ইনসাইড পলিটিক্স

কেন মায়া-কামরুল প্রেসিডিয়াম সদস্য হতে পারলেন না?

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail কেন মায়া-কামরুল প্রেসিডিয়াম সদস্য হতে পারলেন না?

১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠক চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে ব্রেকিং নিউজ হিসেবে আসে খায়রুজামান লিটন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম নতুন প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। পরদিন দেশের সবগুলো গণমাধ্যমেও এই খবরটি প্রকাশিত হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো প্রতিবাদ দেওয়া হয়নি বা আওয়ামী লীগের কোনো নেতাও এই বক্তব্যকে অস্বীকার করেনি। কিন্তু দীর্ঘ দুই মাস অপেক্ষার পর যখন দেখা গেলো যে, খায়রুজ্জামান লিটন প্রেসিডিয়ামের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির চিঠি পেয়েছেন দলের দপ্তর সম্পাদকের পক্ষ থেকে, তখন অন্য দুই নেতা যাদের নাম গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, মায়া এবং কামরুল, তারা কোনো চিঠি পাননি। তারা দুজনেই আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দপ্তর সম্পাদক তাদেরকে জানান যে, এরকম কোনো তথ্য তার কাছে নেই। তাহলে কি হয়েছিল সেদিন? এটি কি শুধুমাত্র মিডিয়ার প্রচারণা নাকি কার্যনির্বাহী কমিটিতে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছিল?

আওয়ামী লীগের ১৯ নভেম্বর কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যবিবরণীতে দেখা যায় যে, মোফাজ্জাল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের প্রেসিডিয়াম সদস্যভুক্তির কোনো বিষয় সেখানে আলোচনায় নেই। বরং ওই কার্যবিবরণীতে সুস্পষ্টভাবে দেখা যায় যে, খায়রুজ্জামান চৌধুরী লিটনকেই প্রেসিডিয়ামের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছিল। তাহলে মায়া এবং কামরুলের নাম এলো কিভাবে? 

এ ব্যাপারে বাংলা ইনসাইডার অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, বিভিন্ন পর্যায়ের প্রেসিডিয়ামের সদস্য হিসেবে কাকে অন্তর্ভুক্ত করা যায় এবং কারা প্রেসিডিয়ামের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এ নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করেছিলেন। আওয়ামী লীগের অনেক নেতা এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে বিভিন্ন রকম নাম বলেছিলেন। এই নামের মধ্যে অ্যাডভোকেট কামরুল এবং মোফাজ্জল হোসেন মায়ার নামও ছিলো বলে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলেছে। আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের ফাঁকেই এই দুইজনের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতি বা কার্যনির্বাহী কমিটি এই প্রস্তাব গ্রহণ-বর্জন কিছুই করেনি। কিন্তু বিপত্তি দাঁড়ায় তখনই, যখন এই দুটি নাম গণমাধ্যমে চলে আসে।

বিশেষ করে কার্যনির্বাহী কমিটিতে যখন বিষয়টি অনুমোদিতই হয়নি, তারপরে যখন গণমাধ্যমে চলে আসে তখন আওয়ামী লীগ সভাপতি এ ব্যাপারে ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি একটু অসন্তুষ্ট হন এবং ধারণা করা হচ্ছে যে, যে দুইজনের নাম আলোচনা হচ্ছিলো তাদের কেউই এটি গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে। অথবা যারা এই নামগুলো প্রস্তাব করেছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতির কাছে অনানুষ্ঠানিকভাবে, তারা এটি গণমাধ্যমকে জানিয়ে দিয়েছে। আর এ কারণেই আওয়ামী লীগ সভাপতি এই দুটি প্রেসিডিয়ামের পদে তাদের চিঠি দেওয়া স্থগিত করেছেন এবং তাদেরকে প্রেসিডিয়ামের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি। এখানে আওয়ামী লীগ সভাপতি দুটি বার্তা দিয়েছেন বলে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেছেন।

প্রথমত, কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হওয়ার আগে তা ফাঁস হয়ে যাওয়া দলের জন্য গুরুতর একটি সতর্কবার্তা। আর এ কারণেই তিনি ফাঁস হয়ে যাওয়া বিষয়টিকে হজম করেননি। বরং যেহেতু এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে ফাঁস হয়ে গেছে, তাই তিনি এটি আর গ্রহণ করতে রাজি নন।

দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রেসিডিয়ামের সদস্য অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে বিকল্প চিন্তা করেছেন। তিনি আসলে শুধুমাত্র খায়রুজ্জামান লিটনকেই প্রেসিডিয়াম সদস্য করার ক্ষেত্রে সম্মতি দিয়েছেন। বাকি দুইজনের ব্যাপারে তিনি সম্মতি দেননি। এখানে তার ভিন্ন চিন্তা আছে।

উল্লেখ্য যে, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, মোহাম্মদ নাসিম এবং আব্দুল মতিন খসরুর মৃত্যুর কারণে প্রেসিডিয়ামের তিনটি পদ শূন্য হয়। এখন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং জাতীয় চার নেতার অন্যতম কামরুজ্জামানের পুত্র খায়রুজামান লিটনকে প্রেসিডিয়ামের সদস্য করার মধ্য দিয়ে একটি পদ পূরণ হলো। বাকি দুটি পদে আওয়ামী লীগের কে আসবে, তা নিয়ে এখন আওয়ামী লীগের মধ্যেই নানারকম জল্পনা-কল্পনা চলছে।

আওয়ামী লীগ   প্রেসিডিয়াম সদস্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সন্ধ্যায় নির্মল রঞ্জন গুহ’র মরদেহ ঢাকায় আসছে

প্রকাশ: ০৩:২৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail সন্ধ্যায় নির্মল রঞ্জন গুহ’র মরদেহ ঢাকায় আসছে

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আসছে। এরপর রাতে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে তার মরদেহ রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসভবনে রাখা হবে।

শুক্রবার (১ জুলাই) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি থেকে শবযাত্রা শুরু হবে। বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেওয়া হবে। পরে ঢাকার দোহারে তার নিজ গ্রামে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

এদিকে, সংগঠনের সভাপতির মৃত্যুতে আগামী তিনদিন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা, থানা ও ওয়ার্ড কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুন) সকালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন নির্মল রঞ্জন গুহ। তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নির্মল রঞ্জন গুহকে গত ১২ জুন দিনগত রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। হার্টে দুটি ব্লক ধরা পড়লে সেখানে রিং বসানো হয়। তাতেও অবস্থার উন্নতি হয়নি।

পরবর্তীসময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৬ জুন দুপুরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এরআগেও তিনি হার্টের সমস্যায় ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

নির্মল রঞ্জন গুহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

প্রকাশ: ০৯:৩০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, চলতি বাজেট অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনা না হয়ে পদ্মা সেতু, খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে। এই অধিবেশনকে বাজেট অধিবেশন না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের অর্থ বিলে আপত্তি জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

রুমিন ফারহানা বলেন, এ অধিবেশনে যদি ১০ শতাংশ সময় বাজেট নিয়ে ব্যয় করা হয়, তবে ৯০ শতাংশ সময় ব্যয় করা হয়েছে পদ্মা সেতু, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আলোচনায় এবং বিএনপির সমালোচনায়। 

তিনি বলেন, পাকিস্তানি লেখক ড. মালিকা-ই-আবিদা খাত্তাককে ধন্যবাদ দিতে চাই। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একখানা কলাম লিখেছিলেন বলে আওয়ামী লীগের সমস্ত মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে নেতারা পদ্মা সেতু নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের আঙ্গিকে গর্ব করতে পারছেন।

দেশের অর্থনীতিতে সমস্যা হচ্ছে মূল্যস্ফীতি- জানিয়ে এ সংসদ সদস্য বলেন, আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্যহীনতা, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, রিজার্ভ আশঙ্কাজনকভাবে কমতে থাকা- এ বিষয়গুলোতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা আমরা পাইনি।

করোনায় দারিদ্র্যসীমার নিচে কত শতাংশ মানুষ গিয়েছে সেই হিসাব সরকারের কাছে নেই বলে জানান রুমিন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে জিডিপি অনুপাতে বরাদ্দ কমেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সব সময় কালোটাকা সাদা করতে গিয়ে নানা সমালোচনায় অর্থমন্ত্রীদের পড়তে হয়। এবারের অর্থমন্ত্রী সেই পথে হাঁটেননি। তিনি টাকা পাচারকেই বৈধতা দিয়েছেন। যাতে লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার করে ৭ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ হারে কর দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা যায়। তিনি (অর্থমন্ত্রী) বলতে চাচ্ছেন এইভাবে পাচার করা টাকা বিদেশ থেকে দেশে ফিরবে। পাচারকারীরা তো দেশে ফেরত আনার জন্য পাচার করে না। এ সুযোগের মাধ্যমে পাচারকারীরা নিশ্চিন্ত হবে, উৎসাহিত হবে।


অধিবেশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ড. ইউনুস, হিলারি ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি নিক্সন চৌধুরীর

প্রকাশ: ০৬:৩১ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ড. ইউনুস, হিলারি ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি নিক্সন চৌধুরীর

পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ ও সেতু নির্মাণ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ড. মোহাম্মদ ইউনূস, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন ও ইংল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরির ওপরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে এসব ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে এসে নতুন করে কোনো ষড়যন্ত্রের সুযোগ পাবে না।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, ইতোমধ্যেই কানাডার আদালতে প্রমাণ হয়েছে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয় নাই। তাহলে কোনো অপরাধ ছাড়া কেন আমাদের এই ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে বাধা দেয়ার জন্য দেশে বিদেশে যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরকে রাষ্ট্রোদ্রহিতার মামলা দিয়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ড. ইউনূস ও এতিমের টাকা মেরে খাওয়া তারেক জিয়া।

তিনি আরও বলেন, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি মানবিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

নিক্সন চৌধুরী   ড. ইউনুস   হিলারি   টনি ব্লেয়ার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ খালেদা জিয়ার অনুসারী: নৌ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩:০০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ খালেদা জিয়ার অনুসারী: নৌ প্রতিমন্ত্রী

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুসারী।

বুধবার (২৯ জুন) সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘পদ্মা সেতু: সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন নেত্রী বলেছিলেন পদ্মা সেতু জোড়া তালি দিয়ে বানানো হচ্ছে আপনারা এতে উঠবেন না। সেই কথা প্রমাণ করতে তারই এক অনুসারী পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে নিয়েছে। অসুস্থ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে তারা এমনটা করতে পারে। নাট-বল্টু পদ্মা সেতুর অলংকার। অলংকার নারীর সৌন্দর্য। নারীর অলংকার যদি কেউ খুলে নিতে চায় তাকে আমরা ছিনতাইকারী বলি। পদ্মার নাট-বল্টু খুলে ছিনতাইকারীর মতন কাজ করেছে। তবে এসব করে আমাদের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে আরও বেশি পরিচিত হতে পারছে। বর্তমানে বাংলাদেশে পদ্মাসেতু থেকেও বড় প্রজেক্ট চলমান আছে। পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল। ড. মোহাম্মদ ইউনুস ছিলেন ষড়যন্ত্রের মূল হোতা। তার সঙ্গে পরবর্তীতে যোগ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তারা চেয়েছিল বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করতে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শম রেজাউল করিম, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সম্প্রতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। 


নৌ প্রতিমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ফের করোনায় আক্রান্ত বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

প্রকাশ: ১২:২৪ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ফের করোনায় আক্রান্ত বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

দ্বিতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে বনানীর প্রভা হেলথ সেন্টারে করোনা পরীক্ষার নমুনা দেন তিনি। রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে।

এ বিষয়ে আলাল জানান, নিয়মিত চিকিৎসা নিতে ১৩ জুন ভারত যাচ্ছিলেন। তবে তাকে যেতে না দিয়ে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে আবার ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে পরীক্ষা করতে গেলে তার করোনা ধরা পড়ে।

এর আগে ২০২০ সালের ২ নভেম্বর করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

বিএনপি নেতা   মোয়াজ্জেম হোসেন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন