লিভিং ইনসাইড

বর-কনের বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত?

প্রকাশ: ০২:২৮ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বয়সের ব্যবধান সব দম্পতির জন্য আলাদাভাবে কাজ করে। কারো জন্য ২ বছরের ব্যবধান ভালো কাজ করে, কারো ক্ষেত্রে হয়তো দশ বছরের ব্যবধান। অনেকে আছে যারা নিজের থেকে বেশ বয়স্ক সঙ্গী পেতে চায়। নিজের চাওয়ার মতো সঙ্গী খুঁজে পাওয়াটাই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। তবে বেশিরভাগ সফল বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনের মধ্যে একটি নিখুঁত বয়সের ব্যবধান থাকে যা পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যের ভারসাম্য বজায় রাখে। কিছু ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধানই হয়ে উঠতে পারে সুন্দর দাম্পত্যের বড় বাধা। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

৭ বছর

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান সাত বছরের মতো হলে সেটি তুলনামূলক বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। সেক্ষেত্রে দম্পতিদের মধ্যে সংঘর্ষ, ভুল বোঝাবুঝি এবং তর্ক কম হয়। বিয়ের ক্ষেত্রে দুইজনের একজনকে সব সময় পরিণত হতে হবে; তারা বিয়েকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করবে। এই বয়সের ব্যবধান অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি আদর্শ, কারণ এটি দম্পতিকে স্থিতিশীলতা অর্জন করতে এবং একে অপরকে ঘনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকে বুঝতে সাহায্য করে।

১০ বছর

এমন অনেক বিয়ে আছে যেখানে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পর্যাপ্ত ভালোবাসা এবং বোঝাপড়া থাকলে বয়সের ব্যবধান দশ বছর হলেও সমস্যা হয় না। যখন দুজন মানুষের জীবনের লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা এবং দৃষ্টিভঙ্গি মিলে যায়, তখন দশ বছরের ব্যবধান হুমকিস্বরূপ নাও হতে পারে। তবে সাধারণ দম্পতির জন্য এটি কিছুটা বাড়াবাড়ি হতে পারে। কখনো কখনো কম বয়সী জন বেশি বয়সী জনের পরিপক্কতার স্তরে দাঁড়াতে পারে না এবং এটি অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

২০ বছর

এটি দম্পতির জন্য বয়সের ব্যবধান হিসেবে সেরা নয়। যদিও অনেক বিখ্যাত দম্পতি আছে যাদের বয়সের ব্যবধান ২০ বছরের বেশি। এটি আসলে পার্থক্য হিসেবে খুব বেশি। এক্ষেত্রে লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা এবং মতামতের ব্যাপক পরিবর্তন হবেই। সব থেকে বড় সমস্যা হতে পারে সন্তান ধারণের প্রয়োজনীয়তা; স্ত্রী বয়স্ক হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সন্তান ধারণ করতে চাইবে কম বয়সী হলে ততটা আগ্রহী নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে চিন্তার স্তরের পার্থক্য সবচেয়ে অন্যতম বড় সমস্যা হতে পারে।

বয়সের ব্যবধান কি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ?

হ্যাঁ, বয়সের ব্যবধান সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। বয়সের ব্যবধান অনেক বেশি হলে মতামতের মধ্যে বিশাল পার্থক্য থাকবে, কারণ বর্তমান বিশ্ব প্রতিটি মুহূর্তে পরিবর্তিত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিয়ে স্বল্পস্থায়ী এবং বিভিন্ন সমস্যা ডেকে আনতে পারে। সাধারণভাবে, বয়সের ব্যবধান যত বেশি হয়, দম্পতিরা তত বেশি সমস্যার মুখোমুখি হয়।



মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

শীতকালে যে ৩ টি খাবার গরম রাখবে আপনার শরীর

প্রকাশ: ০১:১২ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শীতকালে গরম লাগাটাই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু অতিরিক্ত ঠান্ডার ফলে আবার জ্বর, সর্দি-কাশির সমস্যা হয়ে থাকে বেশি। শীতকালে সবাই এই সমস্যা নিয়ে ভয়ে থাকে যে কখন আবার ঠান্ডা, জ্বর হয়, তাই সকলেই চেষ্টা করে শীতকালে নিজেকে গরম রাখার। অনেকেই এর জন্য মোটা গরম জামা পড়ে। তবে শীতকালে গরম কাপড় ছাড়াও শরীর গরম রাখা যায়। হয়তো আপনারা ভাবতে পারেন গরম কাপড় ছাড়া শীতকালে শরীর গরম রাখার আর কি মাধ্যম আছে!

গরম কাপড় ছাড়াও শীতকালে খাবারের মাধ্যমে শরীর গরম রাখা যায়। এমন কিছু খাবার আছে যা আপনার শরীরকে গরম রাখতে সাহায্য করবে। অনেকেই আছেন যারা শীতে শরীর গরম রাখতে গুড় ও তিল রাখেন পাতে। প্রচণ্ড শীতে শররীর গরম রাখতে এর সাথে আরও ৩টি খাবার রাখতে পারেন। জেনে নিন কোন খাবারগুলো শরীরের তাপমাত্রা বাড়ায়-

আদা : আদায় থাকা পুষ্টিকর উপাদানসমূহ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এটি হজমে তো সাহায্য করেই, পাশাপাশি এর পরিচিতি আছে ডায়াফরেটিক উপাদান হিসাবেও। অর্থাৎ তা দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে।

বাদাম : শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে বাদামও। চিনাবাদাম, কাঠবাদাম, কাজুবাদামসহ খেঁজুরে থাকা পুষ্টিগুণ প্রচণ্ড ঠান্ডাতেও শরীরকে রাখে গরম। তাই শীতে নিয়মিত খেতে পারেন বাদাম।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুতে থাকে প্রচুর ফাইবার। ফলে এটি পরিপাক হয় বেশ ধীর গতিতে। স্বাভাবিকভাবেই যেসব খাদ্য উপাদান ধীর গতিতে পরিপাক হয়, সেগুলো দীর্ঘক্ষণ শরীরকে রাখে গরম।

শীতকাল   টিপস  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

অসচেতনতায় ভয়াবহ হতে পারে ওমিক্রন!

প্রকাশ: ০৮:০৫ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনাভাইরাসের ওমিক্রন-ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ছোবলে সারা বিশ্বে নাভিশ্বাস উঠেছে। করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রকোপ এখন পুরো বিশ্বে। ওমিক্রন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে কম বিপদজনক হলেও এবং মৃত্যুর হার অনেক কম হলেও এটি মিউট্যান্ট ভাইরাস বলে যেকোনো সময় বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এটি করোনাভাইরাসের অন্য ধরনগুলোর চেয়ে দ্রুত ছড়ায়। আর দ্রুত ছড়াতে থাকলে সেটি নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরির দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়।

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে নানা নির্দেশনা, বিধি-নিষেধ। এখনো চালু রয়েছে নো মাস্ক নো সার্ভিস। এই নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে দিন দিন আক্রান্ত হলেও কেউ মানছে না সতর্কতা, মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। জনসাধারণের এই সচেতনতা না মানার ফলে অজান্তেই  ঝুঁকির মুখে পড়ছে আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারি এবং সামাজিক জীবনে।

ব্যক্তিগত জীবন: ওমিক্রন নিয়ে অনেকেই  ভয় পাচ্ছেন না। কারণ একটি কথা এর মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে গেছে, ওমিক্রনে বিরাট কিছু উপসর্গ দেখা দিচ্ছে না। সাধারণ জ্বর, ঠান্ডা, কাশির মতই। কারণ ওমিক্রন ফুসফুসে সংক্রমিত হচ্ছে না। কিন্তু উপসর্গ বুঝার উপায় না থাকলেও এর প্রভাব তো রয়েছেই। করোনায় আক্রান্ত হলে ব্যক্তি জীবনে আপনার কর্মক্ষেত্রে সমস্যা হবে। আপনার পরিবারের মানুষজন আতঙ্কে থাকবে। আপনার সকল ধরনের বাইরের কাজে বাঁধাগ্রস্ত হবেন। ব্যাক্তি জীবনের কাজকর্ম স্বাভাবিক নিয়মে করতে পারবেন না। 
 
এছাড়াও  একবার কোভিড সংক্রমণ হলে তার প্রভাব পড়বে মস্তিষ্কে। এর প্রধান কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা বলছেন সাইটোকাইন নামক ফ্লুইডের ভূমিকার কথা। শরীর এই উপাদানটি নিজেই তৈরি করে রোগটির সঙ্গে লড়াই করার জন্য। এটির প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কে। ঠিক যেভাবে কেমোথেরাপি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে, সেভাবেই সাইটোকাইন কভিডের সঙ্গে লড়ে। এবং কেমোথেরাপির রাসায়নিকের মতোই এটিও মস্তিষ্কের কোষের গড়নে বদল ঘটায়। এই ছাপ সারা জীবন থেকে যায়।

পারিবারিক জীবন: অসচেতনতার ফলে আপনি যদি কোনভাবে করোনায় আক্রান্ত হন তাহলে ভোগান্তিতে পড়তে হবে আপনার পরিবারের মানুষজন। তারপরেও আবার  আপনি যদি পরিবারের  একমাত্র কর্মক্ষম হন, তাহলে তো পরিবারের জন্য আরো সমস্যার। আপনার কাজ কর্ম বন্ধ হয়ে গেলে আপনার পরিবারে দেখা দিবে আর্থিক সমস্যা এবং আপনার সন্তানের প্রয়োজনীয় খরচ করতে হিমশিমে পড়ে যাবেন। অন্যদিকে আবার কিছু পরিবারের  ডমেস্টিক ভায়োলেন্সের হার বেড়ে যাচ্ছে। অন্যের প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি হচ্ছে। এর ফলে ধীরে ধীরে পারিবারিক সম্পর্কগুলোর উপর একধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

শিক্ষাজীবন: ছাত্র-ছাত্রীরা কভিডে আক্রান্তের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। অনলাইনে কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। অনেক শিশুর মধ্যেই আচরণগত পরিবর্তন হচ্ছে। সঠিক মানসিক বিকাশে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা পিছিয়ে যাচ্ছে, সেশন জটের মুখে পড়ছে। অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনলাইন ক্লাসের কারণে শিশুদের মোবাইল এবং ইন্টারনেটের প্রতি আসক্তি বাড়ছে। অন্যদিকে  গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নেটওয়ার্ক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থীর আবার ভালো কোন ডিভাইস পাচ্ছে না ক্লাস করার জন্য। ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

কর্মজীবন: মাত্রাতিরিক্ত করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে গেলে সরকার লকডাউন দিয়ে দিবে। ফলে মানুষ তার কর্মক্ষেত্রেও বিভিন্ন ধরণের অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে। কর্মী ছাটাই শুরু হবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। প্রতিষ্ঠান চালাতে না পেরে বন্ধ হয়ে হয়ে যাবে ব্যবাসা প্রতিষ্ঠান। এর সাথে জড়িত লাখ লাখ মানুষ এবং তাদের পরিবার এক মারাত্মক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় পড়ে যাবে। এই অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা  সাধারণ মানুষদের এক চরম মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দিতে বাধ্য হবে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাটাই প্রক্রিয়া শুরু করবে। সকল লেভেলের কর্মীদের ছাটাই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। যারা ছাটাইয়ের শিকার হননি তারাও আশঙ্কা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পর্যবসিত হল। অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় লস হওয়ার কারণে কর্মীদের বেতন এবং অন্যান্য সুবিধাদি কমিয়ে দিতে বাধ্য হল। ক্ষুদ্র ও মাঝারি অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাতে না পেরে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হল। এর ফলে এর সাথে জড়িত লাখ লাখ মানুষ এবং তাদের পরিবার এক মারাত্মক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হল। এই অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা আমাদের মত সাধারণ মানুষদের এক চরম মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দিল। 

সামাজিক জীবন: সমাজ জীবনে ব্যাপক বিস্তার ফেলছে করোনাভাইরাস। কভিডে আক্রান্তের ফলে আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলের বাল্য-বিবাহের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। কারন গ্রামাঞ্চলের নিম্নজীবি মানুষের আয়-রোজকার কমে যাওয়ার কারনে পরিবার চালাতেই হিমশিমে পড়ছে, বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে ছোট ছোট মেয়েদের। ফলে বাল্য বিবাহের সংখ্যা বাড়ছে, সাথে সাথে বাড়ছে ডিভোর্সের সংখ্যাও। মানুষের মধ্যে থেকে হাড়িয়ে যাচ্ছে মানবিকতা, নৈতিকতা, মূল্যবোধ। ফলে জায়গা রে নিচ্ছে অনৈতিকতা, অমানবিকতা, নিষ্ঠুরতা। বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। 

মহামারির এই সময়ে আমরা যদি সচেতন না হই, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলি তাহলে উপরোক্ত সকল সমস্যা পুনরায় আবার হানা দিতে পারে আমাদের দেশে। সুতরাং কভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা জোরদার করার পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে চলতে হবে সকলকে। নিয়মিত মাস্ক পরিধান করতে হবে, জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

শীতে যে শাকগুলো খেলে সহজেই আপনার ওজন কমবে

প্রকাশ: ০৮:০৫ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঋতুচক্রের পালাবদলে এখন শীতকাল। বাজারে এসেছে শীতকালীন সবজি। নানা রঙের আর নানা স্বাদের সবজিতে বাজার এখন ভরপুর। যারা ওজন কমানোর কথা ভাবছেন তাদের জন্য শীতকাল খুবই উপযুক্ত সময়। কিন্তু  শীতে অনেকেরই এক্সারসাইজের আগ্রহ কমে যায়। এ অবস্থায় যারা ওজন কমানোর ব্যাপারে চিন্তা করছেন তাদের  নির্দিষ্ট কিছু খাবার হতে পারে ওজন কমানোর বিকল্প এক উপায়। শীতের কিছু শাক এক্ষেত্রে শরীরের ওজন কমানোর সহায়ক হতে পারে।

মেথিশাক: আলু ও গাজরের সঙ্গে মেথিশাক মিশিয়ে খেতে পছন্দ করেন অনেকে। মেথির বেশ কিছু উপকারিতা আছে। এটি খুব ভালো একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পরিমিত মেথি খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে, ওজন কমে। মেথি হার্ট ও ব্লাড প্রেশারের জটিলতাও কমাতে সহায়ক। মেথিশাকে আছে অ্যাসকরবিক এসিড ও বিটা ক্যারোটিন।

মুলাশাক: শীতের আরেকটি পরিচিত সবজি মুলা। আর এই সময়ে মুলাশাকও অনেকে বেশ আয়েশ করেই খান। মুলাশাকে প্রচুর পুষ্টি ও ফাইবার আছে। এ শাকে ক্যালরি খুব কম, তাই এটি সহজে হজম হয়। এই শাক কয়েকভাবেই রান্না করা যায়। শীতে তাই ওজন কমাতে এই শাক বেছে নিতে পারেন।

সরিষাশাক: শীতে গ্রামাঞ্চলে মাঠজুড়ে সরিষাক্ষেত দেখা যায়। শীতে গ্রামের মানুষ তাই প্রায় সময় সরিষাশাক খান। কম ক্যালরিযুক্ত ভিটামিন সি ও ফাইবার সমৃদ্ধ এই শাক ওজন কমাতে সহায়ক।

পালংশাক: অনেক পুষ্টিগুণে ভরা পালংশাক ওজন কমাতেও সহায়ক। অনেকভাবেই পালংশাক খাওয়া যায়। আলুর সঙ্গে অথবা কটেজ চিজ দিয়ে বা ভেজে নানাভাবে খাওয়া যায় এই পুষ্টিকর শাক। নারী ও বয়স্ক মানুষের জন্য এটি খুব স্বাস্থ্যকর শাক। এতে কম ক্যালরি থাকায় তা ওজন কমাতেও সহায়ক।

শীতকাল   শাক  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

যেভাবে বের করবেন ই-মেইল প্রেরকের লোকেশন

প্রকাশ: ০২:৫৬ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মেইল ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদানের এক নিরাপদ মাধ্যম। অনেক আগেই  টেক জায়ান্ট গুগলও এই সুবিধা এনেছে। নিজেদের তথ্য আনাদান প্রদানের জন্য এখন পুরো বিশ্বের মানুষই জি-মেইল ব্যাবহারকারী রয়েছে। বিশ্বের সকল স্থানেই কমবেশি সবাই মেইল বা জি-মেইল ব্যাবহারকারী আছে। মাঝে মাঝে এমন কিছু মেইল আসে, যেগুলোর লোকেশন জানা খুবই প্রয়োজন পড়ে। মেইল কোথা থেকে আসলো অনেকেই আবার জানার চেষ্টা করে। কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই জি-মেইল বা অন্য কোনো মাধ্যম তাদের প্ল্যাটফর্মে আসা ই-মেইলের লোকেশন জানায়না।

তারপরেও কিছু পদ্ধতি রয়েছে যার ফলে খুব সহজেই ই-মেইলের লোকেশন জানা যায়। ই-মেইল সেন্ডারের অবস্থান জানার তিনটি উপায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হল আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাক করা, দ্বিতীয়টি ই-মেইলের আইডি সার্চ করে এবং তৃতীয়টি ফেসবুকের সাহায্যে।

আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাক করা: ই-মেইল আইপি অ্যাড্রেস জানার জন্য আপনাকে যে জিমেইল টি আসবে তার ডান দিকে টাইমের পাশের বোতামটি ক্লিক করতে হবে এবং তারপরে শো অর্জিনাল এ ক্লিক করতে হবে। এবার একটি নতুন ট্যাব খুলবে এবং এখন থেকে আপনি আইপি অ্যাড্রেস পাবেন। এরপর ওই আইপি অ্যাড্রেস আপনি Wolfram Alpha এ গিয়ে সার্চ করতে পারেন। সেখানেই কোম্পানির নাম সহ লোকেশন জানতে পারবেন।

ই-মেইলের আইডি সার্চ করা: জিমেইল আইডি ধরে লোকেশন জানতে চাইলে আপনাকে pipl’ অথবা ‘Spokio ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এখানে ই-মেইল আইডিটি সার্চ করলে লোকেশন জানানো হয়। আবার ফেসবুকের সার্চবারে ইমেল আইডিটি সার্চ করলে কোম্পানির তথ্য চলে আসে।

বর্তমানে গুগলে সার্চ ইঞ্জিন পাওয়ার হাউজ হিসেবে পরিচিত। সব ধরনের তথ্য আপনি এক নিমিষেই পেয়ে যেতে পারেন গুগলে সার্চের মাধ্যমে। ই-মেইল ঠিকানাটির আসল ব্যবহারকারীকে বের করতে সর্বপ্রথম গুগলে উক্ত মেইল সম্পর্কে সার্চ করুন। কারণ গুগল আপনাকে সব ওয়েবসাইটের একত্রিত ফলাফল দেখাবে। গুগলে সার্চ করার মাধ্যমে আপনি বিনামূল্য সব তথ্য পেতে পারেন।

গুগলে সার্চ করা মাত্র তথ্য পেয়ে যেতে পারেন,গুগল উক্ত ই-মেইলের সঙ্গে সংযুক্ত সকল ঠিকানাকে একত্রিত করে আপনার নিকট প্রদর্শন করবে। তাই বিনামূল্য এবং সবচেয়ে সহজে যে কারোর তথ্য বের করার জন্য গুগলে সার্চ করা লাভজনক। কিন্তু কোনোভাবে যদি গুগল কাজ না করে তবে বিকল্প সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজে দেখতে পারেন এর ফলে আপনার কাজটি অবশ্যই হয়ে যাবে।

ফেসবুকের সাহায্যে: ফেসবুক থেকেও বের করতে পারবেন ই-মেইল প্রদানকারীর লোকেশন। ফেসবুকে নিজস্ব তথ্য দিতে অনেকে পছন্দবোধ করেন। তাই কারও ব্যাপারে জানতে হলে ফেসবুক সার্চ বক্সে ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে খোঁজ করতে পারেন। আপনি প্রাপ্ত ই-মেইল ঠিকানাটাকে সার্চ বক্সে কপি এবং পেস্ট করে সার্চ বাটনে ক্লিক করলে তথ্য পেয়ে যাবেন। কেউ যদি ওই মেইল আইডি ব্যবহার করে থাকে ফেসবুকের নিজের আইডিতে তবে আপনি তার সকল ছবি এবং তথ্য পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে তার লোকেশন জেনে নিতে পারবেন।

ই-মেইল   লোকেশন   টিপস  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

সকালে খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রনে রাখা যে কারণে জরুরী

প্রকাশ: ০৮:০৬ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে ওজন বেড়ে যাওয়া, সুগার, উচ্চ রক্তচাপের মতো অসুখ বাসা বাঁধে শরীরে। শরীরের ওজন নিয়ে চিন্তার শেষ নেই। অনেকের ধারণা সকালের নাস্তা না খেলে ওজন কমানো যায়। তাই অনেকেই সকালের নাস্তা থেকে একটু দূরে থাকতে চায়। এটা একেবারেই ভুল ধারণা। কারণ, সকালের দিকে শরীরের বিপাকক্রিয়ার হার বেশি থাকে। ফলে যা খাওয়া হয়, তা হজম হয়ে যায়। সকালের নাস্তা শরীর গঠন ও রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী।

অনেক সময়েই সকালে খাওয়ার নিয়মে গোলমালের কারণেই দেখা দিতে পারে বহু সমস্যা। তাই অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্ত করে নিয়ন্ত্রনে আনা জরুরী।

সকালের প্রথম খাবারেই একগাদা শর্করা শরীরে না প্রবেশ করানোই ভাল। বরং ভাতের বদলে আটার রুটি খান। রুটির থেকে তৈরি হওয়া গ্লাইকোজেন ভাতের তুলনায় দ্রুত গলে। সঙ্গে রাখুন টক দই, কম তেলের সবজি বা চিকেন স্যুপ ও ডিম।

অনেকের আবার সকালে বেশি খেতে ইচ্ছে করে না।কিন্তু সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া একেবারেই চলবে না।  অনেকে ওজন কমানোর জন্য সকালের খাবার বাদ দিয়ে দেন। তাতে আসলে আরও ক্ষতি হয়। সকালের খাবার প্রোটিন বেশি থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। এছাড়াও সকালের নাস্তায় পেট ভরে খেলে বিপাক হার বাড়ে। ফলে শরীর পুষ্টি পায়, কিন্তু ওজন বাড়ার আশঙ্কা কম থাকে।

রাত ঘুমের পর পেট খালি হয়ে যায়। তাই সকাল শুরুর সময়ে সামান্য কিছু হলেও খাওয়া জরুরি। সকালের খাবারের বিষয়ে কয়েকটি ভুল বিপদ ডেকে আনতে পারে। নানা ধরনের রোগ এই অভ্যাসের কারণেই ঢুকে পড়ে শরীরে। সকালে উঠেই কিছু খাওয়া জরুরি। বেশিক্ষণ পেট খালি রাখবেন না। সকালে ভালো ভাবে না খেলে দুপুরে খিদে বাড়ে। তাতে বেশি খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। এক বারে বেশি খেলে শরীরের উল্টে ক্ষতি হয়।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন