ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

কখন রাগ করবেন, কখন নয়

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ অক্টোবর ২০২১ বুধবার, ০৮:২৫ এএম
কখন রাগ করবেন, কখন নয়

আমরা যখন রেগে যাই তখন পূর্বাপর চিন্তা না করেই আমরা বলে ফেলি বা করে ফেলি। এর মাশুল গুণতে হয় পরে অনুশোচনা করে বা সুযোগ হাতছাড়া করে। আবার রাগ চেপে রাখাও ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমিয়ে রাখছে তাদের বিষন্নতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, বিষন্নতা হলো চেপে রাখা ক্ষোভ। রাগ বা ক্ষোভ, ঘৃণা আসলে জীবনের আনন্দকেই কেড়ে নেয়।

রাগ হলে আপনি কী করেন? বিভিন্ন উপায়ে রাগ প্রকাশ করেন নাকি মনের ভেতর সেই রাগ পুষে রাখেন? রাগকে ক্ষতিকর বিষয় বলেই আমরা অনেকে মনে করি। যদিও অনেক  বিশেষজ্ঞের মতে, রাগ সব সময় খারাপ নয়। কখনো কখনো রাগ উপকারী বিষয়ও হয়ে উঠতে পারে। তবে জেনে রাখতে হবে রেগে যাওয়ার এবং তা প্রকাশ করার সঠিক উপায়।

বিশ্বখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টোটল বলেছিলেন, `যে ব্যক্তি সঠিক বিষয়ের ওপর এবং সঠিক ব্যক্তির ওপর ও আরও স্পষ্টকরে বলতে হলে সঠিকভাবে প্রয়োজনমতো বিষয়ের ওপর রেগে যায় তিনি প্রশংসিত হন।`

রাগ কথাটি সঠিকভাবে কোনো উদ্দেশ্য বহন করে না। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি আপনার হৃদযন্ত্রকে ঝুঁকির মাঝে ফেলে। রাগের কারণে আপনার স্ট্রোকের ঝুঁকি যেমন বাড়ে তেমন শরীর দুর্বল হয় ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে। এ কারণে রেগে গেলে আপনার শুধু মন নয়, শরীরও খারাপ হতে পারে। তবে রাগ ও আগ্রাসন দুটি ভিন্ন বিষয়। আগ্রাসন মূলত রাগের থেকে কিছুটা ভিন্ন। আপনি কারো ওপর বিরক্ত হয়ে যদি এমন সব কাজ করেন যা সঠিক নয়, তা আগ্রাসনে পরিণত হতে পারে।

রাগ কখনো কখনো ভালো হতে পারে। যেমন আপনি পরীক্ষায় ফেল করে রেগে গিয়ে ভালো করে পড়াশুনা করলেন এবং ভালো রেজাল্ট করলেন। আর তাই রাগের প্রতিক্রিয়ার ওপরেই বহু বিষয় নির্ভর করছে।

আপনার যদি রেগে যাওয়া অভ্যাস থাকে তাহলে তা সঠিক উপায়ে ব্যবহার করুন। সামান্য পরিবর্তনেই এ রাগ ব্যবহার করে আপনি উপকৃত হতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেগে থাকলে আপনার কোনো মেইল কিংবা মেসেজ লেখা উচিত নয়। কারণ এটি অন্যদের দুঃখের কারণ হতে পারে। এ ছাড়া রেগে যাওয়ার সঙ্গে মৃত্যুর হারেরও সম্পর্ক রয়েছে। আর তাই রেগে গেলেও তা যেন নিয়ন্ত্রণের মাঝে থাকে সে জন্য মনোযোগী হতে হবে।

বিষয়: রাগ