ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনে হামলা করলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারেন পুতিন

প্রকাশ: ০৯:০৮ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনে হামলা করলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারেন পুতিন

রাশিয়ার হস্তক্ষেপ থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্রসহ এককাট্টা হয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। মস্কোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে তারা। ইতোমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বলেছেন, ইউক্রেনে হামলা চালালে রাশিয়ার ওপর নানা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়া হবে। বিবেচনায় আসবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর ব্যক্তিগত নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়টিও। এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে উত্তপ্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গন। রাশিয়ার হস্তক্ষেপ থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব মস্কোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। অন্যদিকে, রাশিয়া বলছে, ইউক্রেনে হামলার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই, বরং যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশই উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেন সীমান্তে লাখো সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। দেশটি সম্প্রতি এ এলাকায় সামরিক মহড়াও শুরু করেছে। এ ছাড়া সীমান্ত এলাকায় যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং উড়োজাহাজ প্রতিরোধী ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোও পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। সব মিলিয়ে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুতিনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি উল্লেখ করেন বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইউক্রেনে হামলা হলে বিশ্বজুড়ে এর ‘পরিণতি হবে ব্যাপক’, যা হতে পারে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় আক্রমণের ঘটনা।’

এ ছাড়া জো বাইডেন বলেন, ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। তবে, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, চলমান উত্তেজনার বিষয়টি মাথায় রেখে সাড়ে আট হাজার সেনাকে সতর্কতায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ইউক্রেনে প্রায় ৯০ টন অস্ত্র-গোলাবারুদ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়ার জন্য ‘অভিনব রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতেও প্রস্তুত।’

ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আপনি এ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বাণিজ্য বিধিনিষেধ হিসেবে ভাবতে পারেন।’

অবশ্য রাশিয়া ক্রিমিয়া দখলের পর যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা মস্কোর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত অকার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল, এবং উপদ্বীপটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণেই থেকে যায়।

বাইডেন   ইউক্রেন   রাশিয়া   যুক্তরাষ্ট্র   পুতিন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভারতে ভূমিধসে নিহত ৫৫

প্রকাশ: ০৬:৫০ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ভারতে ভূমিধসে নিহত ৫৫

ভারতের মনিপুর রাজ্যে ভূমিধসে ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে এই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। প্রবল বর্ষণ ও তার ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে ইতোমধ্যে ৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়া বাকিদের মৃতদেহ উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।

প্রত্যন্ত পাহাড়ি এই জেলার যে এলাকায় ভূমিধস হয়েছে, সেটি জেলার  ও জঙ্গলাকীর্ণ এলাকা এবং সেখানে রেলপথ নির্মাণ কাজ চলছিল বলে জানিয়েছেন জেলার ম্যাজিস্ট্রেট হাউলিয়ানলাল গুইতে। 

ভূমিধসের পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হলেও প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে তাদের পৌঁছাতে কিছু বিলম্ব হয়। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে ১৯ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি জানিয়েছেন, ‘যখন ভূমিধস ঘটে, সেসময় সেখানে ৮১ জন ছিল। এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে জীবিত ও ৭ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি যে ৫৫ জন রয়েছে, তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।’

চলতি মাসে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৭ প্রদেশ (সেভেন সিস্টার্স) ও বাংলাদেশে অস্বাভাবিক পর্যায়ের বর্ষণ হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, ২০২২ সালের জুন মাসে যে পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে বিগত কোনো বছরে এই মাসে এত বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি।

ইতোমধ্যে প্রবল বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসে সেভেন সিস্টার্স ও বাংলাদেশে দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হতাহতদের লোকালয়ে আনতে সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। 

এদিকে, ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ননি জেলার ওই এলাকায় আরও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিয়েছে।

ভারত   মনিপুর   ভুমিধস  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রেকর্ড দরপতনে ডলারের বিপরীতে ৭৯ তে নামলো ভারতীয় রুপি

প্রকাশ: ০৬:০৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail রেকর্ড দরপতনে ডলারের বিপরীতে ৭৯ তে নামলো ভারতীয় রুপি

মার্কিন ডলারের বিপরীতে রেকর্ড পরিমাণ দর কমে ৭৯ রুপিতে নামলো ভারতীয় মুদ্রার মান। বুধবার (২৯ জুন) টানা ছয় সেশনে সর্বকালের সর্বনিম্ন রেকর্ড গড়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি ডলারের বিপরীতে ৭৯ রুপির নিচে নেমেছে ভারতীয় মুদ্রা। সূত্র: এনডিটিভি

বুধবার (২৯ জুন) লেনদেনের শুরুতে প্রতি ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ছিল ৭৮ দশমিক ৮৬। কিন্তু দিনশেষে আরও ১৮ পয়সা কমে এর মান দাঁড়ায় ৭৯ দশমিক ০৩ রুপি, যা ভারতীয় মুদ্রার ক্ষেত্রে সর্বকালের নতুন সর্বনিম্ন রেকর্ড। এমনকি লেনদেনের একপর্যায়ে মার্কিন মুদ্রার বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ৭৯ দশমিক ০৫-এ নেমে গিয়েছিল, যা এবারই প্রথম। মঙ্গলবার (২৮ জুন) ৪৮ পয়সা কমে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান দাঁড়িয়েছিল রেকর্ড ৭৮ দশমিক ৮৫ রুপিতে। এই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৯ জুন) টানা ছয় সেশনে দর পতনের নতুন রেকর্ড গড়লো দেশটি। 

অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানিপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোর কারণে ভারতীয় রুপির দরপতন ঘটছে। অবশ্য শুধু ভারতেরই নয়, এশিয়ার প্রায় সব দেশের মুদ্রার মানই বর্তমানে নিম্নমুখী। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, এমনকি চীন-জাপানের মুদ্রারও অবমূল্যায়ন ঘটেছে।

এইচডিএফসি সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক দিলীপ পারমার পিটিআই’কে বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় রুপির জন্য তেমন কোনো সুখবর নেই। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এর মান আরও কমে ৭৯ দশমিক ১০ রুপি দেখা যেতে পারে।

রুপির দরপতন ঠেকাতে সম্প্রতি হস্তক্ষেপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বাজার বিশ্লেষকদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, রুপির দরপতন ঠেকাতে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) নীতি পরিবর্তন করা দরকার। তাদের মতে, আরবিআইর নীতি রুপির দরপতনকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

ভারত   রুপি   দরপতন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৪:২২ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

ইউক্রেনের স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া এমনটাই জানিয়েছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 

ইউক্রেন কর্তৃপক্ষও রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, স্নেক দ্বীপে এখন আর কোনো রুশ সেনা নেই। 

রুশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ভালো আচরণ হিসেবে রাশিয়া আজ পরিপূর্ণভাবে স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।’

খাদ্য সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে স্নেক দ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। 

এদিকে রুশ সেনা প্রত্যাহারের ঘটনায় ইউক্রেনীয় সেনাদের কৃতিত্বের কথা জানিয়েছে ইউক্রেন প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে দ্বীপটিকে রক্ষার চেষ্টা করেছিল ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। রুশ সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য ইউক্রেন সরকার সব কৃতিত্ব দিয়েছে ইউক্রেন সেনাদের।

ইউক্রেন   স্নেক দ্বীপ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

চীনকে হুমকি হিসাবে দেখছে ন্যাটো

প্রকাশ: ০৪:০৪ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail চীনকে হুমকি হিসাবে দেখছে ন্যাটো

প্রথমবারে মতো চীনকে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ন্যাটো। চীনের জবরদস্তিমূলক নীতি ও ‍উচ্চাভিলাষের জন্য পশ্চিমা এই সামরিক জোট চীনকে তাদের কৌশলগত তালিকায় জায়গা দিয়েছে।

মাদ্রিদের ন্যাটো সম্মেলন থেকে প্রকাশিত একটি তালিকায় দেখা গেছে, রাশিয়াকে শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য প্রত্যক্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ হুমকি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ন্যাটো।

অন্যদিকে, তাইওয়ানের সাথে সংঘাতের কারণে চীনকেও  সামরিক উচ্চাভিলাষী ও কৌশলগত হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে ন্যাটো। ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টোলেনবার্গ বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্র, প্রতিবেশীদের হেনস্তা, তাইওয়ানকে হুমকি দেওয়াসহ চীন তাদের সামরিক শক্তি ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছে। এছাড়াও নিজেদের নাগরিকদেরও নজদারির মতো কর্মকাণ্ড ও নিয়ন্ত্রণ করে চীন। সাথে রাশিয়ার মতো চীনও মিথ্যা তথ্য ছড়ায়।’ 

ন্যাটো মহাসচিব আরও বলেন, ‘চীন আমাদের প্রতিপক্ষ নয় কিন্তু আমরা চীনের সৃষ্টি করা চ্যালেঞ্জকে গুরুত্বের সাথেই চোখ রাখছি।’


সূত্র: আল জাজিরা


ন্যাটো   চীন   রাশিয়া   আমেরিকা   বিশ্বরাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

১৪৪ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া

প্রকাশ: ০২:৫৬ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ১৪৪ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া

বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে ইউক্রেনের ১৪৪ জন সেনাকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

রাশিয়ার কাছ থেকে ছাড়া পাওয়া এসব সেনাদের মধ্যে মারিউপোলের সেই আজভস্টাল ইস্পাত কারখানা থেকে আটক যোদ্ধাদের ৯৫ জন রয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা সংক্ষিপ্তভাবে জিইউআর নামে পরিচিত। বুধবার (২৯ জুন) টেলিগ্রামে সংস্থাটি জানায়, মুক্তি পাওয়া ইউক্রেনীয় সেনাদের বেশিরভাগই গুরুতরভাবে আহত। তাদের কেউ বন্দুকের গুলি, বিস্ফোরণের আঘাত, পোড়া, হাড় ভেঙ্গে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত।

রয়টার্স বলছে, বন্দি বিনিময় নিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে পূর্ব ইউক্রেনের স্ব-ঘোষিত দোনেতস্ক পিপলস রিপাবলিকের প্রধান বলেছেন, তারা নিজেদের যোদ্ধা এবং রুশ সেনাবাহিনীর সদস্যসহ ১৪৪ সেনার মুক্তি নিশ্চিত করেছে।

তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর একই সংখ্যক বন্দিকে কিয়েভের কাছে হস্তান্তর করেছি। এসব বন্দিদের বেশিরভাগই আহত ছিলেন।’ 

আরও শতাধিক ইউক্রেনীয় এখনও পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়া এবং তার মস্কোপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্তৃপক্ষের হাতে বন্দি রয়েছেন বলে মনে করা হয়। তবে তাদের সঠিক অবস্থান এখনও জানা যায়নি।

ডয়চে ভেলে বলছে, ইউক্রেন প্রশাসন প্রথম জানায়, ১৪৪ জন সেনাকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে মারিউপোলের সেই আজভস্টাল স্টিল কারখানা থেকে আটক যোদ্ধাদের ৯৫ জন আছেন। যদিও প্রাথমিকভাবে রাশিয়া জানিয়েছিল, তাদের মুক্তি দেওয়া হবে না।

এমনকি রাশিয়ার আদালতে ওই যোদ্ধাদের বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। তাদের মৃত্যুদণ্ডের দাবিও তুলেছিল রাশিয়া। ফলে সেখান থেকে ৯৫ জনকে দেশে ফেরানো বড় জয় হিসেবেই দেখছে ইউক্রেন।

অন্যদিকে রাশিয়াপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ডেনিস পুশিলিন জানিয়েছেন, রাশিয়া এবং দোনেতস্ক পিপলস রিপাবলিকের ১৪৪ জন বন্দি যোদ্ধা দেশে ফিরেছেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধাদের ইউক্রেনের জেল থেকে ছাড়িয়ে নিতে পারাকে জয় হিসেবেই দেখছে রাশিয়া। 


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন