লিভিং ইনসাইড

দুঃখ কষ্ট ভুলে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:৫৯ এএম, ৩০ জুন, ২০২০


Thumbnail

কষ্ট নেবে কষ্ট, হরেক রকম কষ্ট আছে, কষ্ট নেবে কষ্ট! লাল কষ্ট নীল কষ্ট কাঁচা হলুদ রঙের কষ্ট, পাথর চাপা সবুজ ঘাসের সাদা কষ্ট, আলোর মাঝে কালোর কষ্ট ‘মালটি-কালার’ কষ্ট আছে কষ্ট নেবে কষ্ট। ফেরিঅলা নামে কবি হেলাল হাফিজের একটি কবিতা এটি। কষ্ট আর দুঃখের এই মায়া যেন অনেকেই বন্দী। প্রাকৃতিক নিয়মে এই পৃথিবী প্রতিনিয়ত তার কক্ষপথে ঘুরছে। কিন্তু ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আপনি, আমি বা আমাদের যে ছুটে চলা, তা কি কোন অংশে এই আহ্নিক গতির চেয়ে কম। মনে হয় না। হোক আহ্নিক গতি কিংবা বার্ষিক, এদের কারো গতিই মানুষের প্রচেষ্টার গতির চেয়ে বেশি হতে পারে।

মানুষ হল অদম্য, তাকে দমিয়ে রাখা যায় না। কিন্তু তবুও নানা পরিবর্তনের ভিতর দিয়ে যেতে গিয়ে অনেক সময় আমাদের পথ চলা সাময়িক সময়ের জন্য থেমে যায়। মানবীয় আবেগ বা থেমে যাওয়ার এই সময়টাকে আমরা দুঃখ কষ্ট হিসেবেই উল্লেখ করে থাকি। আমরা ভাবি, আমরা মনে করি এই দুঃখ কষ্ট হয়তো আমাদের চিরদিনের জন্য থামিয়ে দিবে। আমাদের চলমান জীবন বা পথচলাকে থমকে দিবে। কিন্তু সত্যিই কি তাই! সবকিছু দুমড়ে মুচড়ে কষ্ট শেষে জীবনটা শুরু হয় আবার নতুন করে।  

চিরস্থায়ী কিছু নেই

আমাদের জীবনের কিছুই চিরস্থায়ী নয়। আবেগ কিংবা অভিযোগ থেকে শুরু করে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। সামাজিক সম্পর্কগুলো সব সময়ই এক রকমের গাঢ় হবে না। আজ যাকে ভালো লাগছে, কালকে তাকে ভালো নাও লাগতে পারে। আজ যিনি প্রশংসা করছেন, কাল তিনি কঠোর সমালোচক হতেই পারেন। তাই বিশাল এই জগতের সকল কিছু আপনার মনের মতো হবে না। এটাই স্বাভাবিক। তাই ছোট ছোট দুঃখ কষ্ট নিয়ে ভেঙে পড়ার কিছু নেই। এটাও চিরস্থায়ী নয়।

মনোবল ধরে রাখা

নিজেকে কখনোই অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করবেন না। বন্ধুর ভালো চাকরির খবর শুনে নিজেকে হেয় করবেন না। প্রেমিককে হারানোর বেদনা। ভালো চাকরির সুযোগ বা পরীক্ষায় ভালো ফল, নানা কারণে জীবনে দুঃখ আসতে পারে। সব দুঃখ ধীরে ধীরে হালকা হতে থাকে একসময়। তাই দুঃখের সময় ভেঙে না পড়ে, মনোবল ধরে রাখুন। এতে করে একটা সময়ে নব উদ্যমে জীবন শুরু করতে পারবেন।

বুদ্ধি খাটানো

কেবল পরিশ্রমে জীবনে সাফল্য আসে না। পরিশ্রমের সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সৃজনশীলতা থাকতে হয়। একই কাজ করে জীবনকে কখনোই একঘেয়েমির বৃত্তে আটকে ফেলবেন না। সিদ্ধান্ত নিয়ে ঝুঁকি নিতে শিখুন। ঝুঁকি নেওয়ার একটা সুবিধা হচ্ছে, আপনি জানেন না সামনে কী আসবে। এই অচেনা আর অজানা পথ সামনে নতুন দ্বার খুলে দেয়।

সফলতা ব্যর্থতার হিসেব নয়

অনেকেই জীবনের একেবারে শুরু থেকেই সফলতা ব্যর্থতার হিসেব কষতে থাকে। কিন্তু এতো স্বল্প সময়ে জীবনে সফলতা ব্যর্থতার হিসেব করার কিছু আছে কি। সত্যিই কিছু নেই। কারণ শুধু একটা জিনিস মনে রাখবেন আপনি সফল না ব্যর্থ, এটা কে ঠিক করে দিবে? কে বলবে আপনি এই এই কারণে সফল। আর এই এই কারণে ব্যর্থ। মানবসভ্যতার ইতিহাসে এই রকম অসংখ্য মানুষ রয়েছে যারা জানতই না যে তারা সফল। কারণ মৃত্যুর আগে কেউ তাদের কাজ নিয়ে বুঝতেই পারেনি। শুধু একজন সক্রেটিসের গল্পই বলি। তাকে যারা হেমলক পান করিয়ে মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছিলো। তারা কি জানে যে, তাদের নাম ইতিহাসে শুধু এই কারণেই স্থান পেয়েছে। কারণ তারা সক্রেটিসের হত্যাকারী। তাই সাফল্য ব্যর্থতাই জীবনের কিছুই না। সময়কে নান্দনিক উপায়ে রাঙিয়ে বেঁচে থাকাই জীবন।



মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

প্রকাশ: ০১:৩৩ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

আমরা সকলেই কম-বেশি মুখের ত্বকের যত্ন নিয়ে থাকি। এর পিছনে অনেক টাকা ও শ্রমও খরচ করে থাকি। কিন্তু শরিরের বিভিন্ন অংশে কালো দাগ ছোপ থেকেই যায়। অনেকেই হাঁটু ও কনুইয়ের ত্বক কালচে হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। নামী-দামি ক্রীম ব্যবহার করেও এই দাগ সহজে যেতে চায় না। তবে ঘরোয়া কয়েকটি উপাদান কাজে লাগিয়ে হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ সহজেই দূর করা যায়। যদিও রাতারাতি তা সম্ভব নয়, নিয়মিত ব্যবহার করলে তবেই ফল মিলবে।

কফি ও অ্যালো ভেরার প্যাক
এক চামচ কফি নিয়ে তাতে অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। এ বার এই মিশ্রণটি হাঁটু ও কনুইতে ঘষুন। টানা কয়েক মিনিট ঘষার পর কফির রং বদলাতে শুরু করবে। তখন জল দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন বার করলে সুফল পাবেন।

টম্যাটোর প্যাক
ত্বকের দাগছোপ দূর করতে টম্যাটোর কোনও জুড়ি নেই। হাঁটু এবং কনুইয়ের কালচে দাগ তুলতে ওই অংশে টম্যাটো ঘষুন। কয়েক মিনিট পর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এ ছাড়া চালের আটার মধ্যে টম্যাটোর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে কনুই এবং হাঁটুতে লাগান। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

লেবু ও চিনির প্যাক
এক চামচ চিনি সামান্য পরিমাণ জলে গুলে ঘন রস করে নিন। একটি পাতিলেবুকে সমান দু’ভাগে কেটে ফেলুন। পাতিলেবুর অর্ধেক ভাগের মধ্যে চিনির রস দিয়ে কনুইয়ে পাঁচ-সাত মিনিট ভাল করে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন করলে দ্রুত ফল পাবেন।

হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ   দূর করার   ঘরোয়া উপায়  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

মাঙ্কিপক্স থেকে বাচতে যে ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি

প্রকাশ: ০১:৪৮ পিএম, ১০ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail মাঙ্কিপক্স থেকে বাচতে যে ধরনের খাবার খাওয়া জরুরি

বিশ্বজুড়ে হানা দিয়েছে মাঙ্কিপক্স। দিন দিন বাড়ছে আক্রান্ত সংখ্যার। শুধু তাই নয় বিশ্বে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে ১৫ হাজার। সেই তালিকায় বাদ যায়নি বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটির কেরালা, দিল্লি, রাজস্থানে মিলেছে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের খোঁজ।

মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধ করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আলাদা নজর দেওয়া জরুরি। এই ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে কতটা পরিবর্তন আনা জরুরি ডায়েটে? কী ধরনের খাবার খাবেন?

প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাব।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে, যে কোনো রোগই বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। মাঙ্কিপক্স হোক বা করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে প্রোটিনের যোগান শরীরে পর্যাপ্ত থাকা প্রয়োজন। সয়াবিন, বাদাম, মুসুর ডাল, দই, বিভিন্ন শস্যের মতো প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান।

ডিম
ভিটামিন-এ, ডি, কোলিন, আয়রন, ফোলেটের মতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ডিম সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, পেশির শক্তিশালী করতে ডিম অপরিহার্য। মাঙ্কিপক্স এবং করোনার যৌথ আবহে সুস্থ থাকতে প্রতিদিন একটি করে ডিম খান।

ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল
এই ভিটামিন শরীরে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায়। তা ছাড়া, ভিটামিন সি সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষায় সহায়তা করে। লেবু, আমলকি, পেঁপে, চেরি, কিউয়ি, স্ট্রবেরির মতো ভরপুর ভিটামিন-সমৃদ্ধ ফল সুস্থ থাকতে প্রতিনিয়ত খাওয়া জরুরি।

মাঙ্কিপক্স   খাদ্যতালিকা   জরুরি  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে যা উপহার দিতে পারেন

প্রকাশ: ০১:০৫ পিএম, ০৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বন্ধু দিবসে প্রিয় বন্ধুকে যা উপহার দিতে পারেন

বন্ধুত্ব যেমন মধুর তেমনি অম্লান। এই সম্পর্ক চিরকালের। সেই চিরন্তন বিশ্বাস ও নিঃস্বার্থ ভালবাসাকে উদযাপন করার এক বিশেষ দিন হলো ফ্রেন্ডশিপ ডে। প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রোববার ফ্রেন্ডশিপ ডে পালন হয়ে আসছে। সেই হিসেবে আজকে বিশ্ব বন্ধু দিবস। 

বন্ধু দিবসে বন্ধুকে শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন। তবে এর পাশাপাশি আপনার প্রিয় বন্ধুটিকে অন্য কোন বিশেষ উপহার দিতে পারলে কেমন হয়? কম খরচেই দিতে পারেন মিনিংফুল গিফ্ট। সেই উপহারের মধ্য দিয়েই থেকে যাবে আপনাদের বন্ধুত্বের ছোট্ট টোকেন।

ফ্রেন্ডশিপ ডে-তে বন্ধুকে যেসব উপহার দিতে পারেন:

গ্রিটিংস কার্ড :
যতই যাই বলুন, একটি গ্রিটিংস কার্ডের অনুভূতি কি কখনও একটি মেসেজ দিতে পারে না। অঙ্কনের অভ্যাস থাকলে নিজে হাতেই বানিয়ে ফেলুন একটি কার্ড। তাতে থাকুক বন্ধুর প্রতি আপনার বার্তা। কার্ড বানাতে না পারলে কিনেও গিফ্ট করতে পারেন।

গাছ :
এই বন্ধুত্ব দিবসে প্রিয় বন্ধুদের হাতে তুলে দিতে পারেন চারা গাছ। যা একটি নতুন আইডিয়া। গাছ বেড়ে উঠবে আপনাদের বন্ধুত্বের বন্ধন হিসেবে।

ছবি :
ছবির গ্যালারিতে কোন কমতি নেই, এর ভেতর থেকে খুঁজে বের করুন আপনাদের প্রথম দিকের ছবি। তা থেকে একটি প্রিন্ট করে পাঠিয়ে দিন আপনার বন্ধুকে। বাজারচলতি ফোটোফ্রেমেও ভরেও দিতে পারেন সেই ছবি।

গল্পের বই :
আপনার বন্ধুটি যদি বইপ্রেমী হন, তাহলে কিন্তু এটা বেশ ভাল অপশন। আপনার বন্ধুর হাতে তুলে দিন আপনার পছন্দের কোনও বই।

বন্ধু দিবস   উপহার  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন, কেনো এমন হয়?

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ০৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail রাতে ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন, কেনো এমন হয়?

ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখা এই সমস্যার সম্মুখীন হয় অনেকেই। অনেকে তো আবার ঘুমে বাজে স্বপ্ন দেখে ভয়ে আতঙ্কে ঘাম ঝড়ে যায়। বেশ সময় লেগে যায় নিজের চেতনায় ফিরে আসতে। তবে এমনটা কেনো হয় জেনে নিন গবেষকরা কি বলছে-

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সারা দিনের ক্লান্তি, চিন্তা আমাদের উপর এমন একটা প্রভাব ফেলে, যা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্নে প্রতিফলিত হয়ে ওঠে। এই দুঃস্বপ্নের মোকাবিলা করা মুখের কথা নয়। ভাল স্বপ্নগুলি আমাদের তেমন মনে না থাকলেও দুঃস্বপ্নগুলি যেন মনে গেঁথে যায়। কেন এমনটা হয় জানেন? তুলানে ইউনিভার্সিটি স্কুল অব সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টুফস ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের এর গবেষকরা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছেন।

গবেষকরা দেখেছেন যে, স্ট্রেস নিউরোট্রান্সমিটার নরপাইনফ্রাইন, যা নরড্রেনালাইন নামেও পরিচিত, অ্যামিগডালায় প্রতিরোধমূলক স্নায়ুগুলিকে উদ্দীপিত করে মস্তিষ্কে ভয়ের স্মৃতিগুলিকে জাগিয়ে তোলে। যা মস্তিষ্কে ভয়ের বিষ্ফোরণ ঘটায়। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক শান্ত অবস্থায় থাকে সেই সময় ভয়ের স্মৃতিগুলি হঠাৎ জেগে উঠলে আমরা ঘুমের মধ্যে শিহরিত হই। আর বারে বারে এই স্মৃতিগুলি আমাদের স্নায়ুগুলিকে উদ্দীপিত করে। তাই দুঃস্বপ্ন বেশ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

ঘুম   দুঃস্বপ্ন   কারণ  


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

চুলে সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি

প্রকাশ: ১২:৩৮ পিএম, ০১ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail চুলে সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি

চুলের যত্ন নিতে শ্যাম্পু-কন্ডিশনারের পাশাপাশি এখন সিরামেরও বেশ কদর বেড়েছে। সিরাম মূলত ব্যবহার করা হয় চুলে যাতে জট না পরে, আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং উজ্জ্বল ও মসৃণ হয়। অনেক সময় সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চুল বাঁচায় সিরাম। তবে সিরাম ঠিক যতটা গুরুত্বপূর্ণ সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে না পারলে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। রইল সঠিক উপায়ে সিরাম লাগানোর পদ্ধতি।

কোথাও যাওয়ার আগে দেখলেন চুল কেমন এলোমেলো হয়ে রয়েছে। চিরুনি দিয়ে আঁচড়িয়েও ঠিক করা যাচ্ছে না। চুলের উস্কোখুশকো ভাব দূর করতে পারছেন না কিছুতেই। এমন পরিস্থিতেই অনেকেই ভরসা রাখেন সিরামে। শুষ্ক চুল বাগে আনতে বেশ খানিকটা সিরাম মাথায় মেখে নেন খানিকটা। এতে কিছুটা হলেও চুলের হাল ফেরে।

চুল বিশেষজ্ঞদের মতে, একসঙ্গে বেশি সিরাম ব্যবহার করা একেবারেই ঠিক নয়। এতে সাময়িক ভাবে চুলগুলি মসৃণ হলেও এর প্রভাবে চুলের ক্ষতি হতে পারে। চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যেতে পারে। খুব বেশি পরিমাণ সিরাম লাগালে চুল তেলতেলে হয়ে গিয়ে নেতিয়ে পড়বে। বিশেষ করে যাদের চুল সোজা। কোঁকড়া চুলের ক্ষেত্রে একটু বেশি পরিমাণে সিরাম লাগে। তবে সোজা এবং প্রাকৃতিক ভাবে নরম ও মসৃণ হলে এক-দু’ফোঁটা সিরামই যথেষ্ট।

কী ভাবে চুলে লাগাবেন সিরাম?

সিরাম এমনিতে বেশ গাঢ় হয়। তাই হাতে নিয়ে দু’হাতের তালুতে ঘষে ছড়িয়ে নিন প্রথমে। তার পর চুলের আগা থেকে মাখতে শুরু করুন। তবে ভুলেও মাথার তালুতে ভুলেও লাগাবেন না সিরাম। এতে মাথার ত্বকে র‌্যাশ বা চুলকানি হতে পারে।

চুল   সিরাম   সঠিক উপায়   পদ্ধতি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন