ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , ৫ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

সুসম্পর্কের জন্য বিষয়গুলো রাখুন খেয়ালে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ শুক্রবার, ০৩:৪২ পিএম
সুসম্পর্কের জন্য বিষয়গুলো রাখুন খেয়ালে

একটি ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তোলা সহজ কাজ নয়। আর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা তার চেয়েও কঠিন একটি কাজ। সম্পর্ক এমন একটি বিষয় তা প্রতি মুহূর্তে যত্ন আর লালনপালন করতে হয়। কারণ অনেক সুন্দর সুসম্পর্কও অবহেলার কারণেই ভেঙ্গে যেতে পারে। সম্পর্কের মধ্যে কোনো নেতিবাচক প্রভাব যাতে না পড়তে পারে তার জন্য কিছু ‍বিষয়ের প্রতি আলাদা নজর দিতে হবে। এজন্য মাথায় রাখতে হবে এই বিষয়গুলো:

দূরত্ব সবসময়ই সম্পর্কে গভীরতা আনে না

একটা সম্পর্কে যদি খুটিনাটি সমস্যা শুরু হয়, তখন অনেকেই সমাধান হিসেবে দুরত্বকে বেছে নেন। একাকী কিছুদিন থাকলে দুজন দুজনকে বুঝে ওঠার সুযোগ পায়। এতে কখনোবা সুফলও পাওয়া যায়। তবে সবসময়ই তা ইতিবাচক ফলাফল দেবে না। একে অপরের সঙ্গে দুরত্বের ফলে অনেকসময় স্থায়ী দূরত্বের কারণ হতে পারে। সঙ্গী খুব প্রয়োজনে কাছে না পেয়ে আপনাকে ভুলও বুঝবে।

সহযোগী নাকি পরনির্ভরশীল?

সম্পর্ক মানেই যে একে অপরের কাছে কাছাকাছি সবসময়ে থাকতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। আপনারা যদি এক অন্যের সঙ্গে সবসময় সময় কাটান, সঙ্গে থাকেন তাহলে সেটা চিন্তার বিষয়। কারণ এতে আপনার একে অন্যের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে যাবেন। মনে রাখবেন, সঙ্গী আপনার সহযোগী হবে। কেউ কাউকে ছাড়া চলতে পারবে না এটা ভাবা চলবে না।

সঙ্গীর কারণে বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে দুরত্ব

আপনার সঙ্গী যদি সবসময় আপনার বন্ধু বা স্বজনদের বিষয়ে অভিযোগ বা বাজে কোনো কথা বলে তবে বিষয়টি অবশ্যই অস্বাভাবিক। আপনি বন্ধুবান্ধব, আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটানোর অধিকার আপনার আছে। কিন্তু তাতে যদি সঙ্গী আপত্তি করে তবে সম্পর্কটা নিয়ে একবার ভাবুন। যদি বোঝেন যে সঙ্গী সবার থেকে আপনাকে সরিয়ে একা করতে চাইছে, তাহলে বুঝবেন সে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে।

মতামতে পার্থক্য থাকলে সেটা মেনে নিন

দুজন মানুষের আলাদা দুই সত্ত্বা, তাই তাদের মধ্যে মতামতে পার্থক্য থাকবেই। এগুলো নিয়েও একসঙ্গে থাকা যায়। আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে সঙ্গীর যেন আপনার মতামতের প্রতি সম্মান থাকে। আর আপনারও আপনার সঙ্গীর মতামতের প্রতি সম্মান থাকতে হবে।

সঙ্গীর জন্য যদি আপনার খারাপ অনুভূত হয়

আশেপাশের মানুষজন একেক জনের সঙ্গে আপনার সম্পর্কের ধরন একেক রকম। কিন্তু কারো ওপর কোনো কারণে খারাপ লাগলে সেই সম্পর্ক টেনে নেওয়া মুশকিল। আপনার সঙ্গীর সঙ্গে আপনার আলাদা বিশেষ সম্পর্ক থাকে। সে যদি আপনার বিভিন্ন বিষয়ে অযথাই খুঁত ধরতে থাকে, বারবার আপনার সিদ্ধান্তকে, জীবনযাপনকে খারাপ বলতে থাকে তাহলে সেটি আপনার সম্পর্কের জন্য ভালো নয়।

ভবিষ্যত নিয়ে আগ্রহী না হওয়া

সম্পর্কে থাকা মানুষগুলো সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী থাকলে তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে। কোথায় থাকবেন, কেমন বাসায় উঠবেন, কোথায় বেড়াতে যাবেন- এই বিষয়গুলোতে আগে থেকেই আলোচনা করে নেওয়া ভালো। তবে সঙ্গী যদি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে না চাইলে বুঝতে হবে আপনার সঙ্গে ভবিষ্যত নিয়ে সে আগ্রহী নয়।

সম্পর্কের মানেই যদি শারীরিক সম্পর্ক হয়

আপনার সঙ্গী যদি সম্পর্ক বলতেই শারীরিক সম্পর্ককে বেশি প্রাধান্য দেওয়া শুরু করে তাহলে সেটি সম্পর্কের জন্য আশঙ্কাজনক। কারণ তার মানে যদি এমন হয় যে, দুই জন একে অপরের প্রতি শুধু এই বিষয়টির জন্যই আকৃষ্ট হবে তবে তা ভালো না।

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ/জেডএ