লিট ইনসাইড

কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় করোনায় আক্রান্ত

প্রকাশ: ০৬:৪৮ পিএম, ১১ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক ও কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিজের বাড়িতে আইসোলশনে আছেন। আজ মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) নমুনা পরীক্ষায় তার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

লেখক-কন্যা দেবলীনা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সাত-আটদিন আগে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়। তবে তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে।

লেখক বলেন, শারীরিক দুর্বলতার সঙ্গে ক্লান্তি অনুভব করছেন তিনি। পাশাপাশি দেখা গেছে খাবারে অরুচির লক্ষণ। বর্তমানে চিকিৎসকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে তার পরিবার।

গত ২ জানুয়ারি একটি বইমেলা উদ্বোধনের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মালদা গিয়েছিলেন আশি পেরোনো এই কথাসাহিত্যিক। তবে মালদার জেলা-প্রশাসক রাজর্ষি মিত্র ও অতিরিক্ত জেলা-প্রশাসকের করোনা শনাক্ত হওয়ায় সেই বইমেলা স্থগিত হয়ে যায়।

সেখান থেকে বাড়ি ফিরে শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। সঙ্গে দেখা দেয় সর্দি-কাশিও। শেষমেশ করোনার নমুনা পরীক্ষা করাতে হয়। রিপোর্টে তিনি কোভিড পজিটিভ হয়েছেন।

১৯৫৯ সালে দেশ পত্রিকায় তার প্রথম গল্প ‘জলতরঙ্গ’ প্রকাশিত হয়। এরপর প্রকাশিত হয় তার প্রথম উপন্যাস ‘ঘুণপোকা’। এরপর থেকেই নিয়মিত লিখতে থাকেন তিনি। প্রবীণ এই কথাসাহিত্যিকের বইয়ের সংখ্যা দু’শতাধিক। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস- পার্থিব, দূরবীন, মানবজমিন, গয়নার বাক্স, যাও পাখি, পারাপার ইত্যাদি। এছাড়াও শিশুদের জন্য লিখেছেন তিনি। মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি, ভুতুড়ে ঘড়ি, হেতমগড়ের গুপ্তধন, নন্দীবাড়ির শাঁখ, ছায়াময় ইত্যাদি তার জনপ্রিয় বই।


করোনা   সাহিত্যিক   শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

প্রখ্যাত নাট্যকার সাঈদ আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২১ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

নাট্য জগতের বিখ্যাত নাট্যকার সাঈদ আহমদের আজ ২২ তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১০ সালের ২১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঢাকার ল্যাব-এইড হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মারা যাওয়া পূর্বে তিনি কিছুদিন বিবিধ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগেছিলেন। মৃত্যুর পর তাঁকে আজিমপুরের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নাট্যকার সাঈদ আহমদ ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি  পুরান ঢাকার ইসলামপুরের এক সম্ভ্রান্ত শিল্প-সংস্কৃতিকমনা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মীর্জা এফ মোহাম্মদ ও মা জামিলা খাতুন দুজনেই সংস্কৃতি আমোদে মানুষ ছিলেন।  ভাইদের মধ্যে সাঈদ আহমদ ছিলেন কনিষ্ঠ ।

সাঈদ আহমদে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী কলেজিয়েট স্কুল থেকে ১৯৪৬ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন এবং ১৯৪৯ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে ব্রিটেনে যান। সেখানে তিনি ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দে লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিক্স থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেন। জীবিকাসূত্রে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য ছিলেন।

তিনি নাটকের জন্য সমধিক পরিচিত হলেও শৈশব ও কৈশোরে এমনকি প্রথম যৌবনেও অসম্ভব টান ছিল তার সঙ্গীতের প্রতি। আবৃত্তি আর গান মিলে ছিল তার ছেলেবেলা। ১৯৫১ সালে তিনি সাঈদ আহমদ অ্যান্ড পার্টি নামে পাশ্চাত্যের ধাঁচে একটি সঙ্গীতের দল গড়ে তোলেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনে প্রথম ইলেকট্রিক গিটার ব্যবহার শুরু করেনে এবং খুব ভালো সেতার বাজাতে পারতেন। ১৯৫১ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত রেডিও পাকিস্তানে সেতার ও অর্কেস্ট্রা বাদন পরিবেশন করেন এবং ১৯৫৪ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত তিনি বিবিসির সাথে জড়িত ছিলেন।

১৯৭৫ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৭৬ সালে সূফী মোতাহার হোসেন পুরস্কার সহ মুনীর চৌধুরীর সম্মাননা, ঋষিজ পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তাঁর এই সম্মানে  ১৯৭৬ সালে ওয়াশিংটন ডিসির প্রখ্যাত নাট্যশালা এরিনা স্টেজের দর্শকের আসনের একটি সারি তাঁর নামে নামকরণ করা হয়। তাঁর নাটক ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান ও ইতালিয়ান ভাষাতেও অনুদিত হয়েছে।

তাঁর অন্যান্য বইয়ের মধ্যে 'ফাইভ পেইন্টার অব বাংলাদেশ', 'কনটেম্পোরারি আর্ট', 'কনটেম্পোরারি গ্রাফিক আর্টস অব বাংলাদেশ', 'বাংলাদেশের সুরস্রষ্টারা' উল্লেখযোগ্য।

নাট্যকার  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

মাসুদ রানার স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন আর নেই

প্রকাশ: ০৫:৪৮ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

জনপ্রিয় স্পাই থ্রিলার সিরিজ মাসুদ রানার স্রষ্টা এবং সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার কাজী আনোয়ার হোসেন মারা গেছেন। 

আজ (১৯ জানুয়ারি)  বিকেলে তার মৃত্যু হয়। গত ১০ জানুয়ারি থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেন। আজ বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

মাসুমা মায়মুর জানান, গত অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখ কাজী আনোয়ার হোসেনের প্রোস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়ে। মাঝে পাঁচবার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তারপর ব্রেইন স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক হয়। 

কাজী আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৯ জুলাই, ঢাকায়। তার পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন।

১৯৬৩ সালে তিনি প্রথম সেগুনবাগিচায় প্রেসের ব্যবসা শুরু করেন। ১৯৬৪ সালের জুনে প্রকাশিত হয় সেগুনবাগান প্রকাশনীর প্রথম বই কুয়াশা-১। পরবর্তীতে প্রকাশনীর নাম পাল্টে হয় সেবা প্রকাশনী। 

বাংলাদেশে পেপারব্যাক বই প্রকাশের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল সেবা প্রকাশনী। এই প্রকাশনী পাঠকদের হাতে স্বল্পমূল্যে তুলে দিয়েছে বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত সব উপন্যাসের অনুবাদ। 

১৯৬৬ সালে বিদ্যুৎ মিত্র ছদ্মনামে মাসুদ রানার প্রথম বই 'ধ্বংস পাহাড়' প্রকাশ করেন কাজী আনোয়ার হোসেন। অভাবনীয় জনপ্রিয়তা পায় সে বই। এরপর তরুণ প্রজন্মের পাঠকদের কাছে আইকন হয়ে ওঠে মাসুদ রানা চরিত্র। অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে সাড়ে চারশোর বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে এ সিরিজের। 

কাজী আনোয়ার হোসেন গানও গাইতেন। ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পীও। যদিও পরে সে পেশা ছেড়ে দেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার ও সংলাপ রচয়িতা হিসেবে বাচসাস পুরস্কার পান। পেয়েছেন সিনেমা পত্রিকা ও জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কারও।


কাজী আনোয়ার হোসেন  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ৮৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ০৮:১৩ এএম, ১৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আজ ৮৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী ৭৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ। ১৯৩৮ সালের এই দিনে (১৬ জানুয়ারি) মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের প্রেসিডেন্সি বিভাগের হুগলী জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতার নাম মতিলাল চট্টোপাধ্যায় ও মাতার নাম ভুবনমোহিনী দেবী। পাঁচ ভাই আর বোনের মধ্যে শরৎচন্দ্র ছিলেন দ্বিতীয়। তার দিদি অনিলা দেবী ছাড়াও প্রভাসচন্দ্র ও প্রকাশচন্দ্র নামে তার দুই ভাই ও সুশীলা দেবী নামে তার এক বোন ছিল। তাঁর ডাকনাম ছিল ন্যাঁড়া। 

শরৎচন্দ্রের শিক্ষা জীবনের হাতে খড়ি হয় ৫ বছর বয়স থেকে। তাঁর মা মতিলাল তাকে দেবানন্দপুরের প্যারী পণ্ডিতের পাঠশালায় ভর্তি করে দেন। এরপর ভাগলপুর শহরে থাকাকালীন অবস্থায় তাঁর মামা তাকে ১৮৮৭ সালে ভাগলপুর জেলা স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন।  ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে মতিলালের ডিহিরির চাকরি চলে গেলে তিনি তার পরিবার নিয়ে দেবানন্দপুরে ফিরে গেলে শরৎচন্দ্র জেলা স্কুল ত্যাগ করতে বাধ্য হন। আর্থিক কষ্টে মতিলাল স্বপরিবারে ভাগলপুরে শ্বশুর বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে গিয়ে তেজনারায়ন জুবিলি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ১৮৯৪ সালে এনট্রান্স পাস করেন এ এফ.এ ক্লাসে ভর্তি হন। ১৮৯৬ সালে অর্থকষ্টে বাদ দেন পড়াশুনা।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যের হাতেখড়ি হয় ভাগলপুরে। এসময়ে খসড়া লেখা পরবর্তীতে সংশোধিত হয়ে প্রকাশ চন্দ্রনাথ দেবদাসের মত সাহিত্য। 

কলকাতা থেকে বার্মায় যাওয়ার সময় মন্দির নামের একটি গল্প কুন্তীলন পুরষ্কারের জন্য দাখিল করে যান। যা পরবর্তীতে পুরস্কৃত হওয়ার সাথে কুন্তীলন পুস্তিকামালায় প্রকাশিত ১৩১০ সালে। বার্মাতে থেকে তার তার লেখা বড়দিদি। এসময়ই ইংরেজি উপন্যাসের বিষয়বস্তু নিয়ে রচনা করেন দত্তা ও দেনাপাওনা।

বাংলা ভাষা বাদে তার লেখা বহু ভারতীয় ও বিদেশী ভাষায় অনূদিত হয়েছে। শরৎচন্দ্রের সাহিত্য কর্মকে নিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় পঞ্চাশটি চলচিত্র বিভিন্ন ভাষায় তৈরি হয়েছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশী দেবদাস। স্বামী চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৭৭ সালে ফিল্মফেয়ারে সেরা লেখকের পুরষ্কার পান।

তার জনপ্রিয় কয়েকটি উপন্যাস হচ্ছে  বড়দিদি, রিবাজবৌ, পরিণীতা, পল্লীসমাজ, দেবদাস, পন্ডিতমশাই, শ্রীকান্ত, পথের দাবী, দত্তা, গৃহদাহ উল্লেখযোগ্য। উপন্যাসের পাশাপাশি নাটক, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

থ্রিলার বুক : দ্যা মাইন্ড সিমুলেশন ওয়েপন

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ১০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাবিশ্বে প্রতিবছর থ্রিলার বইয়ের চাহিদা কম নয়। স্টিফেন কিং, জেমস প্যটারসন, ড্যান ব্রাউন, জেমস রলিন্সসহ বিশ্বের তাবত থ্রিলার লেখকরা পাঠকদের মনোরঞ্জন করে যাচ্ছে নিষ্ঠার সাথে। তবুও একটি প্রশ্ন উচ্চারিত হয় পাঠকদের মনে, আর তা হচ্ছে, বিভিন্ন জনরার উপন্যাসের সাথে থ্রিলার সাহিত্য কি আসলেই নিজের অবস্থান তৈরি করতে পারছে? এর উপকারিতাই বা কি? জসলিন নামের একজন ব্লগার তার চমৎকার কিছু কথার মাধ্যমে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা করেছেন। থ্রিলার বই আদতেই পাঠকদের মনের খোরাক যোগানোর সাময়িক মাধ্যম, নাকি অন্তর্নিহিত গুরুত্ব আছে, তা নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন -

 

প্রথমত, থ্রিলার বই আপনাকে একটা সিমুলেশনের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যায়। এমন কিছু চরিত্র আর প্লটের মাঝ দিয়ে আপনাকে নিয়ে যাবে, সেখানে আপনার মস্তিষ্কের সজীব কোষগুলো সচল হয়ে পড়বে। নানা ধরণের চিন্তা ভাবনা আপনার মাথায় খেলতে শুরু করবে, পসিবল সিনারিও কী হতে পারে, এমনকি যেখানে কোনো সমাধান পাওয়া অসম্ভব, সেখানেও পাঠকেরা মনের গলি ঘুপচি পরিভ্রমণ করে একটা সমাধানে আসতে চেষ্টা করে নিজের মতো করে। জসলিনের কথায় আরও একটা চমৎকার জিনিস জানতে পারলাম। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জব রিক্রুটমেন্টের সময় কেস স্টাডি প্রেজেন্টেশন ও প্রবলেম সলিউশনের ক্ষেত্রে থ্রিলার পাঠকদের বই পড়ার অভিজ্ঞতা অনেকটাই এগিয়ে রাখে বাকি ক্যান্ডিডেটদের চেয়ে।

 

দ্বিতীয়ত, স্ট্রেস রিলিফ কিংবা মানসিক কোনো দুঃসময়ের মধ্যে দিয়ে যাবার সময় থ্রিলার বই পাঠ করা বেশ উপকারি। এর ফলে শরীরে এড্রেনালিন হরমোন সক্রিয় হয়ে যায়, যা কিছুসময়ের জন্য মানসিক অবসাদ থেকে পাঠককে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

 

তৃতীয়ত, ১৯৯৮ সালে স্যু গ্রাফটনের দ্য বেস্ট আমেরিকান মিস্ট্রি স্টোরিজে তিনি বলেছিলেন, থ্রিলার বই মানুষের মূল্যবোধ উন্নীত করতে সাহায্য করে। কীভাবে? দুনিয়ায় দুটো শক্তি আদি অনাদিকাল থেকেই পাশাপাশি চলছে। আলো আর অন্ধকার। থ্রিলার বইতে প্রথমে অন্ধকারের দিকটির ওপর আলোকপাত করা হয়। কিন্তু দিনশেষে জয় হয় আলোরই। তবে এখানে একটা বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, আমাদের বাস্তবতায় যে কেবলই আঁধার বা কেবলই আলো রয়েছে, তা থেকে পাঠকদের বাস্তবতার নিরীখে নিয়ে আসতে সাহায্য করে থ্রিলার। ফলে পারিপার্শ্বিকতার সাথে পাঠকেরা সহজেই নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে।  

 

চতুর্থত, জসলিন তার আলোচনায় শন কোয়েন এবং টিম গ্রাল নাম দুজন পডকাস্টারের কথা উল্লেখ করেছেন। এখানে তিনি বলেছিলেন, মানুষ স্বভাবতই দুটো অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশ হচ্ছে স্বার্থপর এবং দ্বিতীয় অংশ হচ্ছে ত্যাগী। থ্রিলার বইতে এমন কিছু চরিত্রের দেখা পাওয়া যায়, যারা সবসময়েই ত্যাগী চরিত্রে অঙ্কিত হয়। পাঠকেরা যখন এমন চরিত্রগুলোর কথা পড়তে থাকেন, তখন তাদের ওই বিশেষ ত্যাগী দিকটি জাগ্রত হয়ে যায় এবং ব্যক্তিগত বাস্তবের দুনিয়াতেও তারা এমন চরিত্রগুলোকে নিজের মাঝে লালন করতে শুরু করে চর্চা করতে শুরু করেন।

 

কথা শেষ। আমি নিশ্চিত এখানে অনেকেই আছেন যারা উপরের কথাগুলোর সাথে একমত হবেন, আবার কেউ কেউ থ্রিলার উপন্যাসকে চিরাচরিত “চানাচুর টাইপ ওয়ান টাইম এডিবল” হিসেবেই ভাবতে থাকবেন।

কে কীভাবে নেবেন, সে ভারটা না হয় পাঠকের হাতেই ছেড়ে দেয়া যাক! 


থ্রিলার বই   বাংলা সাহিত্য  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

মারা গেছেন কথাসাহিত্যিক মশিউল আলমের মা

প্রকাশ: ০৩:৩৫ পিএম, ০৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

কথাসাহিত্যিক, অনুবাদক ও প্রাবন্ধিক মশিউল আলমের মা নূরজাহান বেগম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মারা যাওয়ার পূর্বে তাঁর মায়ের বয়স হয়েছিলো ৭৯ বছর।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৭ টায় তিনি মারা যান। জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার দুরঞ্জ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

নূরজাহান বেগমের তিন ছেলে এক মেয়ে এবং তাঁর স্বামী আলতাফ হোসেন একজন অবসরপ্রাপ্ত কলেজ অধ্যাপক।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে তাঁর মা নূরজাহান বেগম বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

মশিউল আলম   কথাসাহিত্যিক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন