লিভিং ইনসাইড

বর-কনের বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত?

প্রকাশ: ০২:২৮ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বয়সের ব্যবধান সব দম্পতির জন্য আলাদাভাবে কাজ করে। কারো জন্য ২ বছরের ব্যবধান ভালো কাজ করে, কারো ক্ষেত্রে হয়তো দশ বছরের ব্যবধান। অনেকে আছে যারা নিজের থেকে বেশ বয়স্ক সঙ্গী পেতে চায়। নিজের চাওয়ার মতো সঙ্গী খুঁজে পাওয়াটাই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। তবে বেশিরভাগ সফল বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনের মধ্যে একটি নিখুঁত বয়সের ব্যবধান থাকে যা পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যের ভারসাম্য বজায় রাখে। কিছু ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধানই হয়ে উঠতে পারে সুন্দর দাম্পত্যের বড় বাধা। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

৭ বছর

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান সাত বছরের মতো হলে সেটি তুলনামূলক বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। সেক্ষেত্রে দম্পতিদের মধ্যে সংঘর্ষ, ভুল বোঝাবুঝি এবং তর্ক কম হয়। বিয়ের ক্ষেত্রে দুইজনের একজনকে সব সময় পরিণত হতে হবে; তারা বিয়েকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করবে। এই বয়সের ব্যবধান অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি আদর্শ, কারণ এটি দম্পতিকে স্থিতিশীলতা অর্জন করতে এবং একে অপরকে ঘনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকে বুঝতে সাহায্য করে।

১০ বছর

এমন অনেক বিয়ে আছে যেখানে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পর্যাপ্ত ভালোবাসা এবং বোঝাপড়া থাকলে বয়সের ব্যবধান দশ বছর হলেও সমস্যা হয় না। যখন দুজন মানুষের জীবনের লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা এবং দৃষ্টিভঙ্গি মিলে যায়, তখন দশ বছরের ব্যবধান হুমকিস্বরূপ নাও হতে পারে। তবে সাধারণ দম্পতির জন্য এটি কিছুটা বাড়াবাড়ি হতে পারে। কখনো কখনো কম বয়সী জন বেশি বয়সী জনের পরিপক্কতার স্তরে দাঁড়াতে পারে না এবং এটি অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

২০ বছর

এটি দম্পতির জন্য বয়সের ব্যবধান হিসেবে সেরা নয়। যদিও অনেক বিখ্যাত দম্পতি আছে যাদের বয়সের ব্যবধান ২০ বছরের বেশি। এটি আসলে পার্থক্য হিসেবে খুব বেশি। এক্ষেত্রে লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা এবং মতামতের ব্যাপক পরিবর্তন হবেই। সব থেকে বড় সমস্যা হতে পারে সন্তান ধারণের প্রয়োজনীয়তা; স্ত্রী বয়স্ক হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সন্তান ধারণ করতে চাইবে কম বয়সী হলে ততটা আগ্রহী নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে চিন্তার স্তরের পার্থক্য সবচেয়ে অন্যতম বড় সমস্যা হতে পারে।

বয়সের ব্যবধান কি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ?

হ্যাঁ, বয়সের ব্যবধান সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। বয়সের ব্যবধান অনেক বেশি হলে মতামতের মধ্যে বিশাল পার্থক্য থাকবে, কারণ বর্তমান বিশ্ব প্রতিটি মুহূর্তে পরিবর্তিত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিয়ে স্বল্পস্থায়ী এবং বিভিন্ন সমস্যা ডেকে আনতে পারে। সাধারণভাবে, বয়সের ব্যবধান যত বেশি হয়, দম্পতিরা তত বেশি সমস্যার মুখোমুখি হয়।



মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

‘আই অ্যাম নট আ রোবট’ যে কারনে জানতে চাওয়া হয়

প্রকাশ: ০৬:০৭ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

যেকোন ওয়েবসাইটে ঢুকলে অথবা ছবি ডাউনলোড করতে গেলেই আপনাকে দেখানো হয় ‘I am not a Robot’। সেখানে টিক মার্ক করলেই কম্পিউটার স্ক্রিনে ফুটে উঠে একাধিক ছবি। এবার আপনাকে সেখান থেকে চয়েস করতে হবে ব্রিজ অথবা গাড়ি অথবা ট্রাফিক লাইট।

সঠিকভাবে সবগুলো চয়েস করতে পারলেই আপনার কাজের জায়গায় নিয়ে যাবে।কিন্তু এমনটা করার মূল  হল ক্যাপচা (Captcha) CAPTCHA-এর পুরো কথাটি হল (Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart)। এটি মূলত Human User (মানব ইন্টারনেট ব্যবহারকারী) এবং Automated User (স্বয়ংক্রিয় ব্যবহারকারী) এর মধ্যে পার্থক্য করাই এর কাজ।

এতে বোঝা যায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি যে কাজটি করতে চলেছেন সেটা সত্যিই কি কোনো মানব ব্যবহারকারী করছে নাকি কোনো রোবোটিক ব্যবহারকারী সেই কাজ করছে তা বোঝা যাবে। ক্যাপচায় বিভিন্ন ছবি অথবা বিভিন্ন অক্ষর দেওয়া থাকে। সেগুলো সাধারণভাবে রোবট রিড করতে পারে না। ফলে সেগুলো দেখে ক্যাপচা কোডের মাধ্যমে কোনো ওয়েবসাইট বুঝতে পারে যে ব্যবহারকারী মানব কেউ নাকি রোবট।

বর্তমানে ক্যাপচা তৈরির জন্য বিশ্বের সবথেকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে Google এর। তবে ২০১৪ সালে এখানে একটি জটিল সমস্যা তৈরি হয়। গুগল দেখতে পায় সেসময় সবথেকে জটিল যে ক্যাপচাগুলো ছিল সেগুলোর মধ্যে তাদের মেশিন লার্নিং অ্যালগোরিদম ৯৯.৮ শতাংশ সফল।

তবে সাধারণ মানুষে মাত্র ৩৩ শতাংশ সঠিকভাবে তা সম্পন্ন করতে পেরেছিল। এজন্য গুগলের তরফে আরও একটি নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়। যার নাম দেওয়া হয় নোক্যাপচা রিক্যাপচা। এই পদ্ধতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ডেটা ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে মেশিন। তার ভিত্তিতে কিছু ব্যবহারকারীকে ‘আই অ্যাম নট আ রোবট’ এবং কিছু ব্যবহারকারীর জন্য ছবি পরীক্ষা করতে দেয়।

Captcha  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

মনিটাইজেনশনের জন্য মানতে হবে যে শর্তাবলি

প্রকাশ: ০১:৫২ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বর্তমানে অনলাইন উপার্জন করার জনপ্রিয় মাধ্যম ইউটিউব। প্রথমেই নিজের একটা চ্যানেল তৈরি করুন। তারপর চ্যানেলে নিজের বানানো ভিডিও কনটেন্ট গুলো আপলোড করুন। তবে শুধু নিজের তৈরি করা ভিডিও চ্যানেলে আপলোড করলেই উপার্জন করতে পারবেন? 

না, নিজের তৈরীকৃত চ্যানেলে শুধু একের পর এক ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করলেই হবে না। ইউটিব থেকে উপার্জন করতে হলে আপনার ইউটিব চ্যানেলটি মনিটাইজেশন করতে হবে আর সেটার জন্য ইউটিউবের কিছু ধরে দেওয়া শর্তাবলী রয়েছে । চলুন তাহলে জেনে নেই ইউটিউব মনিটাইজেশনের জন্য আবেদনের শর্তাবলী গুলো-

আপনার ইউটিউবের চ্যানেলে কমেও ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।

আপনার ভিডিও গুলোর মাধ্যমে  বিগত ১২ মাসের মধ্যে 4,000 Watch Time hours হতে হবে।

YouTube's policies & guideline মেনে চ্যানেলে কাজ করতে হবে।

উপরোক্ত শর্তগুলী সম্পূর্ণ করলেই আপনি ইউটিউব মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর আপনার চ্যানেলটি মনিটাইজেশন হলেই আপনি উপার্জন করতে পারবেন ইন্টারনেট ব্যাবহার করে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে।

ইউটিউব   মনিটাইজেশন  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

সকালে খালি পেটে যা খেলে সুস্থ থাকবে শরীর

প্রকাশ: ০৮:০৫ এএম, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শরীর সুস্থ রাখতে রুটিন করে খাওয়া-দাওয়া করা উচিত। ঠিক মত খাবার না খেলে অসুস্থ হয়ে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে বেশি। আজকাল আমরা সকলেই খুব ব্যস্ত থাকি। ব্যস্তময় জীবনে আমরা ঠিকঠাক মত খাওয়া-দাওয়া করি না। ফলে হয়ে যাই অসুস্থ। কর্মব্যস্ত জীবনে সেই সকালে বের হওয়ার সময় অনেকে সকালে নাস্তা করে বের হয় আবার রাতে বাসায় ফিরে খায়। এর মাঝের সময়টাতে খিদে পেলে অনেকে সঠিক খাবারটাই বেছে নেয়, আবার অনেকে যা ইচ্ছে তাই খেয়ে নেয়। ফলে এতে গ্যাস, হজম না হওয়ার মতো নানাবিধ সমস্যা দেখা যায়।  রাতের খাবার আর সকালের নাস্তার মধ্যে দীর্ঘ একটা সময়ের বিরতি থাকে। আর এই সময়ে ঠিকঠাক খাবার খাওয়া খুব জরুরি। কারণ খালি পেটে সঠিক খাবারই সারাদিনের হজম ক্রিয়া ঠিক রাখে।

সকালে উঠে যেসকল খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপকারী-

তাজা ফল : অনেকে মনে করে  খালি পেটে  ফল খাওয়া শরীরে জন্য ভালো না। এতে শরীরে অ্যাসিডিটি বাড়ে। এ কারণে তারা দুপুরে খাওয়ার পর ফল খাওয়ায় গুরুত্ব দেয় বেশি। কিন্তু এই ভাবনা একেবারেই ভুল। ফলের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার থাকায় এটি শরীরের জন্য বেশ উপকারী। সকালে খালি পেটে একটা আপেল কিংবা নাশপাতি, কলা, শসা, পেঁপে যাই খাওয়া হোক না কেন তা শরীরের ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শক্তি উৎপন্ন করে। যার ফলে ওজনও কমে আর সারাদিন কাজের পরও ক্লান্তি আসে না।

ভেজানো কাজু বাদাম: কাজুবাদামে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই, প্রোটিন, ফাইবার, ওমেগা-থ্রি, ওমেগা-ছিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এ ফলটি ঠিকভাবে না খাওয়া হলে এর পুষ্টিগুণ থেকে বঞ্চিত হবেন।  সবসময় কাজু বাদাম আগের রাতে ভিজিয়ে তবেই খাবেন। আর সকালে খালি পেটে ভেজানো কাজু বাদাম খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

ডিম : ডিমে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি থাকে। খালি পেটে একটা ডিম সিদ্ধ খেলে তা শরীরের জন্য উপকারী হবে। গবেষণা বলছে, সকালে উঠে খালি পেটে একটা ডিম সিদ্ধ খেলে সারাদিনের মোট খাবারের থেকে একটা ভালো পরিমাণ ক্যালরি পায় শরীর। ফলে সারাদিন তেমন ক্যালরির চাহিদা থাকে না। এতে ফ্যাটও ঝরে তাড়াতাড়ি।

গরম পানি ও মধু: সকালে উঠেই খালি পেটে অনেকেই লেবু আর মধুর পানি খান। কিন্তু শুধু যদি মধু দিয়ে খাওয়া হয় এটারও উপকারিতা আছে। মধুর মধ্যে শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ, ভিটামিন, উৎসেচক থাকে, যা শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে। আর খালি পেটে খেলে বিপাকক্রিয়া বাড়ে, শরীর থেকে টক্সিন বের হয়। এছাড়া শারীরে থাকা সব প্রক্রিয়া ঠিক থাকে।

ওটমিল পরিজ : সকালের নাস্তায় অনেকে ওটস খান। কেউ দুধ দিয়ে কেউ আবার টক দই দিয়ে। কিন্তু যদি পরিজ বানিয়ে নিতে পারেন তাহলে তা শরীরের জন্য ভালো। গরম পানিতে ওটস আর পাকা কলা দিয়েই বানাতে পারেন পরিজ। এর ফলে শরীরে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরলও কমবে। পরিজ বানাতে আগে শুকনো কড়াইতে ওটস নেড়ে নিন। এবার ওর মধ্যে দুকাপ পানি দিন। এবার কিছুটা ঘন হলে হাফ কাপ দুধ দিন। এবার দু চামচ চিনি বা মধু দিন। বেশ ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হলে উপরে কাজু বাদাম ছড়িয়ে খান। ইচ্ছে হলে কলা, আপেল দিতে পারেন।

পেঁপে ও তরমুজ : এই দুই ফলের মধ্যে ফ্যাট নেই, কিন্তু পুষ্টিতে ভরপুর। ফল দুটি ওজনও কমায় খুব তাড়াতাড়ি। আর তাই সকালে উঠে একবাটি পেঁপে কিংবা তরমুজ খেলে শরীর সারাদিন সতেজতা বজায় থাকবে। এমনকি ফলগুলো প্রয়োজনীয় চিনির চাহিদাও পূরণ করবে। এতে সারাদিন মিষ্টি কম খাওয়া হবে এবং মিষ্টি খাওয়ার প্রবল ইচ্ছেটাও কমে যাবে।


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

সন্ধ্যার নাস্তায় থাকুক চিকেন পাস্তা

প্রকাশ: ০৬:৩২ পিএম, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

এখনকার সময়ে বেশিরভাগ মানুষের প্রিয় খাবারের তালিকায় থাকে পাস্তা।  যারা পাস্তা খেতে পছন্দ করে তারা ছুটির দিনে পরিবার বা বন্ধুদের সাথে চলে যায় বড় বড় রেস্টুরেন্ট গুলোতে। কিন্তু দিন দিন ওমিক্রনের প্রকোপ বাড়ছে, এখন বাইরে বা রেস্টুরেন্টে জনসমাগমে যাওয়াটাই বিপদজনক। তাই এই সময় ঘরে বসেই সন্ধ্যার নাস্তা হিসেবে বানিয়ে ফেলুন চিকেন পাস্তা। তাহলে চলুন দেখে নেই চিকেন পাস্তার রেসিপি-

উপকরণ:

পেনে পাস্তা- ৫০০ গ্রাম
চিকেন ছোট টুকরা- ২ কাপ
অলিভ অয়েল- ২ টেবিল চামচ
পেয়াজ- ১ টি (মিহি কুচি)
রসুন কোয়া কুচি- ৬ টি
পার্সলে গুড়া- ১ চা চামচ
টমেটো কুচি- ৫০০ গ্রাম
লবণ- স্বাদমতো
গোলমরিচ- পরিমাণ মতো।

প্রণালি:

প্যানে অলিভ অয়েল দিয়ে এতে রসুন কুচি হালকা বাদামি করে ভেজে আলাদা করে তুলে রাখুন। ওই তেলেই পেঁয়াজ ভেজে তারপর টমেটো দিয়ে ১০ মিনিট রান্না করুন। টমেটো গলে গেলে লবণ, গোলমরিচের গুড়া আর পার্সলে গুঁড়া দিয়ে আরো কয়েক মিনিট রান্না করুন। হয়ে গেল টমেটো সস। আলাদা প্যানে অল্প তেলে অল্প লবণ আর গোল মরিচ গুড়া দিয়ে চিকেন টুকরোগুলো ভেজে নিন।

পাস্তা সেদ্ধ করে নিন, তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে আধা চা চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে পাস্তাগুলো মাখুন। এতে পাস্তা আঠার মতো লেগে থাকবে না। টমেটো সসের মধ্যে পাস্তা আর চিকেন দিয়ে ২ মিনিট বেশি আঁচে ভাজুন।উপরে চীজ চড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার চিকেন পাস্তা।

সন্ধ্যার নাস্তা   রেসিপি   পাস্তা  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

খুব সহজেই ওয়াইফাইয়ের গতি বাড়িয়ে নিন

প্রকাশ: ০২:০৮ পিএম, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail


খুব সহজেই ওয়াইফাইয়ের গতি বাড়িয়ে নিন

প্রযুক্তির এই যুগে আমরা সকলেই প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠেছি। বর্তমান সময়টাই এখন ইন্টারেনেটের। ইন্টারনেট আর অনলাইন ছাড়া ভাবাই যায় না কিছু। এই ইন্টারনেট ব্যাবহার করার জন্য প্রয়োজন মোবাইল প্যাকেজের ডাটা বা ব্রড ব্যাংক সংযোগ। মোবাইল প্যাকেজের ডাটা ব্যয়বহুল হওয়ার কারনে সবাই ব্রডব্যাংক লাইন ব্যাবহার করে। কারন মোবাইল প্যাকেজ থেকে ব্রড ব্যাংকের লাইন ব্যাবহার করা বেশি সাশ্রয়ী। রাউটারে ব্রডব্যাংকের সংযোগ লাগিয়ে নিলেই বাসার সবাই একসাথে ব্যাবহার করতে পারে ইন্টারনেট। তবে সমস্যাস পড়তে হয় ইন্টারনেটের গতির উপর।

 আপনার কিছু সামানু ভুলের কারনে ওয়াইফাইয়ের গতি  সংকট তৈরি করতে পারে। গতি কমে যাওয়ার অনেকগুলা কারন থাকলেও উল্লেখযোগ্য এবং অজানা কারণ হচ্ছে রাউটার সঠিক স্থানে না রাখা। অনেকেই হয়তো এ কথা জানেন না।

আপনার ঘরের রাউটারটি কোথায় রাখবেন একটু খেয়াল করুন তো। নিশ্চয় ঘরের যে পাশ দিয়ে ইন্টারনেট সংযোগের তার এসেছে তারই আশেপাশে কোথাও হবে। কিংবা যে জায়গাটি কম ব্যবহৃত হয় এমন জায়গায়ই রেখেছেন। মূলত সঠিক স্থানে না রাখাও ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

মূলত রাউটার সব দিকেই সিগন্যাল পাঠিয়ে থাকে। আপনি যদি দক্ষিণ দিকের ঘরটার এক কোনায় রাখেন, তবে ওয়্যারলেস কভারেজের প্রায় অর্ধেকটা বাড়ির বাইরেই থেকে গেল। তবে পুরো বাড়িতে সমান হারে কভারেজ চান, তাহলে মাঝামাঝি কোথাও রাখুন। নির্দিষ্ট কোনো ঘরে প্রয়োজন হলে রাখুন। আর সে কাজটি ইন্টারনেটের সংযোগ নেয়ার সময়েই করা ভালো। কারণ পর্যাপ্ত লম্বা তার থাকতে হবে। যেখানে রাউটার রাখবেন সেটির আশপাশে পাওয়ার আউটলেটও থাকতে হবে।

সেই সঙ্গে একটু উঁচু কোথাও রাখার চেষ্টা করুন। রাউটারের অ্যানটেনাগুলো বিপরীতমুখী করে রাখুন, ওপর-নিচ করে দিন। যেন সব দিকে সিগন্যাল ছড়িয়ে যেতে পারে। রাউটার থেকে নিচের দিকেও সিগন্যাল আসে। দেয়ালের সঙ্গে ছাদের কাছাকাছি লাগাতে পারেন। মাইক্রোওয়েভ বা ইলেকট্রিক জিনিসপত্র থেকে দূরে রাখুন।

ওয়াইফাই   ইন্টারনেট   গতি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন