ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

হ্যাংওভার কাটছে না?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১ জানুয়ারি ২০২০ বুধবার, ০৩:৩১ পিএম
হ্যাংওভার কাটছে না?

খুব হাসি আনন্দে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছি আমরা। আজ বছরের প্রথম দিনে কত আয়োজন, কতো উপলক্ষ্য, দাওয়াত, পার্টি এখনো বাকি। বিভিন্ন খানার সঙ্গে ‘পিনা’র ব্যাপারটিও কিন্তু মাঝেমধ্যে চলে আসে। আর উৎসবের আমেজে সেই পিনা বা অ্যালকোহল পানের মাত্রা যদি বেশি হয়ে যায়, তাহলে মাথা আর ঠিক থাকে না। পরেরদিন বা আরও কিছুদিন মাথা ঝিমঝিম, বমিভাব থাকে। এটাকে আমরা বলি হ্যাংওভার।

এই উৎসব এবং নতুন বছরে আপনার হ্যাংআউট কাটানোর জন্য থাকছে কিছু ঘরোয়া টিপস-

সারাদিন যখন মনে হবে আগেরদিন এতো বেশি না খেলেও হতো, তখন আপনার জন্য প্রধান ভরসা হলো পানি। বিশুদ্ধ পানীয়জলে শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে সারা দিনরাতের যাবতীয় টক্সিন।

আপনার হ্যাংওভার কাটাতে কলাও বেশ কার্যকর। কলার এমনিতে অনেক গুণাগুণ রয়েছে। গতরাত বা দিনে একটু বেশি পান করে ফেলে মাথাঘোরা বা ঝিমঝিমানিভাব হয়ত যেতে চাইছে না। ঘরে কলা থাকলে দুই-তিনটা কলা খেয়ে নিতে পারেন। হ্যাংওভার চলে যাবে।

ঘরে মধু থাকলেও খেয়ে নিতে পারেন। পটাশিয়াম ছাড়াও মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তাই হ্যাংওভার কাটাতে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ খাওয়ার বদলে মধু টোস্ট বা বিস্কুটের ওপর লাগিয়ে খেয়ে ফেলুন।

অ্যালকোহল মানুষের শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয়। ফলে সকালে উঠলে অনেকেরই দূর্বল লাগে। এই সমস্যার সমাধানের অন্যতম সমাধান তাজা ফলের রস, যাতে গ্লুকোজ রয়েছে।

আপনি খুব বেশি খারাপবোধ করলে একবাটি গরম স্যুপ নিয়েও বসে পড়তে পারেন। অবশ্যই বেশি গরম থাকা অবস্থায় খাবেন।

নিয়ম মানার পরেও কোনো কারণে মাথা ধরা, বমি ভাব হতে থাকলে আদা ভেজানো পানি খান। কয়েকবার এই চিকিৎসা নিলে হ্যাংওভার কেটে যাবে।

আর সারাটা দিন পর্যাপ্ত বিশ্রাম আর ঘুম দরকার আপনার। সেই সঙ্গে যথেষ্ট খাওয়া দাওয়া। আপনি ভাববেন না যে ঘুমালে বা বেশি খেলে ঝিমঝিমানিভাব বেড়ে যাবে। বিশ্রাম আর খাওয়া আপনাকে বরং চাঙা করে তুলবে।

 

বাংলা ইনসাইডার/এসএইচ