ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Bagan Bangla Insider

ঘুম বনাম বেড়ানো: কোনটা প্রিয় আপনার?

শাহরিনা হক
প্রকাশিত: ০৪ জুন ২০১৯ মঙ্গলবার, ০২:৫৯ পিএম
ঘুম বনাম বেড়ানো: কোনটা প্রিয় আপনার?

ছুটিতে কি করবেন এবার? এই প্রশ্নের উত্তরে এক শ্রেণী বলবে ‘ঘুরে বেড়াবো’, আরেক শ্রেণী বলবে ‘আর কি, ঘুমাবো! কত ঘুম জমে আছে চোখে!’ অন্য শ্রেণীরা অন্য উত্তর দিলেও এই দুটো উত্তরই বেশি পাওয়া যাবে। ছুটি আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ। এই কর্মব্যস্ত জীবনে একটু বেশি ছুটি পেলে আনন্দের কোনো শেষ থাকে না আমাদের। সেই সঙ্গে যোগ বিভিন্ন প্লান। ছুটিতে এটা করবো, ওটা করবো, ঘুরতে যাবো। কিন্তু শেষমেশ অনেকের শুধু শুয়ে বসে, খেয়ে ঘুরেই ছুটি শেষ হয়ে যায়। এই ঈদে তো ছুটি পেলেন ভালোই, ঘুমাবেন নাকি বেড়াবেন, কোনটা বেশি প্রিয় আপনার- ভেবে দেখুন তো!

যারা তুলনামূলক অলস, তাদের কাছে ঘুমের বিকল্প নেই কোনো। তাদের কাছে ছুটি মানেই আরামে শুয়ে বসে ঘুমিয়ে কাটানো। জমানো ঘুমগুলো শেষ করে ছুটিটাকে উসুল করা আর কি। খুব বেশি হেলে দাওয়াত খেতে চাওয়া, সবাইকে নিয়ে আশেপাশে কোথাও থেকে ঘুরে আসা। আর বাকিটা সময় হাতে ফোন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ঘোরাঘুরি, গান শোনা, বই পড়া, টিভি দেখা আর বাকিটা সময় ঘুমানো। এই তো গেলো ছুটি। আপনাকে যদি বলা হয় পুরো ছুটি ঘুমিয়েই কাটাতে হলো! আপনি বলবেন, আরে ঘুমের উপরে আর কিছু আছে নাকি, ঘুমালেই তো শান্তি।

আর যারা একটু মজামাস্তি, আড্ডা, ঘোরাঘুরি পছন্দ করে তাদের জন্য ছুটি বা যেকোনো উপলক্ষ্যে ঘুরে বেড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। প্রস্তুতি বা প্লান থাক বা না থাক, সুযোগ পেলেই তাদের বেরিয়ে পড়তেই হবে। এর কোনো ব্যত্যয় নেই। আর আরাম করে সময় নিয়ে ঘুরতে গেলে ছুটির পেলে কোনো কথাই থাকে না।

আসলে আমরা কর্মজীবনে খুব যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি। অলসতা এসে ভর করছে আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। চাইলেও গতিশীল হতে পারি না। তাই বিশ্রাম আর ‍ঘুমের বাইরে আমাদের অবসর জীবনে আর তেমন কিছু থাকছে না। ঘোরাঘুরির প্রবণতা দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবুও ছুটি পেলে বা হুট করে সুযোগ পেলে ঘুরে আসতেই পারেন। ঘুম তো রাতেই দিতে পারছেন, সকালে একটু দেরি করে উঠে ঘুম পুষিয়ে দেওয়াই যায়। কিন্তু ঘোরার সুযোগ বা প্লান তো বার বার আসে না। তাই আপনার কাছে ঘুম যত প্রিয়ই হোক না কেন, ঘুমের সময় ঘুমাবেন। আর ঘোরার সুযোগ খুঁজবেন, সঙ্গীদের নিয়ে বা একাই ঘুরে আসুন। আর বড়সড় ছুটি পেলে একদমই বসে থাকবেন না যেন।

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ