ইনসাইড পলিটিক্স

বেগম জিয়ার পরিণতি কী হবে?

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail বেগম জিয়ার পরিণতি কী হবে?

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিস্মৃত অধ্যায় হতে চলেছেন বেগম খালেদা জিয়া। ১৩ নভেম্বর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রথমে তাকে নিয়ে বিএনপি নেতাদের আবেগ-উচ্ছ্বাস থাকলেও এখন সে আবেগ-উচ্ছ্বাসে ভাটা পড়ে গেছে। বেগম খালেদা জিয়ার খোঁজ-খবর নেওয়ার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। তার প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী কিছুদিন তার সঙ্গে ছিলেন কিন্তু তিনিও এখন দেশে ফিরে গেছেন। মূলত তার ভাই শামীম এস্কান্দার, তার স্ত্রী এবং তাঁর বোন সেলিনা ইসলামই বেগম খালেদা জিয়াকে দেখভাল করছেন। তাকে নিয়ে যে রাজনীতির আবেগ উত্তাপ ছড়ানোর চেষ্টা করেছিল বিএনপি, সেই আবেগ উত্তাপে এখন ভাটা পড়েছে। মিথ্যা এবং এবং ভুল তথ্য দেয়ার কারণে সাধারণ জনগণও বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে এখন আর আগ্রহী নয়। এরকম পরিস্থিতির মধ্যেই রাজনীতিতেও বেগম খালেদা জিয়া একেবারে কর্তৃত্বহীন হয়ে পড়েছেন। বিএনপি এখন চালাচ্ছে লন্ডন থেকে তারেক জিয়া। বেগম খালেদা জিয়ার সেখানে কোনো ভূমিকা নেই বললেই চলে। দলে যেমন তিনি অপাংক্তেয় তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও তিনি বিস্মৃতপ্রায়।

বেগম খালেদা জিয়ার যে আপোষহীন ইমেজ ছিলো তা ভুলন্ঠিত হয়ে গেছে ২০২০ সালে সরকারের সাথে মুচলেকা দিয়ে জামিন নেওয়ার কারণে। এখন সকলের প্রশ্ন, বেগম খালেদা জিয়ার পরিণতি কী হবে? তিনি কি এখন বাকি জীবন এভাবেই কাটাবেন, নাকি রাজনীতিতে তার পুনরুত্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন যে, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতির অধ্যায় এখানেই শেষ। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন না দেন, তিনি যে আর রাজনীতিতে আলো ছড়াবেন না এটা মোটামুটি নিশ্চিত। বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের এই করুণ পরিণতি তার কিছু ভুলের জন্য সংগঠিত হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। অন্যদিকে, তারেক জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার ইমেজের চেয়ে নিজের ইমেজ বৃদ্ধিতে মনোযোগী এবং দলে খালাদাপন্থী হিসেবে যারা পরিচিত ছিলো, তাদেরকে কঠোর হস্তে দমনেও বদ্ধপরিকর। ফলে বিএনপিতে খালেদা যুগের অবসান হয়ে গেছে বলেই মনে করছেন অনেকে। বিশেষ করে ২০১৮ সালের পর থেকে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কর্তৃত্ব শূন্যতার সীমারেখা স্পর্শ করেছে। দলে কর্তৃত্বহীন থাকার কারণে দলের নেতারা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য যে আন্দোলন বেগবান করতে চান সেটিও করতে পারছেন না। ফলে পুরো পরিস্থিতি এখন খালেদা জিয়ার প্রতিকূলে।

বেগম খালেদা জিয়া সরকারের কৃপায় জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তাকে জেল থেকে ছাড়ানোর জন্য বিএনপি যে আন্দোলন করে সেই আন্দোলনও মুখ থুবরে পড়ে। অর্থাৎ রাজনৈতিকভাবে বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের পরেই মৃতপ্রায় হয়ে গেছেন। অনেকেই মনে করেছিলো, বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হলে সারাদেশে জ্বালাও-পোড়াও হবে, আগুন হবে, গণবিস্ফোরণ হবে। কিন্তু তেমন কিছুই হয়নি। বরং মানুষ স্বাভাবিকভাবে এটি মেনে নিয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। বিশেষ করে বিভিন্ন দেশে যখন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য বিএনপি নেতারা দেন-দরবার করেছেন তখন এটাকে সরকারের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং বিচার বিভাগের বিষয় বলে আন্তর্জাতিক মহল এড়িয়ে গেছে। এ রকম পরিস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া এখন একজন অনাহুত রাজনীতিবিদ হিসেবে দিন কাটাচ্ছেন। তার বিদেশ যাওয়ার জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সেই উদ্যোগও শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেছে। সরকার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চাইনি, তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন তারপরও আগামী নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া হবেন তুরুপের তাস।

বিএনপি এখন বলছে যে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না। কিন্তু আগামী নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়াই হতে পারেন এই নির্বাচনে বিএনপিকে আনার ক্ষেত্রে ট্রাম্পকার্ড। সরকার হয়তো সেরকম একটি বিবেচনা থেকেই বেগম খালেদা জিয়াকে তার আওতার মধ্যে রেখেছে, চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে দেয়নি। বেগম খালেদা জিয়া হয়তো তাকে সুরক্ষার জন্য দলকে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিবেন, এমনটি আশা করছেন সরকারের অনেকে। আর সে কারণেই বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক পরিণতির জন্য আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

খালেদা জিয়া   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সন্ধ্যায় নির্মল রঞ্জন গুহ’র মরদেহ ঢাকায় আসছে

প্রকাশ: ০৩:২৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail সন্ধ্যায় নির্মল রঞ্জন গুহ’র মরদেহ ঢাকায় আসছে

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আসছে। এরপর রাতে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে তার মরদেহ রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসভবনে রাখা হবে।

শুক্রবার (১ জুলাই) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি থেকে শবযাত্রা শুরু হবে। বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেওয়া হবে। পরে ঢাকার দোহারে তার নিজ গ্রামে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

এদিকে, সংগঠনের সভাপতির মৃত্যুতে আগামী তিনদিন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা, থানা ও ওয়ার্ড কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুন) সকালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন নির্মল রঞ্জন গুহ। তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নির্মল রঞ্জন গুহকে গত ১২ জুন দিনগত রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। হার্টে দুটি ব্লক ধরা পড়লে সেখানে রিং বসানো হয়। তাতেও অবস্থার উন্নতি হয়নি।

পরবর্তীসময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৬ জুন দুপুরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এরআগেও তিনি হার্টের সমস্যায় ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

নির্মল রঞ্জন গুহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

প্রকাশ: ০৯:৩০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, চলতি বাজেট অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনা না হয়ে পদ্মা সেতু, খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে। এই অধিবেশনকে বাজেট অধিবেশন না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের অর্থ বিলে আপত্তি জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

রুমিন ফারহানা বলেন, এ অধিবেশনে যদি ১০ শতাংশ সময় বাজেট নিয়ে ব্যয় করা হয়, তবে ৯০ শতাংশ সময় ব্যয় করা হয়েছে পদ্মা সেতু, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আলোচনায় এবং বিএনপির সমালোচনায়। 

তিনি বলেন, পাকিস্তানি লেখক ড. মালিকা-ই-আবিদা খাত্তাককে ধন্যবাদ দিতে চাই। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একখানা কলাম লিখেছিলেন বলে আওয়ামী লীগের সমস্ত মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে নেতারা পদ্মা সেতু নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের আঙ্গিকে গর্ব করতে পারছেন।

দেশের অর্থনীতিতে সমস্যা হচ্ছে মূল্যস্ফীতি- জানিয়ে এ সংসদ সদস্য বলেন, আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্যহীনতা, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, রিজার্ভ আশঙ্কাজনকভাবে কমতে থাকা- এ বিষয়গুলোতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা আমরা পাইনি।

করোনায় দারিদ্র্যসীমার নিচে কত শতাংশ মানুষ গিয়েছে সেই হিসাব সরকারের কাছে নেই বলে জানান রুমিন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে জিডিপি অনুপাতে বরাদ্দ কমেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সব সময় কালোটাকা সাদা করতে গিয়ে নানা সমালোচনায় অর্থমন্ত্রীদের পড়তে হয়। এবারের অর্থমন্ত্রী সেই পথে হাঁটেননি। তিনি টাকা পাচারকেই বৈধতা দিয়েছেন। যাতে লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার করে ৭ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ হারে কর দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা যায়। তিনি (অর্থমন্ত্রী) বলতে চাচ্ছেন এইভাবে পাচার করা টাকা বিদেশ থেকে দেশে ফিরবে। পাচারকারীরা তো দেশে ফেরত আনার জন্য পাচার করে না। এ সুযোগের মাধ্যমে পাচারকারীরা নিশ্চিন্ত হবে, উৎসাহিত হবে।


অধিবেশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ড. ইউনুস, হিলারি ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি নিক্সন চৌধুরীর

প্রকাশ: ০৬:৩১ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ড. ইউনুস, হিলারি ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি নিক্সন চৌধুরীর

পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ ও সেতু নির্মাণ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ড. মোহাম্মদ ইউনূস, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন ও ইংল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরির ওপরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে এসব ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে এসে নতুন করে কোনো ষড়যন্ত্রের সুযোগ পাবে না।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, ইতোমধ্যেই কানাডার আদালতে প্রমাণ হয়েছে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয় নাই। তাহলে কোনো অপরাধ ছাড়া কেন আমাদের এই ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে বাধা দেয়ার জন্য দেশে বিদেশে যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরকে রাষ্ট্রোদ্রহিতার মামলা দিয়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ড. ইউনূস ও এতিমের টাকা মেরে খাওয়া তারেক জিয়া।

তিনি আরও বলেন, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি মানবিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

নিক্সন চৌধুরী   ড. ইউনুস   হিলারি   টনি ব্লেয়ার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ খালেদা জিয়ার অনুসারী: নৌ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩:০০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ খালেদা জিয়ার অনুসারী: নৌ প্রতিমন্ত্রী

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুসারী।

বুধবার (২৯ জুন) সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘পদ্মা সেতু: সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন নেত্রী বলেছিলেন পদ্মা সেতু জোড়া তালি দিয়ে বানানো হচ্ছে আপনারা এতে উঠবেন না। সেই কথা প্রমাণ করতে তারই এক অনুসারী পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে নিয়েছে। অসুস্থ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে তারা এমনটা করতে পারে। নাট-বল্টু পদ্মা সেতুর অলংকার। অলংকার নারীর সৌন্দর্য। নারীর অলংকার যদি কেউ খুলে নিতে চায় তাকে আমরা ছিনতাইকারী বলি। পদ্মার নাট-বল্টু খুলে ছিনতাইকারীর মতন কাজ করেছে। তবে এসব করে আমাদের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে আরও বেশি পরিচিত হতে পারছে। বর্তমানে বাংলাদেশে পদ্মাসেতু থেকেও বড় প্রজেক্ট চলমান আছে। পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল। ড. মোহাম্মদ ইউনুস ছিলেন ষড়যন্ত্রের মূল হোতা। তার সঙ্গে পরবর্তীতে যোগ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তারা চেয়েছিল বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করতে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শম রেজাউল করিম, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সম্প্রতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। 


নৌ প্রতিমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ফের করোনায় আক্রান্ত বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

প্রকাশ: ১২:২৪ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ফের করোনায় আক্রান্ত বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল

দ্বিতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে বনানীর প্রভা হেলথ সেন্টারে করোনা পরীক্ষার নমুনা দেন তিনি। রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে।

এ বিষয়ে আলাল জানান, নিয়মিত চিকিৎসা নিতে ১৩ জুন ভারত যাচ্ছিলেন। তবে তাকে যেতে না দিয়ে বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) উচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে আবার ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে পরীক্ষা করতে গেলে তার করোনা ধরা পড়ে।

এর আগে ২০২০ সালের ২ নভেম্বর করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

বিএনপি নেতা   মোয়াজ্জেম হোসেন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন