ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , ৪ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

শিশুর জন্য ক্ষতিকর খাবার

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০১৮ বৃহস্পতিবার, ০৮:৩৭ এএম
শিশুর জন্য ক্ষতিকর খাবার

সন্তানের খাবারদাবার নিয়ে বাবা-মায়ের চিন্তা বা দুশ্চিন্তা বরাবরই একটু বেশি। সন্তান কখন কোনটা খাবে, খাবার স্বাস্থ্যসম্মত কি না, শিশুটি কোন খাবার পছন্দ করে- এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই তার জন্য খাবারের আয়োজন হয়। কিন্তু বাজারে অনেক ধরনের খাবার আছে যেগুলো না বুঝে শিশুকেও খেতে দেন বাবা-মায়েরা। কিন্তু সেগুলো শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত করে, স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে। শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে যে খাবারগুলো, তা দেখে নিন একবার।

প্রিজারভেটিভযুক্ত খাবার

সব ধরনের বেক করা খাবার, ভাজাপোড়া, চিপস ও পেস্ট্রির মধ্যে রাসায়নিক উপাদান, রং আর কেমিক্যাল থাকে। আর এই খাবারগুলোই শিশুরা পছন্দ করে বেশি। এই ধরনের খাবারে নানা রকম প্রিজারভেটিভ থাকে, যেমন সালফাইট, সোডিয়াম বেনজয়েট, নাইট্রেট, পটাশিয়াম সরবেট ইত্যাদি। এইসব শিশুর কিডনি ও লিভারের ক্ষতি করে। এছাড়া অ্যালার্জি এবং বমির প্রকোপও বাড়ায়।

কৃত্রিম সুইটনার

কৃত্রিম সুইটনারযুক্ত খাবারও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সাধারণভাবে মনে করা হয় যে এইসব প্রাকৃতিক সুইটেনার খেলে ওজন কমবে ও এগুলো শর্করার স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্প। কিন্তু মূলত এই খাবারগুলো খেলে মাথাঘোরা, মাথাব্যথা, অন্ধত্ব, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া ও ক্লান্তিতে ভোগার মতো সমস্যাগুলো দেখা যায়।

সোডিয়াম নাইট্রেট

এই রাসায়নিক উপাদানটি সাধারণত হ্যাম, বেকন ও হটডগের সঙ্গে দেওয়া হয়। কারণ এটি খাবারে লালচে আভা এনে দেয়। এইসব খাবার নিয়মিত খেলে মাথা যন্ত্রণা হবার পাশাপাশ মাথা ঝিমঝিম করে, বমি হয় এবং গা গোলায়।

রঙচঙে খাবার

রঙচঙে খাবার সবসময়ে শিশুদের আকৃষ্ট করে, এটা তো স্বাভাবিক। কিন্তু এই রঙিন খাবার শিশুদের জন্য কতোটা ক্ষতিকর সেটা চিন্তার বাইরে। বেক করা খাবার, কোমল পানীয় ও ক্যান্ডির মধ্যে নীল রঙ ও সাইট্রাস লাল পাওয়া যায়, যা থেকে ক্যানসার হতে পারে।

বিভিন্ন ফলের জুস

সুস্বাস্থ্যের জন্য ফল এবং ফলের জুস-কোনোটারই কোনো জুড়ি নেই। সুস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করেই বাবা-মায়েরা সন্তানদের বাইরে থেকে কিনে দামী ফলের জুস কিনে দেন। কিন্তু এতে থাকে রং, কেমিক্যাল, প্রিজারভেটিভ। কখনো বা ফলের সামান্য ফ্লেভার দিয়ে অন্য কোনো অস্বাস্থ্যকর উপাদান মিশিয়ে পুরো জুসটা তৈরি করা হয়। এতে করে শিশুদের মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলে দেওয়া হয়।

তাই আপনার শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য যতটা সম্ভব তরতাজা খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। শুধু ফলই নয়, দেশীয় বিভিন্ন শাকসবজি আর আমিষ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। বাইরের খাবারের পরিবর্তে বাড়িতেই তার জন্য মুখরোচক খাবার বানিয়ে ফেলুন।

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ/জেডএ