ঢাকা, রোববার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ৫ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

কোন বয়সে কেমন ব্যায়াম করবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল ২০২১ সোমবার, ০৮:০৩ এএম
কোন বয়সে কেমন ব্যায়াম করবেন

শরীরের  ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য ব্যায়াম এর কোন বিকল্প নেই। শারিরীকভাবে সুস্থ্য থাকতে যে কোন বয়সেই ব্যায়াম করা উচিৎ। নিয়মিত ব্যায়ামে আমাদের পেশী শক্তিশালী হয়, নানারকম অসুখের হাত থেকে রক্ষা করে এবং দীর্ঘজীবী করে। এসব কথা হয়তো আমরা সকলেই জানি। কিন্তু কোন বয়সে কি ব্যায়াম বা কেমন ব্যায়াম করবেন তা আমরা অনেকেই জানিনা। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক কোন বয়সে কোন ধরণের ব্যায়াম করবেন।

বিশ-ত্রিশ বছর
এই বয়সে অনেকেই এসময় নিয়মিত ব্যায়ামের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না। কিন্তু এই বয়সে যদি পেশী গঠনে মনোযোগ দেন, তাহলে বৃদ্ধ বয়সে ঝরঝরে ও সুস্থ থাকার নিশ্চয়তা বাড়বে।  বিশ থেকে ত্রিশ বছর বয়সে আপনি ভারোত্তলন, পুশ আপ, লাঞ্জেস এর মত ব্যায়ামগুলো করতে পারেন। প্রতিদিন অন্তত তিরিশ মিনিট করে এই ব্যায়ামের যে কোন একটি বা তিনটি মিলিয়ে করতে পারেন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন ঘন্টা এই ব্যায়ামগুলো করুন।

ত্রিশ-চল্লিশ বছর
এই বয়সে এসে ব্যায়ামের রুটিনে কিছু পরিবর্তন আনুন। এসময় স্ট্রেচিং ধরণের ব্যায়ামের প্রতি জোর দিতে হবে। বুড়ো আঙুলে ভর দিয়ে হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন। এসময় সাইক্লিং, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা, যোগ ব্যায়াম, তাই চি, নাচ এর মত ব্যায়ামগুলো করতে পারেন।

চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর
এই বয়সে এসে অনেককেই পেটে জমা চর্বি জমার হাত থেকে বাঁচার জন্য লড়াই করতে হয়। নারী ও পুরুষ উভয়েরই পেশীর শক্তি কমে যায়। কমে যায় হজম শক্তিও। শক্তিশালী পেশী ও হজম ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত স্ট্রেন্থ ওয়ার্কআউট বা শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম করা উচিৎ। এতে আমাদের শরীরে অতিরিক্ত চর্বি কমতে সহায়তা করে।

পঞ্চাশ-ষাট বছর
বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নানারকম ব্যথা শুরু হয়। এসব ব্যথার সঙ্গে খাপ খাইয়েই নানারকম ব্যায়াম করতে হবে। যদি আপনার হাঁটু ব্যথা থাকে, তবে দৌড়ের পরিবর্তে সাঁতার কাটুন। পিলেট, যোগব্যায়াম, অ্যারোবিকস এর মত ব্যায়ামগুলোতে মনযোগ দিতে পারেন। পিলেট এবং যোগব্যায়ামে পিঠের শক্তি বাড়ায় ও কুঁজো হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। প্রতিদিন পাঁচ মিনিট করে সপ্তাহে পঁয়ত্রিশ মিনিট অ্যারোবিকস করতে পারেন।

বিষয়: বয়স , ব্যায়াম