লিট ইনসাইড

কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ১০:২৩ এএম, ২০ জুন, ২০২২


Thumbnail কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী আজ

দেশে ‘নারী জাগরণের অগ্রদূত’ মহীয়সী নারী কবি সুফিয়া কামালের ১১১তম জন্মবার্ষিকী আজ (সোমবার)। ‘জননী সাহসিকা’ হিসেবে খ্যাত এই কবি ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। সুফিয়া কামাল আজীবন মুক্তবুদ্ধির চর্চার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিপক্ষে সংগ্রাম করে গেছেন। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মারা যান।

কবির জন্মদিন উপলক্ষে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন বাংলাদেশের নারী সমাজের এক ও অনুকরণীয় উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। তিনি নারী সমাজকে কুসংস্কার আর অবরোধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। নারীদের সংগঠিত করে মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, দেশাত্মবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে তিনি ছিলেন পথিকৃৎ।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭১’র অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। তার স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ‘বেগম সুফিয়া কামাল হল’ নির্মাণ করে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সোমবার (২০ জুন) বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারকবত্তৃতা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ‘সুফিয়া কামাল ও নারীবাদী আন্দোলন’ শীর্ষক স্মারকে বক্তব্য রাখবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন। কবি সুফিয়া কামাল সম্মাননা দেওয়া হবে বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ইফফাত আরা দেওয়ানকে।

বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সুফিয়া কামালের ছিল আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুফিয়া কামাল পরিবারসহ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এই আন্দোলনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।

পাকিস্তান সরকার ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে তার প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে তিনি জড়িত ছিলেন এবং তিনি ছায়ানটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণ ও নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তিনি উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন।

সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এছাড়া সোভিয়েতের দিনগুলি এবং একাত্তরের ডায়েরি তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ। সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পদক।

কবি   সুফিয়া কামাল   জন্মবার্ষিকী  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

বাংলা কবিতার অমর স্রষ্টা 'শামসুর রাহমানের' মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশ: ১০:৪৭ এএম, ১৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বাংলা কবিতার অমর স্রষ্টা 'শামসুর রাহমানের' মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের আজ (১৭ আগস্ট) ১৬তম মৃত্যুবার্ষকী। ২০০৬ সালের এদিনে বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৭ বছর বয়সে জীবনাবসান ঘটে আধুনিক বাংলা কবিতার অমর স্রষ্টা, কবিতার বরপুত্র শামসুর রাহমানের। 

১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্ম নেন কবি শামসুর রাহমান। এ রাজধানীতেই তার বেড়ে ওঠা। ঢাকার যাপিত জীবনকে তিনি বারবার তার কাব্যছন্তে তুলে ধরেছেন। সেসঙ্গে বাঙালির সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার কবিতা প্রেরণা জুগিয়েছে আপামর জনগণকে।

১৯৬০ সালে শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‌‘প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ প্রকাশিত হয়। সবমিলিয়ে ৬০টিরও বেশি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে তার।

তার লেখা ‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা’, ‘স্বাধীনতা তুমি’, ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’, ‘আসাদের শার্ট’, ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ কবিতা এখনো মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়।

কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও প্রকাশিত হয়েছে শিশুতোষ, অনুবাদ, ছোটগল্প, উপন্যাস, আত্মস্মৃতি, প্রবন্ধ-নিবন্ধের গ্রন্থ লিখেছেন শামসুর রাহমান।

কাব্যচর্চার পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় দীর্ঘ সময় কাটান তিনি। পঞ্চাশের দশকের শেষ দিকে মর্নিং নিউজে সাংবাদিকতার মাধ্যমে পেশাগত জীবন শুরু করেন। এর পর দৈনিক বাংলাসহ বহু জনপ্রিয় পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে কাজ করেন।

কবিতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতস্বরূপ শামসুর রাহমান স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

এছাড়া রবীন্দ্রভারতী ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি দেওয়া হয়।

শামসুর রাহমান   কবি   আধুনিক বাংলা কবিতা   মৃত্যুবার্ষিকী  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

পিতার দাফন

প্রকাশ: ১২:০০ পিএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail পিতার দাফন

চাপ চাপ রক্ত আকরে লিখা আগষ্টের নিশুতি রাতগুলো-
দু’কন্যার বুকের পুকুরে তুমুল ঝড় তোলে,
হিম কুয়াশার মতো অসমাপ্ত গল্পের সুর তোলে ।
বাঙালী কী দিয়েছে পিতাকে —
জেল জুলুম অত্যাচার লক্ষকোটি নির্ঘুম রাত,,,,,.
আর আমরা পেলাম স্বাধীনভূমি-ভোট-ভাত।
বাঙালী কী দিয়েছে পিতাকে ? 
বিশ্বাসঘাতকতা  -প্রত্যাহত রাত , আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা-অঢেল-অকৃত্রিম ভালোবাসা,
বিশ্বাসী হাত-অবারিত স্বপ্নীল আকাশ-শ্রেষ্ঠ কবিতা-ভাষা।
পিতা দিয়েছেন—
শৈশব কৈশোর যৌবন সংসার পুরো জীবন।
অকৃতজ্ঞ বাঙালী কী দিয়েছে—
হায়েনার ছোবল,কপটতার ভাঁজে ভাঁজে শ্বাপদের বিচরন ,
আর ঐ মায়ার বুকে চালিয়েছে গুলি দু’ডজন।
হতভাগা বাঙালী কিছুই দিতে পারেনি তাঁকে , নিয়েছে আজীবন।

টুঙ্গিপাড়ার পবিত্র ভূমিতে ঘুমিয়ে আছেন,
জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ।
রেডক্রিসেন্ট রিলিফের শাড়ী দিয়ে হলো তাঁর কাফন-
এক টুকরো পাঁচশো সত্তর সাবান দিয়ে হলো তাঁর দাফন,
ছিল না আগরবাতি লোবান কাঠি গোলাপজল,
কার্ফু জারির শিকলে বাঁধা ছিল মানুষের ঢল ।
পঁচাত্তরের ষোলই আগষ্টের দুঃখ ঝরা দুপুর-শোকের স্তব্ধতা,
মেঘভাঙা কান্না -সবুজ ঘাসেদের মৌনতা 
আজও অপেক্ষায়—

হে প্রজন্ম এ পাপ আমাদের,
আজ এই নিসর্গে—
এই আগষ্টে-
সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে  
শুধিতে হবে এ ধার সকলের ।

১৫ আগস্ট   বঙ্গবন্ধু  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

শোক ও শক্তির আগস্ট


Thumbnail শোক ও শক্তির আগস্ট

আগস্ট মাসে আমি আমার পিতাকে হারিয়েছি
আগস্ট মাসে আমি আমার মাকে হারিয়েছি
আগস্ট মাসে আমি আমার ভাইকে হারিয়েছি
আগস্ট মাসে আমি আমার বোনকে হারিয়েছি।

আমি চোখ বুঝলেই দেখতে পাই 
সিঁড়িতে পড়ে আছে আমার পিতার লাশ
আমি চোখ বুঝলেই দেখতে পাই
গুলিতে ছিন্নভিন্ন আমার মায়ের লাশ
আমি চোখ বুঝলেই দেখতে পাই
গ্রেনেডের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত আমার বোনের লাশ
আমি চোখ বুঝলেই দেখতে পাই
আকাশের শুভ্র ক্যানভাসে রক্তের দাগ।

আমি কান পাতলেই শুনি 
মেশিনগানের গুলির শব্দে খানখান করে ভেঙ্গে যাচ্ছে ভোরের নির্জনতা
আমি কান পাতলেই শুনি
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়ানো একটি শিশুর আর্তনাদ
আমি কান পাতলেই শুনি 
গ্রেনেডের শব্দে প্রকম্পিত জমিন ও আসমান
আমি কান পাতলেই শুনি
দেয়াল জুড়ে আজো ষড়যন্ত্রের ফিঁসফাস।

আগস্ট মাসের কাছে আমাদের সব অশ্রু জমা রাখা আছে
আগস্টের কাছেই নিয়েছি আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর পাঠ

আগস্ট আমাদের কাছে শক্তি ও সাহসের যুগপৎ নাম।

১৫ আগস্ট ২০২২
নিউক্যাসেল, অস্ট্রেলিয়া

১৫ আগস্ট   বঙ্গবন্ধু  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

বহুমাত্রিক লেখক হুমায়ুন আজাদের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশ: ০১:২০ পিএম, ১২ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail বহুমাত্রিক লেখক হুমায়ুন আজাদের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলাদেশের অন্যতম প্রথাবিরোধী এবং বহুমাত্রিক লেখক হুমায়ুন আজাদ। গতানুগতিক চিন্তাধারা সচেতনভাবে পরিহার করে বাংলা সাহিত্য অঙ্গণের সেই দিকপাল, অনন্য মননশীল, বহুমাত্রিক জ্যোতির্ময়, প্রথা ভাঙ্গার রূপকার তিনি। আজ ১২ আগস্ট— এই বিখ্যাত লেখকের ১৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী।

২০০৪ সালে সন্ত্রাসী হামলার পর ড. হুমায়ুন আজাদ ২২ দিন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ও ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসা নেন। ওই বছরের ১২ আগস্ট জার্মানির মিউনিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরের কামারগাঁয়ে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন হুমায়ুন আজাদ। যেটি বর্তমানে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার অন্তর্গত। জন্মের পর নাম ছিল হুমায়ুন কবীর।

১৯৬৯ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে চট্টগ্রাম কলেজে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু হয় এই লেখকের। সেখানে কিছুদিন থাকার পর ১৯৭০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি যোগ দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে। একই বছরের ডিসেম্বরে তিনি ঢাকায় ফিরে যোগ দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে।

হুমায়ুন আহমেদের রাজনৈতিক লেখালেখি ও বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনার সূচনা হয় আশির দশকেই। আশির দশকের শেষভাগ থেকে হুমায়ুন আজাদ সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য রাখতে শুরু করেন। এ সময় তিনি খবরের কাগজ নামীয় সাপ্তাহিক পত্রিকায় সম্পাদকীয় নিবন্ধন লিখতে শুরু করেন। সামরিক শাসনের বিরোধিতা দিয়ে সূচনা হয় তার রাজনৈতিক লেখালেখি।

উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে লেখার কারণে ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমিতে একুশে বইমেলা থেকে বেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিজের বাসায় ফেরার পথে ঘাতকেরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকার সিএমএইচে নেওয়া হয়। পরে থাইল্যান্ডে চিকিৎসায় তিনি খানিকটা সুস্থ হন।

ওই বছরই ৭ আগস্ট বিখ্যাত জার্মান কবি হাইনরিখ হাইনের ওপর গবেষণা বৃত্তি নিয়ে জার্মানি যান তিনি। ১১ আগস্ট রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পর হঠাৎ শরীর খারাপ হয়। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এই ভাষাবিজ্ঞানী।

বহুমাত্রিক লেখক   হুমায়ুন আজাদ   মৃত্যুবার্ষিকী  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

সবুরে কি মেওয়া ফলে?

প্রকাশ: ০৮:১৬ এএম, ১২ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সবুরে কি মেওয়া ফলে?

জিনিস-পাতির দামের ঠেলায়
দেয়ালেতে ঠেকলো পিঠ,
পেট্রোল আর ডিজেলের দাম
দিচ্ছে ঘায়ে নুনের ছিট!

সবাই জানে সিন্ডিকেটের
অভিশপ্ত পেটুক গুলো,
কারণ ছাড়াই বাজার চড়ায়
সবার চোখে দিয়ে ধুলো॥

পেঁয়াজ-আলুর দাম বাড়িয়ে
মুচকি হাসি দিচ্ছে তারা,
যুক্তি দেখায় ওসব নাকি
ইউক্রেন থেকে আনছে তারা!!

জ্বালানীর দাম আকাশ ছোঁয়া
তাইতো তাদের পোয়া বারো,
গরিব লোকের মরণদশা
সেইদিকে হুঁশ নেইকো কারো।

বলছে সবাই সবুর করো
‘সব কিছু ঠিক সয়ে যাবে’
চিড়া-চ্যাপ্টা এই জীবনটা
বলো কবে স্বস্তি পাবে?

গুরুজনেও বলেছিলেন
‘সবুর করলে মেওয়া ফলে’
হে বিধাতা! দাওনা বলে
কোন বাগানে সে ফল ফলে?
————-০—————
ঢাকা, ৯ আগস্ট ২০২২

পেট্রোল   ডিজেল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন