্রেমেও ভরেও দিতে পারেন সেই ছবি।

গল্পের বই :
আপনার বন্ধুটি যদি বইপ্রেমী হন, তাহলে কিন্তু এটা বেশ ভাল অপশন। আপনার বন্ধুর হাতে তুলে দিন আপনার পছন্দের কোনও বই।

বন্ধু দিবস   উপহার  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন, কেনো এমন হয়?

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ০৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন, কেনো এমন হয়?

ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখা এই সমস্যার সম্মুখীন হয় অনেকেই। অনেকে তো আবার ঘুমে বাজে স্বপ্ন দেখে ভয়ে আতঙ্কে ঘাম ঝড়ে যায়। বেশ সময় লেগে যায় নিজের চেতনায় ফিরে আসতে। তবে এমনটা কেনো হয় জেনে নিন গবেষকরা কি বলছে-

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সারা দিনের ক্লান্তি, চিন্তা আমাদের উপর এমন একটা প্রভাব ফেলে, যা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নে প্রতিফলিত হয়ে ওঠে। এই দুঃস্বপ্নের মোকাবিলা করা মুখের কথা নয়। ভাল স্বপ্নগুলি আমাদের তেমন মনে না থাকলেও দুঃস্বপ্নগুলি যেন মনে গেঁথে যায়। কেন এমনটা হয় জানেন? তুলানে ইউনিভার্সিটি স্কুল অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টুফস ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের এর গবেষকরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন।

গবেষকরা দেখেছেন যে, স্ট্রেস নিউরোট্রান্সমিটার নরপাইনফ্রাইন, যা নরড্রেনালাইন নামেও পরিচিত, অ্যামিগডালায় প্রতিরোধমূলক স্নায়ুগুলিকে উদ্দীপিত করে মস্তিষ্কে ভয়ের স্মৃতিগুলিকে জাগিয়ে তোলে। যা মস্তিষ্কে ভয়ের বিষ্ফোরণ ঘটায়। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক শান্ত অবস্থায় থাকে সেই সময় ভয়ের স্মৃতিগুলি হঠাৎ জেগে উঠলে আমরা ঘুমের মধ্যে শিহরিত হই। আর বারে বারে এই স্মৃতিগুলি আমাদের স্নায়ুগুলিকে উদ্দীপিত করে। তাই দুঃস্বপ্ন বেশ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

ঘুম   দুঃস্বপ্ন   কারণ  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

চুলে সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি

প্রকাশ: ১২:৩৮ পিএম, ০১ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail চুলে সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি

চুলের যত্ন নিতে শ্যাম্পু-কন্ডিশনারের পাশাপাশি এখন সিরামেরও বেশ কদর বেড়েছে। সিরাম মূলত ব্যবহার করা হয় চুলে যাতে জট না পরে, আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং উজ্জ্বল ও মসৃণ হয়। অনেক সময় সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চুল বাঁচায় সিরাম। তবে সিরাম ঠিক যতটা গুরুত্বপূর্ণ সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে না পারলে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। রইল সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি।

কোথাও যাওয়ার আগে দেখলেন চুল কেমন এলোমেলো হয়ে রয়েছে। চিরুনি দিয়ে আঁচড়িয়েও ঠিক করা যাচ্ছে না। চুলের উস্কোখুশকো ভাব দূর করতে পারছেন না কিছুতেই। এমন পরিস্থিতেই অনেকেই ভরসা রাখেন সিরামে। শুষ্ক চুল বাগে আনতে বেশ খানিকটা সিরাম মাথায় মেখে নেন খানিকটা। এতে কিছুটা হলেও চুলের হাল ফেরে।

চুল বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে বেশি সিরাম ব্যবহার করা একেবারেই ঠিক নয়। এতে সাময়িক ভাবে চুলগুলি মসৃণ হলেও এর প্রভাবে চুলের ক্ষতি হতে পারে। চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যেতে পারে। খুব বেশি পরিমাণ সিরাম লাগালে চুল তেলতেলে হয়ে গিয়ে নেতিয়ে পড়বে। বিশেষ করে যাদের চুল সোজা। কোঁকড়া চুলের ক্ষেত্রে একটু বেশি পরিমাণে সিরাম লাগে। তবে সোজা এবং প্রাকৃতিক ভাবে নরম ও মসৃণ হলে এক-দু’ফোঁটা সিরামই যথেষ্ট।

কী ভাবে চুলে লাগাবেন সিরাম?

সিরাম এমনিতে বেশ গাঢ় হয়। তাই হাতে নিয়ে দু’হাতের তালুতে ঘষে ছড়িয়ে নিন প্রথমে। তার পর চুলের আগা থেকে মাখতে শুরু করুন। তবে ভুলেও মাথার তালুতে ভুলেও লাগাবেন না সিরাম। এতে মাথার ত্বকে র‌্যাশ বা চুলকানি হতে পারে।

চুল   সিরাম   সঠিক উপায়   পদ্ধতি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন