ইনসাইড এডুকেশন

শিক্ষার্থীদেরই জন্য জরুরি সুপরিকল্পিত রুটিন

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail শিক্ষার্থীদেরই জন্য জরুরি সুপরিকল্পিত রুটিন

বর্তমান সময়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রুটিন করে পড়াশোনার একটা প্রবণতা দেখা যায়। তবে শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীরা না,  সকল শিক্ষার্থীদের জন্যই রুটিন কতটা প্রয়োজনীয় সেটা নিয়েই বাংলা ইনসাইডারের আজকের আয়োজন। 

শুধু মেধাবীরাই নয়, রুটিন করে পড়াশোনা করা সকল শিক্ষার্থীদের জন্যই প্রয়োজন। কারণ একটা রুটিন আমাদের দিনের কাজ দিনে সেরে ফেলতে সাহায্য করে। সব থেকে বড় কথা হলো রুটিন অনুযায়ী প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন করে ফেলায় নিজেদের মধ্যে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। যেটা একটা রুটিনের মাধ্যমেই সম্ভব।

একজন শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফলা করা সম্পূর্ণই নির্ভর তার পড়াশোনার উপর। তাই বলে কি সকল কাজ বাদ দিয়ে সারাদিন বইয়ের ভেতর মুখ গুজে বসে থাকবেন! না সারাদিন বইয়ে মুখ গুজে কোনো লাভ নেই।  তাতে সবার ক্ষেত্রে ফলাফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।  তাই রুটিন করে পড়াশোনার পাশাপাশি,  আপনার অন্যান্য কাজ করা, খেলাধুলা করা, অনুশীলন করা সব কিছুই জরুরি।

পড়াশোনার পাশাপাশি আপনার যদি পছন্দের তালিকায় অঙ্কন, গান বা নাচ থাকে৷  তাহলে আপনি রুটিন কাজে লাগিয়ে ঘন্টা খানেক সময় রাখুন৷ আর প্রতিদিন একই সময়ে ঘন্টা খানেক অনুশীলন করেন তাহলে খুব সহজেই আপনি এটা নিজের মধ্যে আয়ত্ত করতে পারবেন। সেটা হতে পারে খেলা-ধুলা, অঙ্কন, নাচ গান ইত্যাদি৷ 

 যখনের কাজ তখন করা।  যেমন আপনার যখন পড়াশোনা করা উচিত তখন পড়াশোনা আর যখন খেলা ধুলা বা অন্যান্য অনুশীলন আলদা আলদা সময়ে নিয়ম অনুযায়ী করা। কারণ সময়েরটা সময়ে করলে কাজটি ভালোভাবে করা যায়। এছাড়া নিয়ম করে খেলাধুলা আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। আর ভালো করে পড়াশোনা করতে হলে সুস্থ থাকা খুবই জরুরি। যদি আপনি একটা রুটিন মেনে চলেন তাহলেই সব সম্ভব। 

রুটিন মানেই হলো আপনার কোন কাজটি কখন করবেন সেসব কিছু লিখে রাখা এবং তা মেনে চলা। আপনার প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন শেষ করতে রুটিন আপনাকে ভীষণভাবে সাহায্য করবে। তবে এর জন্য অবশ্যই রুটিন মেনে চলা জরুরি। রুটিনে আপনার যে কাজটি যখন দেওয়া থাকে চেষ্টা করবেন রুটিনের সময় অনুযায়ীই শেষ করতে। তবে আপনি যদি রুটিন না করেন তাহলে আপনার কোন কাজটা কখন বা কত সময় করতে সেটা বুঝতে পারবেন না।  তাতে করে আপনার অন্য কাজে প্রভাব  পড়ার সম্ভাবনা থাকে৷ কখন কোন কাজটি করতে হবে সেটা ভাবতে ভাবতেই আপনার অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে যাবে। যা একটা রুটিন মেনে চললে আপনার জন্য বিষয়টা খুবই সহজ হয়।

ছোট একটা রুটিন আপনার সময় অনেকটুকু বাচিয়ে দেবে। কারণ একটা রুটিনেই লেখা থাকে আপনি কখনের কাজ কখন করবেন৷ রুটিনে দেওয়া বরাদ্দ সময় অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারলে আপনার অনেকটা সময় বেচে যাবে এবং আপনি সময় অপচয় থেকে বিরত থাকতে পারবেন। 
ফলে আপনার পড়াশোনায় একঘেয়েমি চলে আসবে না। আপনার অন্যান্য কাজও সময় মত শেষ হবে। এছাড়াও রুটিনে আগে থেকেই পরিকল্পনা করা থাকে বলেই প্রতিদিন পরিকল্পনা করার জন্য সময় নষ্ট হয় না।

রুটিনে পড়াশোনা, খেলা-ধুলা, অন্যান্য কাজের পাশাপশি নিজের জন্য সময় রাখুন৷  নিজের জন্য সময়টা কখন বা কত সময় সেটাও রুটিনে লিখে রাখুন তাতে আপনার জন্য সব কিছুই সহজ মনে হবে এবং নিজেকে নিজে কিছুটা সময় দিলে আরও নতুন নতুন ভাবনা তৈরি করার আগ্রহটা বাড়বে।

একটি সুপরিকল্পিত রুটিন আপনার প্রত্যাহিক জীবনে অনেকটা সস্তি ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করবে। রুটিন মানেই নিয়ম। আর তাই এই নিয়মকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে সময়ানুবর্তিতা বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি নিয়ম মেনে চলার অভ্যাসও গড়ে উঠবে।

একজন শিক্ষার্থীর জন্য রুটিন শুধুমাত্র একটা রুটিন না, এটি শিক্ষার্থীদের প্রাত্যহিক জীবনকে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার হাতিয়ার। শৃঙ্খলাই একজন শিক্ষার্থীকে একাধারে ভালো ছাত্র ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেতে পারে। যদি একটি সুপরিকল্পিত  রুটিন মেনে চলা যায় তাহলে আপনাদের প্রতিদিনের জীবন আরও সুন্দর এবং গোছালো হবে। এর জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের একটি রুটিন তৈরি করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থী   সুপরিকল্পিত রুটিন   পড়াশোনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন শুরু ১৭ অক্টোবর

প্রকাশ: ০৯:৩১ এএম, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদন শুরু ১৭ অক্টোবর

দেশের ২২টি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন শুরু হবে আগামী ১৭ অক্টোবর। এ আবেদন চলবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সভা শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক এ তথ্য জানান।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার প্রতি ইউনিটের আবেদন ফি ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদনের পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মানদণ্ড অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবেন। একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন সম্পন্ন করা হবে।

তিনি বলেন, আগামী ১৪ অক্টোবর আমরা বিজ্ঞাপন আকারে জানিয়ে দেবো ভর্তি আবেদনের পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া। একজন বিজ্ঞান ও বাণিজ্য ইউনিটের শিক্ষার্থী চাইলেই যেকোনো ইউনিটে আবেদন করতে পারবেন। এজন্য তাকে গুনতে হবে ৫০০ টাকা।

উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সাবজেক্ট পছন্দের মানদণ্ড দেওয়া থাকবে। এই সাবজেক্ট পছন্দের মানদণ্ড সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল নির্ধারণ করবে।

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, গতবারের মতো এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল থাকবে কিনা তা স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিল নির্ধারণ করবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩০ জুলাই বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিট, ১৩ আগস্ট মানবিক অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিট এবং ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। ‘এ’ ইউনিটে পাসের হার ৫৫.৬৩ শতাংশ, ‘বি’ ইউনিটে পাসের হার ৫৬.২৬ শতাংশ এবং ‘সি’ ইউনিটে পাসের হার ৫৯.৪৫ শতাংশ।

গুচ্ছভুক্ত   বিশ্ববিদ্যালয়   আবেদন   শুরু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

সাত কলেজের প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ

প্রকাশ: ১০:২৯ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সাত কলেজের প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য বিষয় ও কলেজ পছন্দের প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ হয়েছে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার পর ঢাবি অধিভুক্ত কলেজগুলোর জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সাত কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য কলেজ ও বিষয় পছন্দের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। 

তিনি আরও বোলেণ, এ বছরও অন্যান্যবারের মতো একাধিক মেধাতালিকা প্রকাশিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে আরও দুটি মেধাতালিকা আগামী ৫ অক্টোবর (বুধবার) ও ১৫ অক্টোবর (শনিবার) প্রকাশ করা হবে। আর ১৮ অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে নতুন এ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে।

গত মাসের ১২ আগস্ট সাত কলেজের বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, ১৯ আগস্ট কলা ও সামাজিকবিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং ২৬ আগস্ট বাণিজ্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছর অধিভুক্ত এই সাতটি কলেজে স্নাতক শ্রেণিতে মোট আসন রয়েছে ২১ হাজার ৫১৩টি। যার মধ্যে বিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসনসংখ্যা ৬৫০০টি, বাণিজ্য ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসনসংখ্যা ৫৩১০টি এবং কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটের বিভাগগুলোতে মোট আসনসংখ্যা ৯৭০৩টি।

সাত কলেজের   প্রথম মেধাতালিকা   প্রকাশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

২৫ অক্টোবর শেষ হবে সাত কলেজের ভর্তি কার্যক্রম

প্রকাশ: ০৮:৩২ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ২৫ অক্টোবর শেষ হবে সাত কলেজের ভর্তি কার্যক্রম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজে স্নাতক (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম আগামী ২৫ অক্টোবর শেষ হবে বলে জানিয়েছেন ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সাত কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য কলেজ ও বিষয় পছন্দের মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এটি প্রথম মনোনয়ন তালিকা। এরপর পর্যায়ক্রমে আরও দুটি তালিকা প্রকাশ করা হবে। আগামী ৫ ও ১৫ অক্টোবর যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করা হবে। ১৮ অক্টোবর থেকে নতুন এ শিক্ষাবর্ষের (২০২১-২২) ক্লাস শুরু হবে।

একইসঙ্গে আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে মনোনীত কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে বলেও জানান তিনি।

নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু নির্দেশনাও দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১.  প্রথম মনোনয়নে যে শিক্ষার্থীরা কলেজ ও বিষয়ের জন্য মনোনীত হয়েছেন, তাদের আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে অফেরৎযোগ্য তিন হাজার টাকা অনলাইনে জমা দিতে হবে।

২. দ্বিতীয় মনোনয়নে যে শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের জন্য কোনো কলেজ ও বিষয়ের জন্য মনোনীত হবেন, তাদের ১২ অক্টোবর মধ্যে অফেরৎযোগ্য তিন হাজার টাকা অনলাইনে জমা দিতে হবে।

৩. নির্ধারিত তারিখের মধ্যে টাকা অনলাইনে জমা না করা হলে শিক্ষার্থীর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে মেধাক্রম অনুযায়ী পরবর্তী মনোনয়ন দেওয়া হবে। জমাকৃত টাকা ভর্তির ক্ষেত্রে ‘অগ্রিম’ হিসেবে গণ্য হবে এবং তা চূড়ান্তভাবে মনোনীত কলেজের নির্ধারিত ফি- র সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

৪. চূড়ান্তভাবে (তৃতীয়) মনোনয়ন শেষে শিক্ষার্থীরা মনোনীত কলেজ ও বিষয়ে ভর্তির অবশিষ্ট টাকা অনলাইনে জমা দিয়ে ১৬-২৫ অক্টোবর মনোনীত কলেজে টাকা জমার রশিদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সশরীরে হাজির হয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করবেন।

৫. সাধারণভাবে চূড়ান্ত মনোনয়নের পূর্বে একজন কলেজ ও বিষয়ে মনোনীত শিক্ষার্থী পরবর্তী মনোনয়নে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে তার পছন্দক্রম অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্য কলেজ ও বিষয়ের জন্য বিবেচিত হবেন (অটো-মাইগ্রেশন)।

৬. কোনো শিক্ষার্থীর পরবর্তী যেকোনো মনোনয়নে কলেজ বা বিষয় পরিবর্তন হলে পূর্বের কলেজ বা বিষয়ের মনোনয়ন স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাতিল হবে এবং পূর্বে মনোনীত কলেজ বা বিষয়ে মনোনয়ন পুনরায় বহাল রাখার কোনো সুযোগ নেই।

৭. মনোনীত বিষয় দেখার স্থানে শিক্ষার্থী পরে অটো-মাইগ্রেশন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ অথবা শুধুমাত্র মনোনীত কলেজে মাইগ্রেশনের বিবেচনা করার আবেদন করতে পারবেন। একবার-অটো মাইগ্রেশন বন্ধ করা হলে শিক্ষার্থী সেই কলেজ ও বিষয়েই পড়তে আগ্রহী বলে গণ্য হবেন এবং পরবর্তী যেকোনো মনোনয়ন ধাপে মাইগ্রেশনের জন্য তিনি বিবেচিত হবেন না বা অটোমাইগ্রেশন পুনরায় চালু করা যাবে না।

৮. শিক্ষার্থীদের বিষয় পছন্দক্রম পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

৯. ২৫ অক্টোবর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সরকারি সাত কলেজের বিষয় মনোনয়ন ও ভর্তি কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটবে।

সাত কলেজের   ভর্তি কার্যক্রম   শেষ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রথম ফ্লাইট চীনে যা‌চ্ছে আজ

প্রকাশ: ০৯:৩৪ এএম, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রথম ফ্লাইট চীনে যা‌চ্ছে আজ

বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আজ (সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর) প্রথম ফ্লাইট যাচ্ছে চীনে। করোনাভাইরাসের কার‌ণে বিগত দীর্ঘ‌দিন ধরে বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চীনে যাওয়া শুরু হচ্ছে। সূত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী চার্টার্ড ফ্লাইটে চীনে ফিরে যাবে বলে আশা করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনে আরও চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছিল মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, করোনার কারণে দেশে এসে আটকে পড়া শিক্ষার্থী‌রা চীনে পড়া‌শোনা কর‌তে যে‌তে পার‌ছিল না। কূট‌নৈ‌তিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘ‌দিন পর চীন বাংলা‌দে‌শি শিক্ষার্থী‌দের নি‌তে রা‌জি হ‌য়ে‌ছে। সোমবার এক‌টি চার্টার্ড ফ্লাইটে শিক্ষার্থী‌দের এক‌টি দল চী‌নে যা‌বে।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চীনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত লি জিমিং জানান, মহামারি চলাকালে আটকেপড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নিতে আমরা ভিসা দেওয়া পুনরায় শুরু করেছি। তাদের জন্য নির্ধারিত ছয়টি চার্টার্ড ফ্লাইট চালু হবে। এর মধ্যে প্রথম ফ্লাইট সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) যাত্রা করবে।

উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ২৬ সেপ্টেম্বর চার্টার্ড ফ্লাইটে শিক্ষার্থীদের প্রথম ফ্লাইট ঢাকা থেকে কুমিংয়ের উদ্দেশে রওনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় ফ্লাইটি তার দু’দিন পর শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঢাকা থেকে চীনের গুয়াংজুতে যাবে। পরের মাসে দুটি ফ্লাইট (১০ ও ২৪ অক্টোবর) ঢাকা থেকে কুমিং যাবে। একই মাসে দুটি ফ্লাইট (১২ ও ২৬ অক্টোবর) ঢাকা থেকে চীনের গুয়াংজুতে যাবে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী   চীন   উচ্চশিক্ষা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

জাতির জনকের সমাধিতে জাবি উপাচার্যের শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রকাশ: ১২:৪৯ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail জাতির জনকের সমাধিতে জাবি উপাচার্যের শ্রদ্ধাঞ্জলি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুল আলম।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলম বলেন , ‘বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার না দিলে আমি হয়তো উপাচার্য হতে পারতাম না।’

শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পর উপাচার্য বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে সূরা ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর তিনি শোকবইতে স্বাক্ষর করে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত মিউজিয়াম ও গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন।

উপাচার্য আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অসামান্য অবদানের প্রতি সামান্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ও ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনা করতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে নিয়ে এখানে আসা। আজকের এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের নেতৃবৃন্দ সহ আয়োজক কমিটির সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ।’

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মোঃ মনজুরুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার, গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের ডিন অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নুহু আলম, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক লায়েক সাজ্জাদ এন্দেল্লাহ, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক আলমগীর কবির, পরিবহন অফিসের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ছায়েদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান সহ প্রায় ২০০ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

জাতির জনকের সমাধিতে   জাবি উপাচার্যের   শ্রদ্ধাঞ্জলি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন