ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭ , ৪ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

ঝটপট মেকআপে দীপ্তিময় ব্লাসন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০১৭ মঙ্গলবার, ০৫:১৪ পিএম
ঝটপট মেকআপে দীপ্তিময় ব্লাসন

প্রাচীন মিশরীয়রা তাদের সাজের রুটিনে প্রথমবারের মতো ব্লাসন ব্যবহার করেছিল। টুকটুকে গালের গল্প বুঝি সে যুগ থেকেই শুরু হয়। ক্লান্ত, নিষ্প্রাণ ত্বককে দীপ্তিময় করে তোলে ব্লাসন। গালের মাঝ বরাবর ভাঙা জায়গার উজ্জ্বল রঙ মুখের আদলকে আকর্ষণীয় করে দেয়। ঝটপট তৈরির জন্য ব্লাসন খুবই কার্যকরি। বিকেল পরবর্তী সময় যখন হালকা মেকআপেও প্রয়োজন পরে একটু এক্সট্রা কিছু, তখন ব্লাসন আপনার সহায়ক হবে।

ভিন্ন ভিন্ন ত্বকের জন্য, ভিন্ন ধরনের ব্লাসন। বাজারে পাউডার, ক্রিম, লিকুইড ও জেল ব্লাসন পাওয়া যায়। উজ্জ্বল গায়ের রঙের জন্য গোলাপি, অ্যাপ্রিকট রঙের ব্লাসন। মাঝারি বা গাঢ় রঙের জন্য ব্রাউন বা গাঢ় শেডের ব্লাসন।

মুখের যে অংশকে বেশি দৃশ্যমান করতে চান, সেখানে ব্লাসন লাগাতে হয়। তাই মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাসন লাগানোটা খুবই জরুরি। ডিম্বাকৃতির মুখে শুধু গালের উচু অংশে ব্লাসন লাগাতে হয়। হার্ট শেপের মুখ অর্থাৎ কপাল থেকে গাল চওড়া আর গাল থেকে চিবুক চাপানো। এমন মুখে চোয়ালের হাড় বরাবর ব্লাসন লাগাতে হয়। গোলাকৃতির মুখে চিকবোন ও চোয়ালের মাঝে উজ্জ্বল রঙের ব্লাসন লাগান। লম্বাকৃতির মুখে গালের উচু অংশ (অ্যাপল) থেকে কান বরাবর ব্লাসন লাগাতে হয়।

পাউডার ব্লাসন লাগাতে সবাই জানেন। মাঝারি বা বড় ব্রাশ দিয়ে ব্লাসন দেওয়াটা এখন কম বেশি সবারই আয়ত্ত্বে। তবে লিকুইড বা জেল ব্লাসনটা অনেকেরই সামলে নিতে ঝামেলা হয়। তাই প্রথমে সামান্য ব্লাসন নিয়ে গালে ছোট ছোট ডটের মতো দিন। এরপর আঙ্গুলের ডগা দিয়ে সার্কুলার মোশনে (গোলগোল) ব্লেন্ড করুন। গালে ব্লাসন ধরে রাখতে ক্রিম ব্লাসন লাগানোর পর একই রঙের পাউডার ব্লাসন লাগান।
যাদের ত্বক খুব বেশি শুষ্ক তাদের জন্য ক্রিম ও জেল ব্লাসন। কারণ পাউডার ব্লাসন ভালো করে বসতে চায় না। কোন রকম টাচআপ ছাড়া দিন পার করতে চাইলে ক্রিম বা জেল ব্লাসন বেস্ট। ওয়াটার প্রুফ হওয়ায় ঘামের সঙ্গে মুছেও যায় না।

আপনার পরিকল্পনা যদি থাকে সহজ কিন্তু কমপ্লিট লুকের, তাহলে হালকা বেস মেকআপের ওপর ব্লাসন লাগিয়ে নিন নির্দিধায়।

বাংলা ইনসাইডার/এমএ