ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

চিনে নিন নকল ডিম

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০১৮ রবিবার, ০১:৪৮ পিএম
চিনে নিন নকল ডিম

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে ডিম থাকবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু নকলের ভিড়ে আসলের অস্তিত্ব যখন হারাতে বসেছে। ডিমেরও নকল চলে এসেছে এখন বাজারে। এই ডিম ক্ষতিকর রাসায়নিক প্লাস্টিক দিয়ে বানানো, যা আমরা প্রথম দেখাতে ধরতেই পারি না। নকল ডিম দেখলে আসলের মতোই মনে হয়। এই ডিমে কোনো পুষ্টিগুণ তো থাকেই না বরং ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিনসহ নানা ধরনের বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান থাকে। এসব বিষাক্ত রাসায়নিক থেকে হতে পারে মস্তিষ্ক ও কিডনি সমস্যা। আর ক্যালসিয়াম কার্বাইড থেকে হতে পারে ফুসফুসের ক্যানসার। তাই অবশ্যই চিনে নিতে হবে নকল ডিম। নকল ডিম চেনার কিছু কৌশলের কথাই জানালাম:

১. সাধারণত নকল ডিমগুলো আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড় হয়। তাই কেনার সময়ে বড় ডিম খুঁজবেন না। প্রমাণ সাইজের ডিম কিনবেন। আর নকল ডিমের আকৃতি অন্য ডিমের তুলনায় লম্বাটে ধরনের হয়ে থাকে। আর দেখবেন সাধারণ ডিমের চেয়ে নকল ডিমগুলো বেশি চকচকে এবং পরিস্কার হয়। তাই বেশি পরিস্কার ডিম থেকে সাবধান।

২. নকল না আসল ডিম জানতে হলে ডিমটি হাতে নিয়ে ঝাঁকিয়ে দেখুন। যদি পানি ঝাকানোর মতো শব্দ হয় তবে বুঝবেন ডিমটি আসল নয়। আসল ডিম ভাঙলে মুড়মুড়ে শব্দ হয়। কিন্তু প্লাস্টিকের ডিমে তেমন শব্দ হয় না।

৩.  ডিম ভাঙার পর যদি দেখেন সাদা অংশ ও কুসুম এক হয়ে গেছে তাহলে সেটি আসল ডিম হওয়ার সম্ভাবনা কম। নকল ডিম ভাঙার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।

৪. নকল ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম বর্ণ বা রংহীন হয়ে যায়। এমনকি কুসুম কখনো আঠালো হয়না। কুসুম ঝুরঝরে এবং গুড়ো গুড়ো হয়ে যায়।

৫. খেয়াল রাখবেন যে নকল ডিমের খোসা খোলস বেশি শক্ত হয়। আর খোলের ভেতর রাবারের মতো একটা লাইন থাকে। আর এর খোলস বেশ মসৃণ হয়। খোসায় প্রায়ই বিন্দু বিন্দু দাগ দেখা যায়।

৬. এবার আসি রান্না করার পরের পরিস্থিতিতে। রান্না পরে এই ডিমে অনেক সময়ই বাজে গন্ধ হয়। আবার অনেক সময়ে ডিমের কোনো গন্ধ নাও থাকতে পারে। কুসুমের আসল কোনো গন্ধই পাওয়া যায় না। আর নকল ডিমকে কোনো তীব্র গন্ধযুক্ত কিছুর সঙ্গে রাখলে ডিমের মধ্যেও সেই গন্ধ ঢুকে যায়। রান্না করলেও সেই গন্ধ চলে যায় না।

৭. নকল ডিম পরীক্ষা করতে চাইলে ডিম ভেঙে একটা জায়গায় রেখে দিন। দেখবেন সেখানে কোনো পিঁপড়া বা পোকামাকড় আসবে না।

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ/জেডএ